রঙিলা পিরান - Rangila Piraan

রঙিলা পিরান - Rangila Piraan হাতে আঁকা পোশাকের অনন্য আস্থা | The unique confidence of hand-painted clothing

 #শাড়ি সিলাপোধিকারামের মতো কাব্যগ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, দক্ষিণ ভারতে প্রাচীন তামিলনাড়ুর সঙ্গম যুগে নিম্নাঙ্গ এবং মাথ...
05/09/2022

#শাড়ি
সিলাপোধিকারামের মতো কাব্যগ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, দক্ষিণ ভারতে প্রাচীন তামিলনাড়ুর সঙ্গম যুগে নিম্নাঙ্গ এবং মাথা ঢাকার জন্য এক টুকরো পোশাক ব্যবহৃত হত এবং শরীরের মধ্যাঙ্গ পুরোপুরি অনাবৃত থাকতো। শাড়ির অনুরূপ শৈলীর উদাহরণ কেরালার রাজা রবি বর্মার চিত্রগুলোতে রয়েছে।[৪৫] বহু সূত্র বলেছে যে প্রাচীন ভারতে এবং কেরালায় প্রতিদিনের পোশাকগুলোয় 'কুরপাসিকা' বা 'স্তনপট্টের সাথে মিল রেখে ভাঁজ করা বা পাতানো ধুতি (সারং) মোড়ানো হতো এবং মাঝে মধ্যে 'উত্তরিয়া' নামক একটি টুকরার ব্যবহার হতো যেটি ঊর্ধাঙ্গ বা মাথা ঢাকার কাজে ব্যবহার করা হতো।দুই-টুকরো মুন্ডুম ন্যারিয়াথুম ছিল প্রাচীন কেরালার দৈনন্দিন পোশাক। কেরালার এক টুকরো শাড়ি মধ্যযুগীয় সময়কালে তামিলনাড়ু বা ডেকান থেকে মধ্যযুগীয় কেরালার বিভিন্ন মন্দির ম্যুরালগুলির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
আদি সংস্কৃত সাহিত্যে নারীদের ব্যবহৃত ওড়নার জন্য বিস্তৃত শব্দভাণ্ডার রয়েছে, যেমন অবগুণ্ঠন (oguntheti/oguṇthikā), যার অর্থ আলখাল্লা-ঘোমটা, উত্তরিয় অর্থ কাঁধের ওড়না, মুখ-পাটা অর্থ মুখের পর্দা এবং শিরবস্ত্র অর্থ মাথার ঘোমটা। ভাষা রচিত প্রতীমানাটক নাটকে অবগুণ্ঠন ঘোমটার প্রসঙ্গে বর্ণিত হয়েছে যে "কোনো ধর্মীয় অধিবেশন, বিবাহ উৎসব, বিপর্যয় ও বনের মধ্যে কোনও মহিলাকে কোনও দোষ ছাড়াই (সংশ্লিষ্ট পক্ষের জন্য) দেখা যেতে পারে"। একই সংবেদনটি পরবর্তী সংস্কৃত সাহিত্যে আরো উদারভাবে প্রকাশিত হয়।খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত মৃচ্ছকটিক নাটকের লেখক শূদ্রক বলেছেন যে নারীরা সবসময় অবগুণ্ঠন ব্যবহার করতেন না। তিনি বলেছিলেন যে একজন বিবাহিত মহিলা জনসাধারণের মধ্যে চলাফেরা করার সময় ওড়না পড়তো। এটি ইঙ্গিত করে যে অবিবাহিত মহিলাদের জন্য পর্দা করার প্রয়োজন ছিল না। বিবাহিত মহিলাদের ওড়না পড়ার এই রীতি এখনও হিন্দিভাষী অঞ্চলে প্রচলিত এবং এটি ঘুঙ্গাট নামে পরিচিত, যেখানে একটি শাড়ির আলগা প্রান্তটি মুখের ওড়না হিসাবে কাজ করার জন্য মাথার উপরে টানানো হয়।
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে খ্রিস্টাব্দ ষষ্ঠ শতাব্দীর ঐতিহাসিক ভাস্কর্য এবং চিত্রকর্মগুলির ওপর ভিত্তি করে, বিভিন্ন আঞ্চলিক পোশাকশৈলীতে আঁটসাঁট বডিস (পোশাকবিশেষ) বা ছোলির বিবর্তন ঘটেছে বলে বিশ্বাস করা হয়।শুরুর দিকের ছোলির পিছনে আবদ্ধ এবং সামনে আবরণ ছিল; প্রাচীন উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে সে সময় এর বহুল প্রচলন ছিল। ছোলির এই প্রাচীন রূপটি আজও ভারতের রাজস্থান রাজ্যে প্রচলিত।সে সময়ের চোলিতে- গোটা পট্টি, মোচি, পাক্কো, খড়ক, সুফ, কাঠি, ফুলকড়ি এবং গামথির মতো সাজসজ্জাগত ঐতিহ্যবাহী সূচিকর্মের কাজ করা হত। ছোলি ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে রাভিকি নামে পরিচিত যা পিছনের পরিবর্তে সামনের দিকে আবদ্ধ থাকে, কাসুতি এই অঞ্চলে চোলির জন্য ব্যবহৃত সূচিকর্মের ঐতিহ্যবাহী রূপ।নেপালে, ছোলি ছলো বা চৈবান্দি ছলো নামে পরিচিত এবং ঐতিহ্যগতভাবে সেগুলির সামনের দিকে আবদ্ধ থাকে।
বাঙালি ইতিহাসবিদ রমেশচন্দ্র মজুমদারের মতে অষ্টম শতাব্দীতে শাড়ি ছিল প্রাচীন ভারতের প্রচলিত পোশাক। যেখানে তখনকার মেয়েরা আংটি, দুল, হার এসকল অংলকারের সঙ্গে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত শাড়ি পরিধান করত, এবং উপরে জড়ানো থাকত আধনা (আধখানা)। পাহাড়পুর থেকে প্রাপ্ত পাল আমলের কিছু ভাস্কর্য অনুমান করে এ ধারণা করা যায়।
বিয়ের শাড়িগুলির জন্য লাল রঙ সবচেয়ে পছন্দের এবং এটি ভারতীয়-বাংলাদেশি সংস্কৃতিতে নববধূদের কাছে জনপ্রিয়। মহিলারা ঐতিহ্যগতভাবে রেশম, সুতি, ইক্কাত, ব্লক-প্রিন্ট, সূচিকর্ম এবং টাই-ডাই কাপড়ে তৈরি বিভিন্ন ধরনের আঞ্চলিক তাঁত শাড়ি পরিধান করতেন। ঐতিহ্যগতভাবে এবং আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ব্রোকেড সিল্কের শাড়িগুলির পর পরই সর্বাধিক জনপ্রিয় স্থানে রয়েছে বনসারি, কাঞ্চিপুরম, গাদওয়াল, পাইথানি, মহীশূর, উৎপদা, বাবলপুরি, বালচুরি, মহেশ্বরী, চন্দেরি, মেখেলা, ঝিচা ইত্যাদি। পাটোলা, পোচাম্পল্লি, বোমকাই, খান্দুয়া, সমবলপুরি, গাদওয়াল, বারহামপুরী, বারগড়, জামদানি, তন্ত, মঙ্গলগিরি, গুঁতুর, চন্দেরি, মহেশ্বরী, নুয়াপাটন, তুষার, ইলকল, কোটপাদ এবং মণিপুরী নামে পরিচিত সিল্ক ইকাত এবং সুতির শাড়ি উৎসব এবং দৈনন্দিন পোশাক হিসাবে পরা হয়।[৫৭] বন্ধনী, লেহেরিয়া, বাগরু, আজরখ, সুনগুদি, কোটা ডাবু/ডাবু প্রিন্ট, বাঘ ও কালামকারি নামে পরিচিত টাই-ডাই এবং ব্লক-প্রিন্ট শাড়িগুলি বর্ষা মৌসুমে ঐতিহ্যগতভাবে পরা হতো।অনুষ্ঠানে পরিহিত শাড়িগুলিতে ব্যবহৃত প্রচলিত সূচিকর্মের মধ্যে গোটা পট্টি জনপ্রিয় রূপ নিয়েছে, অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী লোক সূচিকর্ম যেমন মোচি, পাক্কো, খড়ক, সুফ, কাঠি, ফুলকড়ি এবং গামথি সাধারণত অনানুষ্ঠানিক উপলক্ষে পরা হয়। বর্তমানে, পলিয়েস্টার, জর্জেট এবং চারমিউজের মতো আধুনিক কাপড়গুলিও শাড়ির জন্য ব্যবহৃত হয়।

চলমান-২
সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

 #শাড়ি ভারত, বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশের নারীদের ঐতিহ্যবাহী ও নিত্যনৈমিত্তিক পরিধেয় বস্ত্র। শাড়ি লম্বা ও সেলাইবিহী...
04/09/2022

#শাড়ি ভারত, বাংলাদেশ সহ ভারতীয় উপমহাদেশের নারীদের ঐতিহ্যবাহী ও নিত্যনৈমিত্তিক পরিধেয় বস্ত্র। শাড়ি লম্বা ও সেলাইবিহীন কাপড় দিয়ে তৈরি হয়। সাধারণত‍ একটি শাড়ি ১৮ ফুট (৫.৫ মি) থেকে ২১ ফুট (৬.৪ মি) দীর্ঘ এবং ৬০ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার (২ থেকে ৪ ফুট) চওড়া কাপড়ে তৈরি হয়, যা বিভিন্নভাবে ভাঁজ করে পরা হয়ে থাকে। সবচেয়ে সাধারণ ভাঁজ হচ্ছে কোমরে জড়িয়ে একপ্রান্ত কাঁধের উপর দিয়ে ঝুলিয়ে রাখা, যাকে আঁচল বলা হয়। শাড়ি সাধারণত পেটিকোটের (উত্তর ভারতে লেহেঙ্গা/ঘাগরা এবং বাংলাদেশ সহ পূর্ব ভারতে সায়া নামেও পরিচিত) উপরে পরা হয়ে থাকে। উপরের অংশের পোশাক হিসাবে ব্লাউজ (ভারতে ছোলি নামে পরিচিত) পরা হয়।

আবহমান বাংলার ইতিহাসে শাড়ির স্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কালের বিবর্তনে বদলেছে শাড়ির পাড়-আঁচল, বুনন এবং পরিধান কৌশল।[২] ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাধারণত‍ শাড়িকে সবচেয়ে উপযোগী পোশাক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে নারী সেনারা শাড়ি পরলে কোমরে শার্ট বেঁধে রাখেন। শাড়ি বাঙালি ঐতিহ্যবাহী পোশাক। এই পোশাকের রয়েছে সৌন্দর্য। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে শাড়িকে নারীদের মূল পোশাক হিসাবেও বিবেচনা করা হয়।

ব্যুৎপত্তিঃ

শাড়ি শব্দটি সংস্কৃত শাটী হতে উদ্ভূত, যার অর্থ 'কাপড়ের টুকরা', অর্থাৎ শাড়ি এবং পালি শব্দ, এবং যা আধুনিক ভারতীয় ভাষায় শাড়ি হিসাবে পরিণত হয়েছে। 'সাত্ত্বিক' শব্দটি সংস্কৃত সাহিত্যে এবং জাতক নামক বৌদ্ধ সাহিত্যে প্রাচীন ভারতে মহিলাদের পোশাক বর্ণনার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। এটি আধুনিক সময়ের 'শাড়ির' সমার্থক এবং সমতুল্য হতে পারে।নারীদের ঊর্ধাঙ্গের পোশাকের বর্ণনায় প্রাচীন স্তনপাট্টা শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে যা থেকে চোলির উদ্ভব হয়েছিল। কলহনার দশম শতাব্দীর সাহিত্যকর্ম রজনাঙ্গিনী (অর্থ 'রাজাদের নদী') বলে যে, কাশ্মীরে রাজকীয় আদেশ অনুসারে ডেকান (দক্ষিণাপথ) থেকে আসা চোলির প্রচলন হয়েছিল।মারাঠিতে পেটিকোটকে পার্কার (परकर) বলা হয়, তামিল ভাষায় উলপাওয়াদাই এবং পূর্ব ভারতে বাংলায় সায়া বলা হয়। এছাড়াও পেটিকোট-কে "ভিতরের স্কার্ট" বলা যেতে পারে।

উৎপত্তি এবং ইতিহাসঃ

শাড়ি উৎপত্তির ইতিহাস খুব একটা স্পষ্ট নয়।শাড়ি ধারণাটির উৎপত্তি সেলাইবিহীন বস্ত্রখণ্ড থেকে। নীহাররঞ্জন রায়ের মতে, আদিতে পূর্ব, দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে সেলাই করা কাপড় পরিধানের প্রচলন ছিল না। সেলাইবিহীন প্রচলিত কাপড় পুরুষদের ক্ষেত্রে ধুতি এবং নারীদের ক্ষেত্রে শাড়ি নামে অভিহিত হতো। মূলত বয়নশিল্পের প্রচলন ঘটার পরই শাড়ির প্রচলন ঘটেছিল বলে ধারণা করা হয়। শাড়ির মতো পোশাকের ইতিহাস পাওয়া যায় সিন্ধু সভ্যতায়, যার প্রতিষ্ঠা ভারত উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিম অংশে খ্রিস্টপূর্ব ২৮০০-১৮০০ খ্রিষ্টপূর্বে বেড়ে ওঠে। খ্রিস্টাব্দ ৫ম সহস্রাব্দের কাছাকাছি সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশে তুলার প্রথম চাষ ও বোনা হয়েছিল। সেই সময়ের মধ্যে ব্যবহৃত রঞ্জকগুলি এখনও ব্যবহৃত হয়, বিশেষত নীল, লক্ষ, রুবিয়া কর্ডিফোলিয়া এবং হলুদ। রেশম বোনা হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ২৪৫০ থেকে ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। নবম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীতে রচিত চর্যাপদে সরাসরি শাড়ি শব্দের উল্লেখ না থাকলেও অনুরূপ পোশাকের আভাস পাওয়া যায়। চৌদ্দ শতকের কল্পকাহিনী, গল্প-গাঁথা ও গীতিকবিতায় শাড়ির উল্লেখ পাওয়া যায়। সে সময়কার কবি চণ্ডীদাস (১৩৭০-১৪৩০) লিখেছেন:

নীল শাড়ি মোহন করি
উচ্ছলিতে দেখি পাশ।
কি আর পরানে সপিনু চরণে
দাস করি মনে আঁশ।

'শাড়ি' শব্দটি জৈন ও বৌদ্ধ সাহিত্যে মহিলাদের পোশাক হিসাবে উল্লিখিত 'সাত্তিক' থেকে উদ্ভূত হয়েছিল। শাড়ি বা সাত্ত্বিক নিচের পোশাক অন্ত্রিয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি তিন অংশের একত্রে পরিধেয় পোশাক; কাঁধ বা মাথার উপর একটি পর্দা উত্তরিয়া পরা; এবং স্তনপাট্টা বা বুকবন্ধনী। খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দীর সংস্কৃত এবং বৌদ্ধ পালি সাহিত্যে শাড়ির উল্লেখ রয়েছে। এই সম্পূর্ণ তিন টুকরো পোশাক একটি পূর্ণাঙ্গ পরিধেয় পোশাক হিসাবে পরিচিত।প্রাচীন ধুতি সদৃশ অন্ত্রিয় "মাছের লেজের" মতোন প্যাঁচিয়ে পড়া হয় যা ঢিলেভাবে পা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে পা আবৃত রাখে এবং যার সামনের পায়ের অংশে আলংকারিক পরিধান শৈলীর চর্চা করা হয়। কালক্রমে এটি ভৈরনিবাসানী স্কার্টে বিবর্তিত হয়েছে, যা এখনকার যুগে ঘাগড়া এবং লেহেঙ্গা নামে পরিচিত। উত্তরিয় কাঁধ বা মাথার উপরে একটি শাল জাতীয় পর্দা ছিল, যার ব্যবহার ক্রমশ বিস্তৃত হয়। এটিই আজকের যুগে ওড়না নামে পরিচিত।একইভাবে, স্তনপাত্তা প্রথম শতাব্দীতে চোলিতে বিবর্তিত হয়েছে। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে প্রথম শতাব্দীর মধ্যে, অন্ত্রিয় এবং উত্তরিয়কে একীভূত করে পালি সাহিত্যে উল্লিখিত শাড়ি হিসাবে পরিচিত একটি পোশাক তৈরি করা হয়েছিল, যা এক টুকরোতে দুটি পোশাকের উদ্দেশ্য পূরণ করে।

প্রাচীন সংস্কৃত রচনা, বাণভট্ট রচিত কাদম্বরী এবং সিলাপোধিকারামের মতো প্রাচীন তামিল কাব্যে নারীদের নিদারুণ বর্ণনায় আচ্ছাদন বা শাড়ির বর্ণনা দেয়। প্রাচীন ভারতে মহিলারা মধ্যচ্ছাদন হিসেবে শাড়ি পরার পরেও ধর্মশাস্ত্র লেখকরা বলেছিলেন যে নারীদের এমন পোশাক পরিধান করা উচিত যাতে নাভিটি কখনই দৃশ্যমান না হয় । এরপর থেকে কিছু সময়ের জন্য নাভি প্রদর্শন একটি ট্যাবু হয়ে উঠেছিল এবং নাভি গোপন করা হতো। প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে এবং নাট্য শাস্ত্রে (একটি প্রাচীন ভারতীয় গ্রন্থ, যা প্রাচীন নৃত্য এবং পোশাকের বর্ণনা দেয়), পরম সত্তাসম্পন্ন নাভিকে জীবন এবং সৃজনশীলতার উৎস হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে । এ কারণে শাড়ি পড়ার সময় মধ্যাচ্ছাদন উন্মুক্ত রাখা হয়।এছাড়াও চতুর্দশ শতাব্দীর শেষার্ধে মিথিলার প্রথিতযশা কবি বিদ্যাপতির রচনায়ও অঞ্চল (আঁচল), কাঁচুলি, শাড়ি শব্দের প্রয়োগ দেখা যায়:
উরহি অঞ্চল বাঁপি চঞ্চল

আধ পয়োর হেরু।
পবন পরাভব সরদ ঘন জনু
বেকত কএল সুমেরু।।

সাধারণত ধারণা করা হয় যে নিম্নাঙ্গের জন্য শাড়ির মতো পোশাক এবং ঊর্ধাঙ্গের জন্য কখনও কখনও শাল বা স্কার্ফের মতো পোশাক,যা 'উত্তরীয়' নামে পরিচিত, দীর্ঘকাল ধরে ভারতীয় মহিলারা পরিধান করেছিলেন এবং শত শত বছর ধরে তারাবর্তমান রূপে একে পরিধান করছেন। প্রাচীনকালে নিচের পোশাকটিকে 'নিভি' বা 'নিভিবন্ধ' বলা হত, এবং ঊর্ধাঙ্গের বেশিরভাগই উন্মুক্ত থাকত । কালিদাসের রচনায় 'কুরপাস' নামক এমন একধরনের আঁট-সাঁট বস্তুর কথা বলা হয়েছিল, য কেবল স্তনগুলিকে আবৃত রাখে।এটি কখনো কখনো 'উত্তরাসঙ্গ' বা 'স্তনপট্ট' নামেও অভিহিত হত।

চলমান-১
সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

Address

Chalklocman
Bogra
5800

Opening Hours

Monday 10:00 - 00:00
Tuesday 10:00 - 00:00
Wednesday 10:00 - 00:00
Thursday 10:00 - 00:00
Friday 10:00 - 12:00
15:00 - 00:00
Saturday 10:00 - 00:00
Sunday 10:00 - 00:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রঙিলা পিরান - Rangila Piraan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to রঙিলা পিরান - Rangila Piraan:

Shortcuts

Share

Category