08/05/2018
----ঢাকা টু কুমিল্লা,কুমিল্লা টু ঢাকা----
ভারা নিয়ে নৈরাজ্য চলবেনা,,!চলবে না,,,!!
কৃতপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি170 টাকার ভাড়া এখন 300 টাকা কুমিল্লা টু ঢাকা (এসি)
একসময়ে কুমিল্লা টু ঢাকা রুটে এসি বাসে উঠার জন্য যাত্রীরা ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করত। আর এখন নন এসি বাসের জন্য অপেক্ষা করে। যে হারে এ রুটে এসি বাস বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী দিনে নন এসি বাস পাওয়া দুষ্কর হবে। এই এসি বাস বৃদ্ধির একটাই কারণ ভাড়া অত্যাধিক নেয়া যায়। কুমিল্লা টু ঢাকার দুরত্ব 97 কি.মি। সরকারি হিসেব মোতাবেক কি.মি প্রতি 1.70 পয়সা হিসেবে ভাড়া হওয়ার কথা 165 থেকে 170 টাকা। কিন্তু নন এসি বাসগুলো ফ্লাইওভার দিয়ে গুলিস্তান যাওয়ার নাম করে যাত্রী প্রতি 200 টাকা হারে ভাড়া আদায় করত। এখন নন এসি বাসগুলো গুলিস্তান না গেলেও ভাড়া ঠিকই 200 টাকা করেই নিচ্ছে। আর আরামবাগ/কমলাপুরগামী এসি বাসগুলো এতদিন যাত্রী প্রতি 250 টাকা হারে ভাড়া নিলেও বাসে ওয়াইফাই সুবিধা দেয়ার নাম করে কয়েকটি বাস কোম্পানী 300 টাকা হারে ভাড়া আদায় করছে। তাছাড়া সীটের নাম বিজনেস ক্লাস, ফার্স্ট ক্লাস, প্লাটিনাম নাম দিয়েও অত্যাধিক টাকা আদায় করছে। অথচ সরকার নির্ধারিত ভাড়া 170 টাকা। যাত্রীদের পকেটের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্যই সব কোম্পানী বাস এসিকরণে ঝুঁকছে। ওরা সামন্য ওয়াইফাই সুবিধা দেয়ার নাম করে যাত্রী প্রতি 250 টাকার স্থলে 300 টাকা নিচ্ছে। কয়দিন পর বাসে হয়তো ওয়াইফ সুবিধা দেয়ার নাম করে 300 টাকার ভাড়াই 900 টাকা দাবী করে বসবে। এ বর্ধিত বাস ভাড়া কে নির্ধারণ করে তা যাত্রী সাধারণ জানে না। প্রতিকার পায় না বলে যাত্রীরা প্রতিবাদও করে না। একসময় কুমিল্লা-ঢাকা রুটে সবচেয়ে উন্নতমানের বাস ছিল আশা, তিশা, পিপলস, উইনার ও প্রাইম। সালটা মনে নাই। তবে আমি 35 টাকা (একদাম) প্রাইমে করে ঢাকা গিয়েছি যে মনে আছে। ঐ সময় কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী সবগুলো বাসের ভাড়াই 30 থেকে 35 টাকার মধ্যে ছিল। 5 টাকা ভাড়া বৃদ্ধি করলেই সে সময়কার যাত্রীদের কাছে বাস মালিকদের অনেক জবাবদিহি করতে হতো। আর এখন? কোন জবাবদিহিতা নাই। ওদের ইচ্ছে মাফিক ভাড়া বৃদ্ধি করে। যাত্রীদের চাহিদা নাই। তারপরও অত্যাধিক ভাড়া আদায়ের জন্য বাসগুলোর বেশীর ভাগই এসিতে রুপান্তর করছে।
জনগনের ভূগন্তি কবে কমবে,আমরা সেই নিদিষ্ট সমাধান চাই,কুমিল্লার জনপ্রিয় নাগরিক সংগঠন - আমরা কুমিল্লার সন্তান, কুমিল্লা।পক্ষ থেকে... Mohammad Aziz