Fashion of Muslimah

Fashion of Muslimah Assalamu Alaikum Warahmatullah Zilwab Dear sisters! Be sure to order the clothes you need!

Good news for you In this page, you will find all the clothes on the screen with attractive zilbabs available at very affordable prices.

একবার এক সাহাবী এসে নবীজীকে জিজ্ঞেস করলেন,আল্লাহর রাসূল! আমি খাদেমকে (কাজের লোক বা গোলামকে) কতবার ক্ষমা করব? নবীজী চুপ থ...
17/09/2020

একবার এক সাহাবী এসে নবীজীকে জিজ্ঞেস করলেন,আল্লাহর রাসূল! আমি খাদেমকে (কাজের লোক বা গোলামকে) কতবার ক্ষমা করব? নবীজী চুপ থাকলেন। সাহাবী আবার জিজ্ঞাসা করলেন। এবার নবীজী বললেন,প্রতিদিন সত্তরবার। তিরমিযী,হাদীস ১৯৪৯
আমাদের প্রায় প্রত্যেকের বাসায় কাজের মানুষ আছে। যারা আমাদের জীবনের সাথে ওঁতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা যাদের সেবা গ্রহণ করে চলেছি প্রতিনিয়ত। যারা আমাদের সংসারে সাহায্য করছে, আমাদের সন্তানদের বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে। যারা নিজেদের আরাম হারাম করে আমাদের আরামের খেয়াল রাখছে। রাত নেই দিন নেই যারা আমাদের ফরমায়েশ খেটে চলেছে। সেই সকালে ঘুম থেকে উঠে শুরু,আবার রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত চলবে হুকুম তামিল করা। নিরলস সেবা দিয়ে যেতে হবে। ওদের যেন কোনো ক্লান্তি নেই,বিশ্রামের কোনো প্রয়োজন নেই। হুকুম করা মাত্রই তামিল করতে বাধ্য। একগ্লাস পানি আনা থেকে শুরু করে যে কাজটা নিজে স্বচ্ছন্দে করতে পারি সেটাও ওকে দিয়েই করাতে হবে। আর যেটা ওর কাজ সেক্ষেত্রে তো কথাই নেই। এতকিছুর পরও যদি পান থেকে চুন খসে তাহলে আর রক্ষে নেই।

একটু ভেবে দেখেছি,ওর স্থানে যদি আমি হতাম। আমার কী অবস্থা হত। সুতরাং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি। সবচেয়ে বড় শুকরিয়া হল,ওদের সাথে ভালো আচরণ করা। ওদেরকে কম খাটানো; প্রয়োজন ছাড়া খামোখা না খাটানো। ওদের সুবিধা-অসুবিধা অনুধাবন করে ওদের প্রতি সদয় হওয়া। ভুল হলে ক্ষমার আচরণ করা।

ভুল তো মানুষেরই হয়। একজন কাজের লোকেরও ভুল হয়। সেক্ষেত্রে তাদের সাথে কেমন আচরণ হবে উপরের হাদীস থেকে তা আমরা জানতে পারলাম। সত্তরবার পর্যন্ত ক্ষমা করতে হবে। এখানো সত্তর মানে সত্তর সংখ্যা উদ্দেশ্য নয় বরং উদ্দেশ্য হল,যতবার ক্ষমা করার প্রয়োজন দেখা দিবে ততবার ক্ষমা করবে।

আল্লাহ পাক সবাইকে ভালো রাখুন।

একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে একটি অনুষ্ঠানে কিছু বলার জন্য বলা হল। তিনি স্টেজে উঠে একটি কৌতুক বললেন। হলভর্তি দর্শক হাসিতে ফেটে ...
02/09/2020

একজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে একটি অনুষ্ঠানে কিছু বলার জন্য বলা হল। তিনি স্টেজে উঠে একটি কৌতুক বললেন। হলভর্তি দর্শক হাসিতে ফেটে পড়লো। একটু পরে তিনি একই কৌতুক আবারও বললেন; এবার খুব অল্প কয়েকজন হাসল। এরপরে তিনি একই কৌতুক কয়েকবার বললেন কিন্তু কেউ এতে হাসলোনা। তিনি একটু হেসে সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, আপনারা একই বিষয় নিয়ে কয়েকবার হাসতে পারেন না, তাহলে কেন একই জিনিস মনে করে বারবার, অনেকবার কাঁদেন??
আসলেই আমরা সবাই এ কথাটার অন্তর্ভুক্ত।
কারণ আমরা জিতে যাওয়াকে খুব সহজেই এবং আনন্দের সাথে মেনে নেই কিন্তু সামান্য হেরে যাওয়া কে আমরা সহজে মেনে নিতে পারিনা।এর কারণ একটাই আমাদের ভিতর সব সময় পাওয়ার আশা করে। আমরা মানুষেরা যতই পায় না কেন পাওয়ার আশা আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়। পুরো দুনিয়া টা হাতের মুঠোয় পেয়ে গেলেও পাওয়ার আশা কখনো শেষ হবে না।

কি পাবো আর কি পাবো না সেই হিসাব না করে প্রত্যকের উচিৎ আমার জন্য সামনের দিকে কি অপেক্ষা করছে তা নিয়ে চিন্তা করা। অতীতের দুঃখ মনে আসলেও তা নিয়ে মাথা না ঘামানো। মনকে সব সময় আল্লাহর ইবাদতে আর সৎকাজে ব্যস্ত রাখা।এবং আল্লাহর উপর ভরষা করে হালাল ভাবে রিজিকের তালাস করা।

সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১অর্থঃ হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃ...
01/09/2020

সূরা আন নিসা (النّساء), আয়াত: ১

অর্থঃ হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গীনীকে সৃষ্টি করেছেন; আর বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে অগণিত পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচঞ্ঝা করে থাক এবং আত্নীয় জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন।

আমাদের দুনিয়াবি ব্যস্ততা যত বেড়ে যাবে ইবাদাতে আগ্রহ, আমলের পরিমাণ এবং আমলের খুশু ও ততো কমে যাবে। দুনিয়া নিয়ে অত্যধিক ব্য...
31/08/2020

আমাদের দুনিয়াবি ব্যস্ততা যত বেড়ে যাবে ইবাদাতে আগ্রহ, আমলের পরিমাণ এবং আমলের খুশু ও ততো কমে যাবে। দুনিয়া নিয়ে অত্যধিক ব্যস্ততা অন্তরকে কঠিন করে ফেলে। আমলের প্রতি আগ্রহ কমে যায়, অনেক নফল আমল ছুটে যায়। সবসময় মাথায় দুনিয়াবি ব্যস্ততা ঘুরপাক খেতে থাকে। তাই আমাদের উচিত দুনিয়াবি কাজ যত কম পারা যায় করা। অনেকেই আছেন যাদের রিজিক যথেষ্ট কিন্তু তারপরও নিত্যনতুন দুনিয়াবি ব্যস্ততা টেনে আনেন। হালাল ভাবে দুনিয়া অর্জন নাজায়েজ কিছু নয় কিন্তু দুনিয়া দুনিয়া করতে গিয়ে যেন আবার আখিরাতের ভাগ কম পরে না যায়।

দুনিয়ার পিছনে আমাদের ঠিক ততটুকু সময় দেয়া উচিত যতটুকু সময় আমরা দুনিয়ায় থাকবো আর আখিরাতের জন্য ততটুকু সময় দেয়া দরকার যতটুকু সময় আমরা আখিরাতে থাকবো!

29/06/2020

বুক কেঁপে উঠলো লিখাটা পড়ে।💔💔💔💔

সকাল ৮:৩০, বাবা বাথরুমে গোসল করছে, একটুপর অফিসে যাবে। এদিকে এক নাগাড়ে বাবার ফোনে রিং বাজছে। আম্মু রান্নাঘর থেকে আমাকে বলছে, জুলি তোমার বাবার ফোন বাজে, দেখো তো কে কল করেছে..??

আমি বাবার টেবিল থেকে ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলাম মিজান চাচা কল করেছে। ফোনটা নিয়ে এক দৌঁড়ে রান্নাঘরে গিয়ে আম্মুকে বললাম, তাড়াতাড়ি রিসিভ করো, বাড়ি থেকে মিজান চাচা ফোন করেছে।
আম্মু ফোন রিসিভ করতেই মিজান চাচা বলে ওঠলো, ম্যামসাহেব, ইলি মামণির কবরটা আবার ভেঙ্গে গেছে, পানিও ওঠেছে কবরে। ঝড় নাই, বৃষ্টি নাই তবুও এই কবরটা খালি ভেঙ্গে যায়।

আমি আম্মুর পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম তাই ফোনের ঐপাশ থেকে মিজান চাচার কথা অস্পষ্ট হয়ে আমার কানে এলো। ইলি আপুর নাম শুনে আমি আঁতকে ওঠলাম। নিজের অজান্তেই গলা দিয়ে শব্দ বেরিয়ে এলো, ইলিপু..!!! হাত পা কাঁপতে লাগলো আমার। চোখের সামনে সব ঝাপসা হয়ে এলো। তারপর আর কিছুই বলতে পারবো না।

জ্ঞান ফিরার পর নিজেকে আবিষ্কার করলাম আম্মুর বিছানায়। বাবা অনলাইনে ট্রেনের টিকিট টাকার জন্য চেষ্টা করতেছে। এদিকে বিছানায় শুয়ে আমার ধ্যান খেয়াল সব ফিরে গেলো নয় বছর পিছনে। যেখানে আমার রব ছিলো অপরিচিত।

৩১ জুলাই,২০১১
সন্ধ্যায় মাগরিবের আজান ভেসে আসলো বাসার পাশে থাকা তিন চারটা মসজিদ থেকে। ইলি আপুর গানের টিচার চলে এসেছেন। মাগরিবের আজান শেষ হওয়ার সাথে সাথেই রেওয়াজ শুরু হয়ে গেলো। আপু বিভিন্ন প্রোগ্রামেও গান গায়। গানের বিষয় হচ্ছে লোকসঙ্গীত।
রেওয়াজের শুরুতে তানপুরা বাজতে থাকে। আপু এক ধান্দায় মাথা দুলাতে থাকে, সাথে থাকে আমাদের উৎসাহমূলক করতালি।

গান করতে করতে এশার আজানের শব্দও পেলাম। বাসার পাশে তিন চারটা মসজিদ থাকায় অনেকক্ষণ পর্যন্ত আমরা আজানের শব্দ শুনতে পাই। কিন্তু সেদিকে কোনদিনও কোন খেয়াল ছিলো না আমাদের।

আম্মু এসে বললেন, ইলি মা আমার এবার একটু রেস্ট করো। ইলি আপু বললো, আম্মু পরশু থেকে তো রমজান মাস শুরু। এবার কিন্তু রমজানের প্রথম সপ্তাহেই আমাকে সব শপিং করে দিবে প্লিজ। ঈদের তৃতীয় দিন একটা কনসার্টে পার্টিসিপেট করতে হবে। আগে থেকেই সব ড্রেস বানিয়ে রাখবো, পরে এত ঝামেলা করতে ভালো লাগে না। আম্মু বললেন, তুমি কোন চিন্তা করো না, রমজানের প্রথম সপ্তাহেই তোমার যা যা লাগে সব কিনে ফেলবো। আমার মেয়েকে টিভিতে দেখাবে এরচেয়ে গর্বের বিষয় আমার জন্য আর কি হতে পারে..!!

রাত ১২:৩০, সবাই ছাদে বসে চা খাচ্ছিলাম আর ইলি আপুর গান শুনছিলাম,
"কারে করিছো সন্ধান
সন্ধানে কি ফল..??
সন্ধানে মিলে না কিছুই,
জনম বিফল.."

চা,গান,আড্ডা এসব করতে করতে অনেক রাত হয়ে গেলো। সবাই নিচে নেমে এলাম। ঘড়িতে তখন পৌঁনে তিনটার কাছাকাছি। ইলি আপু আমাকে বললো, জুলি কাল রাতে এই টাইমে আমরা সাহরী করবো। জানিস জুলি, রমজান মাসটা আমার কাছে ইমাজিং লাগে। সারারাত জেগে থাকা যায়, বিকাল পর্যন্ত ঘুমানো যায়। আহ্,শান্তি আর শান্তি...

আমি আর ইলি আপু একই বিছানায় থাকতাম। সেদিন কাঁচা ঘুমের মধ্যে বুঝতে পারলাম ইলি আপু আমাকে জোরে একটা লাথি দিয়েছে। প্রচন্ড মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো আমার। কাঁচা ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো, শুনতে পেলাম ফজরের আজান হচ্ছে। ফজরের আজানের সাথে ভয়ঙ্কর গোঙানির শব্দ মিশ্রিত হয়ে এক আচানক শব্দ কানে এলো। ভয়ে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে, চোখ খুলতে পারলাম না। গা শিউরে ওঠতে লাগলো আমার।

খানিকপরে টের পেলাম আমার জামার একপাশ থেকে ইলি আপু খামচেঁ ধরেছে। জামা ছিঁড়ে চিড়চিড় শব্দ হচ্ছে এটাও স্পষ্ট কানে এলো। আস্তে আস্তে চোখ খুললাম, আমার পাশে শুয়ে থাকা ইলি আপুকে কেমন বিভষ্যৎ লাগছে। আমি চিৎকার করতে পারলাম না।
বিছিনা অনবরত কাঁপছে। মনেহলো আমার ভিতর থেকে শুকনো কলিজাটা কেউ হিচকা টানে বের করে এনেছে।

ইলি আপুর গোঙানি শব্দে বাবা ছুটে এলেন আমাদের ঘরে,পিছনে পিছনে আম্মুও এসে দাঁড়ালেন। ইলি আপুর মুখ দিয়ে পিচ্ছিল লালা বের হয়ে আমার শরীর ভিজে যাচ্ছে। গরম ফুটন্ত পানির মতো যন্ত্রনা অনুভব করলাম আমি। আম্মু ভয়ে আমাদের কাছে আসলেন না। মা ভয়ে সন্তানের কাছে আসছে না, পৃথিবীতে এরচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্য আর কি হতে পারে..??

বাবা রুমের দরজা খোলে মসজিদের দিকে ছুটে গেলেন। একটুপর একজন হুজুরকে সাথে নিয়ে বাসায় ফিরলেন। সকাল তখন একদম পরিষ্কার। সকালের ঠান্ডা মৃদু বাতাস আর ইলি আপুর গরম নিঃশ্বাসে রুমের ভিতর এক বিষাক্ত পরিবেশ তৈরী হলো।
এদিকে ইলি আপুর চোখ অস্বাভাবিক রকমের বড় হয়ে গেছে। হুজুর ইলি আপুর কানের কাছে বললেন, মা কালিমা পড়ো "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্" পড়ো মা, পড়ো।
ইলি আপু পড়তে লাগলো, "জনম বিফল.."

হুজুর আবার বললেন, বলো মা "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্"
ইলি আপু বলতে লাগলো, "জনম বিফল.."
ইলি আপুর চোখ বড় থেকে আরো বড় হতে লাগলো। মনেহলো চোখের মণি এখনি ছিটকে বেরিয়ে আসবে। খামচেঁ বিছানার চাদর ছিঁড়ে ফেললো। দুই পায়ের সবগুলো আঙ্গুল বেঁকে কুঁকড়ে গেলো। আস্তে আস্তে ইলি আপুর পা কাঁপা বন্ধ হয়ে গেলো।

আমি পলকহীন চোখে খেয়াল করলাম ইলি আপুর পেট অনবরত লাফাচ্ছে, নাড়ি ভুড়ি সব বের হয়ে আসবে এমন অবস্থা। আস্তে আস্তে পেট শান্ত হয়ে এলো। মুখ দিয়ে বারবার উচ্চারণ করতে লাগলো, "জনম বিফল.."

নিমিষের মধ্যেই চোখ ফ্যাকাসে রং ধারন করে স্তব্ধ হয়ে গেলো। সকালের রোদ তখন উঁকি দিচ্ছে। হুজুর বাবাকে বললেন, চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে। বাবা ভয়ে ইলি আপুর কাছে আসলেন না। হুজুর নিজেই চোখ বন্ধ করে দিলেন। আমি কাঁদতেও পারছিলাম না, অসহায় মনেহলো নিজেকে নিজের কাছে।

ইলি আপুকে কবর দেওয়া হলো আমাদের গ্রামের বাড়িতে। অনেক কষ্টে ইলি আপুকে কবরে রাখা হয়েছে। তিনটা কবর খুঁড়া হয়েছিলো, কিন্তু তিনটা কবরেই পানি ওঠছিলো বারবার। তারপর কোনরকম বাঁশের ফালিগুলো পানির উপর রেখে সেভাবেই আপুকে কবরে রাখা হয়।

মাঝেমাঝে ঘুম ভেঙ্গে গেলে দেখতাম ইলি আপু আমার পাশে শুয়ে আছে। আমি চোখ খোলা মাত্রই আমার বুকের উপর ওঠে বসতো আর আমার গলা তার দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে বলতো, তোরা কেনো তখন আমার গানের সাথে করতালি দিতি..?? তোদের জন্য আমি তো আমার রব কে চিনতে পারি নি। তুই কেনো আমার দুনিয়ার সাথী হয়েও কবরের সাথী হলি না..??
আমি চিৎকার করতে চেয়েও চিৎকার করতে পারতাম না তখন। নিঃশ্বাস আটকে যেতো আমার।

গত নয় বছরে বেশ কয়েকবার কবর ভেঙ্গে গিয়ে পানি ওঠেছে আবার সেই কবর মেরামত করা হয়েছে। আবার ভেঙ্গে গিয়েছে। ইলি আপুর কথা মনেহলে আমার কানে এখনো তার গোঙানির শব্দ সুস্পষ্টভাবে বাজতে থাকে, চোখের সামনে ভাসতে থাকে মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে তার ঠোঁট নাড়িয়ে বলতে থাকা, "জনম বিফল"

।।পহেলা আগস্ট,দুই হাজার এগারো।।
জান্নাতুল ফেরদৌস জ্যোতি

#জাগরণএক্সক্লুসিভ
#আমারকলমে

(কপিড)

20/05/2020

"আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি"-- হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা পছন্দ কর।তাই আমাকে ক্ষমা করো। (আহমাদ ৬/১৮২)

আল্লাহু আকবার, আমরা কি আজ থেকে এই দোয়াটি আবেগমিশ্রিত কন্ঠে বেশি বেশি বলতে পারিনা?

আল্লাহ আমাদের মাফ করুন প্রত্যেকের আমলের উপর বিশেষ রহমত হিদায়েত এর চাদরে দিয়ে ঢেকে দিক।আমিন

20/05/2020

কোন সময় কাফেররা আকাঙ্ক্ষা করবে যে, কি চমৎকার হত, যদি তারা মুসলমান হত।
সূরা হিজর (২)

20/05/2020

আল্লাহ বললেনঃ হে ইবলিস, তোমার কি হলো যে তুমি সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হলে না?

বললঃ আমি এমন নই যে, একজন মানবকে সেজদা করব, যাকে আপনি পচা কর্দম থেকে তৈরী ঠনঠনে বিশুষ্ক মাটি দ্বারা সৃষ্টি করেছেন।"
আল্লাহ বললেনঃ তবে তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও। তুমি বিতাড়িত।

এবং তোমার প্রতি ন্যায় বিচারের দিন পর্যন্ত অভিসম্পাত।

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আপনি আমাকে পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।

আল্লাহ বললেনঃ তোমাকে অবকাশ দেয়া হল।

সেই অবধারিত সময় উপস্থিত হওয়ার দিন পর্যন্ত।

সে বললঃ হে আমার পলনকর্তা, আপনি যেমন আমাকে পথ ভ্রষ্ট করেছেন, আমিও তাদের সবাইকে পৃথিবীতে নানা সৌন্দর্যে আকৃষ্ট করব এবং তাদের সবাইকে পথ ভ্রষ্ঠ করে দেব।

আপনার মনোনীত বান্দাদের ব্যতীত।

আল্লাহ বললেনঃ এটা আমা পর্যন্ত সোজা পথ।

যারা আমার বান্দা, তাদের উপর তোমার কোন ক্ষমতা নেই; কিন্তু পথভ্রান্তদের মধ্য থেকে যারা তোমার পথে চলে।
তাদের সবার নির্ধারিত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।
সূরা হিজর (৩২-৪৩)

16/05/2020

একবার শায়খ আসিম আল হাকিমকে এক মেয়ে প্রশ্ন করেছিলো,

"শায়খ আমি একটি হারাম রিলেশনে আছি।
আমি এটা ছাড়তে চাই কিন্তু ছেলেটা বলছে আমি ছেড়ে দিলে সে সুইসাইড করবে।
এখন আমি কি করব??"
♦♦শায়খের উত্তর ছিলো,

"সুইসাইড করলে সে একা জাহান্নামে যাবে আর তার সাথে কথা বন্ধ না করলে সাথে আপনিও যাবেন।"

11/05/2020

মায়ের কাছে যান!
বসুন মায়ের পায়ের কাছে, বলুন আম্মা,, পা টা টিপে দেই?
দেখবেন মুচকি একটি হাসি দিয়েছে! বিশ্বাস করুন আপনি ওমরা হজ্ব করে ফেলেছেন!

তপ্ত দুপুর!
গোসল সেরে মা ঘরের পিড়াতে বসেছে! ডাকছে কাউকে
কিগো,,তৈলটা নিয়ে আয়তো! আপনি মৃদু পায়ে হেটে হোটে যান,
মায়ের পিছনে টুপ করে বসে হাতের তালুতে তৈল নিয়ে মায়ের তালুতে আছড়িয়ে দিন। চিরুনিটা হাতে নিয়ে বলুন উফ,,
আম্মা আজ বুঝি মাথায় সাবান দাওনি চুলে জটা কেন হে ?
দেখবেন আপনার মায়ের চোখের কোণে পানি জমে গিয়েছে!
বিশ্বাস করুন আপনি জান্নাত কিনেছেন!

বালতি ভরা কাপড়!
টিউবওয়েলের পাইপের গোড়ায় বসে আপনার মা কাপড় কাঁচছে!
আপনি ঠাই দাড়িয়ে যান মায়ের সামনে!
মা, তোমার এখন বয়স আছে এই কাপড় কাচাঁর?
উঠো বলছি দাও আমাকে দাও, তুমি যাওতো ঘরে যাও!
কিজন্য যে কলের পাড়ে আসো এই বয়সে কাপড় কাচঁতে বুঝিনা দেখবেন আপনার মা মুচকি মুচকি হাঁসছে! বিশ্বাস করবেন?
আপনি আজকে আসমানের ফেরেশতাদেরকেও হাঁসিয়েছেন!

💜আসুননা মা কে একটু হাঁসাই!
❤মায়ের একটু খেদমত করি!
💙জান্নাত কোথায় খুঁজছেন?
💛জান্নাততো মাতার কাপড়ের আস্তিন আর আঁচলের নিচে!

11/05/2020

একটা বাবার বাড়ি, একটা স্বামীর বাড়ি। মেয়েদের নিজের বাড়ি কোনটা? যদিও নারী পুরুষ সবার বাড়িই অস্থায়ী, আসল বাড়ি ওপারে। তবু মনে একটা কষ্টকর ভাব- 'আমার কোনো বাড়ি নেই।'

আসলেই কি তাই?
আসলে কিন্তু তা নয়। প্রথমত : বাবা যে বাড়িটা তিলতিল করে গড়ে তুলেছেন ওই বাড়িতে দুইভাগের এক অংশ আমার আছে উত্তরাধিকার সুত্রে। অথচ না আমি ওখানে থাকছি আর না আমার প্রয়োজন আছে।

দ্বিতীয়ত : স্বামীর বাড়ি। স্বামী শুধু নামেই মালিক। ঘরটা কিন্তু আমার। একটা ঘর ততক্ষণ পর্যন্ত ঘর হয় না যতক্ষণ না একজন নারীর ছায়া পড়ে। এ তো গেল সাধারণ দৃষ্টিপাত। এবার দেখুন কুরআনের দৃ‌ষ্টিপাত।

কুরআনে যেখানেই আল্লাহ স্ত্রী আর ঘরের কথা বলেছেন, আল্লাহ বলেছেন স্ত্রীর ঘর।

ইউসুফ আলাইহিস সালামের ব্যাপারে যখন আল্লাহ তাআলা আলোচনা করেছেন, তখন বলেছেন,
وَرَاوَدَتْهُ الَّتِي هُوَ فِي بَيْتِهَا عَن نَّفْسِهِ
যে নারীর ঘরে তিনি থাকতেন, সে তাকে ফুসলানোর চেষ্টা করলো। [ইউসুফ: ২৩]
আল্লাহ বলেননি যে শাসকের ঘরে তিনি থাকতেন তার স্ত্রী... আসলে তো ইউসুফ আলাইহিস সালাম থাকতেন আযীযে মিশরের ঘরেই।

আবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদের আল্লাহ বলছেন,
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولَىٰ ۖ
তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করো। সাজসজ্জা প্রদর্শন করে বেড়িও না, যেমন প্রাচীন জাহেলি যুগে প্রদর্শন করা হতো। [আহযাব : ৩৩] বলা হয়নি স্বামীর গৃহে অথবা বাবার গৃহে অবস্থান করো।

আবার যখন স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াঝাটি মান অভিমান হয়, এমনকি ব্যাপারটা তালাক পর্যন্ত গড়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়; তখনও আল্লাহ বলছেন স্ত্রীর ঘর।
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَأَحْصُوا الْعِدَّةَ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ رَبَّكُمْ ۖ لَا تُخْرِجُوهُنَّ مِن بُيُوتِهِنَّ
হে নবী, আপনারা যখন নারীদেরকে তালাক দেন, তখন তাদেরকে তাদের ইদ্দতের সময়ে তালাক দিবেন এবং ভালোভাবে ইদ্দতের হিশেব রাখবেন এবং আল্লাহকে ভয় করবেন, যিনি আপনাদের প্রতিপালক। তাদেরকে 'তাদের ঘর' থেকে বের করে দিবেন না। [তালাক: ১]

এমনকি যখন স্ত্রী পরকিয়া ব্যভিচারের মতো অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়, তখনও আল্লাহ স্বামীকে বলছেন না, তোমার ঘরে তাকে আবদ্ধ রাখো। বরং কারো সাথেই সম্পৃক্ত না করে ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। এখানে লক্ষণীয় বিষয় হলো স্ত্রীর কাছ থেকেও 'ঘরটা স্ত্রীর' এই সম্মান কেড়ে নিয়েছেন। অশ্লীল কাজ করে ফেলার নিয়তের পরও আযিযে মিশরের স্ত্রীর ব্যাপারে 'স্ত্রীর ঘর' বলেছেন। যেহেতু সেই মহিলা কাজটা করেনি। কিন্তু যখন কেউ অশ্লীল কাজ করে ফেলে তখন আল্লাহর দেয়া ওই সম্মান হারিয়ে ফেলে।

আল্লাহ তখন ঘরকে কারো সাথেই সম্পৃক্ত না করে বলছেন,
وَاللَّاتِي يَأْتِينَ الْفَاحِشَةَ مِن نِّسَائِكُمْ فَاسْتَشْهِدُوا عَلَيْهِنَّ أَرْبَعَةً مِّنكُمْ ۖ فَإِن شَهِدُوا فَأَمْسِكُوهُنَّ فِي الْبُيُوتِ حَتَّىٰ يَتَوَفَّاهُنَّ الْمَوْتُ أَوْ يَجْعَلَ اللَّهُ لَهُنَّ سَبِيلًا
তোমাদের নারীদের মধ্যে যারা অশ্লীল কাজ করবে, তাদের সম্পর্কে তোমাদের মধ্য হতে চারজন সাক্ষী রাখো। তারা যদি [অশ্লীল কাজ সম্পর্কে] সাক্ষ্য দেয়, তবে তাদেরকে ঘরের ভেতর আবদ্ধ রাখ, যাবত না মৃত্যু তাদের তুলে নিয়ে যায় কিংবা আল্লাহ তাদের জন্যে কোনও পথ সৃষ্টি করে দেন।[নিসা : ১৫]

কিন্তু যতক্ষণ না স্ত্রী কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেলে এবং চারজন সাক্ষী পাওয়া যায় ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ ঘরকে স্ত্রীর ঘর বলেছেন। আর এমন ঘটনা ঘটলে তো স্বাভাবিক যে, নারী-পুরুষ কারো ক্ষেত্রে ঘটলেই সম্মান দেয়া সম্ভব হয় না।

এই ব্যাপার ছাড়া দেখা যাচ্ছে ঘরের মালিকানা স্বামীর থাকলেও আল্লাহ বলছেন ঘরটা স্ত্রীর ঘর। আল্লাহ প্রদত্ত এই সম্মানের পরও মনে হীনমন্যতা রাখা উচিত নয় যে, আমাদের কোনো ঘর নেই। আর কোনো পুরুষেরও উচিত নয়, ঝগড়া হলে সামান্য দোষে কথায় কথায় স্ত্রীকে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলা, বাপের বাড়ি চলে যেতে বলা, ইত্যাদি। আল্লাহ তাআলা সূরা তালাকের আয়াতে তালাকের সময়ও অমনটা করতে সরাসরি নিষেধ করে দিচ্ছেন এবং বলছেন আল্লাহকে ভয় করুন।

সুতরাং স্ত্রীর ঘরটা স্ত্রীর জন্য প্রশান্তিময় করে তুলুন। ঝগড়া হলে রাগ হলে আলি রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতো আপনি বনবাসী হোন কিন্তু স্ত্রীকে সুকুনের সাথে তার ঘরে থাকতে দিন। তখন দেখবেন ব্যাপারটা হবে আলি ফাতিমার মতোই মিষ্টি! ওই যে আলি রাগ করে মসজিদে গিয়ে শুয়ে পড়লেন, আবার নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও গিয়ে ঘটনা শুনে মেয়েকে বললেন না, কাপড় গোছাও আর চলে আসো। বরং জামাইকে খুঁজতে বের হলেন এবং দেখলেন জামাই বাবাজি মাটিতে শুয়ে আছেন। আদর করে বললেন, 'ওহে আবু তুরাব! হে মাটির পিতা, উঠো উঠো!' পরবর্তীতে এই উপাধিই আলির সবচেয়ে প্রিয় ছিল। 'আবু তুরাব -মাটির পিতা।'

কিন্তু যদি আলি রাগ করে ফাতিমাকে বলতেন, বাপের বাড়ি চলে যাও। ঘর থেকে বের করে দিতেন, নবীজি কত কষ্ট পেতেন, ব্যাপারটা কত বিশ্রী হয়ে যেত!

ঘরের রানীকে ঘরেই রাখুন। ঘরটা তারই এটাই বরং জানিয়ে রাখুন। আবার বোনরাও জানবেন, স্বামী বলুক আর না বলুক, আল্লাহ তো বলছেন আপনার ঘর। অস্থায়ী এ ঘর নিয়ে মন খারাপ তবে কেনই বা হবে!

তারপরও কারো কথায় কষ্ট হলে বলবেন ফেরআউনের স্ত্রীর সেই দুআ : رَبِّ ابْنِ لِي عِندَكَ بَيْتًا فِي الْجَنَّةِ
"হে আমার পালনকর্তা! আপনার কাছে জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর তৈরি করুন।''

ব্যস কষ্টের সিন্ধু তো দূর বিন্দুও থাকবে না আর।

© মাজিদা রিফা আপু♥

Address

Bogura
5800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fashion of Muslimah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share