Farzana's Vogue n Fit-Out

Farzana's Vogue n Fit-Out Bismillahir Rahmanir Rahim. Assalamualikum, Now work orders can be Processed on M/S Rayhan Traders.
(4)

12/05/2026
💔 আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?😮‍💨 হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?🪜 সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?💓 রাতে হঠাৎ বুক ধ...
12/05/2026

💔 আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?
😮‍💨 হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?
🪜 সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?
💓 রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?

তারপর নিজেকেই বুঝ দেন—
“😅 গ্যাস…”
“🧓 বয়স বাড়তেছে…”
“😔 এত টেনশন করলে এমন হবেই…”

কিন্তু কখনো ভেবেছেন,
এগুলো হয়তো আপনার ❤️ হার্টের নীরব সতর্কবার্তা?

👨‍🦳 ৫৮ বছরের একজন মানুষ…
একদম সাধারণ জীবন।
🌅 সকাল হলে কাজে যেতেন,
😊 মানুষের সাথে হাসতেন,
🛒 বাজার করতেন,
👨‍👩‍👧‍👦 পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।

বড় কোনো অসুখ ছিল না…
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।

তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
😖 তীব্র ব্যথা না…
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ যেন 🪨 পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।

তিনি ভাবলেন—
“⏳ একটু পর ঠিক হয়ে যাবে…”

কিন্তু ভিতরে ভিতরে হার্টের রক্তনালী বছরের পর বছর ধরে সরু হয়ে যাচ্ছিল…

🚰 আমরা যেভাবে ঘরের পাইপে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথও ধীরে ধীরে ছোট হয়ে যায়।

⚠️ যেসব লক্ষণ কখনো অবহেলা করবেন না:
• 😫 অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
• 💔 বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
• 😮‍💨 হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
• 🥺 আগের মতো শক্তি না পাওয়া
• 💦 হঠাৎ ঘাম হওয়া
• ✋ বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি

আমরা সবাই বিশ্বাস করতে চাই—
“🤲 আমার কিছু হবে না…”

কিন্তু মনে রাখবেন…
⏰ হার্ট অ্যাটাক সময় দেয় না।

🚨 প্লিজ অবহেলা করবেন না।

❤️ কি করলে হার্ট ভালো থাকবে?
প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।

🖤 হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেনঃ

🚶‍♂️ ১/ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই সবচেয়ে বড় ওষুধ।

🚭 ২/ ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“😅 মাঝে মাঝে খাই…” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।

🍔 ৩/ তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…
এসব ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে দেয়।

😴 ৪/ ঘুম ঠিক করুন
🌙 রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস—
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।

🩺 ৫/ সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে, কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।

⚖️ ৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না…
এটা হার্টেরও শত্রু।

🧘‍♂️ ৭/ রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।

🚨 যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…
তাহলে একটা 🩻 ECG, ❤️ Echo বা 👨‍⚕️ ডাক্তার দেখানো আপনার জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে।

❤️ হার্ট ভালো রাখার জন্য শুধু ওষুধ না,
জীবনযাপনও বদলাতে হয়।

N. B.=তথ্য গুলো সংগৃহীত।

#হৃদরোগপ্রতিরোধ #হার্টেররোগেরপ্রাথমিকপ্রতিরোধ #হার্টেররোগপ্রতিরোধেসচেতনতা

09/05/2026

মায়ের হাসিতেই পৃথিবীর সবচাইতে পবিত্র সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে। ❤️
মায়ের মমতা আর যত্ন যেমন আমাদের আগলে রাখে, তেমনি আমরাও চাই প্রতিটি মায়ের জীবন হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল এবং সুন্দর। আজকের এই বিশেষ দিনে পৃথিবীর সকল মাকে জানাই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। 🌹
আপনার জীবনের প্রথম সুপারহিরো এবং প্রথম ভালোবাসা অর্থাৎ আপনার মায়ের জন্য আজকের দিনটি হোক অনেক বেশি স্পেশাল।

তোমরা তারেক রহমানের ভালোবাসা দেখছো, কিন্তু জোবাইদা রহমানের দিনের পর দিন কান্না দেখনি।তোমরা যারা প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী প্...
07/05/2026

তোমরা তারেক রহমানের ভালোবাসা দেখছো, কিন্তু জোবাইদা রহমানের দিনের পর দিন কান্না দেখনি।
তোমরা যারা প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী প্রেম দেখে স্বামীকে খোচাও!

জেনো রেখো, ২০০৬ এর আমলে হাসিনা, সরকার ও মিডিয়া যখন তারেক রহমানকে দেশের সবচেয়ে বড় ভিলেন বানিয়েছিল। লেখার অযোগ্য অপবাদ ডিজিএফআই দিচ্ছিল, তখন এই মহীয়সী উচ্চ শিক্ষিত ও উচ্চ অভিজাত এবং ধনাঢ্য পরিবারের নারীটি তার স্বামীকে দুর্দিনে এড়িয়ে যায়নি। স্বামীর প্রতি রাগ অভিমান করেনি। বরং সর্বস্ব দিয়ে স্বামীর পাশে দাড়িয়েছিলেন।

স্বামীর জন্য যখন বড় উকিল খুজে পাচ্ছিলেন না, তখন বাবার পরিবার-স্বামীর পরিবারের আভিজাত্য ও নিজের ব্যক্তিত্ব ভুলে ব্যারিষ্টার রফিকুল হকের চেম্বারে চোখের পানি ফেলেছেন, বসে থেকেছেন।

বিদেশে চিকিৎসার কথা বলা হলে সরকার পক্ষ থেকে চিকিৎসার খরচ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।

তখন এই জোবায়দা রহমান স্বামীর অসহায় দশা দেখে অশ্রুসজল নয়নে ঘোষণা দিয়েছিলেন, "দরকার হয় আমার পৈতৃক সম্পত্তি বেচে আমার স্বামীর চিকিৎসা করাবো। "

জেল কিংবা জেল বন্দী অবস্থায় হাসপাতাল, ল থেকে প্রতিদিন উড়নায় মুখ চেপে ক্রন্দনরত অবস্থায় বের হতেন জোবায়দা রহমান।

এগুলো মিথ্যা না, এগুলো আমাদের চোখের স্বাক্ষ্য।
অথচ মিডিয়া, ডিজিএফআই ও অকৃতজ্ঞ জাতির সবচেয়ে বড় ভিলেন তখন তারেক রহমান।

আমরা ২০০৮ এর ইলেকশনের পুর্বে ফেসবুকে বাংলিশে তারেক রহমানের নাম লিখে যে পরিমান গালি খেতাম তা বর্তমানের আল বটর বাহিনীর চেয়ে বেশীই হবে, যদিও বটরদের মত অশ্লীলতা থাকত না।

সবাই ছেড়ে গেলেও অন্তত একজন মানুষ যদি সেদিন তারেক রহমানের পাশে থাকতো, সেটাই হলেন এই জোবাইদা রহমান।

তারেক রহমানের মত স্বামীর সম্মান, ভালোবাসা ও নির্ভরতা চাও?

জোবায়দার মত নি:স্বার্থ হয়ে দেখাও।
ভালবাসার জন্য কাঙাল হতে হবে না, স্বামীই ভালবাসা দিয়ে ভরিয়ে দিবে তোমার ভুবন।
(C)_Sohag_Mia

06/05/2026

#তক্ষকের_কিস্সা:/ #আমাদের_প্রচলিত_ভুল_ধারনা

গ্রামের মধ্যে কিছু অদ্ভুত টাইপের মানুষ আছে এগুলো খোজে,
এখন এই তক্ষকের কথা শুনলে পুরোপুরি গ্রামের বোকাসোকা মানুষের উন্মাদনা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না🐸এইসব দিয়ে প্রতারণা করে।
যেমন আপনাকে বলবে তার কাছে তক্ষক আছে,অনেক টাকা দাম।আপনি শোনা।মাত্রই মস্তিষ্কের ডোপামিন নিঃসরণ ঘটতে থাকে,আর লোভে পড়ে যাবেন,বিক্রি করতে পারলেই বড়লোক।কিন্তু বিক্রি করতে কিছু টাকা খরচ করতে হবে,পার্টি যোগাড় করতে হবে,বিভিন্ন যায়গায় দৌড়াতে হবে।তাই বেসিক কিছু খরচ লাগবে।তারা আপনার কাছে,৫০ হাজার থেকে ১লাখ টাকা চাইবে,আর কোটি টাকার লোভ দেখাবে।আপনিও চিন্তা করবেন,অল্প কিছু টাকাতো দেই বিক্রি হলেই বড়লোক।তারা প্রয়োজনে তক্ষকটি আপনার কাছে রাখবে,এতে করে আপনি আরো বিশ্বাসী হয়ে উঠবেন।এবার কিছুদিন পরে গোয়েন্দা পুলিশ আপনাকে ধরে নিয়ে যাবে।সাথে ভয় দেখিয়ে আরো কিছু টাকা দাবি করবে,ব্যাস তাদের টাকা দিয়ে বাড়ি চলে আসবেন।
ওরা আবার নতুন কোনো মুরগী খুঁজবে।এভাবেই,কষ্টিপাথর,সিমান্ত পিলার এর প্রতারণা চলে।আর মাঝেমধ্যে সত্যিকারের পুলিশ চলে আসে🤣।

আসসালামু আলাইকুম। শুভ সকাল।

তথ্য : KBH বিঞ্জান পেইজ হতে তথ্য সংগৃহীত।

04/05/2026

এক-এগারোর অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতি থেকে বিএনপি এবং জিয়া পরিবারকে মাইনাস করার জন্যই তিনি এক-এগারোর সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তিনি বলেন, আত্মীয় হওয়ার পরও তাকে সেনাপ্রধান না করার কারণে তিনি জিয়া পরিবারের ওপর প্রতিশোধ নিতে চেয়েছিলেন।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তদন্তকারীদের কাছে মাসুদ স্বীকার করেছেন, তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতনের পরিকল্পনা তারই ছিল। মাসুদ উদ্দিন আশা করেছিলেন, এর ফলে বেগম খালেদা জিয়া তাদের সব শর্ত মেনে নেবেন এবং বিদেশ চলে যাবেন।

কিন্তু বেগম জিয়া শেষ পর্যন্ত অনড় ছিলেন।

মাসুদ উদ্দিন জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত বেগম জিয়া বিদেশে যেতে রাজি হননি। তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমানকে গ্রেপ্তারের পেছনে মূল কারণ ছিল জিয়া পরিবারের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা। যেন তারা রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়।

মাসুদ উদ্দিন স্বীকার করেন, বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের আপসহীন ভূমিকার কারণে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

মাসুদ বলেন, তিনি সেনাপ্রধান হতে চেয়েছিলেন। এক-এগারোর পর মইন সেনাপ্রধানের পদ ছেড়ে ক্ষমতা নেবেন এবং তিনি (মাসুদ উদ্দিন) সেনাপ্রধান হবেন, এমনটাই পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বেগম জিয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

মাসুদ উদ্দিন স্বীকার করেছেন, তিনি অবসর গ্রহণের পর অবৈধভাবে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বানিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে তার সম্পদ রয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

এক-এগারোর অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন রিমান্ডে এভাবেই মুখ খুলেছেন। এক-এগারোর ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এ মামলায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ১১ এপ্রিল চার দিনের পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন আদালত। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে বিধি মোতাবেক তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় ১২ এপ্রিল বেলা ২টার দিকে তিনি অসুস্থ্য বোধ করলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে ২৭ এপ্রিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়। আবেদনে আরও বলা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে আসামির কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্তে সহায়ক হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে।

উল্লেখ্য গত ২৩ মার্চ মাসুদ উদ্দিনকে বারিধারা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে একাধিক মামলায় কয়েক দফায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে এ সময় মাসুদ এক-এগারো সম্পর্কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।

ওয়ান-ইলেভেন সংক্রান্ত বই ‘এক-এগারো’র লেখক মহিউদ্দিন আহমদ বলছেন, ওয়ান-ইলেভেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। ওই সময় যে কয়েকজন সেনাকর্মকর্তা খুবই প্রভাবশালী হয়ে উঠেছিলেন, তাদের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি। ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে তখনকার প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহমদের প্রধান উপদেষ্টার পদ এবং তার উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের পদত্যাগের পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন তখনকার সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ।

ওই সময় আরও তিনজন সেনাকর্মকর্তা ব্যাপক আলোচনায় এসেছিলেন। তারা হলেন- তখনকার নাইন ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, তখনকার ডিজিএফআইয়ের ভারপ্রাপ্ত ডিজি ফজলুল বারী ও তখনকার ডিজিএফআইয়ের আরেকজন কর্মকর্তা পরবর্তীতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এ টি এম আমিন। এর মধ্যে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছাড়া অন্যদের কেউই দীর্ঘকাল ধরে দেশে নেই।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি শপথ নেওয়া ড. ফখরুদ্দীন আহমদের সরকার সে বছরের ৮ মার্চ তখনকার উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিনকে চেয়ারম্যান এবং লে. জেনারেল মাসুদ চৌধুরীকে প্রধান সমন্বয়কারী করে গুরুতর অপরাধ দমন অভিযান সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করেছিল।

তবে তারও আগে ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদ গঠনেও মাসুদ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে তখনকার সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ তার ‘শান্তির স্বপ্নে’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন।

বইয়ের এক অংশে তিনি লিখেছেন যে, তারা তখন প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার জন্য শুরুতে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রস্তাব দিলেও তিনি তাতে রাজি হননি।

‘ড. ইউনূস অস্বীকৃতি জানানোর পর ড. ফখরুদ্দীনের নাম উঠে আসে। মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ড. ফখরুদ্দীনের বাসায় যান এবং রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তখন গভীর রাত। আমি ড. ফখরুদ্দীনের বাসায় ফোন করলাম। তিনি সম্ভাবত ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। আমিও তাকে প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণে আমন্ত্রণ জানালাম’।

এই বইতে উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তখনকার সেনাপ্রধান লিখেছেন, ‘...এ সময়ে দেশের গোয়েন্দা বিভাগ ও সাভার ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে সর্বাত্মক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসে। সাভার ডিভিশনের জিওসি দীর্ঘদিন ডিজিএফআইতে কর্মরত থাকার সুবাধে তার মতামত এ পরিষদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে’।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ছিলেন এক-এগারোর পট পরিবর্তনের প্রধান উদ্যোক্তা বা মূল কুশীলব। তখন তিনি ছিলেন সাভারে অবস্থিত সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসি। তিনি প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর-ডিজিএফআইকে সঙ্গে মিলে পুরো পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন। তখন এমন আলোচনাও ছিল যে তৎকালীন সেনাপ্রধান মইন উ আহমেদ শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় ছিলেন; যদিও তিনি পরে ওই পরিকল্পনায় যুক্ত হন।

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির দিন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদের সঙ্গে বঙ্গভবনে যে সেনা কর্মকর্তারা গিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে নবম পদাতিক ডিভিশনের তৎকালীন জিওসি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীও ছিলেন। তিনি সেদিন বঙ্গভবনে সশস্ত্র অবস্থায় গিয়ে চাপ প্রয়োগ করেন। চাপের মুখে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন। ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তখন একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন। সেই পদ থেকেও তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।

এক-এগারো পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় ছিল তথাকথিত ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’। যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

সেই সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা এবং বিএনপি নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ করে গোয়েন্দা হেফাজতে নিয়ে তারেক রহমানের ওপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ আজও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। যেখানে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। মাসুদ উদ্দিন রিমান্ডে তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছেন।

মাসুদ বলেছেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকলেও শুধু ক্ষোভের কারণেই তিনি এ নির্যাতন চালান।

এক-এগারো সরকারের সবচেয়ে আলোচিত কার্যক্রম ছিল দুর্নীতিবিরোধী অভিযান। বহু শীর্ষ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও আমলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিশেষ কারাগার, জিজ্ঞাসাবাদ, রিমান্ড-এসব বিষয় তখন ব্যাপক আলোচনায় আসে।

ওই বিশেষ অভিযান নিয়ে বিতর্কও ছিল। অভিযোগ ওঠে, অনেক গ্রেপ্তারে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। মাসুদ উদ্দিনের নেতৃত্বে শীর্ষ দুর্নীতিবাজের তথাকথিত তালিকা তৈরি করে হয়রানি করা হয়। তাদের থেকে অবৈধভাবে অর্থ নেওয়ার হয়েছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এই অর্থ আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করে। আদায় করা প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু সেই টাকা আজও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই সময় মাসুদ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

মাসুদ উদ্দিন তথাকথিত সংস্কারের নামে বিএনপি এ আওয়ামী লীগ ভাঙার মুখ্য কারিগর ছিলেন। কাউকে ভয় দেখিয়ে, কাউকে টোপ দিয়ে তিনি আলাদা বিএনপি গঠনের চেষ্টা করেছিল বলেও রিমান্ডে স্বীকার করেছেন মাসুদ উদ্দিন। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াৎ হোসেন।

মাসুদ উদ্দিন বলেছেন, মাইনাস ফর্মুলার প্রবর্তক ছিল দুটি প্রভাবশালী পত্রিকার সম্পাদক। তাদের সঙ্গে তিনি সেই সময় নিয়মিত বৈঠক করতেন বলেও রিমান্ডে জানিয়েছিলেন মাসুদ।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭৫ সালে রক্ষীবাহিনীতে। ‘৭৫ এর পট পরিবর্তনের পর জিয়াউর রহমান রক্ষীবাহিনী থেকে অন্যান্যদের সঙ্গে তাকে সেনাবাহিনীতে যুক্ত করেন। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। রক্ষীবাহিনী থেকে সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে একমাত্র তিনি যেতে পেরেছিলেন। ২০০৭ সালে তিনি নবম ডিভিশনের জিওসি ছিলেন। যা তাকে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

পারিবারিকভাবে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আত্মীয়। তাঁর ছোট ভাই সাঈদ এস্কান্দারের ভায়রা ভাই। এই সম্পর্কের জেরে তার পদোন্নতি ও প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে।

একপর্যায়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদের সঙ্গে কিছু কিছু বিষয়ে মাসুদ উদ্দিনের মতভেদ দেখা দেয়। এরপর ২০০৮ সালের ২ জুন তার চাকরি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যাস্ত করে সেনাবাহিনী থেকে সরিয়ে দেন মইন উ আহমেদ। এরপর ২ সেপ্টেম্বর তাকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার নিযুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার তিন দফায় তার চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করে। অবসর গ্রহণের পর তিনি ঢাকায় একাধিক ব্যবসায় যুক্ত হন। ২০১৪ সালে অবসর গ্রহণের পর মাসুদ উদ্দিন ব্যবসায় যুক্ত হন। পরবর্তী সময়ে জনশক্তি রপ্তানি বা রিক্রুটিং ব্যবসার লাইসেন্স পান। এরপর মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো নিয়ে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিপুল অর্থ কামানোর অভিযোগ ওঠে।

মাসুদ উদ্দিন জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে ফেনী-৩ (সোনাগাজী-দাগনভূঞা) আসন থেকে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে সংসদ সদস্যও হয়েছেন। অবশ্য তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রথমে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন; পরে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন। জাতীয় পার্টিতে তাঁর যোগদানও আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতৃত্বের পরামর্শে বা সিদ্ধান্তে হয়েছিল বলে তখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ছিল।

অবসরের পর তিনি জনশক্তি রপ্তানি ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় জড়ান। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কারসাজি ও প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। গত বছরের ২৫ আগস্ট মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তার বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাকে আবারও রিমান্ডে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

ও BNP mede cell

Address

Road No:4, West Khulshi, Chattogram
Chittagong
4225

Opening Hours

Monday 10:00 - 19:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Friday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801701815090

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Farzana's Vogue n Fit-Out posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Farzana's Vogue n Fit-Out:

Shortcuts

Share