Nazneen Sultana Reemi

Nazneen Sultana Reemi সকল স্বপ্নবাজ চমৎকার সব স্বপ্ন দেখুক, বুনে চলুক স্বপ্নজাল শক্ত হাতে।

যারা পাশ করেছো, ভাল ফলাফল করেছো সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর যারা এবার ভাল করতে পারোনাই, পাশ করতে পারোনাই, তাদের ...
10/07/2025

যারা পাশ করেছো, ভাল ফলাফল করেছো সবাইকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা জানাই। আর যারা এবার ভাল করতে পারোনাই, পাশ করতে পারোনাই, তাদের জন্য অনেক অনেক দোয়া। ইনশাআল্লাহ পরের বার তোমরা অনেক অনেক ভাল করবে। থেমে যেওনা, হেরে যেওনা। জীবন তো মাত্র শুরু। সুতরাং মন খারাপকে পিছনে ফেলে আজকে থেকেই একদম আঁটঘাট বেঁধে লেগে পড়ো। সফলতা যতদিন পর্যন্ত না পাবে, ততদিন পর্যন্ত মনোবল ধরে রেখে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকবে পড়ালেখায়। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ পাক সফলতা দিবেন শীঘ্রই।

বাবা মায়েদের প্রতি অনুরোধ, এইসব পাশের বাসার আন্টিদের থোতা মুখ ছবিটার মতই ভোঁতা করে দিবেন। সন্তানের হাত শক্ত করে ধরবেন, তাকে উৎসাহ দিবেন। আপনারা পাশে থাকলে আল্লাহর রহমতে আপনাদের সন্তান আপনাদেরকে একদিন গর্বিত করবে ইনশাআল্লাহ।
জাযাকুমুল্লাহ খাইরান।

পুনশ্চ: যারা পাশ করেছো, মিষ্টি খাওয়াইও 😁😁। মন ভরে অনেক অনেক দোয়া করবো 😁😁।
মিষ্টি নাই, দোয়া নাই।
অকা বাই
😁🙈😁

21/06/2025

13/06/2025

#রিপোস্ট

দোয়া কবুলের গল্প

গত বছরই আমি প্রথম জানতে পারি যে যার নিসাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর যাকাত তো ফরজই, কুরবানিও ওয়াজিব। জানার পর পরই নিয়্যাত করি যে আমি যেভাবেই হোক ওয়াজিব আদায় করবো ইনশাআল্লাহ্। সে মতই কাজ করে যাচ্ছিলাম। সবকিছু মোটামুটি ঠিকঠাক। কিন্তু ঈদের আগ মুহুর্তে আমার বেশ বড় দুইটা ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট আটকে যায় ব্যাংক ছুটি হয়ে যাওয়ার জন্য। এদিকে ঈদের আগে কারিগরদের দেনাপাওনা পরিশোধ করতে হবে। সবকিছু পরিশোধ করার পর আমার হাতে মাত্র ১৩,৮০০/- টাকা ছিলো সর্বসাকুল্যে। এদিকে গরু খাসির যেই দাম, আমি চিন্তায় অস্থির যে কীভাবে কুরবানির ওয়াজিব আদায় করবো!!
ঈদের আগেরদিন সন্ধ্যার পর খাসি কিনতে যাওয়ার কথা মৃদুল আর মেজো ভাইয়ার। আমি আসরের নামাজের সময় ফরজ নামাজের শেষ রাকাতে সিজদায় গিয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলামনা। হুহু করে কান্না করতে লাগলাম। আল্লাহ্'র কাছে শুধু বলতে লাগলাম "আল্লাহ্ আপনি তো জানেন আমার সকল কিছু। আমি চেষ্টা করেছি৷ খাস নিয়্যাতে চেষ্টা করেছি যেনো আপনার রহমতের দান থেকে ওয়াজিব আদায় করতে পারি। আল্লাহ্ আমার নিয়্যাত কবুল করার মালিক আপনি। আমি শুধুই আপনার উপর ভরসা করলাম। আপনি নিশ্চই কোনো না কোনো পথ দেখাবেন ইনশাআল্লাহ্। কান্না করতে করতে যখন মন খানিকটা শান্ত হলো, আমি নামাজ শেষে নিয়মিত যে মাসনুন আমল করি তা আদায় করে মৃদুলকে ফোন করলাম যে কখন যাবে খাসি কিনতে। মৃদুল আমাকে এমন এক সংবাদ দিলো যে আমি আবারো কান্না করতে করতে সিজদায় লুটিয়ে পড়ি। আল্লাহ্ পাকের শুকরিয়া আদায় করি।
মহান আল্লাহ্ আমার দোয়া কবুল করেছেন। আমার সামর্থ্যের মধ্যেই খুব সুন্দর একটা খাসি মিলিয়ে দিয়েছেন এবং কসাইয়ের খরচ সহ আমার মোট খরচ হয়েছিলো ঐ ১৩,৮০০/- টাকা। আল্লাহ্ কতো মহান ভাবা যায়!!! আলহামদুলিল্লাহ্। শোকর আলহামদুলিল্লাহ্।

আমি এখানে বোঝাতে চাইনাই যে আমি খুবই পুণ্যবান কোনো মানুষ যে দোয়া করার সাথে সাথেই আল্লাহ্ কবুল করে নেন(আল্লাহ্ মাফ করেন)। আমি শুধু এইটুকুই বোঝাতে চেয়েছি নিয়্যাত যদি ভাল হয়, বিশ্বাস যদি অটুট হয়, আর আল্লাহ্ পাকের কাছেই শুধু চাওয়ার অভ্যাস থাকে, আল্লাহ্ পাক বান্দার সেই নিয়্যাত কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ্। বিপদের চরম মুহুর্তে আল্লাহ্ এমন একটা পথা দেখিয়ে দেন বা সামর্থ্যের মধ্যেই আল্লাহ্ এমন বস্তু মিলিয়ে দেন যা আমরা সাধারণ অবস্থায় কল্পনাও করতে পারবো না।

আমি আশায় আছি এবারো আল্লাহ্ কোনো না কোনো পথ ঠিকই বের করে দিবেন ইনশাআল্লাহ্।

জাযাকুমুল্লাহ্ খাইরান।
১৩.০৬.২০২২

আমাদের সময়ে ক্লাস সিক্সে একটা কবিতা ছিলো। নাম সংকল্প, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা। "পাতাল ফেড়ে নামবো নিচে,উঠবো আমি...
30/05/2025

আমাদের সময়ে ক্লাস সিক্সে একটা কবিতা ছিলো। নাম সংকল্প, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা।

"পাতাল ফেড়ে নামবো নিচে,
উঠবো আমি আকাশ ফুঁড়ে।
বিশ্ব-জগৎ দেখবো আমি
আপন হাতের মুঠোয় পুরে।।

প্রতিটা মানুষের মাঝেই এমন কিছু সংকল্প থাকতে হয় নিজের কাজকে নিয়ে। প্রতিদিন সংকল্প গুলো বাস্তবায়নে চেষ্টা করতে হয়ে। কখনো তাতে যোগ বিয়োগ ও কর‍তে হয় অবস্থা এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতিতে।

আমরা যারা উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী/কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, আমাদেরও যদি সংকল্প থাকে, একটা টার্গেট থাকে নিজের কাছেই নিজের, তবে তা পূরণের চেষ্টা চলে প্রতিনিয়ত। যদি সংকল্পই না থাকে, তাহলে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরা আসলে কতোখানি কাজ দেয়, কতোখানি শিখতে পারি, তা প্রশ্নের দাবীদার।

আমি মনে করি প্রতিদিনই নিজের কাজ নিয়ে অন্তত ২ ঘন্টা সময় দেওয়া উচিত নিজের পেজ এবং প্রোফাইলে। সেই সাথে নিজের কাজে এবং আস্তে আস্তে সময় বাড়ানো উচিত। বেশি না, মাত্র এক সপ্তাহ নিজের সংকল্প ধরে রাখুন, দেখবেন প্রতিদিন নিজের কাজের জন্য সময় বের করা সহজ একটা কাজ হয়ে গেছে। সাথে কাজের ভান্ডার হচ্ছে সমৃদ্ধ, যোগ হচ্ছে নতুনত্ব।

নাজনীন সুলতানা রিমি
স্বত্বাধিকারী
আম্বিয়া - Ambia

28/05/2025

জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ৭ই জুন ২০২৫, পবিত্র ঈদ-উল-আজহা পালিত হবে।
আলহামদুলিল্লাহ্‌
আলহামদুলিল্লাহ্

শাশুড়ি বনাম মাবিভিন্ন গার্লস গ্রুপে একখানা পোস্ট দেখছি। শাশুড়ির মোবাইল নম্বর মা লিখে সেইভ করেছিলেন উনারা। কিন্তু কয়েকদিন...
21/05/2025

শাশুড়ি বনাম মা

বিভিন্ন গার্লস গ্রুপে একখানা পোস্ট দেখছি। শাশুড়ির মোবাইল নম্বর মা লিখে সেইভ করেছিলেন উনারা। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই শাশুড়ি নাকি বুঝিয়ে দিয়েছেন যে মা আর শাশুড়ি এক না। তাই তারা আবার সেই নম্বর শাশুড়ি লিখে সেইভ করেছেন। সেইসব পোস্টে আবার অনেক মেয়েরা সেইম অবস্থা লিখে কমেন্ট করছেন।

ওয়েল বাচ্চারা, একটু বড় হও। মা মা-ই, শাশুড়ি শাশুড়িই। দুইজন মানুষ ভিন্ন, দুইটা পরিবার ভিন্ন, পরিবারের মানুষগুলো ভিন্ন। দুইজনের সম্মান এবং দুইজনের প্রতি আমাদের দায়িত্বও ভিন্ন। শাশুড়ি যদি মা হয়, তাহলে আপনার স্বামী আপনার ভাই হয়ে যাবে (নাউজুবিল্লাহ্)। মায়ের জায়গা যেমন কেউ নিতে পারেনা, শাশুড়ির জায়গাও কেউ নিতে পারবেনা। আমাদের মা যদি আমাদের একটা চোখ হয়, শাশুড়ি আরেকটা চোখ। দুইটা চোখের গুরুত্বই অপরিসীম এবং দুইটা চোখ দিয়েই যখন আপনি দেখবেন আপনার দৃষ্টি পরিপূর্ণ হবে। এক চোখে দেখলে কখনো সঠিক ভিউ পাবেন না। পার্সপেক্টিভ বুঝবেন না।

বিয়ের আগে আমরা মেয়েরা আমাদের পরিবার থেকে, শিক্ষাজীবন, বন্ধুবান্ধব, নিজেদের অর্জিত জ্ঞান থেকে যে শিক্ষা পাই সেই শিক্ষার আলোকেই কিন্তু আমরা বিয়ের পরের জীবন শুরু করি এবং সেই জীবনটাই আমাদের আসল জীবন। বিয়ের আগের জ্ঞানের প্র‍্যাকটিক্যাল ক্লাস হচ্ছে বিয়ের পরের সময়। কি শিখলেন, কি জানলেন, নিজের অন্তরকে কতটুকু আলোকিত করতে পারলেন, কতোটুকু ম্যাচিউর আপনি সেটারই বাস্তবিক প্রয়োগ ঘটে বিয়ে পরবর্তী সংসার জীবনে এবং আপনার পারিবারিক শিক্ষার পাশাপাশি আপনার সার্বিক সকল শিক্ষার প্রকাশও কিন্তু এখানেই ঘটে।

একটা উদাহরণ দেই,আমরা ইউটিউব দেখে কিংবা রান্নার বই দেখে অনেক রান্নাই সহজ মনে করি। কিন্তু বাস্তবে যখন সেই রেসিপি রান্না করতে যাই তখন বুঝি যে রান্নাটা আসলে কতোটা শৈল্পিক এবং অভিজ্ঞতার কাজ। এখানে রন্ধন জ্ঞানের পাশাপাশি মায়া, মমতা, ভালোবাসার মিলন যখন ঘটবে তখনই দারুণ স্বাদের একটা খাবার হবে যা দেখে চোখ যেমন জুড়াবে, খেয়ে জিভের এবং মনেরও তৃপ্তি দিবে। এখানে আবেগ অনেকটাই অচল। আপনি যদি আবেগে তেলের জায়গায় ঘি দেন এবং দুই চামচের জায়গায় ছয় চামচ দেন তাহলে তা আর খাওয়ার লায়েক থাকবে না। শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হয়ে যাবে। তাই আবেগ নয়, মায়া মমতা ভালবাসা দিয়ে কাজ করুন।

মায়ের সাথে কেবল মায়ের তুলনা করুন। মনে রাখবেন, মায়েরাও দোষ ত্রুটির উর্ধ্বে নন। মায়েদের সকল কার্যকলাপই সঠিক হয় না। কিন্তু খুব সহজেই সেই বিষয়গুলো আপনারা এড়িয়ে যান, এমনকি মায়ের দোষগুলো কেউ চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেও আপনারা মায়ের পক্ষ নিয়ে অন্যদের দিকে তীর্যক দৃষ্টি হানেন। একই বিষয়ে শাশুড়ির দোষগুলো কিন্তু আবার পরিচিত অপরিচিত সকলের কাছেই বলে বেড়ান, শাশুড়িকে ছোট করতে অসম্মানিত করতে পিছপা হননা যার প্রমাণ গার্লস গ্রুপের পোস্টগুলো। শাশুড়ির সামনে মা মা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন, নিজের মায়ের জায়গায় বসানোর কথা বলেন কিন্তু এই শাশুড়ির আইসিইউতে থাকা অবস্থাতেই আবার আপনারা নিজেদের জন্মদিনের সেলিব্রেশন করেন, পিকনিকে যান, বান্ধবীদের আড্ডায় যান, গেটটুগেদার করেন, পার্লারে সময় কাটান যেটা নিজের গর্ভধারিণী মায়ের ক্ষেত্রে স্বপ্নেও চিন্তা করতে পারেন না(এসবের অধিকাংশই আমার নিজের চোখে দেখা)। তাহলে কিভাবে আপনারা বলেন যে মা আর শাশুড়ি এক?? কিভাবে বলেন দুইজনকে একই রকম ভাবেন, একই জায়গায় স্থান দেন আর দুইদিন পর শাশুড়ি আপনাদেরকে তাদের আসল রূপ দেখায়, শ্বশুরবাড়ির লোকজন আপনাদের আপন ভাবেনা?!

বাবা মায়ের স্থানে তাদের মতো রাখেন, তাদের প্রাপ্য সম্মান ভালবাসা তাদেরকে দেন। শ্বশুর শাশুড়ির স্থানকেও তাদের মতো রাখেন। তাদের প্রাপ্য সম্মান তাদেরকে দেন। প্রমাণ করে দেন যে ছেলের বৌ ক্ষেত্র বিশেষে মেয়ের চেয়েও অনেক বেশি হয় যখন ছেলের বৌটা তার পারিবারিক সুশিক্ষার পাশাপাশি তার নিজের অর্জিত জ্ঞানের সঠিক প্রয়োগ ঘটায়। আর যদি কেবল লোকদেখানো শিষ্টাচারই একমাত্র হাতিয়ার হয়, তখন মুখে মুখেই কেবল শাশুড়িকে মায়ের জায়গায় বসানো যায়। বাস্তবে মা তো বহুদূর, শাশুড়ির প্রাপ্য সম্মানটুকুও জনসম্মুখে অসম্মানের যাতাকলে পিষ্ট হয়ে যায় আর শাশুড়িকে মায়ের জায়গায় বসানো সেই ছেলের বৌ মহাকাশচারীর মতো আকাশ থেকে পড়ে বলেন,
"আমিতো তাকে মা-ই ভেবেছিলাম"!!!

- নাজনীন সুলতানা রিমি

প্রতিটা সন্তান তার বাবা মায়ের কাছে দুইটা জিনিস শিখে।১. কিভাবে সন্তানের সাথে ব্যবহার করতে হয়। বাবা মা সন্তানকে যেভাবে ভাল...
14/05/2025

প্রতিটা সন্তান তার বাবা মায়ের কাছে দুইটা জিনিস শিখে।

১. কিভাবে সন্তানের সাথে ব্যবহার করতে হয়।
বাবা মা সন্তানকে যেভাবে ভালবাসে, ভালমন্দ শিক্ষা দেয়, বুঝিয়ে বলে, শাসন করে, সর্বোপরি পিতামাতা তার সন্তানকে যেভাবে ট্রিট করে, সন্তান বড় হয়ে তার সন্তানকেও সেভাবেই ট্রিট করে।

২. কিভাবে পিতামাতার সাথে ব্যবহার করতে হয়।
সন্তান খুব ভালভাবে খেয়াল করে যে তার বাবা মা তার দাদা দাদী এবং নানা নানীর সাথে কেমন ব্যবহার করে। কিভাবে কথা বলে, কিভাবে যত্ন করে, কতটা সম্মান করে, বাবা মায়ের সাথে দাদা দাদী নানা নানীর সম্পর্ক কেমন, বন্ধুত্বপূর্ণ শ্রদ্ধা ভালবাসার নাকি কেবলই ভয় আর ভয় মেশানো শ্রদ্ধা যেখানে ভালবাসার কিংবা বন্ধুত্বের ছিটেফোঁটাও নাই? সে খুব ভালভাবে এই বিষয়গুলো খেয়াল করে এবং বড় হয়ে সে ও তার বাবা মায়ের সাথে সেইম ব্যবহারটাই করে।

এর ব্যতিক্রমও অনেক দেখা যায়। বন্ধুবান্ধব, সহপাঠী সহ অনেকের মাধ্যমেই মানুষ প্রভাবিত হয়। তবে মূল যে শিক্ষা, সেটা কিন্তু বাবা মায়ের কাছ থেকেই পায়। তাই, সাধু সাবধান। যা-ই বলেন, যা-ই করেন, আপনার সন্তান কিন্তু সবকিছু দেখছে, শিখছে এবং মনেও রাখছে।

সুতরাং?!?
#ভালোরসাথেথাকি
#ভালোরচর্চাকরি

জাযাকুমুল্লাহ্ খাইরান
© নাজনীন সুলতানা রিমি

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কখনো তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দিবেন না। সেই তৃতীয় ব্যক্তি যদি আপনার মা/বাবা ও হয় তবুও না। ভাই/বো...
09/05/2025

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কখনো তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দিবেন না। সেই তৃতীয় ব্যক্তি যদি আপনার মা/বাবা ও হয় তবুও না। ভাই/বোন/সবচেয়ে প্রিয় এবং বিশ্বস্ত বন্ধুরও এখানে প্রবেশ নিষেধ। শুরুতে নিজেদের সমস্যাগুলো নিজেদের সমাধান করে নিতে সমস্যা হবে। হয়তো মান অভিমান পর্ব চলবে বেশ কিছুদিন। কিন্তু বিশ্বাস করেন, একটা সময়ে গিয়ে ঠিকই সবকিছু সুন্দরভাবে ম্যানেজ করে নিতে পারবেন যদি একে অপরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকেন। বিশাল আকারের সমস্যাও দুইজন কথা বলে রাগারাগি করে মারামারি করে যেভাবেই হোক মিটিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু যখনই আপনাদের মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ ঘটবে, জীবন পুরোপুরি এলোমেলো হয়ে যাবে। এমনকি আপনার মা বাবাও আপনার সঙ্গীর সাথে আপনার সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আনন্দের সময় সকলেই প্রবেশাধিকার রাখে, তবে রাগের সময়, মন কষাকষির সময় শুধু এবং শুধুমাত্র আপনারা দুইজন থাকবেন। সন্তানদেরও সামনে আসতে দিবেন না, কেননা রাগের সময় তৃতীয় ব্যক্তির মাধ্যমে শয়তান আপনাদের জীবনে প্রবেশ করে যার একমাত্র কাজ হচ্ছে স্বামী/স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটানো। শয়তান তখনি বিজয়ী হয়, শয়তানের দুনিয়ায় সবচেয়ে ভাল কাজ করে যখন সে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটাতে সক্ষম হয়। সুতরাং সাবধান!!

আমরা নিজেদের জীবন, নিজেদের সংসার দিয়ে অনেকসময় উদাহরণ দেই। কিন্তু এটা ভুলে যাই যে আমি আর আমার জীবনসঙ্গী যেমন, আমাদের পরিবার পরিবেশ যেমন, সামনের মানুষটা এবং তার জীবনসঙ্গী সেইরকম না-ও হতে পারে। তাদের পরিবার এবং আশেপাশের পরিবেশ সেইম না-ও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমাদের জীবনের গল্প কোনোভাবেই তাদের জীবনের গল্পের সাথে মিলবে না। মেলা সম্ভবও না। তাই যে থেরাপি আপনি নিজের জীবনে ব্যবহার করেন, সেইম থেরাপি আপনার বন্ধু তার জীবনে ব্যবহার করতে গেলে হিতে বিপরীত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, প্রতিটা মানুষ তার নিজের জায়গায় আলাদা, প্রতিটা মানুষের গল্প আলাদা, জীবন দর্শনও আলাদা। সুতরাং এক দর্শন অন্য দর্শনের সাথে মিলবেনা এটাই স্বাভাবিক।

পারিবারিকভাবে বিয়ে? নিজেদের সময় দিন। একে অপরকে চিনে নিতে সময় নিন। নিজেদের ভাল লাগা মন্দ লাগা জেনে নিন। একে অপরের গুণ কিংবা দোষ ত্রুটি গুলো জানুন। চেষ্টা করুন নিজের গুণ এবং দোষ ত্রুটিগুলোও তুলে ধরতে। সামনের মানুষটাকে সম্মান করুন, একটা সময় ভালোবেসেও ফেলতে পারেন। ভালবাসা না থাকলেও শ্রদ্ধা আর সম্মান একটা স্বাস্থ্যকর সম্পর্কের জন্য যথেষ্ট।

ভালবাসার বিয়ে? অভিনন্দন। আপনারা অলরেডি অনেক বড় একটা ধাপ পার করে ফেলেছেন। এবার প্রয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সম্মান। এটাও রপ্ত করে ফেলুন। ইগো এবং স্বার্থপরতাকে একেবারেই ঝেড়ে ফেলুন। ভালবাসুন মনপ্রাণ দিয়ে। সেই সাথে সম্মান করুন সঙ্গীকে। শ্রদ্ধা করুন তার মতামত এবং মূল্যবোধকে। ইগোকে পুরোপুরি সাইডে ফেলে রাখুন। মান অভিমান খুব খুব করুন। চাইতো রাগারাগি ঝগড়াঝাটিও করুন মনপ্রাণ ভরে, কিন্তু ইগোকে কোনোভাবেই এর মাঝে আসতে দিবেন না। ভুলেও না। একটা জিনিস মনে রাখবেন, ভালবাসার মানুষকে নিজের করে পাওয়া এতো সহজ না। সবাই তা পায়না। তাই নিজের ভালবাসার সঙ্গীকে দূরে ঠেলে দিবেন না। এতে করে পস্তাতে হবে আপনাকেই একটা না একটা সময়। তখন হাজার আফসোস করেও লাভ হবে না।

ভালবাসা ছাড়াও একটা জীবন দিব্যি কেটে যায় কিন্তু পারস্পরিক সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ আর বিশ্বস্ততা ছাড়া জীবন কাটানো কঠিন। সুতরাং জীবনসঙ্গীকে কারও কাছে অসম্মানিত করবেন না, ছোট করবেন না। বরং এমনভাবে চলার চেষ্টা করুন যেনো সে সকলের কাছেই ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা পায়। বিশ্বাস করুন, একটা সময়ে আপনি যখন দেখবেন আপনার সঙ্গীকে কেউ সম্মান করেনা, শ্রদ্ধা করেনা শুধুমাত্র আপনার রাগের কিংবা মান অভিমানের সময়ে সঙ্গী সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলার কারণে, তখন খুব আফসোস করবেন। খুব। বারবার ইচ্ছে হবে যদি সেই সময়গুলো, সেই কথাগুলো ফিরিয়ে নিতে পারতেন বা মুছে ফেলতে পারতেন দিনগুলো তবে খুব ভাল হতো। কিন্তু আদতে না পারবেন সেই কথা ফিরিয়ে নিতে, না পারবেন সেই দিন মুছে ফেলতে। নিস্ফল কান্নায় চেয়ে চেয়ে সঙ্গীর অপমানই কেবল দেখতে বাধ্য হবেন।

সুতরাং, সময় থাকতে সাবধান! পরস্পরের ঢাল হন, পরস্পরের আব্রু হন, পরস্পরের চাদর হন। আল্লাহ্ পাকের রহমত বিরাজ করবে আপনাদের সম্পর্কে ইনশাআল্লাহ্।

জাযাকুমুল্লাহ্ খাইরান
#ভালোরসাথেথাকি
#ভালোরচর্চাকরি

© নাজনীন সুলতানা রিমি

আমি নারী পুরুষ সম অধিকার চাইনা। ধর্মীয়ভাবে আমার যে অধিকার গুলো আমার প্রাপ্য, সেই অধিকার গুলোর বাস্তবায়ন চাই। আমি আমার পি...
04/05/2025

আমি নারী পুরুষ সম অধিকার চাইনা। ধর্মীয়ভাবে আমার যে অধিকার গুলো আমার প্রাপ্য, সেই অধিকার গুলোর বাস্তবায়ন চাই।
আমি আমার পিতার সম্পত্তিতে আমার যে অংশ তা একেবারে নিজের করে বুঝে নিতে চাই।
আমি আমার জীবনে চলার পথে পিতামাতার পরামর্শ চাই কিন্তু সকল সিদ্ধান্ত আমার নিজের বিবেক বুদ্ধি অনুযায়ী নিতে চাই।

আমি বিয়ের জন্য নিজের পাত্র নিজে পছন্দ করার অধিকার চাই। আমার পছন্দ অপছন্দ অকপটে বলার অধিকার চাই। আমার দেনমোহর কতো হবে তা আমি নিজে নির্ধারণ করতে চাই কেননা দেনমোহর একান্তই আমার হক। সুতরাং তা নির্ধারণ করার অধিকারও একান্তই আমার।

আমি বিয়ের দিনই আমার দেনমোহর পরিপূর্ণভাবে বুঝে নিতে চাই। আমার স্বামীর সম্পদে আমার যে হক, তার অধিকার চাই। সারাজীবন আমার পিতামাতার প্রতি আমার দায়িত্ব এবং কর্তব্য পালন করতে চাই। বিয়ের পরও আমার পিতার ঘরে আমার যে অবস্থান ছিলো সেই অবস্থান জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চাই।

আমি কখন মা হবো, সেই সিদ্ধান্ত আমি নিতে চাই। আমার সন্তানের ভাল মন্দের সিদ্ধান্তেও আমার অংশগ্রহণের অধিকার চাই।

সর্বোপরি স্বামীর বাড়ি যেমন আমার, পিতার বাড়িও ঠিক তেমনিভাবে আমার এই অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত করতে চাই। কেউ যেনো বলতে না পারে বিয়ের পর স্বামীর ঘরই নিজের ঘর, অথবা স্বামীর পরিবারের কেউ যেনো বলতে না পারে বাবার বাড়ি গিয়ে যা খুশি করো, আমার ঘরে এসব চলবেনা।

আগে এই অধিকার গুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারে কাজ করো নারীরা। বাকী সব অধিকার আপনা-আপনিই আদায় করা হয়ে যাবে।
জাযাকাল্লাহ্ খাইরান

#নারীস্বাধীনতা
#অধিকারসচেতনতা
#ভালোরসাথেথাকি
#ভালোরচর্চাকরি

©নাজনীন সুলতানা রিমি
১১.১০.২০২২

জুঁই নিবেদিত অনন্যা সম্মাননা অনুষ্ঠানে ছিলাম। সুন্দর আয়োজন। সব মিলিয়ে বেশ ভালো কেটেছে সময়।
20/04/2025

জুঁই নিবেদিত অনন্যা সম্মাননা অনুষ্ঠানে ছিলাম। সুন্দর আয়োজন। সব মিলিয়ে বেশ ভালো কেটেছে সময়।

যেই মুহুর্ত থেকে আপনি সৎভাবে সততার সাথে নিজের হালাল কাজগুলো করে যাবেন আর ফলাফলের জন্য আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখবেন, সেই মু...
19/04/2025

যেই মুহুর্ত থেকে আপনি সৎভাবে সততার সাথে নিজের হালাল কাজগুলো করে যাবেন আর ফলাফলের জন্য আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখবেন, সেই মুহুর্ত থেকে প্রতি পদক্ষেপে আল্লাহ্ পাকের অশেষ রহমত আর বারাকাহ আপনার উপর বর্ষিত হতে থাকবে ইনশাআল্লাহ্‌।

Address

Panthapath
Dhaka
1207

Telephone

+8801715299096

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nazneen Sultana Reemi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nazneen Sultana Reemi:

Shortcuts

Share