08/10/2023
শিশুর মানসিক বিকাশ প্রথম কয়েক বছর খুব দ্রুত হয়। বড় হওয়ার সাথে সাথে এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় ধীরে। সুষম জাতীয় খাবার মস্তিষ্কের সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চলুন জেনে নেই এমন সব খাবার সম্পর্কে -
১. বুকের দুধ : মায়ের বুকের দুধ ৬ মাস বয়সী বাচ্চাদের জন্য একমাত্র সুষম খাদ্য। এতে রয়েছে সব ধরণের ভিটামিন, অ্যান্টিবডি, মিনারেল, ফ্যাট, প্রোটিন যা শিশুর সুস্থ বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
২ ওটস: ওটসে রয়েছে জিঙ্ক, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন ই। এছাড়া প্রচুর পরিমানে ফাইবার ও আছে। ওটস স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে। ওটস ঘনদুধের সাথে ক্ষীরের মতো রান্না দিলে শিশু খুব পছন্দ করবে।
৩.ছোলা : আঁশ ও আয়রন সমৃদ্ধ একটি খাবার হলো ছোলা। তবে শিশুর জন্য ছোলা রান্না করলে সাথে রসুন দিয়ে রান্না করুন। শিশুর যদি সমস্যা হয় তবে ৮ মাস বয়সের পরে ছোলা দিন।
৪. মাছ আর মাংস: মাংসে থাকে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক, আয়রন ও প্রোটিন যা শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিত করে। মাছ আর মাছের তেলে রয়েছে প্রোটিন ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড যা শিশুকে মানসিকভাবে এক্টিভ হতে সাহায্য করে।
৫.ডিম: ডিমের পুষ্টিগুন অতুলনীয়। ডিম প্রোটিনের উৎস হিসেবে পরিচিত হলেও, এতে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড ও লুটেইন। এছাড়া রয়েছে কোলিন যা ফুসফুসের জন্য ভালো, স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সহায়ক।
৬.দানাদার শস্য: তিল, কালিজিরা, , আদা, ময়দা, ভুট্টা এসব শিশুর মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। এই জাতীয় খাবার রক্তের গ্লুকোজ নিঃসরণকে স্থিতিশীল এবং ধীর করে, ফলে শিশু খুব সহজেই যেকোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম।
৭.ডাল জাতীয় শস্য: মসুর, মুগ, কলাই, খেসারি, সিমের বীজ এগুলোতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও প্রোটিন। পাঁচমিশালি ডাল ও সবজি দিয়ে খিচুড়ি রান্না করে শিশুকে খাওয়ান।
৮.বাদাম: ত্বক ও ব্রেইনের জন্য বাদামের উপকারিতা অতুলনীয়।ওয়ালনাট, কাজুবাদাম, আলমন্ড, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম- সব ধরণের বাদামই আপনার খাওয়ান শিশুকে।
৯.কলা: কলা একটি পটাশিয়ামে ভরপুর ফল। শিশুর মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কলা হলো সবচেয়ে নিরাপদ উৎস। কলায় পটাশিয়াম ছাড়াও রয়েছে আয়রন, ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম।
১০.শাক, লতা-পাতা: ব্রেইনের জন্য আয়রন খুব প্রয়োজনীয় ।লালশাক, পালংশাক, মুলাশাক, ডাটাশাক, সরিষাশাক, হেলেঞ্চাশাক, ধনেপাতা, পুদিনাপাতা, থানকুনি পাতা ইত্যাদিতেৎরয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন, ফাইবার ও নানারকম ঔষধি গুন। যা শিশুর মানসিক বিকাশে সহায়তা করে।
©mysonamoni
(BLW)