26/06/2025
প্রাকৃতিক ইনসুলিন: তেলাকুচা
আমাদের দেশের আর এক অবহেলিত উদ্ভিদ তেলাকুচা। কেউ কেউ তেড়নি ও বলে। নেপালে এটা কানক্রি নামে পরিচিত। আমাদের দেশে সর্বত্র এর দেখা মেলে, কিন্তু এর পুষ্টিগুণ প্রায় অজানাই বলতে গেলে। তেলাকুচার বৈজ্ঞানিক নাম coccinia grandis. এটা cucurbitaceae গোত্রের একটা গাছ। যেমন শশা এই গোত্রের একটা গাছ।
বৈজ্ঞানিক ভাবে পরিক্ষীত যে, এই গাছের পাতা এবং ফল ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে। শুধু তাই নয় এটি চর্বি ভাঙ্গতেও সক্ষম। যে কারণে এর শাক খেলে মেদ কমে। আমেরিকার সুপার স্টোরে তেলাকুচা বেশ উচ্চ মূল্যেই বিক্রি হয়। এতে ভিটামিন বি-১ (থায়ামিন) বেশ ভালো মাত্রায় পাওয়া যায়, যা আমাদের স্নায়ুর সুস্থতার জন্য জরুরী। তেলাকুচায় রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম। প্রতি ১০০ গ্রামে ৪০ মি. গ্রাম ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো তেলাকুচায় বিদ্যমান ক্যালসিয়াম আমাদের শরীরে পাথর তৈরীর করে না। সাধারণত বেশি মাত্রায় ক্যালসিয়াম গ্রহণ আমাদের শরীরে জমে পাথর হয়ে যায়।
তেলাকুচার পাতা এবং ফলে প্রচুর আঁশ থাকে যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে যেমন সহায়ক, ঠিক তেমনি গ্যাস্ট্রিক, আলসার নিরাময়ে ও উপযুক্ত।
থাইল্যান্ডে তো রীতিমত চাষ করা হয়। তারা কাঁচা ফল খায়, সালাদ, সবজি এমনকি সুপের সাথেও এই সবজি খায়।
আমরাও খেতে পারি।
শাক হিসেবে খেতে পারেন, কাঁচা অথবা সালাদের সাথে, পাতা সেদ্ধ করে কালোজিরার সাথে ভর্তা করে, পাতা মসুর ডালের সাথে বেটে বড়া ভেজে অথবা আপনার আবিষ্কৃত কোন রেসিপিতে।
#স্বাস্থ্যটিপস