Ariya's Collection

Ariya's Collection Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ariya's Collection, Women's clothes shop, Dhaka.

06/04/2026
বৈশাখের  রঙিন শাড়ি
06/04/2026

বৈশাখের রঙিন শাড়ি

খেশ এর কালো ও সোনালী  পাড়ের শাড়িটি ডিসকাউন্ট চলছে।দাম : ১৫৫০ টাকা
05/03/2025

খেশ এর কালো ও সোনালী পাড়ের শাড়িটি ডিসকাউন্ট চলছে।

দাম : ১৫৫০ টাকা

খেশ শাড়ি আমরা সবাই জানি খেশ শাড়ি এক ভিন্নতার ছোঁয়া আছে। এইটা একটি রিসাইক্লিং পণ্য। কারন খেশ তৈরিতে প্রয়োজন পুরাতন সুত...
24/02/2025

খেশ শাড়ি

আমরা সবাই জানি খেশ শাড়ি এক ভিন্নতার ছোঁয়া আছে। এইটা একটি রিসাইক্লিং পণ্য। কারন খেশ তৈরিতে প্রয়োজন পুরাতন সুতি কাপড়। আমরা অনেকেই আমাদের পরিধেয় সুতি কাপড়টি ব্যবহার করে পরবর্তীতে তা ফেলে দেই। এই ফেলে দেয়া কাপড় থেকেই তৈরি হয় খেশ। কারন পুরাতন সুতি কাপড়কে রিসাইক্লিং করে তা খেশ তৈরির উপযোগী করে তোলা হয়। কিন্তু আমাদের ফেলে দেয়া সব কাপড় কাজে লাগে না। এর যথেষ্ট কারন রয়েছে এই যেমন অনেক সময় ভালো কাপড়ও আমরা বাড়িতে ধুলা-বালি পরিষ্কার করার কাজে লাগাই যা আর পরে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা সম্ভব না। এছাড়াও আরও অন্যান্য অনেক কারন রয়েছে।

এখানেই প্রয়োজন দক্ষ জনবল যাদের মাধ্যমে সঠিক কাঁচামাল সংগ্রহ করা সম্ভব। কারন তারা দক্ষ হলে কি ধরনের কাপড় কাঁচামাল হিশেবে সবচেয়ে বেশি উপযোগী তা সংগ্রহ করতে পারবে। এর ফলে বেকারত্ব দূর করাও সম্ভব। কারন এমন অনেক মানুষ আছে যারা বেকার এবং তারা যেকোন ধরনের কাজ করতে প্রস্তুত। যদি তাদেরকে সচেতন করে তোলা যায় তাহলে তাদের মাধ্যমে খেশ শিল্পের উন্নতি সম্ভব। কারন তাদের দক্ষতা খেশ তৈরিতে মান সম্পন্ন কাঁচামাল সংগ্রহে সহায়তা করবে।

আমাদেরকে দেশীয় শিল্পের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি কাজ গুরুত্ব নিয়ে করতে হবে তা সে যে ধরনের কাজ হোক না কেন। এর জন্য প্রয়োজন একটি শিল্প গড়ে উঠার পেছনের যাবতীয় কার্যক্রমগুলো নিয়ে আলোচনা করার। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা উঠে আসবে এবং সেখান থেকেই সমাধানের পথ উন্মোচিত হবে।

হলুদ খেশ শাড়ি
06/12/2024

হলুদ খেশ শাড়ি

এই পূজায় নীল গামছা খেস শাড়িটি পাওয়া যাবে মাত্র ১০৫০ টাকা।
10/10/2024

এই পূজায় নীল গামছা খেস শাড়িটি পাওয়া যাবে মাত্র ১০৫০ টাকা।

শুভ জন্মদিন  জয়া।
09/12/2023

শুভ জন্মদিন জয়া।

22/11/2023

দেশীয় পন্যের সিলেবাসের যাএা শুরু করি ২০২০ সালের মার্চের ১ তারিখ।এর মধ্যে দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কন্টেন্ট, প্রেজেন্টেশন, নানা ইভেন্টে এ নিয়ে স্পিচ, বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে দেশীয় পন্যের সিলেবাস নিয়ে কথা বলা হয়েছিল।দেশীয় পন্যের সিলেবাসকে ভিত্তি করে ছবি তুলা।কোনো একটি বছরে বন্ধ থাকেনি দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কাজ।ব্যাক্তিগত বা কর্ম জীবনে অনেক কিছু নতুন এসেছে কিন্তু দেশীয় পন্যের সিলেবাসের কাজের জায়গায় আমি প্রতিনিয়ত সময় দিয়ে গিয়েছিলাম।

দেশীয় পন্যের সিলেবাস রাজিব স্যারের আইডিয়া, স্যার আমাকে এডিনবার্গ ইউনিভার্সিটির বিজনেস ফ্যাকালটির একটি কোর্স আউটলাইন দিয়ে বলেছিল, আমাদের দেশের সকল পন্য নিয়ে একটি কোর্স আউটলাইন তৈরি করতে হবে।স্যার আমাকে কাজ দিয়েছে এতেই খুশি হয়েছিলাম।স্যারের অফিসে চিন্তা করছিলাম বাসায় গিয়েই কাজ শুরু করবো।বাসায় এসে বাসার সব কাজ জলদি শেষ করে ল্যাপটপ নিয়ে সার্চ করলাম কিছু আইডিয়া পাওয়া যায় নাকি।সার্চের রেজাল্ট শূন্য পেলাম, অর্থাৎ দেশীয় পন্যের সিলেবাস বা লোকাল প্রডাক্ট সিলেবাস নিয়ে কিছুই পেলাম না।নিজের মত শুরু করেছিলাম। এক্টু এক্টু করে আগাতো কাজ আর সেইটা স্যারকে দেখাতাম।স্যার সব সময় উৎসাহ দিত।স্যারের উত্তর সব সময় ছিল খুব ভালো হয়েছে আপু।

করোনার সময় ছিল তখন,বাড়ির বাহির যাওয়া একদম নিষেধ। বাড়ির সকল কাজ নিজেদের করতে হতো। আমার মাথায় সারা দিন থাকতো নানা আইডিয়া। কোন পয়েন্টা লজিক্যাল, একটা এডুকেশনাল কোর্স আউটলাইনে দেশীয় পন্য গুলো কিভাবে নিয়ে আসা যায়,আমি যদি এই কোর্সের ছাত্রী হই কেন এই কোর্সটি করবো।এইরকম হাজারো প্রশ্ন মাথায় এনে উত্তর বের করতাম।

দেশের ৬৪ জেলার পন্য নিয়ে গুগল, ইউটিউব, বই পএ নানা মাধ্যমে দেশীয় পন্য গুলো নিয়ে জানলাম।যতোই জেনেছিলাম আশ্চর্য হচ্ছিলাম আমাদের দেশ এতোটা সমৃদ্ধ। আমাদের দেশীয় পন্যের আছে ইতিহাস, তৈরির কৌশল , বিভিন্ন জেলার মাটি ও পানির প্রভাব , চাহিদা এতো এতো তথ্য যেগুলো পড়ে এক কথায় অভিমত হয়েছিলাম।

দেশীয় পন্যের তথ্য ছিল কম আবার যেগুলো রয়েছে সেই সময়টায় এক সাথে তথ্য গুলো পাওয়া যায়নি বা পাওয়া গেলেও নেতিবাচক শব্দটি বেশি ছিল। অনেক জার্নাল, রিসার্চ পেপার , বিভিন্ন আর্টিকেল, প্রতিবেদন নানা ভাবে দেশীয় পন্য নিয়ে জেনেছিলাম এবং প্রতি সময় সেই গুলো রাজিব স্যারকে পাঠাতাম,স্যারের সাথে আলোচনা করতাম।দেশীয় পন্যের সিলেবাস নিয়ে যখনই আটকিয়ে যেতাম স্যারকে বললে স্যার আমাকে বলতেন মহাভারতের পাখির এক চোখের গল্প। স্যার সেই গল্পের লিংকটি দিত।সকল প্রশ্নের উত্তর ছিল পাখির এক চোখ।এরপরের সময়টায় মহাভারতের এক পরিচয়ের গুরুত্ব স্যার বলেছিলেন।

এক্টু এক্টু করে দেড় মাস পর আবিষ্কার করেছিলাম আমাদের দেশের সকল পন্য নিয়ে ৪০ টা ক্যাটাগরি তৈরি করে ফেলেছি। পাশাপাশি একটা কোর্সের আউটলাইন যেরোকমটা হয় ঠিক সেইভাবে কাজটি শেষ করেছিলাম।এই ছিল দেশীয় পন্যের সিলেবাসের প্রথম ধাপ।

22/11/2023

খেশ শাড়ি ও দেশীয় পন্যের সিলেবাসের বিবর্তন নিয়ে আলোচনা। ধন্যবাদ সংবাদ প্রকাশকে।

https://fb.watch/otiOHBK8hW/?mibextid=Nif5oz

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ariya's Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ariya's Collection:

Share