Online Mart Ctg

Online Mart Ctg Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Mart Ctg, City gate Chittagong, Chittagong.

​🛍️ আপনার পছন্দের অনলাইন শপ! 🛍️
​আমরা দিচ্ছি সেরা দামে সব ধরনের চায়না প্রোডাক্ট । ঘরে বসেই অর্ডার করুন আর পেয়ে যান হোম ডেলিভারি!
​🔥 আমাদের বিশেষত্ব:
​✅ সকল প্রকার পণ্য এক ছাদের নিচে
​✅ দ্রুত হোম ডেলিভারি
​✅ ক্যাশ অন ডেলিভারি

🎒 ভ্রমণ, জিম, ক্যাম্পিং-এর জন্য পারফেক্ট!🎒✨ স্মার্ট কোলাপসিবল সিলিকন ওয়াটার বোতল ✨ব্যাগ বা পকেটের জায়গা নষ্ট করার দিন শে...
24/10/2025

🎒 ভ্রমণ, জিম, ক্যাম্পিং-এর জন্য পারফেক্ট!🎒
✨ স্মার্ট কোলাপসিবল সিলিকন ওয়াটার বোতল ✨
ব্যাগ বা পকেটের জায়গা নষ্ট করার দিন শেষ! ব্যবহার শেষে সহজেই এটিকে ছোট করে ভাঁজ করে নিন।
🔥 কেন এটি সেরা?
* ভাঁজযোগ্য ডিজাইন: ছোট করে ব্যাগে ভরে নিন।
* নিরাপদ ম্যাটেরিয়াল: ফুড-গ্রেড সিলিকন, BPA-মুক্ত।
* লিক-প্রুফ: জল ছিটকে যাওয়ার কোনো ভয় নেই।
* টেকসই: মজবুত, জিম বা আউটডোরে ব্যবহারের জন্য আদর্শ।
* স্টাইলিশ: ইউনিক জ্যামিতিক ডিজাইন।
➡️ আর দেরি না করে এখনই অর্ডার করুন!

21/10/2025
😲 দাম মাত্র ৫৯০/- টাকা।😍⚡️ Labubu Big into Energy Series🔋🎁 প্রিয় মানুষটিকে গিফট করার জন্য একদমই আদর্শ প্রোডাক্ট💝💐👉 চট্র...
23/08/2025

😲 দাম মাত্র ৫৯০/- টাকা।😍
⚡️ Labubu Big into Energy Series🔋
🎁 প্রিয় মানুষটিকে গিফট করার জন্য একদমই আদর্শ প্রোডাক্ট💝💐

👉 চট্রগ্রাম সিটি এলাকার মধ্যে 🚛 Home Delivery 🚴‍♂️ দেয়া হয়।

👉 ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।

👉 💸 Cash On Delivery এর সুবিধা তো থাকছেই 🤓।

👉 অর্ডার করতে আমাদের ইনবক্স করুন আপনার
(১) নাম
(২) পূর্ণ ঠিকানা
(৩) মোবাইল নাম্বার
(৪) Product এর ছবি/নাম।

⚡️ Labubu Big into Energy Series🔋👉 Labubu doll  গুলি আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট মূল্যে পেতে এখনই অর্ডার করুন।(স্টক কিন্তু সীমিত...
02/08/2025

⚡️ Labubu Big into Energy Series🔋

👉 Labubu doll গুলি আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট মূল্যে পেতে এখনই অর্ডার করুন।(স্টক কিন্তু সীমিত)

👉 চট্রগ্রাম সিটি এলাকার মধ্যে 🚛 Home Delivery 🚴‍♂️ দেয়া হয়।

👉 ডেলিভারি চার্জ একদম ফ্রি! ফ্রি! ফ্রি! 😲(শুধু মাত্র চট্রগ্রাম সিটি এলাকার জন্য)।

👉 💸 Cash On Delivery এর সুবিধা তো থাকছেই 🤓।

👉 Product সম্পর্কে বিস্তারিত এবং Price জানতে inbox করুন।

👉 অর্ডার করতে আমাদের ইনবক্স করুন আপনার
(১) নাম
(২) পূর্ণ ঠিকানা
(৩) মোবাইল নাম্বার
(৪) Product এর ছবি/নাম।

21/07/2025

মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া বিমান দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করছি।

📦 কেন অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ নেওয়া হয়? 🤔আমাদের ই-কমার্স ব্যবসায়, আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট কারণে ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নিয...
12/06/2025

📦 কেন অগ্রিম ডেলিভারি চার্জ নেওয়া হয়? 🤔
আমাদের ই-কমার্স ব্যবসায়, আমরা কিছু সুনির্দিষ্ট কারণে ডেলিভারি চার্জ অগ্রিম নিয়ে থাকি, যা আপনার এবং আমাদের উভয়ের জন্যই সুবিধাজনক:
✅ ফেক অর্ডার রোধ: অগ্রিম চার্জের মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় বা মিথ্যা অর্ডার কমে, ফলে প্রকৃত ক্রেতারা দ্রুত সেবা পান।
✅ কুরিয়ার খরচ নিশ্চিতকরণ: পণ্য ডেলিভারি হোক বা না হোক, কুরিয়ার সার্ভিসকে আমাদের চার্জ দিতে হয়। অগ্রিম চার্জ সেই খরচ মেটাতে সাহায্য করে।
✅ অর্ডার নিশ্চয়তা: অগ্রিম পেমেন্ট আপনার অর্ডারের বিষয়ে আপনার আগ্রহ নিশ্চিত করে, যা আমাদের দ্রুত শিপিংয়ে সহায়তা করে।
✅ স্বচ্ছতা ও আস্থা: এটি আমাদের ব্যবসার স্বচ্ছতার প্রতীক। আমরা আপনার আস্থা কে মূল্য দিই এবং এটি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
✅ বিশ্বাসযোগ্যতা –
বিশ্বস্ত ব্যবসা কখনোই ছোটখাটো ১২০/১০০ টাকার জন্য বিশ্বাস নষ্ট করে না।
আপনার বিশ্বাসই আমাদের অনুপ্রেরণা!

Online Mart ctg এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ঈদ মোবারক। 🥰
07/06/2025

Online Mart ctg এর পক্ষ থেকে সকলকে জানাই ঈদ মোবারক। 🥰

১২ই নভেম্বর, ১৮৩৩ — যেদিন আকাশ থেকে ঝরেছিল আগুনের উল্কাবৃষ্টি!১২ই নভেম্বর, ১৮৩৩। রাত গভীর, নিস্তব্ধ। তখনকার পৃথিবী ছিল প...
01/06/2025

১২ই নভেম্বর, ১৮৩৩ — যেদিন আকাশ থেকে ঝরেছিল আগুনের উল্কাবৃষ্টি!
১২ই নভেম্বর, ১৮৩৩। রাত গভীর, নিস্তব্ধ। তখনকার পৃথিবী ছিল প্রযুক্তির ছোঁয়ামুক্ত এক সরল সময়ের আবরণে মোড়া। মানুষ ঘুমিয়ে ছিলো, প্রকৃতি নিশ্চূপ ছিলো। হঠাৎই সেই নিস্তব্ধ রাতের আকাশ জুড়ে শুরু হলো এক অবর্ণনীয় মহাজাগতিক ঘটনা — যেন আকাশের বুক ফেটে অগণিত আগুনের তারা বৃষ্টির মতো ঝরে পড়ছে। ইতিহাসে সেই রাতটি চিরস্মরণীয় হয়ে আছে “The Night the Stars Fell” নামে।
সেই রাতে সারা উত্তর আমেরিকার মানুষ সাক্ষী হয়েছিলো লিওনিড উল্কাবৃষ্টির এক অতুলনীয় ঝলকানির, যা এতটাই ব্যাপক ও বিস্ময়কর ছিলো যে মানুষ ভাবতে শুরু করে — বুঝি পৃথিবী শেষ হয়ে যাবে ধ্বংশ হয়ে যাবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, আকাশ যেন রূপ নিয়েছিল এক চলমান অগ্নিপুঞ্জে। উল্কাগুলোর বেগ ছিল দ্রুত, উজ্জ্বলতা ছিল চোখ ধাঁধানো। এগুলো ছিলো কোনো সাধারণ উল্কাবৃষ্টি নয় — তারা যেন ছিল আগুনের ফোঁটা। প্রতি মুহূর্তে শতশত উজ্জ্বল আলোর রেখা আকাশ চিরে ছুটে যাচ্ছিলো। গণনা করা অসম্ভব হলেও ধারণা করা হয়, ওই রাতে প্রায় ২,৪০০০০টি উল্কা পড়েছিল মাত্র ৯ ঘণ্টার মধ্যে। বোস্টন শহরে প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ৭২,০০০টি উল্কা পড়ার রেকর্ড পাওয়া গেছে।
এই অলৌকিক ঘটনা দেখে শহর ও গ্রামের মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। কেউ কাঁদতে থাকে, কেউ গির্জায় প্রার্থনায় মগ্ন।
“The very heavens seemed ablaze” — অর্থাৎ “পুরো আকাশ যেন দাউ দাউ করে জ্বলছে।”
এমনকি মার্কিন আদিবাসী লাকোটা গোত্র এই ঘটনাকে এতটাই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করেছিলো যে তারা তাদের নিজস্ব বর্ষপঞ্জিকে নতুন করে গঠন করে নেয় এই রাতকে কেন্দ্র করে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতের মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন এবং বিশিষ্ট কৃষ্ণাঙ্গ নেতা ফ্রেডেরিক ডগলাস-এর লেখাতেও এই রাতের উল্লেখ পাওয়া যায়। এই মহাজাগতিক দৃশ্য অনেক মানুষের জীবনদর্শন এবং বিশ্বাসকেও নাড়িয়ে দিয়েছিল।
এই ঘটনাটি কেবল একটি রাতের বিস্ময় হিসেবেই থেমে থাকেনি — এটি ছিল বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডেনিসন ওলমস্টেড (Denison Olmsted) ছিলেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতা ও চিঠিপত্র সংগ্রহ করে এই ঘটনার একটি গণ-ভিত্তিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ শুরু করেন। তার গবেষণার ফলেই জানা যায়, এই উল্কাবৃষ্টি এসেছিল লিও (Leo) নক্ষত্রমণ্ডল থেকে — যখন পৃথিবী Tempel-Tuttle ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণায় ভরা পথে প্রবেশ করেছিল।
এই ধরণের উল্কাবৃষ্টিকে বলা হয় লিওনিড উল্কাবৃষ্টি (Leonid Meteor Shower), যা প্রতি বছর নভেম্বর মাসে ঘটে। তবে ১৮৩৩ সালের ঘটনাটি এতটাই তীব্র ও স্মরণীয় ছিলো যে সেটি আজও ইতিহাসের সবচেয়ে নাটকীয় উল্কাবৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।
ঘটনাটি কতটা সত্য?
• ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে নথিভুক্ত, এবং NASA, Smithsonian, Yale University-সহ বহু প্রতিষ্ঠানে এর রেকর্ড রয়েছে।
• এটি ছিল ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ও দৃশ্যত চমকপ্রদ উল্কাবৃষ্টি, যা উত্তর আমেরিকার বড় একটি অংশে দেখা গিয়েছিল।
• জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডেনিসন ওলমস্টেড এই উল্কাবৃষ্টি নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা শুরু করেন। তাঁর বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, এটি Tempel-Tuttle ধূমকেতুর ধূলিকণা পথ অতিক্রম করার ফলে ঘটেছিল।
এই ঘটনায় কেউ মারা গিয়েছিল কি?
না, এই ঘটনায় কারো মৃত্যুর রেকর্ড পাওয়া যায়নি। যদিও অনেক মানুষ ভয় পেয়ে গিয়েছিল এবং কেউ কেউ ভেবেছিল পৃথিবীর শেষ সময় এসে গেছে, তবে এটি একটি প্রাকৃতিক ও নিরীহ মহাজাগতিক দৃশ্য ছিল।
উল্কাগুলো বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করেই জ্বলে উঠে বাষ্পীভূত হয়ে যায়, তাই ভূমিতে পড়ে বড় ক্ষতি করার সম্ভাবনা খুবই কম।


















📝 বেঁচে ফেরার এক অবিশ্বাস্য গল্প: অ্যামাজন জঙ্গলে জুলিয়ান কেপকের জীবনসংগ্রামতারিখ: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১। স্থান: পেরু।সেদিন ...
27/05/2025

📝 বেঁচে ফেরার এক অবিশ্বাস্য গল্প: অ্যামাজন জঙ্গলে জুলিয়ান কেপকের জীবনসংগ্রাম
তারিখ: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১। স্থান: পেরু।

সেদিন ক্রিসমাস ইভ। ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী, জুলিয়ান কেপকে, তার মা মারিয়া কেপকের সঙ্গে LANSA Flight 508 এ যাত্রা শুরু করেন পেরুর রাজধানী লিমা থেকে জঙ্গলে ঘেরা শহর পুকালপার উদ্দেশ্যে। তার বাবা-মা দুজনেই জীববিজ্ঞানী ছিলেন, যাদের গবেষণার কেন্দ্র ছিল অ্যামাজনের গভীর বনাঞ্চল। প্রকৃতিপ্রেমী জুলিয়ানের জীবনযাত্রাও চলছিল বিজ্ঞান আর প্রকৃতির সঙ্গে মিল রেখে।

কিন্তু সেই যাত্রা স্বপ্ন থেকে এক দুঃস্বপ্নে রূপ নেয়। বিমানটি মাঝপথেই ভয়াবহ বজ্রঝড়ের কবলে পড়ে। আকাশে এক তীব্র বজ্রপাত সরাসরি বিমানের শরীরে আঘাত হানে, আর মুহূর্তেই ১০,০০০ ফুট ওপর থেকে আকাশেই ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে যায় পুরো উড়োজাহাজটি। ৯১ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। কিন্তু এক অলৌকিক ঘটনায় মাত্র একজন – জুলিয়ান কেপকে – বেঁচে যান!

🌿 জঙ্গলের মধ্যে একা এক কিশোরী
জ্ঞান ফিরে পেয়ে জুলিয়ান নিজেকে আবিষ্কার করে গাছপালার মধ্যে শুয়ে, এক হাতে ভাঙা হাড়, চোখে রক্ত, কাঁধে ও পায়ে মারাত্মক ক্ষত। তার পরনে ছিল হালকা কাপড়, পায়ে ছিল না কোনো জুতো। চারপাশে ছিল হিংস্র প্রাণী, সাপ, পোকামাকড় এবং মৃত্যুর ভয়। কিন্তু সে হার মানেনি।

তার বাবা-মার শেখানো জ্ঞান অনুযায়ী সে একটি ক্ষুদ্র জলধারার ধারে হাঁটা শুরু করে, কারণ সে জানতো – ছোট নদী বড় নদীতে মিশবে, আর তা মানুষ বসতির দিকে নিয়ে যেতে পারে।

🍂 দশ দিনের সংগ্রাম
১০ দিন ধরে ক্ষুধা, তৃষ্ণা, জ্বর, আঘাত, একাকীত্ব—সব কিছু সত্ত্বেও সে বেঁচে থাকার লড়াই চালিয়ে যায়। সে গাছের ফল, গলে যাওয়া মিছরি, এমনকি নোংরা জল পান করে টিকে থাকে। এক সময় তার পায়ে লার্ভা প্রবেশ করে। অমানবিক যন্ত্রণা সহ্য করে সে নিজেই একটি হেয়ারপিন দিয়ে অপারেশন করে ফেলে লার্ভাটি।

অবশেষে, দশ দিনের মাথায়, সে পৌঁছে যায় স্থানীয় কিছু বনবাসীর একটি কুঁড়েঘরে। তারাই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

📚 ইতিহাসে বিরল এক বেঁচে ফেরার গল্প
এই দুর্ঘটনায় ৯১ জন যাত্রী মারা গেলেও, জুলিয়ানে ছিলেন একমাত্র জীবিত। তাঁর জীবনের এই অলৌকিক বেঁচে ফেরার কাহিনী আজও বিশ্ববাসীকে বিস্ময়ে অভিভূত করে। পরবর্তীতে, তিনি জীববিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা নিয়ে জীববিজ্ঞানী হন এবং তাঁর এই অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লেখেন আত্মজীবনীমূলক বই: “When I Fell From the Sky”।

এই ঘটনা শুধু একটি মেয়ে বেঁচে ফেরার গল্প নয় – এটি মানুষের সাহস, মনের জোর, এবং জীবনের প্রতি এক গভীর ভালোবাসার প্রমাণ।

✍️ তথ্যসূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, When I Fell From the Sky by Juliane Koepcke.

ইকির মিকির চাম চিকির 👌👌 শৈশব স্মৃতি… 😥কার কার মনে আছে বন্ধু?সারা জীবন এই ছড়া মুখে মুখে বলে খেলেছি!কিন্তু আসল ঘটনা আমরা অ...
26/05/2025

ইকির মিকির চাম চিকির 👌👌 শৈশব স্মৃতি… 😥
কার কার মনে আছে বন্ধু?
সারা জীবন এই ছড়া মুখে মুখে বলে খেলেছি!
কিন্তু আসল ঘটনা আমরা অনেকেই জানি না।
আজ ফেসবুক থেকে পাওয়া তথ্য আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম 🙂

“ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি,
চামের কাঁটা মজুমদার,
ধেয়ে এল দামোদর।
দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি,
দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি।
চাল কাঁড়তে হল বেলা,
ভাত খাওগে দুপুরবেলা।
ভাতে পড়ল মাছি,
কোদাল দিয়ে চাঁছি।
কোদাল হল ভোঁতা,
খা কামারের মাথা।”

এই ছড়াটি ছোটবেলায় আমরা অনেকেই মুখস্ত করতাম, মজা পেতাম। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি — এর গভীর অর্থ কী?

অনেকেই মনে করেন এটি শিশুদের নির্ভেজাল আনন্দের জন্য লেখা একটি ছড়া। কিন্তু সত্যিটা খুবই করুণ। এই ছড়ায় আসলে আনন্দের কিছুই নেই — বরং বাংলার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের দুঃসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থারই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।

চলুন ছড়াটির পংক্তিগুলো এক এক করে বিশ্লেষণ করি—

ইকড়ি মানে জীবিকা নির্বাহের জন্য সারাদিন খাটুনি খাটা।

মিকড়ি মানে সেই খাটুনিতেও যখন চলে না, তখন আরও কিছু উপার্জনের চেষ্টা।

চাম মানে রুজি-রোজগারের স্থান বা ক্ষেত্র।

চিকড়ি মানে সেই রোজগারের স্থান ঘুরে ঘুরে যা কিছু পাওয়া যায়, তা ঘরে আনা।

এরপর আসে—

“চামের কাঁটা মজুমদার” — এখানে 'মজুমদার' এক শ্রেণির রাজকর্মচারী, যারা খাজনা আদায় করত। গরিব কৃষকের জন্য তারা ছিল 'পথের কাঁটা'।

“ধেয়ে এল দামোদর” — 'দামোদর' হলো পাইকার বা ফড়েরা, যারা গরিবের উৎপাদিত দ্রব্য অল্প দামে কিনে নিয়ে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করে।

“দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি” — অর্থাৎ তারা সঙ্গে করে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে আসে, সব কিছু তুলে নিয়ে যায়।

“দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি” — ফড়ে ও খাজনা আদায়কারীদের হাত থেকে যেটুকু চাল বাঁচে, তা দিয়েই ভাত রাঁধার চেষ্টা।

“চাল কাঁড়তে হল বেলা” — সব কাজ শেষ করে রান্নায় বসতে বসতে দুপুর গড়িয়ে যায়।

“ভাত খাওগে দুপুরবেলা” — অর্থাৎ সারা সকাল অনাহারে কাটিয়ে দুপুরে খেতে হয়।

“ভাতে পড়ল মাছি” — গরিবের খাবারে পর্যন্ত 'চোর' বা উপদ্রব এসে পড়ে।

“কোদাল দিয়ে চাঁছি” — এখানে 'কোদাল' মানে কোতোয়াল বা পুলিশ; চুরির অভিযোগ জানানো।

“কোদাল হল ভোঁতা” — পুলিশ কোনো কাজেই আসে না, কার্যকারিতা হারায়।

“খা কামারের মাথা” — এই 'কামার' সেই লোক, যে এই কোদাল বানিয়েছে। অর্থাৎ যারা প্রশাসন বা পুলিশ তৈরি করে — শেষ পর্যন্ত তাদের কাছেই গরিব মানুষদের মাথা কুটতে হয়।

সারাংশ:
ছড়ার পেছনে লুকিয়ে আছে বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের চিরন্তন দুঃখ-কষ্টের গল্প। জমিদার, রাজস্ব আদায়কারী, অসাধু ব্যবসায়ী, চোর, পুলিশ — এদের দৌরাত্ম্যে তাদের জীবনে শান্তি নেই, পেট ভরে ভাত জোটানোও কঠিন।

তথ্যসূত্র:
১। কলিম খান ও রবি চক্রবর্তী, “বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ”
২। ড. মোহাম্মদ আমিন, “ইকড়ি মিকড়ি : অসাধারণ অর্থপূর্ণ একটি ছড়া”

Address

City Gate Chittagong
Chittagong
4207

Telephone

+8801862423162

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Mart Ctg posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Online Mart Ctg:

Share