Ongshuk - অংশুক

Ongshuk - অংশুক A Garments Manufacturer

09/11/2021
19/08/2020

কী শেখালো হার্ভার্ড?
(সংগৃহীত)
দুবছর আগে যে স্বপ্নময় যাত্রা শুরু করেছিলাম, তার বিদায়ঘণ্টা বাজছে।বান্দরবান থেকে বোস্টন- যাত্রাটা ছিল অবিশ্বাস্য, অদ্ভুত, বিচিত্র, কিমাশ্চর্যম! বাংলাদেশ-মায়ানমার বর্ডারে রোহিঙ্গা সংকটের মাঝামাঝি দাঁড়িয়ে কল্পনাও করতে পারিনি একদিন পা রাখব বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে, সহপাঠী হিসেবে পাবো সারা বিশ্ব থেকে ছেঁকে আনা অসামান্য সব মানুষদের, সরাসরি বসতে পারবো বর্তমান বিশ্বের সর্বোচ্চ মননশীল কিছু শিক্ষকদের ক্লাসে।দশ বছর বয়েসে সর্বপ্রথম যে বিদ্যাপীঠের নাম শুনি, প্রায় পঁচিশ বছর পর সেখান থেকে গ্রাজুয়েশন করাটা আমার মত সামান্য মানুষের জন্যে অনেকটা স্বপ্ন স্পর্শ করার মতই আনন্দের।

তবে এই হরিষেও লুকিয়ে আছে বিষাদ- আগামী আঠাশ তারিখ যে কনভোকেশন হবে সেটা হবে শুধুই অনলাইনে। করোনা অতিমারীর এই ক্রান্তিকাল ছিনিয়ে নিয়েছে আমার অতি সযতনে লালিত একটা সুপ্ত ইচ্ছে- বাবা মা কে দুপাশে রেখে গ্রাজুয়েশনের কালো গাউন পরে জন হার্ভার্ডের মূর্তিকে পেছনে রেখে একটা ছবি তুলব- তা আর হল কই? এ কথা মা কে বলতেই মা বললেন, দেখ, কত মানুষ এ অতিমারীতে সর্বস্ব হারিয়েছে, সে তুলনায় এ আর কি? ভেবে দেখলাম, আসলেই তাই।

দু বছরে যা শিখেছি, তা কি দু পৃষ্ঠায় তুলে ধরা সম্ভব? নাহ- সম্ভব না।কিন্তু মোটা দাগে মূল অনুধাবনগুলো তো তুলে ধরা যায়! সে চেষ্টাই করা যাক!

হার্ভার্ডের প্রথম শিক্ষা হচ্ছে, প্রতিষ্ঠান মানুষকে বড় করে না- মানুষই প্রতিষ্ঠানকে বড় করে। প্রতিষ্ঠান মানুষকে একটা প্ল্যাটফর্ম দেয় মাত্র; মানবসত্তার সর্বোচ্চ উন্মেষে বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রথাগত শিক্ষা অপরিহার্য নয় এটা বঙ্গবন্ধু, মহাত্মা গান্ধী, নজরুল সহ হাজার হাজার “অক্সফোর্ড-হার্ভার্ডে-না-পড়া” মহামানবেরা অজস্রবার প্রমাণ করেছেন। এটা মাথায় রেখেও একজন সদ্য হার্ভার্ড গ্রাজুয়েট হিসেবে সবচাইতে ভীতিকর যে প্রশ্নটি আমি নিজেকে করি, সেটি হচ্ছে- আমি কি আসলেই এর যোগ্য? কি হবে যদি এই “হার্ভার্ড” ট্যাগটাই আমার জীবনের সর্বোচ্চ অর্জন হয়? আমার এপিটাফে যদি এটা লেখা থাকে, “এখানে ঘুমিয়ে আছে মাসরুফ হোসেন, যে একদা হার্ভার্ডে পড়াশোনা করেছিল”- এর চাইতে হাস্যকর, মর্মান্তিক আর বিব্রতকর কি হতে পারে? দুটো বছর আমাকে যে শিক্ষা দেয়া হয়েছে, ওটা যদি কারো কোনো কাজেই না আসে, তাহলে এত এত সময়, শ্রম আর অর্থ ব্যয় পুরোটাই ব্যর্থ। সমস্যা হচ্ছে, পূর্বসুরীদের মধ্যে নোবেল বিজয়ী, প্রেসিডেন্ট/প্রধানমন্ত্রী, বিলিওনেয়ার এবং গত চারশ বছরের বড় বড় রথী মহারথীরা রয়েছেন।এঁদের অর্জনের সামনে দাঁড়ানো মানে পর্বতের সামনে মূষিক হিসেবে অবস্থান করার মতই।হিসেব করে দেখলাম, গত পঁয়ত্রিশ বছরে মানবজাতি বা নিদেনপক্ষে দেশের সমাজে কিংবা জ্ঞানের ভাণ্ডারে এই অধমের উল্লেখ করার মত এক বিন্দু অবদানও নেই।সম্পূর্ণ শূন্য ভাণ্ডার, পুরোটাই নিঃস্ব, রিক্ত। সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে পিপীলিকা যেমন অনুভব করে, এই অনুভূতিটাই আমার প্রথম শিক্ষা।পঁয়ত্রিশ বছরেও এত এত সুযোগ পাওয়া স্বত্বেও স্রেফ খাওয়া, ঘুমানো আর নিজের ফূর্তিতে দু চারটে বই পড়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারিনি, পশ্চাদ্দেশে এই পদাঘাতের অনুভূতিটা হার্ভার্ড থেকে পাওয়া জ্ঞানের সর্বপ্রথম এবং অতি জরুরি হীরকখণ্ড-বিশেষ। বাকি জীবন কাটবে এই পরিস্থিতি পাল্টানোর সংগ্রামে, এ দিব্যি বুঝতে পারছি।

হার্ভার্ডের দ্বিতীয় শিক্ষার কথা বলতে গেলে চলে আসবে অমর্ত্য সেন, এরিক মাসকিন, জ্যাক যশট্যাক আর মাইকেল ক্রেমারের কথা। এই চারজনই নোবেল বিজয়ী, জ্যাক যশট্যাক বাদে বাকি তিনজনই অর্থনীতিতে, জ্যাক কেবলমাত্র চিকিৎসাবিজ্ঞানের।এর মধ্যে প্রফেসর সেন এবং প্রফেসর ম্যাসকিনের আমি সরাসরি ছাত্র, বাকি দুজনের সান্নিধ্যে এসেছি তাঁদের লেকচারে অংশ নিতে গিয়ে।এই চারজনের মধ্যে সবচাইতে কমন যে বৈশিষ্ট্যটি সেটি হচ্ছে একদম অকপটে “আমি জানি না” এই কথাটি বলতে পারা। এই অভিজ্ঞতা প্রথম হয়েছিল মহামনীষী অমর্ত্য সেনের অফিসে। তখনও উনার কোর্স নেইনি, দুরু দুরু বক্ষে শুধু দেখা করতে গিয়েছি।বাংলাদেশের রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে একটা প্রশ্ন করতেই তিনি মৃদু হেসে বললেন, দেখো, এটা চমৎকার একটা প্রশ্ন- এ নিয়ে বই লেখা যেতে পারে, কিন্তু এটা আমার জ্ঞানের বাইরে। আমি অর্থনীতিতে সামান্য কিছু অবদান রেখেছি মানে তো আর এই না যে আমি সর্ববিষয়ে জ্ঞানী।তুমি বরং এ বিষয়ে যিনি বিশেষজ্ঞ এমন কারো সাথে দেখা করো। একই অভিজ্ঞতা মাইকেল ক্রেমারের সাথেও। গতবছর এমআইটি এর অভিজিৎ ব্যানার্জি আর এস্টার দুফলো এর সাথে হার্ভার্ড থেকে নোবেল পুরষ্কার পেলেন মাইকেল ক্রেমার।তাঁকে বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে একটা প্রশ্ন করতেই তিনি বললেন- এর তিনটা উত্তর আছে। প্রথমটা হচ্ছে, আমি জানি না। দ্বিতীয়টা হচ্ছে, আন্দাজে তোমাকে কিছু একটা বলতে গেলে সেটা ভুল হবে। আর তৃতীয় উত্তর হচ্ছে, তুমি বরং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মুশফিক মোবারকের সাথে (বাংলাদেশি-আমেরিকান অর্থনীতিবিদ) যোগাযোগ করো- আমার কথা বলো।ওর এ বিষয়ে রিসার্চ আছে, ও ভাল বলতে পারবে।

আমাদের প্রতিবেশী আরেকটা বিশ্ববিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজিতে (এমআইটি) শুনতে গিয়েছিলাম দুহাজার পাঁচ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী জ্যাক যশট্যাকের লেকচার।পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে যেতেই ভীষণ লজ্জা পেয়ে বললেন, দেখো, আমার চাইতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করা লোকজন এসব পুরষ্কার পায়নি, এ নিয়ে অত মাথা ঘামিও না। বরং একটা সমস্যা পছন্দ করো যেটা নিয়ে খুব বেশি কাজ হয়নি এবং যেটা নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভাবতে তুমি বিরক্ত হবে না। লেগে থাকো, দেখবে সেটার সমাধানও হবে, সাথে পুরষ্কারও আসবে। আর না এলেই বা ক্ষতি কি? যে আনন্দটা পাবে তার কাছে পুরষ্কার কিছুই না। সর্বশেষ জন, এরিক ম্যাসকিন অমর্ত্য সেনের সাথে সহশিক্ষক হিসেবে পড়াতেন দর্শনের একটা কোর্স। ইনি যে এত বড় ব্যক্তিত্ব, অর্থনীতির বর্তমান দিকপালদের একজন- এটা পুরো সেমেস্টারে তাঁর পাশের সীটে বসে ক্লাস করেও বুঝতে পারিনি।জানিও নি যে অমর্ত্য সেনের সাথে সাথে আরেকজন নোবেল বিজয়ী একই ক্লাসে আমাদের পড়াচ্ছেন- কেউ জানানোর প্রয়োজনও বোধ করেনি!এই যে নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে জ্ঞাত থেকে কোথায় থামতে হবে এটা জানা এবং সুস্পষ্টভাবে নিজের না জানাকে সবার সামনে স্বীকার করে নেয়া- হার্ভার্ডে এটা আমার দ্বিতীয় শিক্ষা।

মহাভারতের গল্পে যক্ষ যুধিষ্ঠিরকে জিজ্ঞাসা করেছিল, হে যুধিষ্ঠির, এ পৃথিবীর সবচাইতে আশ্চর্য বিষয় কি? যুধিষ্ঠির বলেছিলেন, এই যে প্রতিদিন এত শত শত লোক মৃত্যুবরণ করে তাও মানুষ এমন ভাবে চলাফেরা করে যেন তার মৃত্যু হবেনা হাজার বছরেও- এটাই সবচাইতে আশ্চর্যের ব্যাপার।যদি আমার কাছে কেউ জিজ্ঞাসা করেন, আমার উত্তরটি হচ্ছে, “এই যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথের চেয়ে ভাল সাহিত্য বোঝে, সক্রেটিসের চেয়ে দর্শন বেশি বোঝে, সত্যজিৎ রায়ের চেয়ে সিনেমা বেশি বোঝে, ডক্টর ফাউচির চাইতে করোনাভাইরাস বেশি বোঝে এবং নেপোলিয়নের চাইতে যুদ্ধবিদ্যা বেশি বোঝে- এটাই বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে বড় অবাক হবার মত বিষয়”। অথচ আমার দেখা এই মনীষী-চতুষ্টয় নিজের গবেষণার বিষয়ের বাইরে এক বিন্দুও জাহির করতে যান না, বিনয়াবনত থাকেন প্রতি মুহূর্তে- সরাসরি বলেন নিজেদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কথা-এই বিনয়টা হার্ভার্ডে আমার দ্বিতীয় শিক্ষা। এনাদের মত বিনয় অর্জন এক জীবনে অসম্ভবের কাছাকাছি, কাজেই, যথারীতি আগামী দিনগুলো কাটাতে হবে বিনয়ের সাধনায়-এটাও পরিষ্কার।

তৃতীয় যে শিক্ষাটি, এটাকে হার্ভার্ড না বলে আমেরিকার মূল শিক্ষা বলা যেতে পারে- বাকস্বাধীনতা বা ফ্রিডম অফ স্পিচ। রেভারেন্ড ব্রায়ান হেয়ার নামে প্রায় আশি বছর বয়স্ক একজন প্রফেসর আছেন হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলে।তিনি হেনরি কিসিঞ্জারের টিচিং এ্যাসিস্টেন্ট ছিলেন, তার কাছ থেকে শিখেছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অলিগলি। শক্তিপ্রয়োগের নীতি কোর্সে যতবার তিনি কিসিঞ্জারের প্রসঙ্গ এনেছেন, ততবার সবার সামনে আমি তাঁকে মনে করিয়ে দিয়েছি উনিশশ একাত্তর সালে বাঙালির গণহত্যায় এই নৃশংস মানুষটির ভূমিকার কথা। ফাইনাল টার্মপেপারে সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কিসিঞ্জারকে এবং আমেরিকার নীতিকে অমানবিক, অপরাধমূলক, মানবতাবিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধের শামিল হিসেবে বর্ণনা করেছি। আমার ধারণা ছিল এই কোর্সে প্রফেসর আমাকে ভাল নম্বর দেবেন না। তিনি শুধু সর্বোচ্চ নম্বরই দেন নি, হাতে লেখা নোট-এ সেই পেপারটির প্রশংসাও করেছিলেন।

এই যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ঊর্ধ্বে উঠে নিরপেক্ষভাবে ভিন্ন একটি দৃষ্টিভঙ্গীকে মূল্যায়ন, এটা আমার কাছে অনেকটা ভিনগ্রহের বস্তু বলে মনে হয়েছিল। ধর্মতত্ত্ব স্কুলে গিয়েছিলাম প্রফেসর ফ্রান্সিস ক্লুনির অধীনে গীতা পড়তে, সেখানে আমি একমাত্র মুসলিম- বেশ কয়েকজন সনাতন ধর্মাবলম্বী, একজন হিন্দু সন্ন্যাসী (স্বামী সর্বপ্রিয়ানন্দ), বাকিরা খ্রিশ্চিয়ান, বৌদ্ধ, বাহাই, জুয়িশ ও অন্যান্য। নাস্তিক, এ্যাগনস্টিক এবং স্পিরিচুয়ালও ছিল কেউ কেউ। মজার ব্যাপার, প্রফেসর ক্লুনি নিজে একজন খ্রিশ্চিয়ান জেসুইট সন্ন্যাসী, পরিষ্কার সংস্কৃত জানেন, তিনি গীতা এবং সনাতন ধর্মের একজন শ্রেষ্ঠ পশ্চিমা পণ্ডিত। তাঁর ক্লাসে গীতার কিছু কিছু ব্যাখ্যা নিয়ে দ্বিমত করেছি, প্রতিবাদ করেছি, তর্ক করেছি-এমনকি সরাসরি এটাও বলেছি যে এই ব্যাখ্যা আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয় এবং তা এই কারণে। কেউ মনের ভুলেও প্রশ্ন তোলেনি কিভাবে একজন মুসলমান হয়েও আমি গীতা নিয়ে এত তর্ক করছি। যেসব আমি ঠিক বলেছি তাঁরা সেটা মেনে নিয়েছেন, আর যেসব ভুল বলেছি সেগুলো তাঁরা শুধরিয়ে দিয়েছেন। আমার ধর্মপরিচয়টা এখানে উল্লেখযোগ্যই নয়, জ্ঞানার্জনের প্রচেষ্টাটিই এদের কাছে জরুরী। এঁরা আধবয়েসী ভিনদেশী ছাত্রের কাছ থেকে শিখতে লজ্জিত নন, ব্যক্তিগত ইগো এঁদের জ্ঞানার্জনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।যা মনে আসে আমি মুখ ফুটে বলতে পারি কোনও রকমের ব্যক্তিগত ক্ষয়ক্ষতির ভয় ছাড়াই-এই অভিজ্ঞতাটি আমাকে শিখিয়েছে জ্ঞানচর্চার প্রকৃত পরিবেশ কিরকম হতে পারে। স্বপ্ন দেখি, আমাদের দেশেও এমন জ্ঞানচর্চার পরিবেশ গড়ে উঠবে।

চতুর্থ শিক্ষাটি পেয়েছিলাম হার্ভার্ড কেনেডি স্কুলের রেজিস্ট্রার অফিসে বসে। তখন সবেমাত্র সেকেন্ড সেমিস্টারের গ্রেডস হাতে পেয়েছি, টিপিকাল বাংলাদেশি ছাত্রের মত হিসেব করছি পয়েন্ট কোনটায় কিরকম, সিজিপিএ কেমন আসছে। বাহাদুরি দেখাতে গিয়ে এমআইটিতে কয়েকটা কট্টর টেকনিকাল কোর্স নিয়েছিলাম যেটার কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড আমার ছিলোনা। ওই দুটো কোর্সে গ্রেড আশানুরূপ আসেনি, সেটা নিয়ে বার বার হিসেব কষছি। যেহেতু এমআইটি অন্য প্রতিষ্ঠান, সেখানের গ্রেড পয়েন্ট হার্ভার্ডের নিয়মে রূপান্তর করাটাও একটা ভেজালের কাজ। সব মিলিয়ে হাজারটা প্রশ্ন মাথায়, ইশ, যদি সিজিপিএ যদি একটু কমে যায়?! রেজিস্ট্রার অফিসে ফোন করে এগুলো জানতে চাইতেই বলল, ভাই, তোমার প্রশ্নের মাথামুণ্ডু কিচ্ছু বুঝতে পারছিনা, তুমি অফিস সময়ে চলে এসো আমার কাছে- দেখি কি কাহিনী তোমার।যাবার পর ওখানের দায়িত্বরত কর্মকর্তাকে বললাম, ভাই এই এই অবস্থা, আমি আমার সিজিপিএ হিসেব করব কিভাবে? প্রশ্নটা শুনে সে আমার দিকে প্রায় পাঁচ মিনিট তাকিয়ে থাকলো, তারপর বলল, সিজিপিএ হিসেব করে কি করবা তুমি? কি দরকার এইটা? আমার মাথায় হাত! সাউথ এশিয়ার ছাত্ররা পয়েন্ট জিরো জিরো ওয়ান সিজিপিএ বাড়ানোর আশায় পারলে আত্মবলিদান করে ফেলে আর এই গাধা বলে কি?!

বললাম, সিজিপিএ দিয়ে কি হবে মানে? যদি পিএইচডি করতে চাই, রিসার্চ করতে চাই, তাহলে সিজিপিএ দেখতে চাইবে না? আর এত কষ্ট করে পড়াশোনা করলাম সিজিপিএ হিসেব করতে পারবোনা মানে? রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা আমার প্রশ্নে আরো ভড়কে গেল। বলল, “কেন ভাই, তোমার ট্রান্সক্রিপ্টে তো লেখাই আছে কোন কোর্সে কি লেটার গ্রেড ( অর্থাৎ এ, এ মাইনাস, বি প্লাস ইত্যাদি) পেয়েছ, সেটা দিয়েই তো সবাই কাজ চালায়, সিজিপিএ নিয়ে মাস্টার্স লেভেলে এত মাথাব্যাথা কেন তোমার? আর ট্রান্সক্রিপ্টে তো সিজিপিএ লেখা থাকেনা কোথাও!”- এইবার আমার মাথায় হাত, ট্রান্সক্রিপ্টে সিজিপিএ লেখা থাকেনা?! হে ভগবান!তাহলে দিন রাত খেটে মরলাম কেন এতদিন?!” রেজিস্ট্রার অফিসের কর্মকর্তা উত্তর দিলো, দেখো ভাই, এখানের ধারণাটা হচ্ছে, ভর্তি যেহেতু হতে পেরেছ হার্ভার্ডে, একটা মিনিমাম লেভেলের বুদ্ধিশুদ্ধি তোমাদের সবার আছে- কেনেডি স্কুলে আমরা সব কোর্স মিলিয়ে এভারেজে বি মাইনাস (অর্থাৎ ৫ আউট অফ ১০) সিজিপিএ রাখলেই তাকে ডিগ্রির জন্য উপযুক্ত ভাবি। এই সিজিপিএ ক্যালকুলেশন করে রেজিস্ট্রার অফিস, কারো রেজাল্ট খুব খারাপ হলে তখন ওটা নিয়ে হিসেব নিকাশ করি আমরা যে কিভাবে ও পাস করে বের হবে, এ ছাড়া ছাত্রের ট্রান্সক্রিপ্ট বা নম্বর শিটে এই সিজিপিএ এর কোনও অস্তিত্বই থাকেনা। এর পেছনে কারণ হচ্ছে, তুমি কেনেডি স্কুলের ছাত্র, কিন্তু দেখা গেল তুমি নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে গিয়ে এমআইটি বা বিজনেস স্কুলে খুব কঠিন একটা কোর্স নিলে- এতে তোমার গ্রেড খারাপ এলেও এমন কিছু শিখতে পারলে যা হয়তো তোমার জীবনটাকেই পাল্টে দিলো। তুমি দেখা গেল পরবর্তীতে পিএইচডি করলে ওই লাইনে, বা কর্মক্ষেত্র বেছে নিলে ওই বিষয়ের উপর। এই যে একজন ছাত্রের অপরিসীম সম্ভাবনা, তাকে সিজিপিএ ধরে রাখার ভয় দেখিয়ে সেটা সীমাবদ্ধ করে রাখার বিপক্ষে অবস্থান হার্ভার্ডের।লোকপ্রশাসন পড়তে এসেছ বলে তোমার যে অন্য বিষয় ভাল লাগবে না , বা নিজের প্যাশন তুমি অন্য কোনও ডিসিপ্লিনে খুঁজে পাবে না- এমন তো না, তাইনা?”

এই জিনিসটা আমার জন্য সত্যিকারের কালচারাল শক ছিল। সত্যিই তো, একেকজন ছাত্রের যে অপরিসীম সম্ভাবনা, কোন অধিকারে আমরা সেটাকে আটকে ফেলি? অনার্সে অর্থনীতি পড়া একজন যদি পরবর্তীতে পদার্থবিজ্ঞানে তার আনন্দ খুঁজে পায়, শিক্ষাব্যবস্থার কি উচিৎ না তার সেই প্যাশনকে জায়গা দেবার? প্রমথ চৌধুরী বলেছেন, সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত। ভিন্ন ডিসিপ্লিনের একজন ছাত্র যদি নিজ আগ্রহ থেকে প্রবল পরিশ্রম করে নতুন একটা বিষয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হবার মত যোগ্যতার প্রমাণ শিক্ষকদের কাছে দিতে পারে, কোন অধিকারে তাকে শিখতে দেয়া হবেনা? জ্ঞানের রাস্তায় প্রবেশের মুখে এক যোগ্যতা ছাড়া অন্য কোনওরকম চৌকিদারি থাকা যে ঠিক না, মানুষের সম্ভাবনাকে যে আটকে দেবার অধিকার কারো নেই, হার্ভার্ডে এটাই আমার চতুর্থ শিক্ষা।

এবার আসি সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটিতে। উপরের বাকি চারটি জিনিস যদি নাও জানতাম, এই একটা জিনিস জানাটা আমার জন্য সবচাইতে জরুরী ছিল, নইলে সারাজীবন একটা ভুল ধারণা নিয়েই কাটাতাম। এই একটা শিক্ষার জন্য মনে মনে আফসোস করি, ইস, আর যদি পনেরোটা বছর আগে আসতাম এখানে, কতই না ভাল হত! এই শিক্ষাটা কেমন তার একটা উদাহরণ দিতে পারি। মনে করুন আপনি একটা আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে গিয়েছেন- সবাই শেখানে কেতাদস্তর স্যুট টাই পরা- একমাত্র আপনি সেখানে সবার মাঝে বসে আছেন, সম্পূর্ণ দিগম্বর অবস্থায়- আপনার দেহে একটা সুতোও নেই। কল্পনা করতে পারেন, কি ভয়ঙ্কর রকমের লজ্জাজনক ব্যাপারটা? দুই বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে লোকপ্রশাসনে মাস্টার্স শেষ করে আমার অনুভূতি ঠিক এরকম। বিশ্বাস করুন, এক বিন্দু বাড়িয়ে বলছিনা- বুদ্ধিবৃত্তির দিক থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ নগ্ন লাগে, মনে হয়, গত তিন দশকের জীবনে স্রেফ চাপাবাজি করে আর ভাসা ভাসা অসম্পূর্ণ জ্ঞান জাহির করে এতদূর এসেছি, আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই আসল ঘটনা কি।মস্তিষ্ককে যদি একটা কাঁচের জগের সাথে তুলনা করেন, এতদিন আমার জগ পুরোটাই ভর্তি ছিল উদ্ভট অহংকার, স্বল্প জ্ঞানের ঔদ্ধত্ব এবং নিজের সম্পর্কে সম্পূর্ণ মিথ্যে উচ্চ ধারণার দুর্গন্ধযুক্ত নর্দমার পানিতে পরিপূর্ণ। হার্ভার্ড যেটা করেছে, ধুয়ে মুছে ওই নোংরা পানি পরিষ্কার করে একটা ঝকঝকে পরিষ্কার জগ উপহার দিয়েছে, যেটা পরিষ্কার হলেও পুরোপুরি খালি। একরাশ লজ্জার সাথে সবার সামনে প্রকাশ্যে স্বীকার করি, যেসব জ্ঞানগর্ভ কথা আপনাদের সামনে ফেসবুকে এবং অন্যান্য জায়গায় বলে বেড়িয়েছি-এগুলোর কিছুই আমি নিজেই শিখতে পারিনি, আই লিটারালি নো নাথিং! এ্যাবসলিউটলি নাথিং! এটা বিনয় না, বিনয় করে এই কথা বলতে গেলে সক্রেটিসের মত জ্ঞানী হতে হয় যা আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে শুধু বেমানানই নয়, চরম বেয়াদবীরও সামিল। কাজেই, বিনয় নয়, যেটা বললাম এটা একটা কর্কশ, নির্জলা, সাজগোজহীন সত্যি কথা।

এই সত্য আবিষ্কার করেছি খুব বেশিদিন হয়নি। কিছুদিন প্রচণ্ড ডিপ্রেশনে ছিলাম, এমনকি এক দুবার অর্থহীন এই মূর্খতার কথা ভেবে আত্মহননের চিন্তাও উঁকি দিয়েছে। কিন্তু তারপর এসেছে এক ধরণের প্রশান্তি, যেটার সাথে অনেকটা নির্বানলাভের তুলনা করা যায়। শত্রু যখন চারিপাশ ঘিরে ধরে, ভীরু যোদ্ধা তখন বলে, হায়! আমাদের তো চারপাশ থেকে ঘিরে ধরেছে, এবার আমরা শেষ! কিন্তু সাহসী যোদ্ধা করে উল্টোটা-সে বলে, বাহ! এই তো সুযোগ, আমরা এবার চারদিক থেকে শত্রুকে আক্রমণ করতে পারব!

মহামতি অমর্ত্য সেনের কাছেই হার্ভার্ড জীবনের সর্বশেষ ক্লাসটি করেছি, তিনি আর তাঁর সহধর্মিনী প্রফেসর এমা দুজন মিলে পড়াতেন কার্ল মার্ক্স এবং এ্যাডাম স্মিথের দর্শনের তুলনামূলক আলোচনা। কোর্স ম্যাটেরিয়াল হিসেবে “কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো” পড়তে হয়েছিল, যেখানে মার্ক্স শ্রমিকদের উদ্বুদ্ধ করেছেন তাঁর বিখ্যাত একটি উক্তি দিয়ে- হে শ্রমিক ভাইয়েরা, শেকল ছাড়া তোমাদের হারানোর কিছু নেই। এই উক্তিটি নিজের জন্য কিছুটা পরিবর্তন করে নিয়েছি। যত বড় মূর্খই হই না কেন, আজ থেকে যদি চেষ্টা করি- I have nothing to lose but my own ignorance.

মূর্খতা ছাড়া সামনের দিনগুলোতে আমার হারানোর আর কিছু নেই- এটাই হার্ভার্ডের সর্বশেষ এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।

-মাশরুপ হোসাইন
লঙ আইল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক
২৫/৫/২০২০

02/07/2020

একটা করোনা ভাইরাসের ওজন ০.৮৫ এট্টোগ্রাম।
১ এট্টোগ্রাম = ০.৮৫ x ১০ টু দ্য পাওয়ার - ১৮ গ্রাম ( মাইনাস ১৮) ।
সহজ করে বললে - ১ টা ভাইরাসের ওজন হল ১ গ্রামের এক ট্রিলিয়ন ভাগের এক ভাগের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।

একজন মানুষকে অসুস্থ করতে ৭০ বিলিয়ন ভাইরাসের প্রয়োজন।

৭০ বিলিয়ন ভাইরাসের ওজন ০.০০০০০০৫ গ্রাম। তাহলে ২০,০০,০০০ জন আক্রান্তের দেহে সমস্ত ভাইরাসের মোট ওজন প্রায় ১ গ্রাম।

১ ফোঁটা বিশুদ্ধ পানির ওজন ১ গ্রাম।

এত উন্নত মানব সভ্যতা মাত্র কয়েক ফোঁটা ভাইরাসের কারণে হাঁটু ভেঙ্গে পড়ে গেছে!!

এরপরেও কি আমরা নিজেদের অনেক বুদ্ধিমান, ক্ষমতাবান মনে করতে পারি? নিজেদের বুদ্ধিমত্তা, জ্ঞান, অর্থ-সম্পদ, সৌন্দর্য কোনো কিছু নিয়ে অহংকার করতে পারি???

Collected

04/04/2020

BAT - ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, যারা গুল্লিফ, বেনসন বানায় আর কি। বিড়ি বানাইয়া প্রতি বছর বিশ্বে লাখ লাখ মানুষ মাইরা ফালানো কোম্পানিও ভ্যাক্সিন বানানির দৌড়ে ঝাঁপাইয়া পড়ছে।
অহেতুক রোমান্টিজমে ভোগার কিছু নাই।এর আপনারে বাঁচানোর লাইগা ভ্যাক্সিন বানাইতেছে না।

ফার্মাসিউটিক্যালসের ইতিহাসে এই ভ্যাক্সিন হইবো সবচেয়ে বড় জ্যাকপট। যে আগে লাগাইতে পারবো, সে এক লাফে বিলিয়নিয়ার পার কইরা ট্রিলিয়নিয়ার হইয়া যাইবো। এইখানে মানবতার কোনো ব্যাপার নাই। পুরাটাই ব্যাবসা, ব্যাবসা এবং ব্যাবসা ।
ফুটনোটঃভ্যাক্সিন এতো দ্রুত ট্রায়ালে গেছে ক্যাম্নে, জানেন? SARS CoV2 বহুদিনে থেকেই জানান দিতাছিলো, সে আইবো। এর আগের সার্স, মার্স এটাকের সময়ই বোঝা যাইতাছিলো, সামনের মিউটেশন আরও ভয়াবহ হইবো। কিন্তু কেউই ভ্যাক্সিন কমপ্লিট করার জন্য আগায় নাই। কারণ আক্রান্তের সংখ্যা কম, ভ্যাক্সিন বেইচা খুব বেশী পয়সা-পাত্তি আইবো না।

সে সময় কিছু কাজ করা হইছিলো ভ্যাক্সিনের উপর। সেখান থিকাই পুনরায় আগানো শুরু করছে দেখেই তুলনামূলক তাড়াতাড়ি ট্রায়ালে যাইতে পারছে। অথচ লাভের কথা চিন্তা না করলে ভ্যাক্সিন আজ আমাদের হাতের মুঠোয় থাকতো। দশ বছরের বেশি সময় পাইছিলাম আমরা।
এইডারেই কয় কর্পোরেট দুনিয়া। আপনার লাশের উপর দিয়া ব্যাবসা হইবো, আপনি টেরও পাইবেন না।উল্টা হাততালি দিবেন, আপনার লাশ বেচার জন্য।
চে গুয়েভারার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি কি জানেন? সে আন্দোলন করছিলো পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে। পুঁজিবাদ তারে মাইরা তারই ছবি টি শার্ট, মগ, ক্যাপে ছাপাইয়া কোটি কোটি ডলারের ব্যাবসা করতাছে। চে গুয়েভারা গুলি খাইয়া মরেনি। যেদিন চে'র ছবি আঁকানো টি শার্ট পইড়া সাধারণ মানুষ স্টার বাকসে কফি খাইতে গেছে, সেদিন মরছে।
" জয়তু পুঁজিবাদ "

©তনয় মোস্তাফিজ

27/03/2020

#সংক্রমন ঠেকাতে না পারলে এখন থেকেই শরীরটাকে ফিট করুন #করোনা ফাইটের জন্যঃ
১) প্রথম কাজ হচ্ছে #সুস্থ থাকা।
আপনার যদি কোন রোগশোক থাকে তাহলে সবার আগে সেটা চিকিৎসা করে ঠিক করে নিন।
ডায়বেটিস, ব্লাড প্রেশার ইত্যাদি থাকলে কন্ট্রোল করুন।
এলার্জি, এজমা বা সাইনাস জনিত সমস্যা থাকলে এখন থেকেই কেয়ারফুল থাকুন।
ঠান্ডা, হাঁচি কাশির প্রবনতা থাকলে এখন থেকেই ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন।

অর্থাৎ, আগে শরীরটাকে একদম #রোগমুক্ত রাখুন।
মনে রাখবেন, করোনা ভাইরাস বিপদজনক তাদের জন্যই, যাদের শরীর আগে থেকেই বিপদে আছে।

২) তারপর আপনার কাজ হচ্ছে প্রতিদিন পর্যাপ্ত এবং প্রশান্তির #ঘুম।
সহজ ভাষায় বললে কোয়ালিটি স্লিপ। সুন্দর গোছানো বিছানা, মশারী টানানো। বিছানায় মোবাইল বা অন্যকিছু নেই। ঘুমানোর দুই তিন ঘন্টা আগেই খাওয়া দাওয়া শেষ। বিকেলের পর কোন চা কফি না।

ঘুমহীন শরীর মানে ভাংগাচোড়া ইমিউনিটি। মনে রাখবেন, শরীর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পূনর্গঠন করতে পারে তখনই, যখন আপনি ঘুমে মগ্ন থেকে, শরীরকে তার নিজের কাজ নিজের মতো নিশ্চিন্তে করতে দেন।

৩) মনটাকে সকল প্রকার #টেনশন এবং #স্ট্রেস মুক্ত করে ফেলুন। কোন টেনশন না, কোন স্ট্রেস না। মেজাজটা একদম ফুরফুরে করে ফেলুন।

টেনশন হচ্ছে আপনার শরীরের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর। এই টেনশন থেকেই শরীরে রোগ বাঁধা শুরু হয়। আর মানসিক স্ট্রেসের কারনে যেসব জঘন্য হরমোন আপনার শরীরের শিরায় শিরায় ধাবিত হয় তা আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একদম দূর্বল করে ফেলে।

৪) প্রচুর #পানি পান করুন। #ফ্লুইড পান করুন।
সাদা পানি যথেস্ট। সাথে ফলের জুস, শরবত, ডাবের পানি এসব খেলে তো কথাই নেই!

তবে চা কফি ইত্যাদি পানি দিয়ে বানানো হলেও তা আপনার শরীরে পানি বাড়ায় না বরং পানি শুষে ফেলে। তাই চা কফি অর্থাৎ ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় পান করতে হিসেবী হোন।

৫) #শাকসব্জি #ফলমূল প্রচুর খেতে হবে।
একেক রঙের শাক সব্জি ফলমূলে একেক রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। অনেক রঙের শাক সবজি খেতে পারলে অনেক রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা লাভ করবেন আপনি। যেমন লাল, হলুদ আর সবুজ রংগের ক্যাপ্সিকাল, লাল শাক, গোলাপী রঙের গাজর, কমলা রঙের কমলা, কালো আংগুর ইত্যাদি নানা রঙের রংগিন শাকসব্জি আর ফলমূল খেতে থাকুন।

#ভিটামিন_সি ও #এন্টি_অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল ও সবজি খান।
যেমন লেবু, আমলকি, কাঁচামরিচ ইত্যাদি প্রতিদিন খেতে হবে।

৬) বিষ খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। সামনের কয়েকটা দিন রাস্তাঘাটের #পোড়া_তেলের ভেজাল #স্ন্যাক্স, হজম গন্ডগোল করে এমন অখাদ্য রিচ ফুড, অতিমাত্রায় চিনি, চর্বি এসব মুখ দিয়ে ঢুকিয়ে শরীরটাকে বিষাক্ত আর কাহিল করা যাবেনা। ঘরে তৈরী পুষ্টিকর খাবার খান।

৭) #ঔষধি_খাবারকে এমনি এমনি ঔষধি বলা হয়না। এসব সায়েন্টিফিক্যালি প্রমানিত তো অবশ্যই, তাছাড়া পবিত্র #কোরআন_শরীফেও কিছু খাদ্যদ্রব্যকে #শেফা, বা #রোগমুক্তির উপায় বলা আছে।

শরীরটাকে বুস্ট আপ করতে #সহজলভ্য কিছু #রোগ_প্রতিরোধী খাবার হচ্ছেঃ

- #মধু
- #কালিজিরা
- ুধ_দিয়ে_হলুদ_বাটা_হলুদ_গুড়ো
- ুধ_আর_রসুন
- ানি_দিয়ে_লেবুর_রস
- ানি_আর_আদা
- ানি_দারচিনি ইত্যাদি।

৮) মনটাকে #পজিটিভ রাখুন।
একদম ভালো #মানুষ হয়ে যান। সবাইকে #মাফ করে দিন। #ইবাদত করুন। জায়নামাজে বসে #তওবা করুন। রাগ, ক্ষোভ, উত্তেজনা বাদ দিন। সবার সাথে ভালো ব্যাবহার করুন। সেবা করুন, দান করুন। এতে আপনার মন স্ট্রেসমুক্ত হবে, নির্ভার হবে, ভালো ফিলিংস বা গুড মুড আসবে।

তাতে কি লাভ? স্ট্রেস হরমোন যেমন শরীরটাকে ধ্বংস করে ফেলে, ঠিক তেমনি মনের ভেতর 'ভালো ফিলিংস' শরীরে ভালো হরমোনের জোয়ার বাড়িয়ে দেয়।

ভালো ফিলিংস এর কারনে যদি আপনার শরীরে ভালো হরমোনের জোয়ার আসে, তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিকঠাক কাজ করতে পারে। শরীরে রোগ জীবাণুর আক্রমন করা তখন অনেক কঠিন হয়ে যায়।

৯) #অলস থাকবেন না। হালকা ব্যায়াম করুন।

কাদের ক্ষেত্রে #সাবধান থাকবেন?

১) #শিশু ২) #বৃদ্ধ ৩) #অসুস্থ ৪) #দূর্বল ৫) যেকোন প্রকার #শ্বাসকস্টের রোগী ৬) #ক্যান্সার / #কেমোথেরাপী নিচ্ছে বা নিয়েছিলো এমন রোগী। ৭) প্রচন্ড শারীরিক #ধকলের, জটিল রোগের ভেতর যাবার ইতিহাস আছে এমন কেউ।

সব সায়েন্টিফিক। কোন সন্দেহ রাখবেন না।

আপনার পরিবারে এমন যারা আছে, বিশেষ করে অসুস্থ বা বৃদ্ধ বাবা-মা, তাদের এখনই সকল সুবিধে সহ একটি রুমে আলাদা করে থাকতে দিন। উনাদের রুম থেকে বের হবার দরকার নেই। আপনারাও একদম পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে মাস্ক পড়ে নিরাপদ দূর থেকেই তাদের সাথে যোগাযোগ রাখুন। কয়েক সপ্তাহ এমন এক্সট্রিম সাবধানতার বিকল্প নেই।

প্রফুল্ল থাকুন, বিশ্রামে থাকুন, সঠিক খাবার খান, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থেকে সংক্রমন এড়িয়ে চলুন।
(সংগৃহীত )

01/03/2020

পোষাক লজ্জা নিবারনের জন্য...

11/02/2020

ফ্যাশন মডেলদের বডিশেপ নিয়ে একটা সমালোচনা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দেখা যায় অধিকাংশ নারী ফ্যাশন মডেলদের ওজন কম, পুষ্টিহীনদেহ আর সাথে থাকে ক্ষুধামন্দ্যা রোগ। ২০০৬ সালে মাদ্রিদ ফ্যাশন শোতে মডেলদের এই কমওজনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।
লুইসেল র‌্যামোস, এলিনা র‌্যামোস, এনা ক্যারোলিনা রেসটন, এরা সবাই ওজন হ্রাসের কারণজনিত ম্যালনিউট্রিশনের জন্য মারা যায়। লুইসেল র‌্যামোসের হার্ট ফেইলর হয় ক্যাটওয়াক থেকে বের হবার সাথে সাথেই।

collected

08/02/2020

আপনার অনলাইন শপ বা স্টোর থেকে কাস্টমাররা পণ্য না কেনার ৭ টি কারণ:

বেশ কিছু কারণে কাস্টমাররা একটি অনলাইন শপ হতে কেনাকাটা করতে চায় না ।
কাস্টমার আপনার কাছে সর্বোত্তম প্রোডাক্ট ও সার্ভিস আশা করে। বর্তমান সময়ের কাস্টমারদের সন্তুষ্ট করা খুব একটা সহজ ব্যাপার না। অনলাইনে এখন অনেক সুযোগ রয়েছে যাচাই বাছাই করে কেনাকাটা করার।
আপনার অনলাইন শপের সাথে অন্যদের তুলনা করার জন্য কাস্টমারদের এখন আর খুব বেশি কষ্ট করতে হয় না । তাই এক্ষেত্রে আপনার সামান্য একটি ভুল কাস্টমারদের মনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট।

ভালো কাস্টমারদের পুরস্কৃত না করা:-
৬২% কাস্টমার চায় আপনি তাঁদের মূল্যায়ন করুন। তাঁরা দিনের পর দিন আপনার অনলাইন শপ হতে কেনাকাটা করছে, কিন্তু বিনিময়ে আপনি তাঁদের প্রশংসা বা পুরস্কৃত কোনটাই করছেন না!
আপনার প্রতিযোগীরা কিন্তু ক্রেতাদের মূল্যায়ন করছে, ফলে আপনি কাস্টমার হারাচ্ছেন।
ধরুন, আপনি এই মুহূর্তে একজন কাস্টমার । আপনি শীতের পোশাক কিনতে চান। দুইটি অনলাইন শপ আপনার পছন্দের তালিকায় আছে, যারা একই ধরণের প্রোডাক্ট বিক্রি করছে ।
একটির নাম A অন্যটির নাম B.
আজ আপনি যখন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দেখলেন, আপনার মোবাইলে একটা এসএমএস এসেছে যেখানে বলা হয়েছে, আপনি ইতিপূর্বে A হতে কেনাকাটা করায় শীতের পোশাক কিনলে সেটির ডেলিভারি ফ্রী।
এখন আপনি কোন অনলাইন শপটি আগে ভিজিট করবেন?
নির্দ্বিধায় বলা যায় আপনি শপ A এর কথা ভাবছেন।

কথাবার্তায় সতর্ক এবং আন্তরিক না হওয়া:-
সততায় সর্বোত্তম পন্থা। আপনি আপনার প্রোডাক্ট ও সার্ভিস কাস্টমারদের কাছে তুলে ধরার সময় সর্বদা সৎ থাকুন। অতিরঞ্জিত কিছু উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকাটাই শ্রেয়।
৯১% কাস্টমার এই কারনে আপনার অনলাইনশপ হতে কেনাকাটা পরিহার করে।
ধরুন, অনলাইনে একটি প্রোডাক্ট দেখে আপনি শপ A তে ফোন দিয়ে বললেন, ভাই/আপা অনলাইনে যে রং দেখছি এটি কি বাস্তবেও এমন?
শপ A বলল , জি হ্যাঁ, তবে ল্যাপটপ, ডেক্সটপ বা মোবাইলের স্ক্রীনে যা দেখছেন সামান্য এদিক ওদিক হতে পারে।
একই প্রশ্ন আপনি শপ B কে করলেন।
শপ B বলল, ভাই/আপা রং একদম হুবহু যা দেখছেন তাই।
শপ B হতে কেনার পর, আপনি দেখলেন রং হুবহু না, কিছু পার্থক্য আছে। শপ A এর কথাটাই সত্যি।

পরেরবার কিছু কেনার সময় কোন শপ থেকে কিনবেন?:-
আপনি শপ A -র কথা ভাবছেন!
কেনার পর যদি ক্রেতা দেখে আপনি যা বলেছেন তাঁর সাথে প্রোডাক্টের মিল নেই তবে সে আর কখনোই আপনার থেকে কেনাকাটা করবে না। এটা শুধুমাত্র একটি উদাহরণ। এই মূলনীতি টি আপনার বিজনেস এর যেকোনো পর্যায়ে ব্যবহার করুন । খুব দ্রুত ক্রেতার আস্থা অর্জন করতে পারবেন ।

কাস্টমারদের সময়ের গুরুত্ব না দেওয়া:-
বর্তমান সময়ে সবাই প্রচণ্ড রকম ব্যস্ত। সময়মত প্রোডাক্ট না পেলে স্বাভাবিক ভাবেই কাস্টমার অসন্তুষ্ট হয়।
৬৬% কাস্টমার সময়মত প্রোডাক্ট না পেলে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়।
আপনি শপ B হতে একটি প্রোডাক্ট অর্ডার করেছেন, বিক্রেতার কথা ছিল ৩ দিনের মধ্যে পৌঁছে যাবে। কিন্তু আপনি পেয়েছেন ৫ দিন পরে!
পরেরবার শপ A হতে প্রোডাক্ট অর্ডার করেছিলেন তারাও ৩ দিন সময় লাগবে বলেছিল এবং ঠিক ৩ দিনের মধ্যে আপনি প্রোডাক্ট হাতে পেয়েছেন।
যদি কারো জন্মদিন বা বিবাহ বার্ষিকীর জন্য অনলাইনে প্রোডাক্ট অর্ডার করতে চান, তাহলে আপনি কোন অনলাইন শপটিকে বেছে নিবেন?
নিশ্চয় শপ A। আমি কি ঠিক বলেছি?
তাহলে কী হল? অনলাইন শপ B তাঁর কাস্টমার হারালো!

পূর্ণ যোগাযোগের ঠিকানা উল্লেখ না থাকা:-
৫১% কাস্টমার দেখে অনলাইন শপটির ঠিকানা সঠিক ভাবে দেয়া আছে কি না। অনেক অনলাইন শপ শুধু একটি মোবাইল নম্বার বা একটি ইমেইল দিয়ে এই কাজটি সেরে ফেলেন।পূর্ণ ঠিকানা এবং যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যম না থাকলে কাস্টমাররা একটি অনলাইন শপের উপর আস্থা পায় না ।
মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, ইমো সহ সকল প্রকার যোগাযোগ মাধ্যম রাখা দরকার। যোগাযোগ যত সহজ হবে তত বেশি নতুন কাস্টমার পাবেন।
ধরুন, শপ A তে ঠিকানা, ফোন নম্বার, ই মেইল, মেসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, ইমো সহ সকল প্রকার যোগাযোগ মাধ্যম দেয়া আছে।
আর শপ B শুধু ফোন নম্বার ছাড়া আর কিছুই উল্লেখ করে নি।
এখন, আপনি বাসায় বসে অনলাইনে প্রোডাক্ট অর্ডার করবেন । ভাবলেন শপ B তে কথা বলবেন প্রোডাক্টটির ব্যাপারে। কিন্তু ফোন করতে গিয়ে দেখলেন আপনার মোবাইলে ব্যাল্যান্স শেষ। আপনি পরে কথা বলবো ভাবলেন।
একই প্রোডাক্ট শপ A তে দেখতে পেলেন। আপনার ইন্টারনেট ডেটা থাকায় অনলাইনে শপ A তে কথা হল। সব ঠিক থাকায় আপনি তাঁর কাছেই প্রোডাক্ট টি কিনলেন।
মোবাইল নম্বার, ইমেইল, শোরুমের ঠিকানা, ইকমার্স ওয়েবসাইট, আপনার সার্ভিস বন্ধ ও খোলা থাকার সময় যদি সঠিক ভাবে উল্লেখ না থাকে, তবে আপনি ক্রেতা হারাবেন।

যোগাযোগে দ্রুত সাড়া না দেওয়া:-
প্রোডাক্ট অনলাইনে দেখার পর যদি কাস্টমার আপনার সাথে যোগাযোগ করে, তবে একটু সহযোগিতা তাকে কেনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। এবং প্রোডাক্টটি বিক্রি হয়।
৬৬% কাস্টমার কিছু জানতে চাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর আশা করে।
ধরুন, শপ B তে আপনি ফোন দিয়েছেন কিন্তু কেউ রিসিভ করছে না, ২ বার কল দেবার পর আপনি শপ A তে ফোন দিলেন সাথে সাথে রিসিভ করলো। আপনি তাঁদের সাথে আপনার পছন্দের প্রোডাক্ট নিয়ে কথা বললেন।
চোখ বন্ধ করে ভাবুন, দেখবেন শপ A আপনার কাছে বেশি ভালো মনে হচ্ছে।
আপনার সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে যদি কাস্টমার অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে বা আপনাকে সেই মুহূর্তে না পায় তবে সে অন্য বিক্রেতার দিকে নজর দেয়।

কাস্টমার এর সমস্যা সমাধানে দেরি বা ব্যর্থ হওয়া:-
প্রোডাক্ট বিক্রয়ের পর কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে । বিক্রেতা যদি এই সমস্যা সমাধানে দেরি করে বা ব্যর্থ হয় তবে কাস্টমার হারাতে হতে পারে।
আপনি শপ A এবং B উভয়ের কাছ থেকে প্রোডাক্ট কিনেছেন। শপ A হতে কেনা প্রোডাক্টটি আপনি পরিবর্তন করতে চান তাই তাঁদের জানালেন। তাঁরা সাথে সাথে আপনার চাহিদা মত সেটি পরিবর্তন করে দিলো।
অন্যদিকে শপ B হতে কেনা প্রোডাক্টটিতে ত্রুটি থাকায় আপনি তাঁদের বললেন সেটা ফেরত নিতে। কিন্তু তাঁরা কোন সাড়া দিলো না। ১ সপ্তাহ পরে তাঁরা আপনাকে বলল প্রোডাক্টটির স্টক শেষ আসলে তাঁরা জানাবে।
কি চিন্তা করছেন? শপ B হতে আর কিনবেন কোনদিন?
উত্তর “না”
প্রশ্নের উত্তর বা প্রোডাক্ট এর জন্য অপেক্ষার সময়টি কাস্টমারদের জন্য খুব অসহনীয়।অধিকাংশ সময় বিক্রেতার উদাসীনতা কাস্টমারদের আগ্রহ নষ্ট করে।

নিরাপদ অনলাইন পেমেন্ট অপশন না থাকা:-
অনলাইন বিজনেসে অনলাইন পেমেন্ট অপশন থাকা মানে ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে আপনি ৫০% এগিয়ে আছেন। অনলাইন পেমেন্ট অপশন চালু করতে একটা বিজনেস কে তার প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক কাগজপত্র ব্যাঙ্ক কে দিতে হয়।পাশাপাশি পেমেন্ট এর জন্য আপনার শপ এ বিভিন্ন ব্যাঙ্ক এবং ওয়ালেট এর লোগো আপনার ব্যবসার বিশ্বস্ততা বাড়িয়ে তোলে বহুগুন।
বর্তমান সময়ে ক্রেডিট কার্ড , ভিসা কার্ড, বিকাশ , রকেট সহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক অনলাইন পেমেন্ট সেবা চালু করেছে। তাঁরা নগদ টাকা লেনদেন থেকে সবাইকে উৎসাহিত করছে অনলাইন লেনদেন করতে।
অনলাইন পেমেন্টে আকর্ষণীয় ছাড়ের সুযোগ দিচ্ছে সবাই।
আপনি যদি আপনার কাস্টমারদের অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা দিতে ব্যর্থ হন ,তবে কিছু ভালো মানের কাস্টমার হারাবেন।

আপনার অনলাইন শপ এর উপর বার বার আস্থা রাখতে বলা:-
আস্থা অর্জন করতে হয়। আপনি যেভাবেই বলেন না কেন আপনার উপর আস্থা তৈরি হবে যদি কাস্টমার আপনার বিজনেসের অর্জন গুলা দেখতে পায়।
আপনার প্রোডাক্ট যদি ফ্যাশন আইটেম হয়, তাহলে প্রোডাক্টের কোয়ালিটি সার্টিফিকেট , যদি শোরুম বা ফ্যাক্টরি থাকে তাহলে প্রতিষ্ঠানের কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট, কোন সংগঠন হতে পাওয়া পুরুস্কার বা স্বীকৃতি কাস্টমারদের আস্থা অর্জনে দারুণ সহায়ক।
বিশ্বের নামি দামি ব্র্যান্ডগুলা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আস্থা অর্জনের সূচনা করেছিল। আজ তাঁদের নামটাই কাস্টমারদের আস্থা অর্জনের জন্য যথেষ্ট।

পরিশেষে,
যদি চান কাস্টমাররা নিয়মিত আপনার অনলাইন শপ হতে কেনাকাটা করুক, তাহলে তাঁদের প্রতি আপনাকে যথেষ্ট যত্নবান হতে হবে।আপনার প্রোডাক্ট কোয়ালিটি, সততা এবং আন্তরিকতাই দিন শেষে কাস্টমারদের আপনার কাছ থেকে কিনতে উৎসাহিত করবে।

সুষ্ঠু ধর্মীয় অনুশাসন মানুষকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে... পরম করুনাময় আমাদের রক্ষা করুন।
05/02/2020

সুষ্ঠু ধর্মীয় অনুশাসন মানুষকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে... পরম করুনাময় আমাদের রক্ষা করুন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ongshuk - অংশুক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category