09/07/2026
#গুরুত্বপূর্ণ_একটি_হাদিস_সবার_পড়া_উচিত🌻
কিয়ামতের ভয়াবহ ও উত্তপ্ত ময়দানে হাউজে কাউসারের পানি পান করা হবে মুমিনদের জন্য এক পরম সৌভাগ্য।
তবে সহিহ হাদিসের বিবরণ অনুযায়ী,
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর উম্মত দাবি করা সত্ত্বেও কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণীর মানুষকে ফেরেশতারা এই হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেবেন এবং তারা এই পবিত্র পানি পান করতে পারবে না।হাদিস শরিফের আলোকে যে সমস্ত ব্যক্তি হাউজে কাউসারের পানি থেকে বঞ্চিত হবে
১. দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু আবিষ্কারকারী (বিদআতি)যারা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চলে যাওয়ার পর দ্বীনের নামে নতুন নতুন ইবাদত বা প্রথার (বিদআত) প্রচলন করেছে এবং সুন্নাহর বিকৃতি ঘটিয়েছে, তারা সবচেয়ে আগে বিতাড়িত হবে।হাদিসের প্রমাণ: আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, "আমি বলব, 'হে আমার প্রতিপালক! এরা তো আমারই উম্মত।' তখন বলা হবে, 'আপনি জানেন না, আপনার পরে তারা দ্বীনের মধ্যে কী নতুন বিষয় (বিদআত) আবিষ্কার করেছিল।' তখন আমি বলব, 'দূর হও, দূর হও তারা, যারা আমার পর দ্বীনকে পরিবর্তন করেছে।'" (সহিহ বুখারি)
২. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ পরিত্যাগকারীযারা জেনেশুনে রাসুল (সা.)-এর আদর্শ বা সুন্নাহর অবমাননা করেছে, সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং নিজেদের মনগড়া তরিকা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করেছে।
৩. ইসলাম থেকে বিচ্যুত বা মুরতাদ ব্যক্তিযারা প্রথমে ঈমান এনেছিল কিন্তু পরবর্তীতে ইসলাম ত্যাগ করেছে বা কুফরিতে লিপ্ত হয়ে ঈমান হারিয়ে ফেলেছে, তারা এই পানি পাবে না।। ফেরেশতারা তাদের চিনে চিনে হাউজ থেকে দূরে সরিয়ে দেবেন।
৪. অত্যাচারী ও জালিম শাসক এবং তাদের সহযোগীযেসব শাসক উম্মতের ওপর জুলুম করবে এবং যারা সেই জালিমদের অত্যাচার ও মিথ্যাকে সমর্থন করবে, তারাও হাউজে কাউসারের পানি থেকে বঞ্চিত হবে।হাদিসের প্রমাণ: রাসুল (সা.) বলেছেন, "আমার পরে এমন কিছু শাসক আসবে, যারা তাদের মিথ্যাকে সত্য বলবে এবং নির্যাতনে সহযোগিতা করবে, তারা আমার হাউজে আসতে পারবে না।" (সুনান আন-নাসায়ি)
৫. মুনাফিক বা কপট বিশ্বাসীযারা দুনিয়াতে মুখে ইসলামের দাবি করত কিন্তু অন্তরে কুফর লালন করত। হাশরের মাঠে ওজুর আলামত দেখে নবীজি (সা.) তাদের ডাকবেন, কিন্তু ফেরেশতারা তাদের আসল রূপ উন্মোচন করে হাউজ থেকে তাড়িয়ে দেবেন।