23/07/2020
আজকে আমরা জামদানী শাড়ির সুতা নিয়ে কথা বলব।
বিষয়ঃ জামদানী তৈরির সুতা
🌺🌺🌺
জামদানী শাড়ির ছবি দেখতে একই রকম মনে হলেও এর সুতা এবং বুননে রয়েছে ভিন্নতা। আজকে জানবো জামদানীর সুতা নিয়ে।এই শাড়ি তৈরিতে সাধারণত দুই ধরনের সুতা ব্যবহার করা হয়।
১. সুতি /কটন
২. হাফ সিল্ক।
হাফ সিল্ক আবার দুই ধরনের হয়-
> রেশম
> নায়লন
🌺🌺🌺
জামদানী শাড়ি তৈরিতে বাইন এর সুতা সবসময় কটন/ সুতি হয়। কিন্তু সেই সুতা চিকন/ মোটা নির্ভর করে সুতার কাউন্ট এর উপর।বিভিন্ন ধরনের সুতার কাউন্ট হয়।২০ কাউন্ট থেকে শুরু করে ২০০ কাউন্ট।
কাউন্ট যতো বেশি হবে হবে শাড়ি ততো সুন্দর হবে,দাম ততো বাড়বে। উদাহরণ স্বরূপ, ধরুন, যে শাড়িটি ২০ কাউন্ট এর মোটা সুতা দিয়ে তৈরি হলো তার দাম ৫,০০০ টাকা। সেই একই শাড়িটি যদি ২০০ কাউন্ট সুতা দিয়ে করা হয় তখন দাম পড়বে ২৫০,০০০ টাকা!
🌺🌺🌺
জামদানী তৈরিতে তানার সুতা সাধারণ দুই রকম হতে পারে।
>পিউর কটন
>রেশম
অনেকে রেশম সুতার জায়গায় নায়লন সুতা ব্যাবহার করে কস্টিং কমানোর জন্য। যদি এমন হয় সেক্ষেত্রে কাস্টমারকে জানিয়ে দেয়া ভালো। কারণ কাস্টমার এর অধিকার আছে এই ব্যাপারে জানার।
পিউর রেশম সুতার তানার শাড়িগুলোর প্রাইস বেশি হয়।
🌺🌺🌺
জামদানী শাড়ির নকশাতে যে সুতা ব্যবহার করা হয় তাকে তাঁতীরা বলে গাং এর সুতা কিন্তু শুদ্ধ ভাষায় গান/গাইন এর সুতা বলে। এই গাং এর সুতা হতে পারে-
> সুতি
> জরি
> রেশম
> পলিস্টর
🌺🌺🌺
জামদানী শাড়ির সুতা যাইহোক সব সুতা হ্যান্ড ডাইয়িং করা হয়ে থাকে।তারমানে একটা শাড়ি বুনন শুরুর আগের প্রসেসিং এর প্রতিটি স্টেপে তাঁতীর হাত জড়িত থাকে। সেজন্যই জামদানী আমাদের দেশীয় শাড়ির রানী!
ধন্যবাদ।
(সংগ্রহীত)