Reshma Fashion House87

Reshma Fashion House87 We have all types of cloth for women.In our collection we have expensive fashion design items.

03/07/2021

পরে ঐ সাহাবী মুহাম্মদ (স) এর দরবারে আসলে আসলে রসূল (স) বলেন,তুমি কি তোমার মায়ের ব্যাপারে নালিশ জানাতে এসেছো?
সাহাবী তার মায়ের ব্যাপারে নালিশ না জানিয়ে তার মায়ের জন্য দোয়া চাইলেন।আল্লাহর রহমতে তার মা হেদায়েত প্রাপ্ত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন।
এখানেও ঐ সাহাবীর জন্য প্রথম প্রতিবন্ধক ছিল তার পরিবার।
এ রকম আরো অনেক ইতিহাস আছে।
তাই এসব নিয়ে ডিপ্রেশনে পড়া মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়। বিষয়গুলোকে মানিয়ে চলা ও পরিবারের লোকদের হেদায়েতের জন্য দোয়া করাই ইসলামের সৌন্দর্য।
পারিবারিক বাধা এসেছিল অসংখ্য নবী ও সাহাবাদের ক্ষেত্রে। আমাদের ক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম কিছু নয়।

03/07/2021

প্রতিটা কাজের সমালোচনা থাকবেই,হোক সেটা ভালো অথবা মন্দ। আমরা সকলেই এই বিষয়ে অবগত যে,প্রত্যেকটা ভালো কাজের পিছনে অনেক সমালোচনা হয়,অনেক বাধা আসে।
বাধা ছাড়া কখনো কোন কাজে সফলতা আসে না। বাধা ছাড়া যে কাজে সফলতা এমনি এমনি আসে_তাহলে বুঝে নিবেন সে কাজ অতি নগণ্য এবং মূল্যহীন। আর তাছাড়াও হাজারো বাধার মাঝে কোন কাজে সফলতা আসলে তাতে অন্যরকম একটা তৃপ্তি থাকে। আজ সেরকমই কিছু বাধা নিয়ে আলোচনা করবো।
আল্লাহর দেওয়া শিকৃত ও মনোনিত একমাত্র দ্বীন হলো ইসলাম। এই ইসলামের পথে চলতে গেলে অনেক রকমের বাধা আসে। এতে বিচলিত হয়া একদম চলবে না। এসব বাধা স্বাভাবিক। আর এই বাধাগুলো সাধারণত এসে থাকে আমাদের পরিবার,বন্ধু,সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে। এই বিষয় ৪টা নিয়ে দীর্ঘ পরিসরে আলোচনা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
পারিবারিক বাধাঃ পরিবার হচ্ছে একজন মানুষের প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার প্রধান জায়গা। আমরা সকলেই প্রাথমিকভাবে যে শিক্ষাটা পাই তা পরিবার থেকেই পাই। অনেক পরিবার আল্লাহর দ্বীন পালনে তাদের সন্তানদের উৎসাহ প্রদান করে আবার অনেক পরিবার তা করে না। কোন ছেলে যদি দ্বীনের পথে চলতে চায় তাহলে সর্বপ্রথম বাধা আসে তার পরিবার থেকে। পরিবারের লোকজন ভাবে ছেলেটা বুঝি দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কি সব বিদঘুটে পোষাক পড়ে,মুখে দাড়ি রেখেছে,মাথায় টুপি। নামাজ পড়ে,মানুষকেও নামাজের কথা বলে বেড়ায়।বাবা-মা সন্তানকে বলে,তোমাকে এসব করতে হবে না। এইসব বাদ দিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করো।তোমাকে ডাক্তার হতে হবে,ইন্জ্ঞিনিয়ার হতে হবে। এসব আল্লা-বিল্লা করে সময় নষ্ট না করে পড়ালেখায় মন দাও। সন্তান যদি তাদের এসব কথা অমান্য করে দ্বীনের পথে অটল থাকে তাহলে তাকে অনেক সময় প্রহার করা হয়।
একটা উদাহরন দেইঃ হযরত ইবরাহীম (আ) এর বাবা আযর ছিলেন একজন কাফির। ইবরাহীম (আ) দ্বীনের পথে অটল থাকায় নম্রুদের আদেশে আযর তার ছেলেকে আগুনে নিক্ষেপ করে। কিন্তু ইবরাহীম (আ) আগুনকে নয়,বরং আগুনের স্রষ্টাকে ভয় করতেন।
এখানে তার ক্ষেত্রে প্রথম বাধাটা তার পরিবার।আযর চাইলেই তার সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করতে দিতেন না কিন্তি আযর তা করে নি।
তাই এসব নিয়ে বেশি বিচলিত হওয়া যাবে না,দ্বীনের পথে চলতে গেলে বাধা আসবেই।
অন্যদিকে হযরত মুহাম্মদ (স) এর জামানায় এক সাহাবী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় তার মা তাকে প্রহার করেন।

27/06/2021

অসুস্থতার কারণে বান্দার গুনাহ মাফ হয়

ইসলাম ডেস্ক

আপডেট: ২২৫৭ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ৭, ২০১৯

 ছবি : প্রতীকী



আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন মাধ্যমে বান্দার মান-মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। সে জন্যে বিভিন্ন রোগ-বালাই দিয়ে পরীক্ষাও করেন। আবার কখনো এমন হয় যে, আল্লাত তাআলা বান্দার জন্য জান্নাতে উচ্চ মর্যাদার আসন নির্ধারণ করে রেখেছেন, কিন্তু বান্দা নিজের আমলের মাধ্যমে সেখানে পৌঁছতে সক্ষম নয়। তাই বিভিন্ন ছোট-খাটো পরীক্ষার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে সে মর্তবায় পৌঁছিয়ে দেন।

একদিন রাসুল (সা.) আয়েশার (রা.) কাছে গেলেন। দেখলেন আয়েশা কপালে একটি জলপট্টি দিয়ে আছেন এবং ব্যথার প্রকোপে কাঁপছেন।

রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করেন, ‘কী হয়েছে তোমার আয়েশা?’ বলেন, ‘জ্বর হয়েছে। আল্লাহ দ্রুত আরোগ্য দান করুন।

’ রাসুল (সা.) বলেন, ‘জ্বরকে মন্দ বোলো না। এটি বনি আদমের গুনাহকে এভাবে দূর করে দেয়, যেভাবে আগুন শুকনো লাকড়িকে জ্বালিয়ে শেষ করে দেয়।

’ (মুসলিম, হাদিস: ২৫৭৫

ইবনে হিব্বান রাসুলের একটি হাদিস বর্ণনা করেছে যে, তিনি বলেন, ‘বান্দার জন্য আল্লাহর দরবারে একটা স্থান নির্ধারিত রয়েছে, কিন্তু বান্দা নিজের আমলের মাধ্যমে সে স্থানে পৌঁছতে সক্ষম নয়। এজন্য আল্লাহ তাআলা বান্দার অপছন্দ হওয়া সত্ত্বেও বিভিন্ন পরীক্ষা ফেলেন, যাতে নিজের মর্যাদার আসনে পৌঁছুতে পারে। ’ (ইবনে হিব্বান, হাদিস: ১৬৯/৭)

আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোনো রোগ আমার কাছে জ্বরের চেয়ে অধিক প্রিয় নয়। কেননা জ্বর শরীরের প্রতিটি অঙ্গ ও জোড়ায় পৌঁছে যায়। আর আল্লাহ তাআলা সে অনুপাতে সওয়াব দিয়ে থাকেন। ’ (আদাবুল মুফরাদ, হাদিস নং: ৫০৩)
পরকালে দীর্ঘ আজাব আসার আগে আমি দুনিয়ায় সামান্য শাস্তি ভোগ করাই, যাতে লোকজন বদআমল থেকে ফিরে আসে।’ (সূরা: সিজদা, আয়াত: ২১)।
অসুস্থতা দ্বারা মুমিন বান্দার স্তর উন্নত হয়। অসুস্থতাকে অশুভ নিদর্শন হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ যার মঙ্গল চান তাকে দুঃখ-কষ্টে ফেলেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৫৬৪৫)

24/06/2021

কাউকে অবজ্ঞা কিংবা উপহাস করা ইসলামের দৃষ্টিতে ঘোরতর অন্যায়।
পবিত্র কোরআনের সূরা হুজরাতের ১১ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করা হয়েছে— ‘হে ইমানদারগণ! তোমাদের একদল অন্য দলকে যেন উপহাস না করে, কেননা হতে পারে (আল্লাহর কাছে) উপহাসকৃত দল উপহাসকারীদের চেয়ে উত্তম।
একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গোনাহ। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।
তোমাদের কোন ভাই যাতে করে অন্য মুসলিম ভাইকে ছোট না করে অর্থাৎ তার মান ও সম্মান ক্ষুণ্ন না করে। কেননা প্রত্যেক মুসলিম এর প্রতি অন্য ভাই এর রক্ত, মাল ও সম্মানকে ক্ষুণ্ন করা হারাম করা হয়েছে। (রক্ত দ্বারা উদ্দেশ্য হত্যা করা)।” -সহীহ মুসলিম-৪/১৯৮৬, হাদীস-২৫৬৪
মহানবী (সা.) উপহাসকারীদের সম্পর্কে বলেছেন : ‘একজন উপহাসকারীর জন্য বেহেশতের দরজা খুলে দেয়া হবে এবং তাকে বলা হবে : ‘এস।’ সে তার দুঃখ ওঅসহায়ত্ব নিয়ে সামনে অগ্রসর হবে এবং যখন সে ভেতরে প্রবেশ করতে চাইবে তখনই তার সামনে বেহেশতের দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।’৩

22/06/2021

এক দেশে এক জমিদার ছিল। জমিদারের এক ছেলে ছিল। তার ছেলের নাম ছিল শাহজাদা।
শাহজাদা বিয়ে করেছিল সুন্দর এক যুবতী মেয়েকে।
একদিন জমিদারের ছেলের বউ রাস্তা দিয়ে হাটতেছে, তার পড়নে ছিল সুন্দর ডিজাইন করা মুল্যবান পোষাক। আর অন্যদিকে ছেড়া পোষাক পড়া,ছেড়া লুঙ্গী পড়া,ছেড়া জুতা পড়া, উষ্কখুষ্ক চুল ওয়ালা এক ভিক্ষারী কাদামাটির রাস্তা দিয়ে হাটতেছে আল্লাহর নামের জিকির করতে করতে।
হাটতে হাটতে পিচ্ছিল রাস্তায় পড়ে যায় এবং কাদামাটি শাহজাদার বউয়ের শরীরে পড়ে।
স্ত্রী তো তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেছে। কেউ নাই, আমাকে ভালোবাসার কেউ নাই,এক রাস্তার ভিক্ষুকের পায়ের নাপাক কাদা-পানি আমার শরীরে লেগেছে,আমার স্বামী কোথায়, কেউ কি নেই আমাকে দেখবার?
এসব কথা শুনেই তার স্বামী ঘর থেকে বেড় হয়ে আসছে। স্ত্রী পাগল যুবক ঘর থেকে বেড় হয়ে এসে সেই ভিক্ষুকরে ইচ্ছামত পিটুনি দিছে।আর বলে,তুই কেমনে আমার স্ত্রীর শরীরে কাদামাটি লাগায় দিতে পারলি।
ভিক্ষারী মাইর খাওয়ার পর দুটা হাত উপর দিকে উঠায় দিছে। বলছে আল্লাহ,এই মেয়েটাকে তার স্বামী ভালোবাসে,সেই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমাকে এসে মারলো। তাকে সে ভালোবাসে ডাক দিতেই হাজির হয়া গেছে,আমাকে মারছে।আল্লাহ তুমিও নাকি আমাকে ভালোবাসো। আমি আজকে তোমার ভালোবাসার প্রতিদান দেখতে চাই।আল্লাহ তুমিও নাকি আমাকে ভালোবাসো,তোমার ভালোবাসার প্রতিদানটা দেখাও।
ভিক্ষুকের বলতে দেরি, শাহজাদা মাটিতে ঠাস করে পড়ে মরে গেছে।
জমিদার আসছে,এসে বলে কিরে আমার ছেলে মরে গেল কেন?
পাগল বলতেছে, জানিস না বাদশাহ,তোমার বউয়ের শরূরে কাদা লেগে গেছে। বউ ডাক দিছে,পাগল হইয়া স্বামী এসে আমারে মারছে।ভালোবাসার প্রতিদান দিছে তার স্বামী। আমাকেও আমার বন্ধু ভালোবাসে। আমিও তাকে ডাক দিয়া বলে দিছি।এমন ভালোবাসার প্রতিদান দিছে,তোমার ছেলেকে যে জীবন দিয়েছিল সেই জীবনটা ফিরিয়ে নিয়ে নিছে।

15/06/2021

যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাঈ)
তুমি নিজে সুরা মুলক পড় এবং পরিবারের সবাইকে ও প্রতিবেশীকে উহা শিক্ষা দাও।কারণ উহা মুক্তিদানকারী ও ঝগড়াকারী। কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করে উহার পাঠকারীকে সে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করবে এবং কবরের আজাব থেকে বাঁচিয়ে রাখবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমার একান্ত কামনা যে, এই সুরাটি আমার প্রত্যেক উম্মতের অন্তরে গেঁথে (মুখস্ত) থাকুক।’ (ইবনে কাসির)
‘যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মুলক তেলাওয়াতের আমল করবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তি পাবে।’ (তিরমিজি,
যে ব্যক্তি সকাল বেলা অথবা সন্ধ্যাবেলা সায়্যিদুল ইস্তিগফার অর্থ বুঝে দৃঢ় বিস্বাসসহকারে পড়বে, সে ঐ দিন রাতে বা দিনে মারা গেলে অবশ্যই জান্নাতে যাবে।[বুখারী, ৭/১৫০, নং ৬৩০৬]

03/06/2021

রাসুল (সা.) হাদিসের মধ্যে বলেছেন, ‘একজন মুসলিমের প্রকৃত ‌সৌন্দর্য হচ্ছে সেখানেই, সে এমন কাজ পরিহার করে চলবে, যেটা তার জন্য অপ্রয়োজনীয়।’
যেমন : থার্টিফার্স্ট নাইটের কথা আপনি বলেছেন। এটি ভিন্ন কালচার ছাড়া আর কিছুই নয়। যেটা পারস্য সভ্যতা থেকে আমদানি হয়েছে। রাসুল (সা.)-এর সময় এ ধরনের একটি দিবসও পালিত হতো না। নবী করিম (সা.), সাহাবা, সলফে সালেহিন এটাকে কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন

03/06/2021

নবী করিম (সা.) আরও বলেন, ‘সে ব্যক্তি আমার দলভুক্ত নয়, যে আমাদের ছেড়ে অন্য কোনো জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে। তোমরা ইহুদিদের সাদৃশ্য অবলম্বন কর না, খ্রিস্টানদেরও সাদৃশ্য অবলম্বন কর না।’ (সিলসিলাহ সহিহা : ২১৯৪

হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, অবশ্যই তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির অনুসরণ করবে বিঘত-বিঘত এবং হাত-হাতের সমপরিমাণ। এমনকি তারা যদি সাপের গর্তে প্রবেশ করে, তা হলে তোমরাও তাদের পেছন পেছন যাবে।’ সাহাবায়ে কেরাম (রা.) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি ইহুদি ও নাসারাদের অনুকরণ করার কথা বলছেন?’ নবী করিম (সা.) বললেন, ‘তবে আর কার?’ (বুখারি : ২৬৬৯)

দিবস পালন করার বিষয়টি শিরক বা কুফরি নয়। এর মাধ্যমে আল্লাহর হকের কোনো ক্ষতি সাধন হয় না। ফলে এগুলোকে শিরক বা কুফরি বলার কোনো সুযোগ নেই।

03/06/2021

বার্থ-ডে বা জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী পালন করা সুন্নত। তবে সেই সুন্নত [অর্থাৎ ইহুদি নাসারাদের সুন্নত] মুসলিমদের নয়, যার জন্য মহানবী (সঃ) বলেছেন, “অবশ্যই তোমরা তোমাদের পূর্ববর্তী জাতির সুন্নত [ইহুদি নাসারাদের] (তারিকা) অনুসরণ করবে বিঘত বিঘত এবং হাত হাত পরিমাণ (সম্পূর্ণরূপে)। এমনকি তাঁরা যদি সাণ্ডার (গোসাপ জাতীয় এক প্রকার হালাল জন্তুর) গর্তে প্রবেশ করে, তবে তোমরাও তাকে অনুসরণ করবে (এবং তাঁদের কেও যদি রাস্তার উপর প্রকাশ্যে স্ত্রী-সঙ্গম করে তবে তোমরাও তা করবে!)” সাহাবাগণ বললেন, “আল্লাহ্‌র রাসূল ইয়াহুদ ও খ্রিস্টানরা?” তিনি বললেন, “তবে আবার কারা?” ৯৪ (বুখারী, মুসলিম ও হাকেম)
বলা বাহুল্য, বিজাতীর অনুকরণে এমন উৎসব বা অনুষ্ঠান পালন করা বৈধ নয়। যেহেতু মহানবী (সঃ) বলেন, “ যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের অনুরূপ অবলম্বন করে, সে তাঁদেরই দলভুক্ত।” ৯৫ (আবূ দাঊদ, ইবা)
একই পর্যায় পড়েঃ ভালবাসা দিবস, মাতৃ দিবস ইত্যাদি।

Address

Nillkhet
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Reshma Fashion House87 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Reshma Fashion House87:

Share