কালের বিবর্তনে নানান ঝড়-ঝাপটা সহ্য করেও শাড়ি শুধু যে টিকে আছে তাই নয়, বরঞ্চ যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে নিজেকে পরিবর্তন করে দেশীয় শাড়ি আজ জায়গা করে নিয়েছে আধুনিক সভ্যতায়।
সামান্য ছয় গজ সেলাইবিহীন কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে এত বৈচিত্র্য, এত বুনন, এত বাহারী নকশা লুকিয়ে আছে, নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।
এখন পর্যন্ত ৩২ ধরনের বাঙ্গালী শাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে এবং তা ক্রমবর্ধনশীল। দেশীয় শ
াড়ির প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে তালিকাটি নিম্নরূপঃ
১। জামদানী শাড়ি।
২। মনিপুরী শাড়ি
৩। মসলিন শাড়ি।
৪। খাদি শাড়ি।
৫। খেস শাড়ি।
৬। ধুপিয়ান শাড়ি।
৭। কোটা শাড়ি।
৮। পিনন শাড়ি।
৯। টাংঙ্গাইল শাড়ি।
১০। মাসলাইস কটন শাড়ি।
১১।জুট শাড়ি।
১২। রাজশাহী সিল্ক শাড়ি।
১৩।বেনারসী শাড়ি।
১৪।জুম শাড়ি।
১৫।কাতান শাড়ি।
১৬।ঝর্ণা শাড়ি।
১৭।বাটিক শাড়ি।
১৮।টাইডাই শাড়ি।
১৯।চেক শাড়ি।
২০।গামছা শাড়ি।
২১।হাফসিল্ক শাড়ি।
২২।থান শাড়ি।
২৩।এপ্লিক শাড়ি।
২৪।তসর শাড়ি।
২৫।এন্ডি কটন শাড়ি।
২৬।পাটি শাড়ি।
২৭।চুমকি শাড়ি।
২৮।প্রিন্ট শাড়ি
২৯।।হাজার বুটিক শাড়ী।
৩০।কাঁথা সেলাই শাড়ি।
৩১।হ্যান্ড প্রিন্ট শাড়ি।
৩২।ব্লকের শাড়ি।
শাড়ি পরার ধরণ, কাপড়ের গুনাগুন এবং এলাকাভেদে বিভিন্ন ধরনের শাড়ি দেখতে পাওয়া যায়। বিভিন্ন অঞ্চলের তাঁতিরা বিভিন্নভাবে বুনন করে এসব শাড়ি। প্রাক্-শিল্পবিপ্লব যুগে বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম বস্ত্রশিল্প কেন্দ্র। খ্রিস্টাব্দ-পূর্ব কাল থেকেই এদেশে বস্ত্রশিল্পের বুনিয়াদ গড়ে ওঠে। আজও এদেশের পোশাকশিল্প বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।