শিশুদের অগ্রগামীর উপর মূলত একটি দেশ বা জাতির ভবিষ্যৎ নিরূপণ করা যায়। একটি শিশু ঠিক কী কী শিখছে এবং তার উপর শিশুর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা ঠিক কতটুকু এটা দিয়েও নিশ্চিত করা যায় শিশুর কারিগরি অথবা নৈতিক দক্ষতা কীরূপ।
বলা হয়ে থাকে শিশুরা অনুকরণ প্রিয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে জন্মায়। তথা একটি শিশু যা দেখে তা-ই সে অনুকরণ করারা চেষ্টা করে৷ লক্ষ করলে দেখা যায় একটি শিশু যদি কাউকে বই পড়তে দেখে তবে সে-ও বই নাড়াচাড়া করবে আ
বার অন্যদিকে একটি শিশুর কৌতূহল যখন একটি ডিভাইসের দিকে ধাবিত হয় ঠিক তখন তার অনুকরণ করার বিষয় হয়ে ওঠে কোনো যান্ত্রিক গ্যাজেট। আর এতে শিশুর ওপর আলাদা একটা তড়িৎ প্রযুক্তির প্রভাব পড়ে ফলে এই প্রভাবের বশবর্তী হয়ে শিশু একটা গণ্ডির ভেতর আঁটকে যায়। আর এতে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশে বেশ বড়োসরো সমস্যা সৃষ্টি হয়।
শিশু তখন তার যে কোনো কর্মকাণ্ডকে যেমন খেলাধুলা, পড়াশোনা, শিষ্টাচার শেখা, ঘুমানো, বিশ্রাম নেওয়া ইত্যাদি কাজে বিলম্ব করে। আর এতে মানসিক চাপ এবং বিভিন্ন রোগের সম্মুখীন হয়ে থাকে। যার কারণে শিশু অধিকাংশ সময়ে ঘুম ঘুম ভাব ধরে থাকে, স্বাভাবিক ভাবে কথা বলতে বা চলতে পারে না, পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে ওঠে, শিশুবয়সেই অধিক পাওয়ারের চশমা পরা সহ হাজারও সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় আর এতে শিশু ভালো ভাবে বেড়ে উঠতে পারে না। এবং সেই শিশু ধীরে ধীরে অন্যান্য সকল শিশুদের থেকে পিছিয়ে পড়তে শুরু করে।
একটি শিশুর পিছিয়ে পড়ার জন্য তার গতিবিধি লক্ষ না করাই যথেষ্ট বলে মনে করা হয়। আর একটি শিশু পিছিয়ে পড়া মানে একটি পরিবার পিছিয়ে পড়া। আর একটি পরিবার পিছিয়ে পড়া মানে একটি সমাজ, আর সমাজের পিছিয়ে পড়া মানে দেশ, জাতি, গোত্র ভেদে পিছিয়ে পড়া।
একটি শিশুই একটি দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। অতএব শিশুদের পিছিয়ে পড়ার দিকে নজর দেওয়া অতিশয় জরুরি।
শিশুর পিছিয়ে পড়া রূধে The Art of baby's Life সব সময় সাথে আছে। আমরা চাই আপনার শিশুর মেধা এবং শরীরের সুষ্ঠ বিকাশ নিশ্চিত হোক। আপনার সোনামনি বেড়ে উঠোক প্রযুক্তির সব বাধন ছিড়ে। তার হাতে সোভা পাক মাটির পুতুল কিংবা রুমাঞ্চকর সব খেলনা।