MoMou Kutir - মোমৌ কুটির

MoMou Kutir - মোমৌ কুটির ✨ Timeless Style, Everyday Elegance ✨
📦 All Over Bangladesh Delivery
📩 DM to Order

08/07/2026

চলেন একটু হাসি🤣🤣🤣

07/07/2026

আমি একজন ফুড ডেলিভারি বয়।
বেশিরভাগ সময়ই আমার ডিউটি থাকে সন্ধ্যার শিফটে।

সেদিন রাত প্রায় ৯টার সময় আমি শেষ অর্ডারটা হাতে পাই। রেস্টুরেন্ট থেকে প্যাকেটটা নেওয়ার সময় খেয়াল করলাম—অর্ডারটা খুবই ছোট।
সাধারণ খিচুড়ি, একটু দই, আর দুটো কলা।

ঠিকানাটা ছিল শহরের একটু পুরনো অংশে। একটা জরাজীর্ণ পুরনো বাড়ি। তৃতীয় তলা পর্যন্ত সিঁড়ি ভেঙে উঠতে হলো।

আমি দরজার বেল টিপলাম।

একজন বৃদ্ধা দরজা খুললেন।
সাদা চুল, কাঁপা কাঁপা হাত, চোখে মোটা চশমা। মুখে ক্লান্তির ছাপ ছিল, কিন্তু কণ্ঠে ছিল অদ্ভুত এক মমতা।

তিনি মৃদু হেসে বললেন—

“বাবা, খাবারটা ভেতরে টেবিলের ওপর রেখে দাও তো…। হাত দুটো খুব কাঁপে।”

আমি খাবারটা টেবিলে রেখে বেরিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই তিনি আবার বললেন—

“দু’মিনিট বসবে বাবা?
একা একা খেতে আর ভালো লাগে না…”

আমি ঘড়ির দিকে তাকালাম।
আমার শিফট শেষ হয়ে গিয়েছিল।
শরীরও বেশ ক্লান্ত ছিল।

তবু কেন জানি না, আমি বসে পড়লাম।

ঘরটা একদম নিস্তব্ধ ছিল।
দেওয়ালে ঝোলানো পুরনো ঘড়ির টিকটিক শব্দ ভেসে আসছিল। এক কোণে ছোট্ট করে কাবাশরিফের ছবি। আর সামনের দেয়ালজুড়ে অসংখ্য পুরনো ফ্রেমবন্দী ছবি।

বৃদ্ধা ধীরে ধীরে খাবারের প‍্যকেট খুললেন।
খুব আস্তে আস্তে খিচুড়ি খেতে শুরু করলেন। প্রতি দু’কামড় পরপর আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসছিলেন।

হঠাৎ তিনি বললেন—

“জানো বাবা, আমি রোজ বাইরে থেকে খাবার অর্ডার করি না। আজ শুধু মনে হলো…
একটা মানুষের গলার শব্দ শুনতে ইচ্ছে করছে।”

আমি চুপ করে রইলাম।

তিনি দেয়ালের একটা ছবির দিকে আঙুল তুলে বললেন—

“এই যে, উনি আমার স্বামী। রেলে বড় চাকরি করতেন। পাঁচ বছর আগে চলে গেছেন।”

তারপর আরেকটা ছবির দিকে তাকালেন।

“এটা আমার ছেলে। কানাডায় থাকে। খুব ভালো আছে… প্রতি মাসে টাকা পাঠায়।”

এরপর কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
মুখে হাসি ছিল, কিন্তু চোখ ভিজে উঠেছিল।

তিনি ধীরে বললেন—

“শুধু…
কথা পাঠানোর সময়টা আর হয় না।”

হঠাৎ যেন ঘরের ঘড়ির টিকটিক শব্দটা আরও জোরে শোনা যেতে লাগল।

তিনি আবার একটু খিচুড়ি খেলেন।

“এটা আমার মেয়ে। মেলবোর্ন-এ থাকে।
নিজের সংসারে খুব সুখে আছে। থাকুক… সন্তানরা যদি উড়তেই না শেখে, তাহলে এত কষ্ট করে মানুষ করলাম কেন?”

কথাগুলো বলতে বলতে তাঁর গলা কেঁপে উঠছিল। তবু মুখে কোনো অভিযোগ ছিল না। ছিল শুধু এক গভীর শূন্যতা।

হঠাৎ তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন—

“তোমার মা আছেন বাবা?”

আমি বললাম—
“হ্যাঁ, আছেন।”

তিনি আবার জিজ্ঞেস করলেন—

“প্রতিদিন ফোন করো?”

আমি চুপ করে গেলাম।

সত্যি বলতে, আমিও অনেকদিন বাড়িতে ফোন করতাম না। কাজের চাপ, ক্লান্তি, ব্যস্ততা— প্রতিবার ভাবতাম, ‘কাল ফোন করব।’

বৃদ্ধা আমার নীরবতা বুঝে ফেলেছিলেন।

খুব শান্ত গলায় বললেন—

“মা-বাবারা টাকা গোনেন না বাবা…
ওরা অপেক্ষা করে সন্তানের কণ্ঠস্বরের জন্য।”

কথাটা শুনে বুকের ভেতরটা কেমন ভেঙে গেল।

খাওয়া শেষ হলো।
তিনি একটু পানি খেলেন।

তারপর পার্স থেকে ৫০০ টাকার একটা নোট বের করে আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন।

বললেন—

“এটা টিপস নয় বাবা।
এই আধঘণ্টা তুমি আমাকে একা খেতে দাওনি—
এটা তার দাম।”

আমি তাড়াতাড়ি বললাম—

“না না, আম্মা, এটা আমি নিতে পারব না।”

তিনি মৃদু হেসে বললেন—

“নাও বাবা।
আজ তুমি শুধু খাবার পৌঁছে দাওনি…
তুমি সঙ্গ পৌঁছে দিয়েছ।”

শেষ পর্যন্ত আমি টাকাটা নিলাম।
কিন্তু পকেটে রাখতে পারলাম না।
হাতেই ধরে রইলাম।

আমি বেরিয়ে আসছিলাম, তখন তিনি আবার ডাকলেন—

“আর শোনো—
আজ বাড়ি গিয়ে মাকে অবশ্যই ফোন করবে।”

সেদিন রাতে বিল্ডিংয়ের নিচে নেমে আমি বাইক স্টার্ট দিইনি। প্রথমেই মাকে ফোন করেছিলাম।

ওপাশ থেকে মায়ের কণ্ঠ ভেসে এলো—

“হঠাৎ আজ ফোন করলি?
সব ঠিক আছে তো বাবা?”

শুধু সেই গলাটা শুনেই আমার গলা ধরে এলো।

আমি ধীরে বললাম—

“হ্যাঁ মা…
শুধু তোমার গলাটা শুনতে ইচ্ছে করছিল।”

ওপাশে কয়েক সেকেন্ড নীরবতা।

তারপর মা বললেন—

“খেয়েছিস তো?”

রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েই আমি কান্নায় ভেঙে পড়লাম।

সেই রাতের পর থেকে আমি প্রতিদিন মাকে ফোন করতে শুরু করি।

আর শুধু মাকেই নয়—
প্রতিটা ডেলিভারিও আমার কাছে আর শুধুমাত্র একটা অর্ডার রইল না।

কোনো বাড়িতে ওষুধের দরকার হয়।
কোনো বাড়িতে একাকীত্বের একটু উপশম দরকার হয়। কোনো বাড়িতে কারও ফেরার অপেক্ষা শেষ হওয়ার প্রয়োজন হয়। আবার কোনো বাড়িতে শুধু দরকার হয়—
একটা মানুষের কণ্ঠস্বর।

এখন দরজা খুললেই আমি আর তাড়াহুড়ো করি না।
আমি মুখের দিকে তাকাই। কথার ভেতরের ক্লান্তি শুনতে চেষ্টা করি।

মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করি—

“সব ঠিক আছে তো?”

বেশিরভাগ মানুষ শুধু বলে—“হ্যাঁ।”
কেউ একটু হাসে।
আবার কিছু মুখ বলে দেয়—
সারাদিন তারা কারও সঙ্গে কথা বলেনি।

দু’মাস পরে আবার সেই একই ঠিকানা থেকে একটা অর্ডার এলো।

আমি তাড়াতাড়ি সেখানে গেলাম।

কিন্তু দরজা খুললেন অন্য একজন।
পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি।

তিনি ধীরে বললেন—

“আম্মা গত সপ্তাহে মারা গেছেন।”

আমি কয়েক মুহূর্ত দরজার সামনে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। হাত খালি ছিল, তবু মনে হচ্ছিল ভেতরে যেন খুব ভারী কিছু ভেঙে পড়েছে।

আন্টি ভেতর থেকে একটা ছোট খাম এনে আমার হাতে দিলেন।

বললেন—

“এটা তোমার জন্য রেখে গিয়েছেন।”

কাঁপা হাতে খামটা খুললাম।

ভেতরে ছিল সেই ৫০০ টাকার নোট।
আর একটা ছোট্ট চিরকুট।

তাতে লেখা ছিল—

“বাবা,
যদি তুমি এই চিঠিটা পড়ো, তবে আমি আর নেই।
সেদিন আমার সঙ্গে বসে খাওয়ার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।
তুমি আমাকে শুধু খাবার দাওনি—
সম্মান দিয়েছিলে।
আর হ্যাঁ…
মাকে নিয়মিত ফোন করবে।

— আম্মা”

আজও সেই ৫০০ টাকা আমার ব্যাগের ভেতরের পকেটে রাখা আছে।
আমি কখনও খরচ করিনি।

কারণ সেদিন আমি প্রথমবার বুঝেছিলাম—

প্রতিটা দরজার ওপাশে শুধু একজন কাস্টমার থাকে না।
কখনও সেখানে একজন মা অপেক্ষা করেন।
কখনও অপেক্ষা করে থাকে নিঃসঙ্গতা।
কখনও সেটা হয় জীবনের শেষ কথোপকথন।

আমরা সবাই কোনো না কোনো ক্ষুধা নিয়ে বেঁচে আছি।
কারও দরকার খাবার,
কারও দরকার ওষুধ,
আর কারও দরকার শুধু দু’মিনিটের সঙ্গ।
#সংগৃহীত

06/07/2026

ব্রাজিল হারায় কুষ্টিয়ার একটা ছেলে সু*সাইড করছে, রেখে গেছে দুই মাসের শিশুসন্তান। এই নিউজটা দেখে ভীষণ কষ্ট পেয়েছি। আপনারা খেলাকে বিনোদন হিসেবে নিন। এখানে হার জিত থাকবেই। প্রিয় দল জিতলে ভালো লাগবে, হারলে খারাপ লাগবে। তবে সেটা জীবনের থেকে যেন বড় না হয়। কারন দিনশেষে এটা শুধুমাত্র একটা খেলা।
ট্রল খেলার অংশ। তবে অতিরিক্ত ট্রল, অপমান বা হেয় করাটাও বন্ধ করুন। আপনার কাছে এটা মজা হতে পারে, কিন্তু অন্য কারো জন্য সেটা মানসিকভাবে অনেক কষ্টের কারণ হতে পারে।

একটা দল হারলে আবার জিতবে, আজ ট্রফি না পেলে সামনে আবার পাবে। কিন্তু একটা জীবন চলে গেলে সেটা আর ফিরে আসে না।

Written
Ziaul Faruq Apurba

06/07/2026

কি পরিমাণ ডেডিকেশন!!! আয় বাসায় আজকে, কোন খাবার নাই আজকে। না খেয়ে থাকবে আজকে সবগুলা! 😡😡

06/07/2026

আজ চলে যাচ্ছি কিন্তু যাচ্ছি না
আমরা ফিরব মিশর হয়ে ☺️☺️

আপু আমাদের অনেক পুরাতন কাস্টমার। তিনি আমাদের পাজামা সেট সম্পর্কে কি বলছেন চলুন দেখে নিন।
05/07/2026

আপু আমাদের অনেক পুরাতন কাস্টমার। তিনি আমাদের পাজামা সেট সম্পর্কে কি বলছেন চলুন দেখে নিন।

05/07/2026

05/07/2026

আবারও বিয়ে করছেন **** খান। মরিচ বাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে বাড়ি……

গুরুত্বপূর্ণ খবর তাই জানালাম সবাইকে……😃
বলেন তো কোন খান??

04/07/2026

সালমান খান করতেছে না, আমির খান থামতেছে না। 🤦🏻‍♀️

Address

Chittagong
4000

Telephone

+8801937510751

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MoMou Kutir - মোমৌ কুটির posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MoMou Kutir - মোমৌ কুটির:

Shortcuts

Share