Super kids - সুপার কিডস

Super kids - সুপার কিডস Welcome to Super Kids – trusted by thousands of parents for safe, quality baby essentials! Find affordable clothing, toys, and more for your little one.

Shop confidently with us!

👶💛 শিশুকে কোলে নেওয়া—ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর সুস্থ বিকাশের এক সহজ উপায়অনেকেই বলেন, “বেশি কোলে নিলে বাচ্চা কোলে অভ্যস্ত ...
01/05/2026

👶💛 শিশুকে কোলে নেওয়া—ভালোবাসা, নিরাপত্তা আর সুস্থ বিকাশের এক সহজ উপায়

অনেকেই বলেন, “বেশি কোলে নিলে বাচ্চা কোলে অভ্যস্ত হয়ে যাবে।” কিন্তু বাস্তবে বিজ্ঞান যা বলে, তা একেবারেই ভিন্ন। শিশুকে কোলে নেওয়া শুধু আদর নয়—এটা তার মানসিক ও শারীরিক বিকাশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

✨ কেন শিশুকে কোলে নেওয়া উপকারী?

🔸 নিরাপত্তা ও বিশ্বাস তৈরি করে
কোলে থাকলে শিশু নিজেকে নিরাপদ মনে করে। এতে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও বিশ্বাস (trust) গড়ে ওঠে।

🔸 কান্না কমায় ও শান্ত রাখে
মায়ের স্পর্শ ও গায়ের উষ্ণতা শিশুকে দ্রুত শান্ত করে, স্ট্রেস কমায়।

🔸 মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে
ভালোবাসা ও স্পর্শ শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🔸 মা–শিশুর বন্ধন শক্ত করে
Skin-to-skin contact মা

শিশুর মধ্যে গভীর আবেগীয় সম্পর্ক তৈরি করে।

🔸 ভালো ঘুমে সাহায্য করে
কোলে নেওয়া বা আদর পেলে শিশুর ঘুমের মান ভালো হয়।

📌 মনে রাখুন: ছোট বয়সে “অতিরিক্ত আদর” বলে কিছু নেই। এই সময়ের ভালোবাসাই ভবিষ্যতের সুস্থ মানসিকতার ভিত্তি গড়ে দেয়।

💬 আপনার মতামত কী? আপনি কি আপনার শিশুকে বেশি কোলে নেন?

#সুপার_কিডস #শিশুযত্ন #মাতৃত্ব

🚽 আপনার সোনামণির জন্য সেরা পটি ট্রেইনার! 👶✨​বাচ্চাদের পটি ট্রেনিং নিয়ে চিন্তিত? আমরা নিয়ে এসেছি একদম আসল টয়লেটের মতো দেখ...
30/04/2026

🚽 আপনার সোনামণির জন্য সেরা পটি ট্রেইনার! 👶✨
​বাচ্চাদের পটি ট্রেনিং নিয়ে চিন্তিত? আমরা নিয়ে এসেছি একদম আসল টয়লেটের মতো দেখতে প্রিমিয়াম কোয়ালিটির Baby Potty Training Seat! যা আপনার বাচ্চার পটি ট্রেনিংকে করবে অনেক বেশি সহজ এবং আরামদায়ক।
​✨ কেন এই পটি সিটটি সেরা?
​আরামদায়ক ডিজাইন: এটি বাচ্চাদের শরীরের গঠন অনুযায়ী তৈরি, তাই তারা দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও বিরক্ত হবে না।
​আসল টয়লেটের অভিজ্ঞতা: দেখতে হুবহু বড়দের কমোডের মতো হওয়ায় বাচ্চারা খুব দ্রুত টয়লেট ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।
​পরিষ্কার করা সহজ: এর ওপরের অংশ আলাদা করা যায়, ফলে খুব সহজে এবং স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব।
​আকর্ষণীয় কালার: কিউট পিঙ্ক, স্কাই ব্লু এবং মিন্ট গ্রিন—তিনটি চমৎকার কালারে পাওয়া যাচ্ছে।
​নিরাপদ ও টেকসই: উন্নতমানের প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি যা দীর্ঘস্থায়ী এবং বাচ্চাদের ত্বকের জন্য নিরাপদ।
​🎁 আপনার সোনামণির জন্য এখনই অর্ডার করুন!
অর্ডার করতে আমাদের ইনবক্স করুন অথবা কমেন্ট বক্সে আপনার ফোন নম্বর দিন।
​🚚 সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি দেওয়া হয়।
​ #পটি_ট্রেইনার #বাচ্চাদের_যত্ন #নিউ_মম

30/03/2025
"আপনার গর্ভাবস্থাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলুন প্রেগনেন্সি সাপোর্ট পিলো দিয়ে"প্রিয় মায়েরা,গর্ভাবস্থার প্রতিটি মুহূর্তই এক...
16/02/2025

"আপনার গর্ভাবস্থাকে স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলুন প্রেগনেন্সি সাপোর্ট পিলো দিয়ে"

প্রিয় মায়েরা,

গর্ভাবস্থার প্রতিটি মুহূর্তই এক একটি আশীর্বাদ, কিন্তু কখনও কখনও এটি শারীরিক কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের প্রেগনেন্সি সাপোর্ট পিলো আপনার গর্ভাবস্থাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় এবং আরামদায়ক করতে

👉উপকারিতা:

✅কোমর, পিঠ এবং ঘাড়ের ব্যথা কমায়
✅সঠিক ঘুমের পজিশন ধরে রাখতে সাহায্য করে
✅রক্তসঞ্চালন উন্নত করে
✅আপনাকে ও আপনার শিশুকে স্বস্তি দেয়

👉আমাদের এই কম্বোতে যা যা পাবেন :

✅২ টি সাপোর্ট পিলো
✅১ টি নি পিলো
✅১ টি এক্সট্রা পিলো
✅প্রিমিয়াম প্যাকেজিং

👉 অর্ডার করতে এখনই আমাদের পেজে ইনবক্স করুন অথবা কল করুন : 01571-743133

ইনবক্স প্রাপ্তি ❤️❤️❤️আলহামদুলিল্লাহ
16/02/2025

ইনবক্স প্রাপ্তি ❤️❤️❤️
আলহামদুলিল্লাহ

সন্তানের সঠিক বিকাশের জন্য একজন মায়ের করণীয়একজন মা-ই সন্তানের প্রথম শিক্ষক। সন্তানের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃ...
07/02/2025

সন্তানের সঠিক বিকাশের জন্য একজন মায়ের করণীয়

একজন মা-ই সন্তানের প্রথম শিক্ষক। সন্তানের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের জন্য মায়ের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে প্রতিটি দিক বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হলো—

১. শারীরিক বিকাশ (Physical Development)

একটি সুস্থ শিশুর বিকাশের জন্য প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি, বিশ্রাম, এবং শারীরিক কার্যক্রম।

✅ পর্যাপ্ত পুষ্টি:

নবজাতকের জন্য প্রথম ছয় মাস শুধুমাত্র মায়ের দুধ খাওয়ানো উচিৎ, যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ছয় মাস পর ধীরে ধীরে পুষ্টিকর খাবার যেমন ডাল, ভাত, ফল, শাকসবজি, ডিম ও মাছ খাওয়ানো দরকার।

ফাস্ট ফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করা উচিৎ।

✅ পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ঘুম:

নবজাতকের দিনে ১৪-১৭ ঘণ্টা, ১-৩ বছর বয়সী শিশুর ১২-১৪ ঘণ্টা, আর ৩-৫ বছর বয়সী শিশুর ১০-১৩ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন।

ঘুমের সময় নির্দিষ্ট করা এবং ঘুমানোর আগে শান্ত পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

✅ শারীরিক কার্যক্রম:

শিশুকে হাঁটতে, দৌড়াতে ও খেলতে দেওয়া উচিৎ, যা তার হাড় ও পেশি শক্তিশালী করে।

বয়স অনুযায়ী খেলাধুলা ও ব্যায়ামের ব্যবস্থা করা উচিৎ।

✅ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:

প্রতিদিন গোসল করানো, নখ ও হাত পরিষ্কার রাখা এবং পরিষ্কার পোশাক পরানো।

সংক্রমণ থেকে বাঁচতে টিকা দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা।

২. মানসিক ও আবেগিক বিকাশ (Emotional Development)

শিশুর আবেগীয় ও মানসিক বিকাশের জন্য মায়ের ভালোবাসা ও সহানুভূতি গুরুত্বপূর্ণ।

✅ ভালোবাসা ও যত্ন:

শিশুর সঙ্গে সময় কাটানো, গল্প বলা, খেলাধুলা করা এবং তার আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া।

শিশুর অনুভূতিগুলো বুঝতে চেষ্টা করা এবং তাকে সান্ত্বনা দেওয়া।

✅ নেতিবাচক আচরণ পরিহার:

শিশুর সঙ্গে চিৎকার বা শারীরিক শাস্তি না করা, বরং ধৈর্যের সঙ্গে শেখানো।

শিশুর ভুল করলে ধমক না দিয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা।

✅ আবেগ প্রকাশের সুযোগ:

শিশুকে তার আবেগ প্রকাশ করতে দেওয়া এবং তা গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া।

তাকে শেখানো, কিভাবে রাগ, দুঃখ, বা ভয় সংবরণ করতে হয়।

✅ আত্মবিশ্বাস বাড়ানো:

শিশুকে ছোট ছোট কাজে স্বাধীনতা দেওয়া, যেমন নিজের জামা পরা, ব্যাগ গোছানো।

তার ভালো কাজের প্রশংসা করা এবং তাকে উৎসাহ দেওয়া।

৩. সামাজিক বিকাশ (Social Development)

শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠনে তার চারপাশের মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।

✅ যোগাযোগ দক্ষতা:

শিশুকে অন্যদের সঙ্গে কথা বলতে শেখানো, নিজের মত প্রকাশ করতে উৎসাহিত করা।

নম্রতা, শিষ্টাচার ও ধন্যবাদ বলার অভ্যাস গড়ে তোলা।

✅ বন্ধুত্ব ও শেয়ারিং:

অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলতে ও খেলনা ভাগ করে নিতে শেখানো।

তাকে দলবদ্ধ কাজে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া।

✅ নৈতিক শিক্ষা:

সত্যবাদিতা, ন্যায়বিচার, ধৈর্য ও সহানুভূতি শেখানো।

ভালো ও মন্দের পার্থক্য বোঝানো।

✅ বয়স অনুযায়ী স্বাধীনতা:

শিশুকে ধাপে ধাপে নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করা।

তাকে সিদ্ধান্ত নিতে শেখানো।

৪. বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ (Cognitive Development)

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য সঠিক শেখার পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

✅ পড়াশোনা ও শেখার পরিবেশ:

শিশুর জন্য রঙিন বই, অক্ষর ও ছবি দিয়ে শেখার উপকরণ রাখা।

গল্প শোনানো ও বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

✅ সৃজনশীলতা ও কল্পনাশক্তি বাড়ানো:

ড্রয়িং, পাজল, ব্লক গেমস, গানের মতো সৃজনশীল কাজ করতে উৎসাহিত করা।

শিশুকে প্রশ্ন করতে দেওয়া এবং কৌতূহল বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া।

✅ গণিত ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ানো:

ছোট ছোট গাণিতিক খেলা বা ধাঁধা সমাধান করতে দেওয়া।

লজিকাল চিন্তাভাবনা শেখানো, যেমন— ‘কেন সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে?’ ইত্যাদি প্রশ্নে তাকে ভাবতে দেওয়া।

৫. নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা (Moral & Religious Development)

শিশুকে শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা শেখানো তার ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

✅ সততা ও ন্যায়বিচার:

শিশুকে সত্য কথা বলা ও ন্যায়বিচার করতে শেখানো।

অন্যের প্রতি সহানুভূতি ও দয়া প্রদর্শন করতে বলা।

✅ ধর্মীয় মূল্যবোধ শেখানো:

বয়স অনুযায়ী ধর্মীয় গল্প শোনানো ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া।

ধৈর্য, কৃতজ্ঞতা ও নম্রতা শেখানো।

✅ ভদ্রতা ও সামাজিক আচরণ:

বড়দের সম্মান করা, ছোটদের ভালোবাসা এবং শিষ্টাচার মেনে চলতে শেখানো।

খাওয়ার আগে ও পরে হাত ধোয়া, সুন্দর করে কথা বলা, অপরের কথা শোনা ইত্যাদি শেখানো।

উপসংহার

একজন মা তার সন্তানের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে যদি ভালোবাসা, ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে কাজ করেন, তবে শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। শিশুর বেড়ে ওঠা শুধু শারীরিকভাবে নয়, বরং মানসিক, সামাজিক, নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিকভাবেও সমৃদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

সন্তানকে একটি ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য মায়ের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ!
https://superkidsmart.com

বাবুনি ❤️❤️❤️
22/01/2025

বাবুনি ❤️❤️❤️

বাচ্চা রাতে দুধ খায় এটা কি কোনো সমস্যা? এটা কোনো সমস্যা না। আপনি ওকে রাতে কম খাওয়াচ্ছেন, এমনও না। যারা বলে রাতে পেট ভরে ...
16/01/2025

বাচ্চা রাতে দুধ খায়
এটা কি কোনো সমস্যা?

এটা কোনো সমস্যা না। আপনি ওকে রাতে কম খাওয়াচ্ছেন, এমনও না।

যারা বলে রাতে পেট ভরে খাওয়ালে বাচ্চা আর উঠবে না, তারা সঠিক বলে না। আমি এমিলের ডাক্তারকে এটা বারবার জিজ্ঞাসা করেছি।

বাচ্চাদের পেট ছোট। বারবার খেতে হয়। বারবার প্রস্রাব করতে হয়। একেবারে বেশি স্টোর করার ক্যাপাসিটি সব বাচ্চার থাকে না।

এমিল ৩ মাস থেকে রাতে ঘুমের মধ্যে দুধ খায়। ঘুম থেকে ওঠে না।

১২- ১৮ মাসে দেখলাম রাতে ঘুমিয়ে গেলে একবার ঘুমের মধ্যে দুধ খায়। এবং সেটা হলো ঘুমানোর ঠিক ২ ঘণ্টা পরে। ঘড়ি ধরে ২ ঘণ্টা।

এটা যেহেতু আমি জানি, আমি এমিল ঘুমালে যখন যা কাজ করি ২ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করি।

এই যে উপরে লিখলাম ঘুমের মধ্যে দুধ খায়, এটার জন্য আমি কিছু করিনি। ও কিভাবে কী করে ফলো করেছি। আমরা সেভাবে নিজেদের সময়কে সাজিয়েছি।

রাত আর দিনের পার্থক্য বোঝানোর জন্য আমাদের বাসায় একটা বেডটাইম রুটিন আছে। খাওয়া, খেলা, গোসল, রাতের পোশাক পরা, লোশন খেলা, গান গল্প, ঘুম।

কোনো কোনো রাত সে ঘুমের মধ্যে কেঁদে ওঠে (৮ মাস, ১৪ মাস এমনকি ২ বছরেও করতো এমন) আমি বুকে জড়িয়ে ধরতাম। বলতাম, ভয় পেও না। বাবা মা তোমার পাশেই আছে।

যখন অসুস্থ থাকে বা শরীরটা ঠিক থাকে না, সারারাত দুধ খেতে চায় কিংবা আমার গায়ের ওপরে শুয়ে থাকে।

যখন দুঃস্বপ্ন দেখে আমাকে হাত দিয়ে জড়িয়ে রাখে।

পশ্চিমে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াতে চায় না মেয়েরা।
কেন? সে অনেক কারণ।
কিন্তু বর্তমান বাস্তবতা হলো যে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো মা ও বাচ্চা দুজনের স্বাস্থ্যের জন্য শুধু উপকারী না, অনেক দরকারী, এটা জোরেশোরে প্রচারণা চালানো হয়। মায়েদেরকে উৎসাহিত করা হয় বুকের দুধ খাওয়াতে, ফরমুলা নির্ভরতা কমাতে।

আরেকটা বিষয় হলো বাবা মায়ের সাথে থাকা কিংবা আলাদা থাকা। বাচ্চাকে আলাদা রাখার পেছনেও অনেক কারণ আছে।
একটা বড় কারণ রাতের খাবারের সাথে মদপানের কালচার। মদ খেয়ে ঘুমানো আর আমরা যেভাবে ঘুমাই তার মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে।

এখন পশ্চিমা এসব আলাদা নীতি বাদ দিয়ে ওরা উল্টো পুবের প্যারেন্টিংয়ের দিকে ঝুঁকছে।

কারণ কী? কারণ পশ্চিমা সমাজে অ্যাটাচমেন্টের প্রবলেম বেশি। হয়স ৩০-৩৫ পার হয়ে যাবার পরেও, ছেলে মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় বন্ধু নেই, সঙ্গী নেই, কারো প্রতি শারীরিক আকর্ষণ ছাড়া মানসিকভাবে কমিটেড হতে তারা ব্যর্থ হচ্ছে।

এই অ্যাটাচমেন্ট প্রবলেমের কারণ তাদের শৈশবে (আমি না ভাই, মনোবিজ্ঞানীরা বলেছে) শৈশব থেকেই তারা বড় ডিটাচড।
১০ মাসের বাচ্চাও ঘুম ভেঙে দেখে সে রুমে একা। তার পুতুল আছে, খেলনা আছে, পুরো একটা রুম আছে— শুধু কোনো উষ্ণ স্পর্শ নেই। বাবা মায়ের শরীরের ঘ্রাণ নেই।

বাবা মায়ের সাথে ঘুমানো বাচ্চাকে নিরাপত্তার ফিলিংস দেয়। সে ভালো ঘুমায়। সে ভালো ফিল করে। এটা বাচ্চার জন্য যত আরামের, বাবা মায়ের জন্য তত আরামের নাও হতে পারে।

প্রায় সময়ই আমার একপাশের হাত পুরোটাই ব্যথা থাকে। প্রায় সময়ই রাতে বারবার ঘুম ভাঙে। কারণ এমিল এবং এমিলের বাবা দুইজনেই আমার গায়ের উপরে উঠে ঘুমায়!

এটা নিয়ে আমি বিরক্তও হই, ওদেরকে নিয়ে হাসাহাসিও করি।

কিন্তু এটা পার্ট অব “আমার মম লাইফ”, এটা নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করি না।

আমি জানি খুব বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখেছি। আমাদের “আধুনিক” মায়েরা এসে আমাকে বকা ঝকা শুরু করবে, আমাদেরকে ৭ টা বাজে অফিসে যেতে হয়, আমাদের তো সকাল থেকে ৫০ জনের রান্না করতে হয়, ব্লা ব্লা ব্লা।

আপনি যেটা ঠিক করবেন, আপনার জন্য সেটাই ঠিক। আরেকজন কী করে সেটা আপনার জীবনে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

আমি পশুপাখিদের জীবন দেখি। কোনো পশুপাখিকে দেখি না বাচ্চাকে নিজের কাছ থেকে আলাদা রাখে। মা পাখি বাচ্চার জন্য আলাদা গাছে বাসা বাঁধে না। ডিম আসবে জানলে বাবা পাখি বড় করে বাসা বাঁধে। আলাদা বাসা না।

মম লাইফ আমি নিজের ইচ্ছায় বেছে নিয়েছি। আমাকে কেউ জোর করেনি। আমি বাধ্য হই নি। প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে আমি এক বেলাও অন্যের ইচ্ছায় খাইনি। যা করেছি, যেভাবে করেছি নিজের ইচ্ছায় করেছি।
এখন যে যেভাবে খুশি ঘুমাতে পারি না, এটা বাচ্চার কারণে না, নিজে যেটাকে বেছে নিয়েছি সেটার কারণে।

আমার না ঘুমানো, লিখতে না পারা, কাজে মন দিতে না পারা কিংবা পার্টি করতে না পারার জীবনটা আমার কারণেই, আমার বাচ্চার কারণে না। যদি একলা বা শুধু সঙ্গীর সাথে ঘুমাতে চাইতাম তাহলে একটা ছোট বাচ্চাকে দুনিয়াতে আনতামই না।

ছোট বাচ্চা আমাদের সাথে ঘুমায়। ঘুমের মধ্যে মাঝে মাঝে বলে ওঠে— বাবা মা ইমিল,
আমরাও ঘুমের মধ্যে মুচকি মুচকি হাসি। 🥰

Address

157 Distrilary Road, Grand Area
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Super kids - সুপার কিডস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Super kids - সুপার কিডস:

Shortcuts

Share