শৈল্পিক.কম

শৈল্পিক.কম এখানে সকল প্রকার তাঁতের লুঙ্গি ও শাড়ি একদম পাইকারি মূল্য নিতে পারবেন। পাওয়ার লুমের তৈরী লুঙ্গি ও শাড়ি পাকা রং এবং টেকসই। Nearest Shernagar community clinic

16/12/2024
24/11/2024

বাংলাদেশী সকল সম্প্রদায়ের পুরুষদেরই পরতে দেখা যায়, যদিও এটি কোন বিশেষ অনুষ্ঠান বা দিনে পরা হয় না। বাংলাদেশে লুঙ্গি বেশিরভাগ পুরুষই দৈনন্দিন নিত্য ব্যবহার্য পোশাক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। সুতায় নকশা করা, বাটিক করা অথবা সিল্কের লুঙ্গি কখনও কখনও বিয়ের উপহার হিসেবে বরকে দেওয়া হয়। কোন বিশেষ দিন উপলক্ষে শিক্ষক এবং মসজিদের ইমামদের লুঙ্গি উপহারের রীতি এখনও চালু আছে। যদিও বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের উপজাতীয় মহিলারা লুঙ্গির মত দেখতে একই রকম একটি পোশাক পরিধান করেন, তবে বাঙালি মহিলারা লুঙ্গি পরিধান করেন না। উপজাতীয়দের কাছে এ পোশাক থামি নামে পরিচিত। প্রতিবেশী দেশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পুরুষের দৈনন্দিন পোশাক হিসেবে ধুতির পরিবর্তে লুঙ্গির জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কোন কোন বাঙালি লুঙ্গি পরেন না, কারণ তারা মনে করেন লুঙ্গি খুবই অনানুষ্ঠানিক এবং মানানসই নয়, যদিও এটি আরামদায়ক এবং অনেকেই ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশে ধীরে ধীরে লুঙ্গির ব্যবহার কমে আসছে, কিন্তু তা এখনও বাংলাদেশের অধিকাংশ পুরুষের পরিচ্ছেদ পোশাক।
ভিডিও সংগৃহীত ঃ
Panoroma Documentary

লুঙ্গি কিংবা শাড়ি নিয়ে অনেক কথা তো বলা হয়েছে। এবার আমাদের গ্রামের খুব পরিচিত দৃশ্য, সুতার রং করা নিয়ে কিছু বলি।তার আগে, ...
21/11/2024

লুঙ্গি কিংবা শাড়ি নিয়ে অনেক কথা তো বলা হয়েছে। এবার আমাদের গ্রামের খুব পরিচিত দৃশ্য, সুতার রং করা নিয়ে কিছু বলি।

তার আগে, ধান ভানতে শিবের গীত!

এবারের ঈদে আলোচনার বিষয় ছিল, ভারতে গিয়ে কেনাকাটা। ৬০০ কোটি টাকার উপরে নাকি কেনাকাটা করেছে বাংলাদেশীরা। অনেকের অভিযোগের মধ্যে ছিল, বাংলাদেশী বুটিকের কাপড়ের দাম বেশি। একবার ধুয়ে দিলে ত্যানা ত্যানা হয়, রং ওঠে ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমাদের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জে। গ্রামের নাম বেলকুচি। বলতে গেলে গ্রামের প্রতিটি বাড়িতেই তাঁত আছে। আমাদের নিজেদের বাড়িতেও তাঁত আছে। একসময় তাঁতে শাড়ি বানানো হতো। এখন অবশ্য লুঙ্গি বানানো হয়। এই লুঙ্গিগুলোর দাম ২৫০-৩০০ টাকা পিস। ৫ হাত সাইজ (৯০ ইঞ্চি X ৪৮ ইঞ্চি)। এই লুঙ্গিগুলোর রং কখনো উঠতে দেখিনি। অথচ হাজার টাকা দামের বুটিকের জামার রং এক ধোয়া দিলেই উঠে যায়।

কিছুদিন আগে গ্রামের বাড়ি গেছিলাম। তখন ছবিগুলো তুলেছি। দেখুন, ট্র্যাডিশনাল পদ্ধতিতে তারা কীভাবে সুতা রংয়ের কাজ করেন। যারা সুতা রংয়ের কাজ করেন, তাদের বলা হয় রংমিন্ত্রী। এদের হাত মনে হয় জাদুর হাত। কম্পিউটারাইজ কোনো পদ্ধতি এরা ফলো করেন না। অথচ চামচ আর চোখের আন্দাজ মিলিয়ে ঠিক ঠিক কম্বিনেশন করে ফেলেন। রং-ও টেকসই হয়।

অথচ দেখুন আমরা হাল ফ্যাশনের বুটিক শপ থেকে যেসব খ্রি পিস কিনি, সেগুলোর কোনো কোনোটির রং এক ধোয়াতেই উঠে যায়। বুটিক শপের মালিকেরা অভিযোগ করেন, ক্রেতারা বেশি দামের পণ্য কিনতে চান না, তাই তাদের কম্পোমাইজ করতে হয়। তাহলে ২৫০-৩০০ টাকা দামের লুঙ্গির রং কেন ওঠে না! আপনাদের কাছে এর কোনো উত্তর আছে?

তাঁতশিল্পের একটি পণ্য, অর্থাৎ তাঁতের সুতি শাড়িকেই বেশিরভাগ মানুষ তাঁতের কাপড় বলে জানলেও এ শিল্পের রয়েছে বহু ভিন্নতা, ...
21/11/2024

তাঁতশিল্পের একটি পণ্য, অর্থাৎ তাঁতের সুতি শাড়িকেই বেশিরভাগ মানুষ তাঁতের কাপড় বলে জানলেও এ শিল্পের রয়েছে বহু ভিন্নতা, বহু বাহারি পণ্যের পসরা। এসব বস্ত্রের মধ্যে রয়েছে দেবদাস, জরিপাড়, ইক্কাত, মণিপুরি, কটকি, কুমকুম, নীলাম্বরী, সানন্দা, গ্রামীণ চেকসহ আরো অনেক ধরনের কাপড়। এমনকি শুধু কাপড়ই নয়, তাঁতে বোনা হয় কম্বল, কার্পেট। নারকেলের ছোবড়া দিয়ে তাঁতে বোনা পাপোশও রয়েছে। সবটাই নির্ভর করে তাঁতীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর। তাঁতে কাপড় বা অন্য পণ্য বোনার বিষয়টি বেশ জটিল। একটু ভুল হলেই পুরোটা গোলমাল। তাঁতে সাধারণত লম্বা করে টানটান করে রাখা সুতার মধ্য দিয়ে আড়াআড়ি বা আনুভূমিক সুতা প্রবেশ করিয়ে কাপড় তৈরি করতে হয়। লম্বালম্বি সুতোগুলোকে বলা হয় ‘টানা’, আর এর মধ্য দিয়ে প্রবেশ করানো আড়াআড়ি সুতোগুলোর নাম ‘পোড়েন’।

একেকটি তাঁতের শাড়ির দাম সাধারণত চারশো থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে ফ্যাশন হাউজগুলো যখন তাঁতীদের কাছ থেকে অনেকটা কম দামে শাড়ি নিয়ে আসেন, ঝলমলে শো-রুমে অন্যান্য হরেক পণ্যের মতো দাম বেড়ে যায় তাঁতের শাড়িরও। এছাড়া ঢালাওভাবে বাণিজ্যিকীকরণের জন্য অনেকসময় তাঁতের সেই আদি রূপটি কিছুটা হলেও হারিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। কিন্তু এই বদলটাও সময়েরই প্রয়োজন বলে তাঁতী, বিক্রেতা ও ক্রেতা– সব পক্ষই মেনে নেয়।

একসময় যেমন শুধু হাতে চালানো তাঁতই ছিল এ শিল্পের কারিগরি। পরবর্তীতে তাতে যোগ হয়েছে বিদ্যুৎচালিত পাওয়ারলুম তাঁতের ব্যবহার। হস্তচালিত এবং পাওয়ারলুম– এই দুই ধরনের সমন্বয়ে তাঁতশিল্প আরো বেশি বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠেছেএবং আধুনিক পোশাক চাহিদার সাথেও তাল মেলাতে পেরেছে। অন্য যেকোনো শিল্পের মতোই তাঁতশিল্প যত সামনে এগিয়েছে, তত এতে সময়ের সাথে সাথে এসেছে পরিবর্তন। যোগ হয়েছে নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য। যেমন আগেরকার তাঁতীরা শাড়ির পাড়ে ব্যবহার করতেন মাধবীলতা, তেরবী, মরবী, লতাপাতা, পদ্মপাড়, কুঞ্জলতা ইত্যাদি নকশা। এখন সেগুলো প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। এখন তাঁতের পাড়েও যোগ হয় অধুনা সব উপাদান, রঙ ও নকশার সংযোজন। তবে এখনো বহাল আছে তাঁতের শাড়িতে ফুল, লতাপাতা, পাখি ইত্যাদি সব প্রাকৃতিক উপাদান। প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েই তাঁতীরা এ নকশা বুনে আসছেন বছরের পর বছর ধরে।

কিন্তু তাঁতের কদর অনেক বেশি বেড়েও তাঁতীদের সুদিন খুব একটা ফেরেনি। তারা অনেকেই তাঁত চালানোর পাশাপাশিও রিকশা-ভ্যান চালানোর মতো পেশায়ও যুক্ত হচ্ছেন। মূল্যমান হোক বা সম্মান, কোনোটাতেই তাঁতীদের পাল্লা ভারি হয় না। ২০২০ সালে করোনাভাইরাসের প্রকোপে অনেক তাঁতীর ঘরেই চুলা জ্বলেনি। অনেকটা বাধ্য হয়েই তারা এখন অন্য পেশা বেছে নিচ্ছেন, কমে যাচ্ছে তাঁত ও তাঁতীর সংখ্যা। যারা টিকে আছেন, তারা হস্তচালিত তাঁতের জায়গায় চেষ্টা করছেন পাওয়ারলুম তাঁত ক্রয়ের। এতে উৎপাদনের হার অন্তত বৃদ্ধি পায়। ‘টানা’ আর ‘পোড়েন’-এর মাঝে ভারসাম্য রাখতে রাখতে তাঁতীদের জীবন কেটে যায় নিজস্ব টানা-পোড়েনে, যার ভারসাম্য রক্ষা তাঁতের সুতা বোনার চেয়েও বহুগুণ কঠিন।

উন্নত মানের কাপড় এবং সুতি ও নান্দনিক ডিজাইনের জন্য লুঙ্গিগুলো খুবই জনপ্রিয়।  তাঁতিদের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া...
21/11/2024

উন্নত মানের কাপড় এবং সুতি ও নান্দনিক ডিজাইনের জন্য লুঙ্গিগুলো খুবই জনপ্রিয়। তাঁতিদের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লুঙ্গি গুলোকে করেছে অনন্য।

Address

Sirajganj
Belkuchi
৬৭৪১

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শৈল্পিক.কম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share