18/03/2024
আমাদের জনপ্রিয় ফরিদা আক্তার যিনি দীর্ঘদিন ধরে অভিনব এর মাধ্যমে করে যাচ্ছেন বাংলাদেশি প্রতিটি জিনিসের ।আজকে তার লেখা পড়লাম টাঙ্গাইল শাড়ি নিয়ে সত্যিই খুব ভালো লাগলো আমরা সবাই যদি সবাই বাড়িতে বাড়িতে টাঙ্গাইল শাড়ি অথবা জামদানি তসর কিংবা মুসলিমে শাড়ি ব্যবহার করি,তাহলে অনেক টাকা বেঁচে যাবে এবং আমাদের তাঁতীরা উৎসাহিত হয়ে অনেক কিছুই করতে পারবে ।আমার কাছে একটা জিনিস খুব ভালো লাগে কিছু ফিউশন কাজ করা যায় কিনা যেমন জামদানির উপরে অনেক কাজ করছে মুসলিমের উপরে অনেক কাজ করা হচ্ছে এবং তার উপরে সুন্দর সুন্দর পেইন্টিং করে জিনিসটাকে ফুটিয়ে তুলে একটি নতুন কিছু করা হচ্ছে আমরা বিদেশ থেকে যে শাড়ি তার মধ্যে ডিজাইন যদি খুব সুন্দর থাকে কিন্তু সাধারণ আমরা যেসব শাড়ি কিনে তার মধ্যে কাতান ওদের দেশি জামদানি কিংবা টাঙ্গাইল শাড়ি কিংবা খুব সুন্দর সুন্দর কে কাজে লাগাতে পারি এবং বিভিন্নভাবে আমার কাছে একটি কাজ খুব ভালো লাগে যেটাকে আমি ফিউশন মনে করি ।আমি একই ধরনের কাজ করে যাব তাতে তো জিনিসটা একঘেয়ে হয়ে যাবে কিন্তু যদি ফিউশন করি তাহলে সে কি অন্য রকম হবে ? আজ থেকে ৩০ বছর আগে আমি তসর শাড়ির উপরে জামদানি কাজ। একটি অতি নতুন ধরনের শাড়ি উপহার দিয়েছিলাম অনেকেই এটা সম্বন্ধে মন্তব্য করেছিল কেউ বলেছিল ভালো অনেকে বিরূপ মন্তব্য করেছিল তারা বলছে আমরা জামদানি কে নষ্ট করে দিচ্ছি কিন্তু সেই জামদানিতেই এখন অনেক কাজ হচ্ছে আমরাও সেভাবে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে বিভিন্ন মহিলা থেকে পুরুষদেরকে ব্যবহার করতে পারি, তাদের পরিবারকে চালানোর জন্য একটি সুন্দর রোজগারের পথ। কিছু কাজ নতুন নতুন খুবই করার চেষ্টা করছি জানিনা আর সবাই ভালো লাগবে কিনা তবে আশা করি এটা এত সুন্দর হবে না কারন আমি কোন আর্কিটেক্ট নই তবে এই ধরনের চিন্তাভাবনা করে কেউ যদি কাজ করে স্বাধীন করে নিশ্চয়ই একদিন আমরা শাড়িতে স্বাবলম্বী হব অন্যের মুখের দিকে আমাদের তাকিয়ে পড়তে হবে না তাই আসুন আমরা এবারের ঈদ থেকেই শুরু করি আমাদের তাঁতিদের কে আগ্রহ দেখানোর যে ,আমরা তাদের শাড়ি পরেই নিজেদেরকে ধন্য মনে করি।