22/11/2023
দেশীয় পন্যের সিলেবাসের যাএা শুরু করি ২০২০ সালের মার্চের ১ তারিখ।এর মধ্যে দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কন্টেন্ট, প্রেজেন্টেশন, নানা ইভেন্টে এ নিয়ে স্পিচ, বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দেশীয় পন্যের সিলেবাস নিয়ে কথা বলা হয়েছিল।দেশীয় পন্যের সিলেবাসকে ভিত্তি করে ছবি তুলা।কোনো একটি বছরে বন্ধ থাকেনি দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কাজ।ব্যাক্তিগত বা কর্ম জীবনে অনেক কিছু নতুন এসেছে কিন্তু দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কাজের জায়গায় আমি প্রতিনিয়ত সময় দিয়ে গিয়েছিলাম।
দেশীয় পন্যের সিলেবাস রাজিব স্যারের আইডিয়া, স্যার আমাকে এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির বিজনেস ফ্যাকালটির একটি কোর্স আউটলাইন দিয়ে বলেছিল, আমাদের দেশের সকল পন্য নিয়ে একটি কোর্স আউটলাইন তৈরি করতে হবে।স্যার আমাকে কাজ দিয়েছে এতেই খুশি হয়েছিলাম।স্যারের অফিসে চিন্তা করছিলাম বাসায় গিয়েই কাজ শুরু করবো।বাসায় এসে বাসার সব কাজ জলদি শেষ করে ল্যাপটপ নিয়ে সার্চ করলাম কিছু আইডিয়া পাওয়া যায় নাকি।সার্চের রেজাল্ট শূন্য পেলাম, অর্থাৎ দেশীয় পন্যের সিলেবাস বা লোকাল প্রডাক্ট সিলেবাস নিয়ে কিছুই পেলাম না।নিজের মত শুরু করেছিলাম। এক্টু এক্টু করে আগাতো কাজ আর সেইটা স্যারকে দেখাতাম।স্যার সব সময় উৎসাহ দিত।স্যারের উত্তর সব সময় ছিল খুব ভালো হয়েছে আপু।
করোনার সময় ছিল তখন,বাড়ির বাহির যাওয়া একদম নিষেধ। বাড়ির সকল কাজ নিজেদের করতে হতো। আমার মাথায় সারা দিন থাকতো নানা আইডিয়া। কোন পয়েন্টা লজিক্যাল, একটা এডুকেশনাল কোর্স আউটলাইনে দেশীয় পন্য গুলো কিভাবে নিয়ে আসা যায়,আমি যদি এই কোর্সের ছাত্রী হই কেন এই কোর্সটি করবো।এইরকম হাজারো প্রশ্ন মাথায় এনে উত্তর বের করতাম।
দেশের ৬৪ জেলার পন্য নিয়ে গুগল, ইউটিউব, বই পএ নানা মাধ্যমে দেশীয় পন্য গুলো নিয়ে জানলাম।যতোই জেনেছিলাম আশ্চর্য হচ্ছিলাম আমাদের দেশ এতোটা সমৃদ্ধ। আমাদের দেশীয় পন্যের আছে ইতিহাস, তৈরির কৌশল , বিভিন্ন জেলার মাটি ও পানির প্রভাব , চাহিদা এতো এতো তথ্য যেগুলো পড়ে এক কথায় অভিমত হয়েছিলাম।
দেশীয় পন্যের তথ্য ছিল কম আবার যেগুলো রয়েছে সেই সময়টায় এক সাথে তথ্য গুলো পাওয়া যায়নি বা পাওয়া গেলেও নেতিবাচক শব্দটি বেশি ছিল। অনেক জার্নাল, রিসার্চ পেপার , বিভিন্ন আর্টিকেল, প্রতিবেদন নানা ভাবে দেশীয় পন্য নিয়ে জেনেছিলাম এবং প্রতি সময় সেই গুলো রাজিব স্যারকে পাঠাতাম,স্যারের সাথে আলোচনা করতাম।দেশীয় পন্যের সিলেবাস নিয়ে যখনই আটকিয়ে যেতাম স্যারকে বললে স্যার আমাকে বলতেন মহাভারতের পাখির এক চোখের গল্প। স্যার সেই গল্পের লিংকটি দিত।সকল প্রশ্নের উত্তর ছিল পাখির এক চোখ।এরপরের সময়টায় মহাভারতের এক পরিচয়ের গুরুত্ব স্যার বলেছিলেন।
এক্টু এক্টু করে দেড় মাস পর আবিষ্কার করেছিলাম আমাদের দেশের সকল পন্য নিয়ে ৪০ টা ক্যাটাগরি তৈরি করে ফেলেছি। পাশাপাশি একটা কোর্সের আউটলাইন যেরোকমটা হয় ঠিক সেইভাবে কাজটি শেষ করেছিলাম।এই ছিল দেশীয় পন্যের সিলেবাসের প্রথম ধাপ।