26/12/2025
বছর প্রায় শেষ বললেই চলে। এই এক বছরে আমি মোটামুটি ১২টা চমৎকার জিনিস শিখলাম। যা শিখতে আমার ১২ মাস লেগেছে। তা আপনাদের ৫ মিনিটে শিখিয়ে দিই। সিদ্ধান্ত আপনার যে, আপনি দেখে শিখবেন নাকি ঠেকে!
১. বী মাস্টার ইউর ইমোশনস। একটা শান্ত মস্তিষ্ক লাইফের ৭০% প্রবলেমের সল্যুশন অটোমেটিক দিয়ে দেয়।
২. সবাইকে বিশ্বাস করা উচিত। কিন্তু নিজের বিষয়ে কাউকে কিচ্ছু জানতে দেওয়া ঠিক না। সেটা পরিবার হোক, আত্মীয় হোক কিংবা বন্ধু। কারণ সময়মত আপনার বিষয়ে জানা কথাগুলোকে হাতিয়ার করে ঠিকই আঘাত করবে।
৩. এগিয়ে যাওয়ার যাত্রায় জীবনের ৯৯% বন্ধুকে হারিয়ে ফেলি আমরা। ক্লোজ মানুষগুলোর সাথেও হয়তো কথা হয়না। পসিবল হলে, সম্পর্কগুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা করুন।
৪. জীবনে ১০০ গুণ বেটার ফীল করবেন, যদি আপনার সমস্যার জন্য বাপ মারে দোষারোপ করা বাদ দেন। ফরগিভ দেম! তারা আসলে আমাদের বেস্টটা চায়। বাট সব সময় তাদের একশন হয়তো ঠিক হয়না।
৫. ম্যাচিউরিটির এটাও একটা পার্ট যে প্রত্যেকটা বিষয়কে পারসোনালি না নেওয়া এবং ইন্সট্যান্ট রিএক্ট না করা। ম্যাক্সিমাম টাইম ইন্সট্যান্ট রিএক্ট না করলে পরবর্তীতে রিএকশনই বদলে যায়।
৬. সেল্ফ হেল্পটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় হেল্প। আপনি যদি নিজেরে নিজে না হেল্প করেন, দুনিয়ার কেউ আপনারে স্ট্রং বানাতে পারবেনা। কারোর এত ঠ্যাকা লাগে নাই আপনাকে ৩ বেলা খাবারের মতন মোটিভেশান গিলাবে।
৭. দুনিয়ায় একটা টাফ কাজ হইলো, নিজের ড্রিম বা গোলের উপর ফোকাস রাখা। আর ইজি হচ্ছে— কমপ্লেইন করা। যেটা সবাই করে।
৮. যত দিন যাবে ততই বুঝবেন, দুনিয়ায় টাকা, নিজের শরীর, মন আর পরিবার ছাড়া কিছুই গুরুত্বপূর্ণ না। সবই এডিশনাল।
৯. কেউ কষ্ট পাবে বা আপনি একা হয়ে যাবেন এই ভয়ে কখনোই টক্সিক রিলেশনশিপে স্টে করবেন না। (টক্সিকের সংজ্ঞা ডিফরেন্ট করে ফেলবেন না প্লিজ।)
১০. কোনো সম্পর্কে কখনোই কেউ টানা ১০০% দিতে পারেনা। কন্ট্রিবিউশনের পারসেন্টেজ কমতে কিংবা বাড়তে পারে। কখনো অপর মানুষটা ৭০/৩০ দিতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনাকে ৩০/৭০ দিয়ে পুষিয়ে নিতে হবে।
১১. সফলতা বলতে আসলে কিছু নাই। এটা হচ্ছে বেটারমেন্ট। মানে আরেকজনের থেকে আমি বেটার পজিশনে আছি মীনস আমি সফল। আমার থেকে কেউ একটু কম মানেই সে সফল না। সো এই ফেক সফলতাতে ফোকাস না করে স্পিরিচুয়াল সাকসেসে ফোকাস করা উচিত। যদিও এটাতে সাকসেসফুল হওয়ার রেজাল্ট আপাত চোখে দেখা অসম্ভব। বাট আল্টিমেটলি ওটাই ফাইনাল ডেসটিনেশন।
১২. কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যদি কোনো কারণে ওয়ার্ক আউট না করে বা কষ্ট পান তার মানে এটা নয় যে, আপনার নেওয়া সিদ্ধান্ত ভুল ছিলো।
টেক দ্য রিস্ক, লার্ন দ্য লেসন.........