Urboshi-উর্বশী

Urboshi-উর্বশী Urboshi-উর্বশী maintain described quality with products.If any problem with quality with products we offers FREE returns!

16/12/2025

আপনার ৫ বছরের বাচ্চা তার কাজিনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। আপনি দৌড়ে গিয়ে চোখ বড় বড় করে বললেন - "শিগগির সরি বলো!" বাচ্চা মাটির দিকে তাকিয়ে, অনেকটা রোবটের মতো বিড়বিড় করে বলল - "স...রি..."

ব্যাস! আপনি খুশি। যাক, বাচ্চা আমার খুব ভদ্র! সমাজে মুখ রক্ষা পেল! 😌

কিন্তু সত্যিটা একটু তেতো। চাইল্ড সাইকোলজিস্টরা বলছেন, ওই মুহূর্তে আপনার বাচ্চা আসলে মনে মনে ভাবছে, "উফ! এই একটা জাদুর শব্দ 'সরি' বললেই মা/বাবা চুপ হয়ে যায়। ধাক্কাও দিলাম, আবার বেঁচেও গেলাম! আমি তো জিনিয়াস!" 😎

আমরা বাচ্চাকে 'অনুশোচনা' শেখাচ্ছি না, আমরা তাকে Politics শেখাচ্ছি। সে শিখছে কীভাবে লিপ-সার্ভিস দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়।

কেন জোর করে 'সরি' কাজ করে না? (The Science) 🧠

১. The Empathy Gap: বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী Jean Piaget-এর মতে, ২ থেকে ৭ বছরের বাচ্চারা প্রাকৃতিকভাবেই Egocentric হয়। তাদের ব্রেইনের Prefrontal Cortex (যা অন্যের অনুভূতি বুঝতে সাহায্য করে) তখনো "Under Construction"। তাই তারা যখন অন্যকে মারে, তারা আসলেই বোঝে না যে অন্যজনের ব্যথা লেগেছে। এই বয়সে তাদের দিয়ে জোর করে সরি বলানো আর মাছকে দিয়ে গাছে ওঠানো একই কথা। 🐟

২. Shame vs Learning: গবেষণায় দেখা গেছে, জোর করে ক্ষমা চাওয়ানো বাচ্চার মনে 'লজ্জা' (Shame) তৈরি করে, কিন্তু 'দায়িত্ববোধ' (Guilt/Responsibility) নয়। লজ্জা তাকে Aggressive করে তোলে, আর দায়িত্ববোধ তাকে মানুষ করে।

তাহলে স্মার্ট প্যারেন্ট হিসেবে আপনি কী করবেন?

শব্দের চেয়ে কাজের গুরুত্ব বেশি। তাকে "Sorry" বলার আগে সংশোধন করতে শেখান। একে বলা হয় Restitution Method।

ধাক্কা দেওয়ার পর ধমক না দিয়ে শান্ত হয়ে বলুন: "ওহ নো! বাবুটার পায়ে ব্যথা লেগেছে, ও খুব কাঁদছে। চলো দেখি ওর ব্যথা কমাতে আমরা কী করতে পারি?"

তাকে অপশন দিন:

- "আমরা কি বরফ লাগিয়ে দেব?" 🧊
- "নাকি ওর ফেভারিট খেলনাটা এগিয়ে দেব?" 🧸
- "নাকি মাথায় একটু হাত বুলিয়ে দেব?" ✋

বাচ্চা যখন নিজে অ্যাকশন নেবে, তখন তার ব্রেইনে Empathy-র নিউরনগুলো জ্বলে উঠবে। সে বুঝবে "আমার কাজের ফলে ও ব্যথা পেয়েছে, এবং আমাকেই সেটা ঠিক করতে হবে।"

Bottom Line: বাচ্চাকে তোতাপাখি বানাবেন না। তাকে মানুষ বানান। আজকের "সরি" বলা রোবটটি ভবিষ্যতে একজন অনুভূতিহীন মানুষ হতে পারে। তার চেয়ে আজ একটু সময় নিয়ে তাকে অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখান। ❤️


সংগৃহীত

13/12/2025

কয়লা যায় না ধুলে,,
আর স্বভাব যায় না মলে,,
কথাটা চন্দ্র সূর্যের মতোই সত্য,,
সেইজন্যই আগের দিনের মানুষ বিয়ে দেওয়ার সময় টাকা পয়সার সাথে বংশ পরিচয়ও দেখতো,,
কারন ছোটলোক কখনো টাকা ইনকাম করে বড়মন তৈরি করতে পারেনা,,তাদের ছোট মন সারাজীবন ছোটই থাকে,,
আর উপরের খোলস বদলালেও ভেতরের মানুষ পরিবর্তন হয়না 🙂

08/12/2025

Neymi 👋👑🤍

কেউ শেখায় না, সন্তান বড় হয়ে গেলে যে নীরবতা মায়ের জীবনে নেমে আসে—সেই নীরবতার জন্য কোনো প্রস্তুতি থাকে না।এটা ঘর খালি হওয়া...
23/09/2025

কেউ শেখায় না, সন্তান বড় হয়ে গেলে যে নীরবতা মায়ের জীবনে নেমে আসে—
সেই নীরবতার জন্য কোনো প্রস্তুতি থাকে না।

এটা ঘর খালি হওয়ার নীরবতা নয়,
বরং বুকের ভেতরে জমে ওঠা এক অদৃশ্য শূন্যতা।

যখন তারা আর জিজ্ঞেস করে না— “এটা করব তো?”
যখন আর মায়ের পরামর্শ খোঁজে না।
যখন তারা শিখে যায় মায়ের বাইরে বাঁচতে।

হ্যাঁ, মা তখনও হাসেন।
কারণ তিনি চান সন্তান উড়ুক, নিজের পায়ে দাঁড়াক।
কিন্তু সত্যি বলতে—ভেতরে ভেতরে কিছুটা ভেঙে যায়।

প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানের মা হওয়ার বাস্তবতা—

ভুল দেখেও চুপ থাকা।

ফোন না ধরলেও অভিমান না করা।

ভালোবাসা সীমার মধ্যে থেকে প্রকাশ করা।

যত্ন নেওয়া কিন্তু আঁকড়ে না ধরা।

পথ দেখানো, কিন্তু আড়াল থেকে।
সন্তানরা কখনো মাকে কাছে টেনে নেয়,
আবার হঠাৎ দূরে সরে যায়।
মা ভান করেন এতে কষ্ট পাচ্ছেন না,
কিন্তু বুকের ভেতরটা হালকা করে ব্যথা করে।

তবুও মায়ের ভালোবাসা থেমে থাকে না।
সন্তান এলে পছন্দের খাবার রান্না করেন।
ঘরে সাজিয়ে রাখেন সেই ছবি,
যেগুলো একসময় তারা খুব ভালোবাসত।

আর রাতের নীরবতায়—
মা চোখের জল লুকিয়ে শুধু দোয়া করেন।
যেন আল্লাহ তাদের সব ঝড় থেকে রক্ষা করেন।

শেষ কথা:
সন্তান বড় হলে মা মেনে নেন,
তিনি আর তাদের জীবনের কেন্দ্র নন।

তবু ভালোবাসা একটুও কমে না।
কারণ কিছু ভালোবাসা ফিকে হয় না—
শুধু শিখে নেয় অপেক্ষা করতে… নীরবতায়।

( সংগৃহীত)

মজা পেলাম 😂😂আমরা 90's এর কিড যারা, তারা কপাল করে বাপ মা পাইছিলাম।যারা কিনা পোলাপানের লাইফের থেকেও তরকারি পুড়ে যাওয়াকে বে...
22/09/2025

মজা পেলাম 😂😂
আমরা 90's এর কিড যারা, তারা কপাল করে বাপ মা পাইছিলাম।

যারা কিনা পোলাপানের লাইফের থেকেও তরকারি পুড়ে যাওয়াকে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট মনে করতো 🥱🥱।

ছেলে মেয়ের মুড সুইং এর একমাত্র সমাধান ছিল তাদের কাছে বিছানা ঝাড়ু দিয়ে বারি দেওয়া 🙄🙄।

আর "মাই লাইফ, মাই রুলস" এর প্রতিউত্তরে তারা বলতো- "তোর গাল, আমার জুতা" 🤦‍♀️🤦‍♀️।

তাদের কাছে একমাত্র সার্বক্ষণিক কোমল অস্ত্র বলতে থাকতো গাল মুচড়ানি। যেটা তারা যেখানে সেখানে, যত্রতত্র ভাবে প্রয়োগ করতো 😷😷।

তারা এতোটাই সহজ সরল ছিল যে, তাদের পোলাপান বাই রে গিয়ে কারো হাতে মাইর খেয়ে আসলে তারা আবার মাইর দিতো। যেন নেক্সট টাইম ওখানে আর না যাই 😄😄।

তাদের ছেলে মেয়ের নামে কেউ বিচার দিলে তারা আগে একচোট মাইর দিয়ে তারপর জিজ্ঞেস করতো ঘটনা সত্য কিনা। যদি ঘটনা মিথ্যা হইতো তাহলে কান্না থামানোর জন্য আবার একচোট মাইর দিতো 😂😂😂।

আমরা 90's কিড, আমাদের টিফিনের টাকা জমায় আবেগ কেনার সুযোগ থাকত না, কারন আমাদেরকে টিফিন বাড়ি থেকে বানিয়ে ব্যাগের ভিতর দিয়ে দেওয়া হইতো 🫣🫣।

এখন যেমন বাচ্চারা ভ্যাকেশনে কক্সবাজার, সিলেট বা দেশের বাহিরে যায়, আমরাও যাইতাম। বাট ডেস্টিনেশন সবসময়ই সেম, মামার বাড়ি দাদার বাড়ি 🥱🥱।

আমরা ডিপ্রেশন, ফ্রাস্ট্রেশন এসব শব্দ জানতামই না স্যান্ডেলের বারির ভয়ে।

আমরা মুখে যতোই বলতাম আমরা ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, আসলে আমরা ওসব কিছুই হতে চাইতাম না। আমরা শুধু বড় হইতে চাইতাম, ঠিক যতোটা বড় হলে আর কারো মাইর না খাওয়া লাগে।

সমাপ্ত
Collected

🌈 OCD — দরজাটা বন্ধ করেছি তো? আবার দেখি না, আরেকবার দেখি। যদি এবারও ঠিক না হয়?আপনারও কি কখনো এমন হয়েছে?ভাবুন তো, আপনি বা...
24/08/2025

🌈 OCD — দরজাটা বন্ধ করেছি তো? আবার দেখি না, আরেকবার দেখি। যদি এবারও ঠিক না হয়?
আপনারও কি কখনো এমন হয়েছে?
ভাবুন তো, আপনি বাড়ি থেকে বের হয়েছেন। পাঁচ মিনিট হাঁটার পর মনে হলো গ্যাসের k**b বন্ধ করেননি। ফিরে গিয়ে দেখলেন, বন্ধই আছে। আবার বের হলেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবার সন্দেহ হলো… আবার ফিরে গেলেন।

এটাই হলো Obsessive Compulsive Disorder (OCD)-এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ।

OCD আসলে কী?

OCD হলো একটি মানসিক স্বাস্থ্যজনিত অবস্থা যেখানে ব্যক্তি বারবার অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তার (Obsessions) ফাঁদে পড়ে এবং সেই চাপ কমানোর জন্য একই কাজ বারবার করে (Compulsions)।

Obsession = বারবার মাথায় আসা বিরক্তিকর চিন্তা যা অস্বস্তি ও উদ্বেগ তৈরি করে।

Compulsion = সেই অস্বস্তি কমানোর জন্য নির্দিষ্ট আচরণ বা রীতি বারবার করা।

OCD কেন হয়?

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর পেছনে জৈবিক ও মানসিক দুই ধরনের কারণ আছে।

জৈবিক কারণ:

মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে (যেমন orbitofrontal cortex, caudate nucleus) রাসায়নিক ভারসাম্যের গোলযোগ।

বিশেষ করে serotonin হরমোনের ঘাটতি।

মানসিক ও পরিবেশগত কারণ:

শৈশবে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমূলক পারিবারিক পরিবেশ।

অতীতের ট্রমা বা ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা।

অতিরিক্ত পারফেকশনিজম প্রবণতা।

দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেস ও উদ্বেগ।

OCD-এর সাধারণ ধরনগুলো:

1. হ্যান্ড ওয়াশিং OCD:
দিনে অসংখ্যবার হাত ধোয়া, কারণ সবসময় মনে হয় জীবাণু আছে যদিও বাস্তবে নেই।

2. চেকিং OCD:
বারবার দরজা, গ্যাস, লাইট চেক করা, নিশ্চিত হওয়ার পরও সন্দেহ থাকা।

3. মেন্টাল OCD:
অযাচিত চিন্তা—যেমন, “আমি যদি কারো ক্ষতি করে ফেলি!”, যদিও বাস্তবে করার কোনো সম্ভাবনা নেই।

4. অর্ডারিং/অ্যারেঞ্জিং OCD:
সবকিছু নির্দিষ্টভাবে সাজানো না হলে অস্বস্তি বোধ করা।

5. কাউন্টিং OCD:
বারবার নির্দিষ্ট সংখ্যা পর্যন্ত গোনা, নইলে কিছু খারাপ হবে বলে মনে হওয়া।

OCD মানে পাগল হওয়া নয়!

অনেকে ভুলভাবে মনে করেন, যার OCD আছে সে “পাগল”। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। OCD একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। সময়মতো সাহায্য নিলে অনেকেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।

চিকিৎসা ও করণীয়:

সাইকোথেরাপি: বিশেষ করে CBT (Cognitive Behavioral Therapy) এবং ERP (Exposure and Response Prevention) কার্যকর।

ওষুধ: সেরোটোনিন বাড়ানোর ওষুধ (SSRI) চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করা হয়।

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: মেডিটেশন, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস, নিয়মিত ব্যায়াম।

সহযোগিতা: পরিবার ও বন্ধুদের বোঝাপড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ মনে রাখবেন:
যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এই লক্ষণগুলো অনুভব করেন, দয়া করে এটিকে হালকা করে দেখবেন না। মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া দুর্বলতার প্রমাণ নয়, বরং এটি নিজেকে ভালোবাসা ও সম্মান করার অন্যতম উপায়।

Collected

একসময়ের মিলিওনিয়ার, শেষ জীবনে নিঃস্ব। কেন এমন হয়?কখনও ভেবে দেখেছেন, লটারি বিজয়ী, বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা আর পেশাদার খেল...
14/08/2025

একসময়ের মিলিওনিয়ার, শেষ জীবনে নিঃস্ব। কেন এমন হয়?

কখনও ভেবে দেখেছেন, লটারি বিজয়ী, বিখ্যাত চলচ্চিত্র তারকা আর পেশাদার খেলোয়াড়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় মিল কোথায়?

চোখ ধাঁধানো সাফল্য? কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা? না।
সবচেয়ে বড় মিল হলো, তাঁরা সবাই দেউলিয়া হওয়ার চরম ঝুঁকিতে থাকেন।
শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই কঠিন সত্যি।

৭০% লটারি বিজয়ী মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই নিঃস্ব হয়ে যান।
এমনকি কেউ কেউ লটারি জেতার আগের থেকেও খারাপ অবস্থায় চলে যান। আর এটা এখানেই শেষ নয়।

মাইক টাইসন একসময় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ছিলেন, কিন্তু ঋণের বোঝায় ডুবে গিয়ে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন।
জনি ডেপ বা নিকোলাস কেজের মতো তারকারা শত শত মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। আর তারপর? ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ, ব্যক্তিগত দ্বীপ আর অদ্ভুত সব শখের পেছনে সব উড়িয়ে দিয়েছেন।
অ্যালেন আইভারসনের মতো সেরা খেলোয়াড়রাও ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি সম্পদ তৈরি করে শেষ জীবনে প্রায় শূন্য হাতে ফিরেছেন।

অথচ এরা সবাই নিজেদের ইন্ডাস্ট্রিতে সেরা ছিলেন।

তাহলে আসলে কী ঘটেছিল? শুধুই কি অতিরিক্ত খরচ বা ভুল বিনিয়োগের কারণে।

কিন্তু আসল সত্যটা আরও গভীর। তারা সবাই এতো এতো সম্পদ বানিয়েছিলেন কারণ তারা তাদের ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক দক্ষ ছিলেন। কিন্তু যে জিনিসটা তাঁরা তৈরি করতে পারেননি, তা হলো সেই সম্পদ ধরে রাখার মতো মানসিকতা (Mindset)। যার ফলাফল শেষজীবনে এদের অধিকাংশই দেউলিয়া।

এটি একটি মানসিক ট্র্যাপ যার নাম B.E.A.R.

জন ম্যাকগ্রেগর তার 'The Top 10 Reasons the Rich Go Broke' বইটিতে এই বিষয়টি সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন।

B - Beliefs (বিশ্বাস)
এর শুরুটা হয় চিন্তা, চেতনা আর বিশ্বাস থেকে। যেমন:
"এতো সম্পদ দিয়ে কি করবো।"
"সম্পদ তো খরচ করার জন্যই।"
"আমি হিসাব নিকাশ ভালো বুঝি না।"
এই ধরনের চিন্তা-চেতনা ও বিশ্বাস সাধারণত শৈশব থেকে তৈরি হয়। এগুলোকে আমরা সত্যি বলে ধরে নিই। কিন্তু এগুলো আসলে সত্যি নয়।

E - Excuses (অজুহাত)
এরপর আসে অজুহাত। কি সেগুলো:
"আরে, বাজেট করার মতো সময় কই?"
"ওসব তো ম্যানেজার বা ব্যাংক দেখবে, আমার এত ভেবে কী লাভ?"
"পরে একসময় শিখে নেব।"
এই অজুহাতগুলো সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু এর জন্য ভবিষ্যতে মূল্য দিতে হয়।

A - Actions (কর্মকাণ্ড)
এরপর শুরু হয় খরচ...
দামী গাড়ি, আরও বড় বাড়ি, বিলাসবহুল জীবনযাপন।
না বুঝে হুটহাট করে ভুল জায়গায় বিনিয়োগ।
পার্সোনাল ফাইন্যান্স কীভাবে কাজ করে, সেই আসল শিক্ষাটাকেই এড়িয়ে যাওয়া।

R - Results (ফলাফল)
আর এর শেষটা হয় সবার জন্য প্রায় একই রকম:
সব হারিয়ে দেউলিয়া হয়ে যাওয়া।
তীব্র মানসিক চাপ আর হতাশা।
কাছের মানুষগুলোকে হারিয়ে একা হয়ে পড়া।

বুঝতে হবে, এই ট্র্যাপ স্কিলের অভাবে নয়, সঠিক মানসিকতার অভাবে।
কারণ ভেতরের মানসিকতা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদও কারো জন্য যথেষ্ট হবে না।

এই ঘটনা শুধু মিলিওনিয়ারদের ক্ষেত্রেই ঘটে না। এটা সবার জন্য প্রযোজ্য:
যিনি বলেন, "আমি টাকাপয়সার হিসাব ভালো বুঝি না।"
যিনি নিজের ব্যাংক ব্যালেন্স দেখতে ভয় পান।
যিনি কঠোর পরিশ্রম করা সত্ত্বেও মাস শেষে কোনোমতে চলেন।

এই কারণেই সবাই বলে:
সম্পদ অর্জনের জন্য প্রয়োজন - স্কিল।
সম্পদ ধরে রাখার জন্য প্রয়োজন - ডিসিপ্লিন।
আর সম্পদ বৃদ্ধি?

#সংগৃহীত

13/08/2025
অনেকে পরিকল্পনা করে ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে লোন নেন।উদ্দেশ্য থাকে—বিজনেস দাঁড় করানো, বাড়ি বানানো, গাড়ি কেনা...
13/08/2025

অনেকে পরিকল্পনা করে ব্যাংক বা ফিনানশিয়াল ইন্সটিটিউট থেকে লোন নেন।
উদ্দেশ্য থাকে—বিজনেস দাঁড় করানো, বাড়ি বানানো, গাড়ি কেনা বা অন্য কিছু।
কিন্তু ভুলে যাবেন না—লোন মানে শুধু টাকা ধার নয়, বরং প্রতি মাসে সুদের আগুনে পুড়তে শুরু করা!

একটা উদাহরণ শুনুন—
আপনি ২৫ লাখ টাকার লোন নিলেন ৫ বছরের জন্য, ইন্টারেস্ট রেট ১৪.৪৯%।
প্রতিমাসে আপনার EMI দাঁড়াল প্রায় ৫৫,৫০০ টাকা।
মানে বছরে প্রায় ৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা আপনাকে দিতে হবে।

আপনি ভাবলেন—
“বছরে ৬.৬ লাখ দিচ্ছি, নিশ্চয়ই ৫ লাখ প্রিন্সিপাল কমবে, আর ১.৫ লাখ ইন্টারেস্ট যাবে।”

কিন্তু না!
বাস্তবে প্রথম বছরে আপনি যত টাকা দেন, তার অর্ধেকেরও বেশি চলে যায় সুদে!
আপনার মূল লোন কমে মাত্র ৩–৩.৫ লাখ টাকা।
বাকি ৩ লাখ বা তার বেশি টাকা কেটে নেয় ‘সুদ’—এই শোষণ ব্যবস্থা।

কেন এমন হয়?
এটা হলো Reducing Balance Loan বা Amortized Loan সিস্টেম।
এখানে শুরুর দিকে EMI থেকে বেশি অংশ সুদ হিসেবে কেটে নেয়, আর প্রিন্সিপালের অংশ কম রাখে।
সময় যত বাড়ে, তত সুদের অংশ কমে, প্রিন্সিপালের অংশ বাড়ে।

সমস্যা হয় কখন?
যদি মাঝপথে চাকরি হারান, আয় বন্ধ হয়, অসুস্থতা আসে বা ব্যবসা ডুবে যায়—
তবুও আপনাকে EMI দিতে হবে।
না পারলে লোনের ফাঁস আপনার পরিবার, সম্পদ, এমনকি মানসিক শান্তিও কেড়ে নেবে।

তাহলে কী করবেন?
লোন নেওয়ার আগে সম্পূর্ণ EMI Schedule ভালোভাবে দেখে নিন।
প্রতি কিস্তিতে কত সুদ আর কত প্রিন্সিপাল যাচ্ছে তা জেনে নিন।
সুযোগ থাকলে ১–২ বছরের মধ্যে আর্লি সেটেলমেন্ট করুন।
সম্ভব হলে লোন না নিয়ে বিকল্প পথ খুঁজুন।

কেন ইসলামে সুদ হারাম?
কারণ এতে ধনী আরও ধনী হয়, গরীব আরও গরীব হয়।
সুদভিত্তিক অর্থনীতি আসলে নিপীড়নের হাতিয়ার—
যেখানে ধনীর গলায় মালা, আর গরীবের গলায় দড়ি!

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন।
একটি ভুল সিদ্ধান্ত আপনার আগামী ১০ বছর কেড়ে নিতে পারে।
এই লেখা পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়—সবার সঙ্গে শেয়ার করুন।
হয়তো আজই কেউ লোন নিতে যাচ্ছেন, অথচ জানেন না এর ভিতরের ভয়াবহতা!

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 12:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801704809778

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Urboshi-উর্বশী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Urboshi-উর্বশী:

Shortcuts

Share