10/11/2024
আমি আজকে বাচ্চাকে নিয়ে খামারে গিয়েছিলাম। সেখানে ট্রাকে ওঠার জন্য লম্বা লাইন ছিলো। আমি এমিলকে বললাম, অপেক্ষা করো। সে দাঁড়িয়ে থাকলো।
এক বাংলাদেশী আপা এসে আমাকে বলল, আপনার বাচ্চা তো আপা কথা শোনে। আমারটা একদমই কথা শোনে না।
আমি হেসে বললাম, আপা এমিল নিজেই ট্রাকে চড়তে চাচ্ছে। লাইনে ওকে ওর জন্যই দাঁড়াতে হবে।
আমি আসলে অনেকক্ষণ ওদেরকে খেয়াল করছিলাম। আমি যেটা দেখলাম সেটা হলো বাচ্চাটার বাবা মা বাচ্চাটার কোনো কথাই শোনে না।
বাচ্চা যেতে চায় গরুর কাছে। বাবা মা নিয়ে যাবে ট্রাকের ওপরে। ফলাফল বাচ্চাটা চিৎকার করে কাঁদছে। আর বাবা মা বলছে কথা শোনে না।
বাচ্চা খেতে চায় মিষ্টি কুমড়া ভাজা। ওরা মুখে ঢুকিয়ে দিবে চিকেন ফ্রাই। ও ওয়াক থু করছে। বাবা মা বলছে, ও কথা শোনে না।
ফার্মে গেছে কিন্তু বাচ্চা যেন এনজয় করে, কিন্তু বাচ্চার খেয়ালখুশিকে তারা গ্রাহ্যই করবে না।
এটা দেখে আমার এই বিষয় নিয়ে লিখতে ইচ্ছা হলো।
আমার বাচ্চার কোনো ধৈর্য্য নেই,
এটা যে বলছে ৯৬ ভাগ ক্ষেত্রে বক্তার নিজেরই কোনো ধৈর্য্য নেই।
বাচ্চা বলছে খাবে না। কিংবা খেলবে না। কিংবা শপিংয়ে যাবে না।
আপনি তাকে কেন খেতে হবে ব্যাখ্যা দিবেন না। তাকে বলবেন মিথ্যা কথা।
এটাই শেষ। এটাই শেষ চামচ।
বলে আরো দশ চামচ খাওয়াবেন।
সে বাজারের ভিড়ে যেতে চায় না। আপনি তার স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দিবেন না। তাকে নিয়েই আপনার ঈদের জামা কিনতে গাউছিয়া যেতে হবে। পূজামণ্ডপে ঢুকতে হবে।
“আপনি যেহেতু বাচ্চার কথা শোনেন না= বাচ্চা আপনার কথা শোনে না।”
কথা শোনা বা মান্য করা অন্য যে কোনো কিছুর চেয়ে মডেলিং করে শেখানো যায়।
বাচ্চা যদি পরিবারে দেখে একজন আরেকজনের কথা মান্য করছে, গ্রাহ্য করছে সে অটোমেটিক নির্দেশ পালন করবে।
এজন্য বাচ্চার বয়স কমপক্ষে ১৮ মাস হতে হবে।
কপিড