Waania

Waania Modesty is an indication that Allah loves woman.And we serve the qualitiful modest wear with comfort

We need you to encounter the delight of finding lovely items that appear to be made remembering you.

ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাক...
21/11/2025

ভেবে দেখেছেন কি? আজ ভূমিকম্পের তীব্রতা আরো ভয়াবহ হলে খুব কম সংখ্যক মানুষের শেষ আমল হতো ফজরের নামাজ। সেই লিস্টে আপনি থাকতেন তো? উত্তর 'না' হলে, শুধরে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এখনো। এই কম্পনে টের না পেলেও, চূড়ান্ত কম্পন কিন্তু ঠিকই টের পাইয়ে দিবে। তাই আসুন, সময় থাকতে নিজেদের শুধরে নিই।

''তোমরা কি নিশ্চিত হয়ে গেছো যে, যিনি আসমানে রয়েছেন তিনি তোমাদেরকেসহ এ জমিনকে ধ্বসিয়ে দেবেন না, অতঃপর আকস্মিকভাবে তা থর থর করে কাঁপতে থাকবে?'' [সূরা আল-মুলক : ১৬]

যিকিরের মাধ্যমে জান্নাতে প্রাসাদ নির্মিত হয়। তুমি যখন যিকির করা বন্ধ করে দাও, তখন ফেরেশতারাও তোমার প্রাসাদ নির্মান করা ব...
11/11/2025

যিকিরের মাধ্যমে জান্নাতে প্রাসাদ নির্মিত হয়। তুমি যখন যিকির করা বন্ধ করে দাও, তখন ফেরেশতারাও তোমার প্রাসাদ নির্মান করা বন্ধ করে দেয়।

~ ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)
[আল-ওয়াবিলুস সাইয়িব, ১৫৯]

কীভাবে ইস্তিগফার করবেন?১. 'আস্তাগফিরুল্লাহ।' অর্থাৎ, 'আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।' প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ...
09/11/2025

কীভাবে ইস্তিগফার করবেন?

১. 'আস্তাগফিরুল্লাহ।' অর্থাৎ, 'আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।' প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সা.) এ ইস্তিগফারটি তিনবার পড়তেন। (মিশকাত)

২. 'আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া তুবু ইলাইহি।' অর্থাৎ, আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর কাছ থেকে ফিরে আসছি। এ ইস্তিগফার প্রতিদিন ৭০ থেকে ১০০ বার পড়ার নিয়ম। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তওবা ও ইস্তিগফার করতেন। (বুখারি)

৩. 'রাব্বিগফিরলি, ওয়া তুব আলাইয়্যা; ইন্নাকা আংতাত তাউয়্যাবুর রাহিম।' অর্থাৎ, হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তওবা কবুলকারী করুণাময়। রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এ দোয়া একশবার পড়েছেন। (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

হজরত উমর (রা.) ছিলেন সুশিক্ষিত সাহাবি

৪. 'আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া তুবু ইলাইহি।' অর্থাৎ, আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তওবা করে) ফিরে আসি।

দিনের যেকোনো ইবাদত-বন্দেগি তথা ক্ষমা প্রার্থনার সময় এভাবে তওবা-ইস্তিগফার করা যেতে পারে। হাদিসে আছে, এভাবে তওবা-ইস্তিগফার করলে আল্লাহ-তাআলা তাকে ক্ষমা করে দেবেন, যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়। (আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)

৫. সাইয়েদুল ইস্তিগফার পড়া: 'আল্লাহুম্মা আংতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খালাক্কতানি ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু আবুউলাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবুউলাকা বিজাম্বি ফাগফিরলি ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আংতা।'

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই বান্দা। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারেই আবদ্ধ। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ, তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। কারণ, তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।

রাসুলুল্লাহর (সা.) সাহসী সঙ্গী হজরত যুবাইর (রা.) সকালে ও সন্ধ্যায় এ ইস্তিগফার করার নিয়ম। ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর এ ইস্তিগফার পড়তে যেন ভুল না হয়। হাদিসে আছে, যে ব্যক্তি এ ইস্তিগফার সকালে পড়ে আর সন্ধ্যার আগে মারা যায় কিংবা সন্ধ্যায় পড়ে সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, সে জান্নাতে যাবে। (বুখারি)

৬. 'রাব্বিগফির, ওয়ারহাম ওয়া আংতা খাইরুর রাহিমিন।'

৭. অন্য হাদিসে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহর শপথ! নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ৭০ বারের বেশি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তওবা করি: 'আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়া তুবু ইলাইহি'।

৮. বিশেষ করে ক্ষমা, রিজিকের সন্ধান ও বরকত পেতে হলে বেশি বেশি করে পড়া যায়, 'রাব্বিগফিরলি জুনুবি, ওয়াফতাহলি আবওয়াবা ফাদলিকা'। অর্থাৎ, হে আমার রব, আমার গুনাহগুলো ক্ষমা করে দাও; আর আমার জন্য তোমার অনুগ্রহের দরজা খুলে দাও। (তিরমিজি)

৯. 'আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুয়্যুন; তুহিব্বুল আফওয়া; ফাফু আন্নি।' অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; আমাকে ক্ষমা করে দিন। (মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজি, মিশকাত)

১০. 'আস্তাগফিরুল্লাহাল আজিম, ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম।' অর্থাৎ, মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, নিশ্চয় তিনি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

বিশ্বাসী মুসলমানদের কর্তব্য হলো আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ইস্তিগফার করা। রিজিকে বরকতসহ কোরআন-সুন্নায় ঘোষিত ফজিলত ও মর্যাদাগুলো পাওয়ার চেষ্টা করা।
©️

💝RestockAlhamdulillah 🌸
09/11/2025

💝Restock
Alhamdulillah 🌸

💝Short shirt abaya   stock
21/10/2025

💝Short shirt abaya
stock

01/10/2025

Big sale
15% discount
Spot purchase only

💝RestockAlhamdulillah
08/09/2025

💝Restock
Alhamdulillah

🌙 SURJO & CHAND’ER ECLIPSE এটা আল্লাহর sign, বান্দাদের জন্য সতর্কবার্তা।🕌 Qur’an bolse:“তিনিই সূর্যকে করেছেন উজ্জ্বল, আর...
07/09/2025

🌙 SURJO & CHAND’ER ECLIPSE
এটা আল্লাহর sign, বান্দাদের জন্য সতর্কবার্তা।

🕌 Qur’an bolse:
“তিনিই সূর্যকে করেছেন উজ্জ্বল, আর চাঁদকে করেছেন স্নিগ্ধ আলো, যাতে তোমরা বছর ও সময়ের হিসাব করতে পারো। আল্লাহ এগুলো নিরর্থক সৃষ্টি করেননি, বরং জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য নিদর্শনসমূহ স্পষ্ট করে দিয়েছেন।”
(Surah Yunus 10:5)

📜 Hadith-e Rasul ﷺ:
যখন সূর্যগ্রহণ হলো, রাসূল ﷺ এত ভয় পেলেন যেন কিয়ামত এসে গেছে। তিনি দীর্ঘ সলাত আদায় করলেন, রুকু ও সিজদা দীর্ঘ করলেন এবং বললেন:
“এগুলো আল্লাহর নিদর্শন, কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে নয়। যখনই এগুলো দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে, দু’আ করবে, যিকির করবে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে।”
(Bukhari, Muslim)

🤲 আমাদের করণীয়:
• ২ রাকাআত সালাতুল কুসুফ (Eclipse Salah) আদায় করা 🕌
• আল্লাহর যিকির ও তাসবিহে মগ্ন থাকা 📿
• তাওবাহ, ইস্তিগফার ও সদকা করা 💰
• হিসাব দিবসের ভয় মনে আনা, আর আল্লাহর হিফাযত চাওয়া
🤍রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“সূর্য ও চাঁদ কারো মৃ'ত্যুর জন্য বা জন্মের জন্য গ্রহণ করে না।
বরং এগুলো আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং তোমরা যখন এগুলো দেখবে, তখন সালাত আদায় করো এবং দোয়া করতে থাকো,
যতক্ষণ না তা শেষ হয়।”

- (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১০৪৪)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “আগুনে পোড়া ব্যক্তি শহীদ ” (আবু দাউদ: ৩১১১)মায়েরা! আপনার সন্তানের শাহাদাতের সুসংবাদ গ্রহণ করুন। স...
21/07/2025

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “আগুনে পোড়া ব্যক্তি শহীদ ” (আবু দাউদ: ৩১১১)
মায়েরা! আপনার সন্তানের শাহাদাতের সুসংবাদ গ্রহণ করুন। সবর করুন সেই দিন পর্যন্ত, যেইদিন আপনার কলিজার টুকরো তার বাপ মায়ের হাত ধরে আপনাদেরকে জান্নাতে নিয়ে যাবে।

এই মাসুম বাচ্চারা যারা আগুনের মাঝে শহীদ হয়েছে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে আপনার সাক্ষাৎ এর জন্য এক চমৎকার অনুষ্ঠান সাজাবেন।

দুনিয়াতো ক্ষনস্থায়ী, আর আখিরাত একসাথে থাকার জায়গা...

21/07/2025
আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সকলেই আরবি মহররম মাসে এসে পৌঁছেছি। এই মাসের ৯ ও ১০ তারিখে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে নফল সিয়াম...
04/07/2025

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সকলেই আরবি মহররম মাসে এসে পৌঁছেছি। এই মাসের ৯ ও ১০ তারিখে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে নফল সিয়াম পালন করি।

অনেকেই ভাবি, এই দিনে কারবালার প্রান্তরে প্রিয় নবীজি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রাণপ্রিয় নাতি ইমাম হুসাইন (আঃ) এর নির্মমভাবে শহিদ হওয়ার শোকে মুসলিমরা সিয়াম পালন করে।

কিন্তু অবাক হলেও সত্য এই যে, আশুরার দিন সিয়াম পালন করার পেছনে এই ইতিহাসটি একেবারেই সত্য নয়। তাহলে কেন আমরা আশুরার দিনে সিয়াম পালন করি? কেন এই মাসটিকে “আল্লাহর মাস” বলা হয়? আশুরার সিয়াম পালনের ফজিলতই-বা কি? রাসুল (সাঃ) আমাদেরকে এই বিষয়ে কি বলে গিয়েছেন, চলুন জেনে নিই-

আল্লাহ সুবাহান তায়ালা সুরা তাওবার ৩৬ নাম্বার আয়াতে বলেছেন: “আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন হতেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর নিকট নিশ্চয়ই মাসসমূহের সংখ্যা হল বারো মাস। এর মধ্যে চারটি মাস হল নিষিদ্ধ ( অর্থাৎ পবিত্র)। এটাই সরল বিধান। অতএব তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি জুলুম (ঝগড়া-ফ্যাসাদ) করো না।’’

এই আয়াতের ব্যাখ্যায় রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তিনটি মাস ক্রমান্বয়ে জিলকদ, জিলহাজ্জ ও মুহাররাম। আর চতুর্থ মাসটি হল রজব।
(বুখারঃ কিতাবুত তাফসীর সূরা তাওবাহ পরিচ্ছেদ, মুসলিম ক্বাসামাহ অধ্যায়)।
আর রমজান মাসের পরে সর্বোত্তম সিয়াম হলো আল্লাহর মাস মুহররম মাস।’’(মুসলিমঃ২/৮২১)

মহররম মাসে সিয়াম পালন সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আরো বলেন- আশুরার দিনের সিয়াম গত এক বছরের পাপ মার্জনা করে।’’ (মুসলিমঃ২/৮১৯)

এই তথ্যগুলো থেকে আমরা ভালোভাবে বুঝতে পারি এই মাসটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, যদিও এটি কেবল নফল সিয়াম।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এতটা সজাগ ছিলেন যে, আশুরার আগের দিন থেকেই সাহাবা কারিমদের রোজা রাখার ব্যাপারে স্মরণ করিয়ে দিতেন এবং অধিক হারে উৎসাহ দিতেন অতঃপর আশুরার দিন রোজা রাখা হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে খবরাখবর নিতেন।(মুসলিমঃ ১১২৮)

“আল্লাহর মাস” হওয়া ছাড়াও সিয়াম পালনের আরো একটি কারণ ছিলো। কি সেই রহস্য?

কোরআন আর সুন্নাহ বাছাই করে দেখলে এ রহস্যের পেছনে সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও নির্ভরযোগ্য যে কারণটি উদ্ঘাটন হয় তা হলো-

মহানবী (সাঃ) যখন হিজরত করে মদিনা পৌঁছেন, তখন তিনি দেখলেন যে মদিনার ইয়াহুদি সম্প্রদায় আশুরার দিনে রোজা পালন করছে।

তিনি তাদের জিজ্ঞেস করেন, আশুরার দিনে তোমরা রোজা রেখেছ কেন? তারা উত্তর দিল, এই পবিত্র দিনে মহান আল্লাহ মুসা (আঃ) ও বনি ইসরাইলকে ফিরআউনের কবল থেকে রক্ষা করেছিলেন আর ফিরআউন ও তার বাহিনী কিবতি সম্প্রদায়কে সাগরে (লোহিত) ডুবিয়ে মেরেছিলেন

এর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ হযরত মুসা (আঃ) রোজা রাখতেন, তাই আমরাও আশুরার রোজা পালন করে থাকি।

তাদের উত্তর শুনে নবী করিম (সাঃ) ইরশাদ করেন, “হযরত মুসা (আঃ)-এর কৃতজ্ঞতার অনুসরণে আমরা মুসলিমরা তোমাদের চেয়ে অধিক হকদার।” অতঃপর তিনি নিজে আশুরার রোজা রাখেন এবং উম্মতকে তা পালন করতে নির্দেশ প্রদান করেন। (বুখারি-৩৩৯৭, মুসলিম-১১৩৯)

এই থেকে বুঝা যায় আশুরার দিনে সিয়াম পালনে কারবালার মর্মান্তিক ও নেক্কারজনক ঘটনার কোন যোগসাজস নেই। ইসলামিক গবেষকগণ দাবি করেন, কেউ যদি কারবালার শোকের নিয়তে এইদিন সিয়াম পালন করেন এবং তাজিয়া মিছিলে যোগ দেন তাহলে তার ঈমান থাকবে না। নাউজুবিল্লাহি মিন যালিক।

এর কারণ হিসেবে সম্মানিত স্কলারগণ জানান, যেহেতু ইসলামে ৩ দিনের বেশি শোক জ্ঞাপন করা, তারসাথে মুখে প্রহার করা, গাল চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলা ও শোকে নিজের মাথার চুল কামিয়ে ফেলা অথবা চুল লম্বা করা একেবারে হারাম সেহেতু কারবালার ঘটনায় তাজিয়া মিছিল বের করে অনুরুপ কাজ করা অবশ্যই বেদায়াত এবং ঈমান হারানোর জন্য যথেষ্ট।

(মুসলিমঃ ৩৫৯১, বুখারীঃ ৪৮৯২, ১২৯৪, বায়হাকী- ৪/৬৪, আবু দাউদঃ ৩১১৯)

অতএব, প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আশুরার এই দিনে মূলত মুসা (আঃ) আল্লাহর কুদরতে বিজয় লাভ করেন, সেই খুশিতেই রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর পথ অনুসরণ করে আমরাও আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে সিয়াম পালন করবো, আর তা ৯ ও ১০ মহররম তারিখে,
ইন শা আল্লাহ। (মুসলিম-১১৩৪)

সাথে সাথে ইমাম হুসাইন (আঃ) কে হারানোর বেদনারও আমাদের মনে-প্রাণে অবশ্যই কাজ করবে। সে জন্য সিয়ামরত অবস্থায় আমরা আল্লাহর কাছে রোজ হাশরের দিন হ*ত্যাকারীদের উপযুক্ত শাস্তি প্রার্থনা করবো।

আল্লাহ আমাদেরকে উত্তম আক্বিদার অধিকারী হবার তৌফিক দিক। আল্লাহুম্মা আমিন।

Address

Shop-1005 , Level-1 And Shop/30 At Ground Floor S, Himanto Shombhar Shopping Mall, Dhanmondi-2 . Dhaka
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Waania posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Waania:

Share