Kaizen Apperal

Kaizen Apperal We don't trust in merit, Industry brings success. Regards,
Team Kaizen

07/11/2022
06/11/2022
সব কিছুরই একটা কারণ ও সময় আছে 🌿১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে যাদের অফিস ছিল এমন একটি কোম্পানি তাদ...
05/07/2022

সব কিছুরই একটা কারণ ও সময় আছে 🌿

১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে যাদের অফিস ছিল এমন একটি কোম্পানি তাদের সেসকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের আমন্ত্রণ জানায় যারা কোনো কারণে হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছিল।

তারা কি কারনে এবং কিভাবে বেঁচে গিয়েছিল তা জানার জন্যেই মূলত তাদের আমন্ত্রন জানানো হয়েছিলঃ

- একটি কোম্পানির ডিরেক্টর দেরী করেছিলেন কারণ সেদিন তার ছেলের প্রথম কিন্ডারগার্টেনের দিন ছিল;

- একজন মহিলার দেরি হয়েছিল কারণ তার অ্যালার্ম ঘড়ি সময়মতো বাজেনি;

- একজন দেরী করেছে কারণ সে রাস্তার উপর আটকে ছিল যেখানে কিছুক্ষণ আগে রোড এক্সিডেন্ট হয়েছিল;

- বেঁচে থাকা আরেকজন বাস মিস করেছে সেদিন সকালে;

- আরেকজন অফিসে আসার সময় কে যেন তার জামায় খাবার ছুড়ে মেরেছিল এবং সে জামা পরিবর্তন করার জন্য আবার বাসায় গিয়েছিল;

- একজনের গাড়িতে সমস্যা ছিল, গাড়ি স্টার্ট নিচ্ছিলনা;

- আরেকজব বাসা থেকে বের হবার পরপরই বাসার ল্যান্ডফোনে কল এসেছিল এবং সে ফোন রিসিভ করার জন্যে পূণরায় বাসায় ঢুকেছিল;

- আরেকজনের বাচ্চা হয়েছে!

- আরেকজন ট্যাক্সি পায়নি।

- কিন্তু যে গল্পটি সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছিল তা হল একজন সেই সকালে একটি নতুন জুতা পরেছিল এবং অফিসে যাওয়ার আগেই তার পায়ে ফোস্কা হয়েছিল। তিনি একটি ব্যান্ডেজ কিনার জন্যে ফার্মেসিতে থামলেন এবং সেই কারণেই তিনি আজ বেঁচে আছেন।

- এখন আমি যখন যানজটে আটকে যাই; - যখন আমি একটি লিফট মিস করি; যখন আমি একটি ফোন রিসিভ করতে যেয়ে দেরি করি; এবং অন্যান্য অনেক জিনিস যা আমাকে হতাশ করে, সেসব জিনিসেই আমি প্রথমে মনে করি:

"এটাই সঠিক জায়গা যেখানে আমার এখন থাকা উচিত"...

- পরের বার যখন আপনার সকাল কোনো কারনে দেরি হবে বা বিরক্তিকর মনে হবে, বাচ্চারা পোশাক পরতে সময় নেবে, গাড়ির চাবি খুঁজে পাবেন না, সব জায়গার ট্রাফিক সিগনালে আপনি আটকে থাকবেন....
- রাগ বা হতাশ হবেন না।

আপনি সঠিক জায়গায় আছেন... সঠিক সময়ে।

12/06/2022

মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের ১৪টি উপায়

১) মানুষের ব্যাপারে খরবদারী করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ।

২) আপনার যতটুকু দায়িত্ব ও কর্তব্য ততটুকু পরম আন্তরিকতার সাথে পালন করুন। আপনার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলতে যাবেন না। অনুরোধে ঢেঁকি গিলবেন না। অন্যথায় আপনাকে অতিরিক্ত মানসিক চাপে থাকতে হবে।

৩) মানুষের সাথে অতিরিক্ত সম্পর্ক মানসিক চাপের অন্যতম কারণ। তাই আত্মীয়, বন্ধু, প্রতিবেশী, কলিগ, ক্লাসমেট ইত্যাদির সাথে সীমিত সম্পর্ক রাখুন। সম্পর্ক যত ব্যাপক হবে ততই আপনি নানা বাধ্যবাধকতার জালে আটকে যাবেন।

৪) অতিলোভ করবেন না। অতিলোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। যদি সামান্য টাকা-পয়সা হাতছাড়া হয় বা চাকুরীর প্রমোশন থেকে বঞ্চিত হয় তবে তার হাহুতাশ দেখে কে? সুতরাং অল্পে তুষ্টি মানসিক শান্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাকওয়ারও পরিচায়ক।

৫) সাধ্যের বাইরে নিজের অর্থ-সম্পদ, আরাম-আয়েশ উজাড় করে দিবেন না। যারা কৃত্রিমভাবে নিজের সব কিছুকে উৎসর্গ করে দেয় তারা তাদের কথা-বার্তা ও আচরণে মানুষের ধন্যবাদ ও প্রশংসা পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে। কিন্তু যদি তা না পায় তখন তার মানসিক অস্থিরতা ও টেনশন বেড়ে যায়।

৬) আজকের দিনটিকে ভালভাবে উপভোগ করুন। আগামী কাল কী হবে সেটা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিন। ইবাদত-বন্দেগীর পাশাপাশি আল্লাহর দেয়া নেয়ামত স্বাচ্ছন্দ্যে উপভোগ করুন। দুনিয়াবী বিষয়ে আগামীর চিন্তায় অস্থির হয়ে মানসিক চাপ বৃদ্ধি করবেন না।

৭) প্রতিদিন একান্ত নির্জনে কিছু সময় কাটান। এ সময় দুনিয়ার কারও সাথে সম্পর্ক রাখবেন না। বিশেষ করে ইন্টারনেট তথা হোয়াটসএ্যাপ, ফেসবুক ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকুন। এ সময় আত্মসমালোচনা করুন আর আল্লাহর নিকট দুয়া করুন। তাহলে দেখবেন, মহান আল্লাহ আপনার মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দান করবেন ইনশাআল্লাহ।

৮) জ্ঞানীদের জীবনী পড়ুন, তাদের উপদেশ ও মূল্যবান বাণীগুলো পড়ুন তাহলে তাদের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উপদেশ দুনিয়ার জীবনে আপনার চলার পথকে সহজ করে দিবে ইনশাআল্লাহ।

৯) জীবনে যত বিপদ ও সমস্যাই আসুক না কেন-যেমন, আর্থিক ক্ষতি, পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট, অসুখ-বিসুখ ইত্যাদি এগুলো নিয়ে খুব বেশী দু:শ্চিন্তা করবেন না। বরং সহজভাবে মেনে নিন। মনে রাখুন, মহান আল্লাহর লিখিত তাকদিরের বাইরে কিছুই ঘটে না। বিপদাপদেই হয়ত কল্যাণ রয়েছে যা বাহ্যিক দৃষ্টিতে মানুষের দৃষ্টিগোচর হয় না। কিন্তু নিশ্চয় আল্লাহ হেকমত ছাড়া কিছুই করেন না।

১০) সব কিছুই গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করবেন না। মানুষের প্রতিটি কথা বা কাজ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা ঠিক নয়। সব কিছু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা ঠিক নয়। বরং মনে আনন্দ বজায় রাখুন, মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাতে হাসতে শিখুন। আপনার কথা ও আচরণে যেন ফুলের সুঘ্রাণ বের হয়। তাহলে ইনশাআল্লাহ মন ফ্রেশ থাকবে আর মানসিক চাপ কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১১) শরীরকে তার হক দিন। প্রয়োজনীয় খাবার, ঘুম, বিশ্রাম গ্রহণ করা জরুরি।

১২) দৈনন্দিন গুরুত্বপূর্ণ কাজের লিস্ট তৈরি করে আগেরটা আগে পরেরটা পরে করুন। তবে তা করতে গিয়ে নিজেকে কষ্টের মধ্যে ফেলে দিবেন না। মনে রাখবেন, অগোছালো কার্যক্রম মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ তৈরি করে।

১৩) ‘প্রতিটি কাজ ১০০ পার্সেন্ট নির্ভুল করতে হবে’ এই চিন্তা মাথা থেকে সরাতে হবে। কেননা, পূর্ণাঙ্গতার গুণ কেবল মাত্র আল্লাহর। যারা সব কাজ নির্ভুল করার চিন্তায় থাকে তাদেরকে চতুর্দিক থেকে দু:শ্চিন্তা, টেনশন,অস্থিরতা ঘিরে ধরে। ফলে তাদের মানসিক চাপ চরম আকার ধারণ করে।

১৪) নিশ্চিত থাকুন, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক যত গভীর হবে দুনিয়া ও আখিরাতের সব কাজ তত সহজ হবে। আল্লাহ ভীতি, নামায, সকাল-সন্ধ্যার দুয়া ও যিকির, নেকীর কাজ, মানুষের কল্যাণে কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মনে অফুরন্ত প্রশান্তি বর্ষণ করেন, সমস্যা দূরভিত করেন আর তখন জীবন হয়ে উঠে আরও প্রাণবন্ত, স্বচ্ছন্দয় ও আল্লাহর ভালবাসায় সুরভিত।
আল্লাহ সকলকে তাওফিক দান করুন।

11/06/2022

অলসতা?

Kaizen Method

টেনেটুনে কাজকে লেনদি করা যেন আমাদের এক মুদ্রাদোষ। আমরা অনেক সময়ই অনেক কাজ শুরু করার সময় ভেবে রাখি যে এই ক’দিনের মাঝে এই কাজটা শেষ করে ফেলব অথচ হাতে অবসর থাকার পরও আমরা দিনের পর দিন কাজটাকে অর্ধেক শেষ করেই ফেলে রাখি।

🧨যেমন ধরুন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের টার্ম পেপারগুলো। এক সপ্তাহের ডেডলাইন দেয়া হোক কিংবা এক মাসের, কাজ কিন্তু করি আমরা সেই আগের রাতেই। এর পেছনে যে কারণটা সবচেয়ে বেশী দায়ী তা হচ্ছে ‘অলসতা’। মনে করুন, আপনাকে যদি ২ সেকেন্ড ভাবার সময় দেয়া হয় যে পৃথিবীতে কোন দেশের মানুষের মাঝে এই অলসতা বিষয়টা একেবারেই নেই তবে আপনার মাথায় সবার আগে কোন নামটা আসবে? অবশ্যই জাপান কিংবা চীন!

🧨জন্মগতভাবে কোনো মানুষই কিন্তু নিরলস নয়। না আমরা, না জাপানিজরা। এরপরও অলসতাকে দূর করার জন্য জাপানিরা এক অভিনব কৌশল আবিষ্কার করেছেন যার নাম হচ্ছে “Kaizen: One-Minute Principle” , এই পদ্ধতিতে একজন মানুষকে ব্যবসায়িক কিংবা ব্যক্তিগত যেকোনো জীবনেই সক্রিয়তা দান আনবে।

Kaizen এর পদ্ধতি:

অলসতা দূর করার জন্য Kaizen হচ্ছে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি যা ঘরে বসেই যে কেউ যেকোনো সময় করতে পারবে। এর জন্য ব্যবহারকারীকে প্রথমে একটা কাজ নির্বাচন করতে হবে যা সে করতে ভালবাসে। হতে পারে তা বাগান করা কিংবা উপন্যাসের বই পড়া ইত্যাদি যে কোনো কিছু।

এখন সেই কাজটা একটা নির্দিষ্ট সময় দৈনিক এক মিনিটের জন্য করতে হবে। পরবর্তীতে সে যখন কাজটায় অভ্যস্ত হয়ে পড়বে এবং প্রতিদিন কাজটা করতে তার ভাল লাগা শুরু করবে, তখন ধীরে ধীরে সময় বাড়াতে হবে। যেমন, আস্তে আস্তে পাঁচ মিনিট, এরপর আধা ঘণ্টা… এভাবে।

Kaizen এর উপকারিতা:

উন্নত বিশ্বের অনেকেই মনে করেন যে, অলসতা কাটানোর জন্য পরিশ্রমের বিকল্প নেই যার কারণে Kaizen তাদের কাছে সমাদৃত নয়। কিন্তু অলসতা কাটানোর জন্য Kaizen এর বাস্তবেই জুড়ি নেই কারণ,

১। এটি যে কেউ ঘরে বসে সুবিধামত যেকোনো সময় করতে পারে। একজন্য অনেক পরিশ্রম নয় বরং ইচ্ছাশক্তি প্রয়োজন।

২। এর মাধ্যমে মানুষের মাঝে সময়ানুবর্তিতা আসে। অনেক বেশী অলস মানুষগুলোও এতে করে সময়ের কাজ সময় করতে শেখে।

৩। এতে করে দায়িত্ববোধের সৃষ্টি হয়। “আমার এটা সঠিক সময় করতেই হবে” এমন একটা মনোভাবের সৃষ্ট হয়।

৪। এর দ্বারা মানুষ বুঝতে পারে যে, চাইলে তাকে দ্বারা কোনো কিছুই অসম্ভব নয় এবং সে আত্মবিশ্বাসী হতে শেখে।

৫। এর ব্যবহারকারী কোনো কাজ না করতে পারার অজুহাত দেয়ার অভ্যাস দূর করতে পারবে।

৬। ব্যবস্থাপনায় এই পদ্ধতি সবচেয়ে বেশী উপকার করে।

এরপরও কি কোনো কাজে আশ্রয় নেবেন এই অলসতার? তার চেয়ে বরং তিনটা কাজ করে জীবনটাকে বদলে ফেলুন। কাজ নির্বাচন করুন, সময় ঠিক করুন, এক মিনিট হাতে নিন এবং কাজে লেগে যান!

11/06/2022

পড়ার টেবিলে দীর্ঘ সময় কাটানোর জাদুকরী কিছু কৌশলঃ

পড়ার টেবিলে যাওয়ার আগে আগের দিন ঠিক করে রাখুন আপনি কি পড়বেন। প্লান করুন, কাজে নেমে পড়ুন। কথায় আছে, ❝A better plan half the done❞

১। গুরুত্বপূর্ণ সব বই থাকবে আপনার টেবিলে। যে বইগুলো দেখলেই আপনার মন ভালো হয়ে যাবে। আর রুটিনটা চোখের সামনে থাকে যেন।।

২। টেবিলের ওপর দেয়ালে বিশ্বের/ বাংলাদেশের মানচিত্র টাঙ্গাবেন। আর টেবিলের ওপর বিশ্বের/ বাংলাদেশের মানচিত্র রেখে পড়বেন।

৩। হাতের কাছে পানির বোতল রাখবেন। ক্লান্ত হলেই পানি খাবেন। এটা পড়ায় মনোযোগ ধরে রাখতে খুব কাজে দেয়।

৪। আপনি নিজের কাছে একটা পুরস্কার ঘোষণা করুন ৩/৪ ঘন্টা পড়ার পর নিজেকে একটা চকলেট / প্রিয় কুকিজ খেতে দিবেন।

৫। আপনি নিজেকে কথা দিন ৩ ঘন্টার আগে মোবাইল হাতে নিবেন না। আপনি এমন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যাননি ৩ ঘন্টা ফোন হাতে না নিলে মহা ভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না। এটা আপনার জন্য কঠিন যুদ্ধ।

৬। পাঁচ নাম্বার আবার পড়ুন।

৭। একটানা এক সাব্জেক্ট পড়বেন না। কঠিন সাব্জেক্ট পড়ার পর সহজ সাব্জেক্ট পড়ুন। যেমন ইংরেজি / গণিত পড়ার পর বাংলা সাহিত্য পড়ুন। পড়ায় বিরক্ত লাগলে পেপার পড়ুন।

৮। পড়ায় ব্রেক দিন। জানেন তো? ❝বিশ্রাম কাজের অঙ্গ একসাথে গাঁথা❞। যদি মাথা ধরে ১০/১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে শুয়ে ধ্যান করুন।

৯। আমার মতে রাত জেগে পড়ে সারাদিন ঝিমিয়ে পড়ায় আপনার লোকশান। এমন ভাবে পড়ুন আপনার ঘুম যেন ঠিক থাকে। পড়াও ক্ষতি হয়না। ধরুন ২ টায় ঘুমিয়ে ৮ টায় উঠেন। এটা এমন হতে পারে ১২ টায় ঘুমিয়ে ৬ টায় উঠলেন। সকালে পর্যাপ্ত ঘুমে মানুষের মাথা ঠান্ডা থাকে পড়া ক্যাচ করে বেশি। ব্যক্তিগত মতামত।।

১০। ১০ ঘন্টা মোবাইল টিপে পড়ার চেয়ে ২ ঘন্টা মনযোগ দিয়ে পড়া উত্তম। জানেন তো যে যতো বেশি মনযোগী সে তত বেশি মেধাবী

Address

House #40, Road#9/B, Sector#5, Uttara Model Town
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kaizen Apperal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share