ঢং সং-Dhong Song

ঢং সং-Dhong Song দেশীয় ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নারীদের জন্?

Not my words, but there’s nothing better than a partner with Taqwa
17/06/2026

Not my words, but there’s nothing better than a partner with Taqwa

কাপুরুষ হলে হিসাব ভিন্ন!
11/06/2026

কাপুরুষ হলে হিসাব ভিন্ন!

03/06/2026

বউকে বেশি বেশি ভালোবাসার উপদেশ দিলে মানুষজন রেগে যায়। বলে, মহিলা মানুষ বেশি লাই দিলেই মাথায় উঠবে!

তো উঠুক না! আপনি কেনো বেশি ভালোবাসবেন না?

এই মহিলাই তো নিজের বাসা,বাড়ি, পরিবার, ভাইবোন, বান্ধুবী সব ছেড়ে আপনার মত লটকনরে আপন করে নিলো।

রানলো, বাড়লো, খাওয়াইলো। আপনার ময়লা কাপড় গুলাও পরিষ্কার করে দিল। তাইলে আপনার আরেকটু বেশি ভালোবাসতে সমস্যা কিসে?

আগে যেই মহিলা দিনে ৩বার চুল আঁচড়াইতো, এখন বাসায় ফিরে দেখেন সকালের ঐ এলোমেলো খোপা এখনো ঐরকমই আছে। এর মধ্যে বাচ্চার ৫ সেট কাপড় বদলানো, খাওয়ানো, গোসল করানো, ঘুম পাড়ানো কম্পলিট।

তাইলে আপনার এই মহিলারে আরেকটু ভালোবাসতে সমস্যা কিসে?

এগুলো তো আপনার আর আপনার সন্তানের জন্যেই করে।

এই মহিলা তার বাপ মায়ের আদরের দুলালী ছিল। ঐসব ছেড়ে আসছে না আপনার মত মানুষের কাছে?

এবার আপনি তাকে আপনার আদরের দুলালী বানান। ঘুরতে নিয়ে যান, ঘরে ফেরত আসার সময় ২টাকার চকলেট নিয়ে এসে তার হাতে গুজে দেন, বাচ্চাদের নিজের কোলে নিয়ে তাকে লম্বা টাইম গোসল করার সময় করে দেন।

দেখবেন ফ্রেশ হয়ে এসে, সে-ই হাসতে হাসতে গরম গরম ভাত আর গোশত ভুনা ছবির ম্যাটের উপর বিছায় বলবে, নাও ভাত খাও বাচ্চাদের আমি রাখতেছি, তুমি আরাম করে খাও।

মহিলা মানুষ এমনই, লাই দিলে মাথায় না হৃদয়ে উঠবে আর এটাতেই আটকায় যাবে।

31/05/2026

500 days of summer এর একটা সিন আছে। ছেলেটা আর মেয়েটা একসাথে বসে কথা বলে। ছেলেটা বলে যে, তুমি কারো গার্লফ্রেন্ড হতে চাইতানা। এখন তুমি একজনের ওয়াইফ। আমি সিরিয়াসলি কোনোদিন বুঝবোনা এইটা কীভাবে হইলো। মেয়েটা বললো, জানিনা একদিন ঘুম থেকে উঠে 'I just knew.'
ছেলেটা বলে, 'knew what?'
মেয়েটা বলে ' What i was never sure of, of you'.

যতবার এই সিনটা আমার চোখের সামনে আসে আমার বুক ভেঙে কান্না আসে। আমি জানিনা কেন আমার মন চায় কোন খোলা মাঠে গিয়ে চিৎকার দেই। একটু ভালোবাসা পাইলে মানুষের জীবন কত্ত সুন্দর হয়। কিন্তু, no matter how much you love someone, you can't make them fall in love with you. And the truth is one fine morning they will be sure of someone else so easily. হাজার ছুটেও যেই মানুষ আপনি পাননি সেইটা কেউ চাওয়ার আগেই পেয়ে যায়। This is the tragedy of love and life.

24/05/2026

বাংলাদেশে কিছু কিছু বেটা মানুষ আছে। এদের শরীরে অনেক কারেন্ট থাকে। তো এই কারেন্ট ওয়ালারা বেশিরভাগ ই আসে অভাবগ্রস্ত পরিবার থেকে। নিজ চেষ্টায় একটু টাকা পয়সার মুখ দেখে। আমি তো সবসময় বলছি যে না খাওয়া ঘর এর পোলাপান পয়সার মুখ দেখলে কাম এর চাইতে আকাম বেশি করে। এরাও তার ব্যতিক্রম না।

এরপর শুরু করে হাতেম-তায়ীর মত দান-খয়রাত। বাপ-মাকে দেখে( যেইটা দেখা উচিত), ভাই-বোন পালে, চাচী, চাচা, মামা এদের সংসারেও টাকা দেয়। গ্রামে সমস্যা হলে আগায় যায়। এই যে ওরে আগে কেউ দাম দিত না, এখন সবজায়গায় টাকা ছড়ায় ও এক্সট্রা খাতির পেতে চায়। ও ভাব দেখায় ও খুব পরোপকারী, কিন্তু আসল কথা ও আশায় থাকে যে ভাই,বোন এরাও বড় জায়গায় যেয়ে ওকে দেখবে। সারাজীবন লাথিগুতা খাওয়া মানুষজন এর এটেনশন ফেটিশ থাকে।

এইদিকে ওর নিজের ফ্যামিলিতে ঝামেলা সৃষ্টি হয়। দেখা যায় নিজের সন্তান, বৌ এর খেয়াল নাই ওর ইনকাম সব যায় ওইদিকে। ঈদে বৌ ছেলেমেয়ে কাপড় পায় না, কিন্তু আত্মীয়দের টাকা পাঠাতে ওর দেরি হয় না। তখন কমপ্লেন করলে বৌ খারাপ। আর আত্মীয়রা তো সাপোর্ট দেবেই, কারণ তারা পয়সা পাচ্ছে। বৌ-ছেলেমেয়ে হয়ে যায় একঘরে। আত্মীয়দের সামনে ও সাজে ফেরেশতা আর নিজের সংসারে জল্লাদগিরি সোদায়।

বৌ-ছেলেমেয়ের শখ আহলাদ পূরণ না করে হারামজাদা গুলা এরকম চ্যারিটি করে বেড়ায়। যাই হোক এইভাবে সময় যায়। ভাই-বোন ওর চাইতে বেটার পজিশনে যায়। এবং আল্টিমেটলি
তারা তখন আর ওকে পাত্তা দেয় না।

এইদিকে মারা খাওয়ার পর ওর বৌ-ছেলেমেয়ের কথা মাথায় আসে। সব মিটে গেলে ও আবার আগের মত জানোয়ার হয়ে যায়।

এইভাবে লুকোচুরি খেলতে খেলতে ও রিটায়েরমেন্ট এ যায়। আর এইগুলো বেজাতের গুষ্টি, তাড়াতাড়ি রিটায়ার করার জন্য মুখায় থাকে। তখন সন্তানদের চাপ দেয় টাকার জন্য। অথচ, ও যদি এইসব আদিখ্যেতা না করত ছেলেমেয়ে ভালো থাকত, আরো উপরে যাইত, তাদের শৈশব ভালো কাটত, পরিবারে মায়া-মহবত থাকত। সংসারে অর্থকষ্ট থাকত না।

ওইদিকে ভাই-বোন তো
শেয়ানা, তারা আর খোঁজ-খবর নেয় না, মরল কি বাঁচল সেইটা নিয়েও কেয়ার করে না। কারণ ভাই-বোন আর যাই হোক নিজের সন্তানদের প্রায়োরিটি দেয়। চ্যারিটি করার টাইম নাই।

তখন ওই অবহেলিত স্ত্রী আর সন্তানদেরকেই ওই হারামজাদাটাকে টানা লাগে। অথচ এই স্ত্রী আর সন্তানদের পিছে টাকা খরচ করতে ওর আত্মা কাঁপত। ওর বৌ এর সন্তান কে বেটার লাইফ দিতে রীতিমত ওর সাথে যুদ্ধ করা লাগত। এখন ওর যখন তেজ শেষ, এদের কাছ থেকে রিটার্ণ চায়। ছেলেমেয়েগুলোর পুরো লাইফটা ডেস্ট্রয় করে এই জানোয়ারগুলা।

তো এরকম হারামজাদা আপনাদের আশেপাশে অনেক আছে। এগুলো জোয়ান বয়সে খাটাশ এর মত
কাজকর্ম করে, আর বুড়ো হলে নেকা সাজে। এদের ন্যাকামোতে অতীত না ভুলবার জন্য
ভুক্তভোগীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেল। এইগুলোকে মরার আগে জাহান্নাম দেখানো
কম্পলসারি!

কাউকে নিজের প্রিয় গ্যাজেট বিক্রি করে স্ত্রীর মাহর যোগাতে দেখেছেন? অথচ আলী (রা.) দরিদ্র অবস্থায়ও নিজের মূল্যবান প্রিয় সম্...
23/05/2026

কাউকে নিজের প্রিয় গ্যাজেট বিক্রি করে স্ত্রীর মাহর যোগাতে দেখেছেন? অথচ আলী (রা.) দরিদ্র অবস্থায়ও নিজের মূল্যবান প্রিয় সম্পদ বিক্রি করে দিয়েছেন স্ত্রীকে মাহর দেবার জন্য।

সেটা ছিল একটি বর্ম, একজন মু'জাহিদের জীবন রক্ষার হুতামিয়্যাহ বর্ম। এটি এমন একটি বর্মের নাম, যা অত্যন্ত মজবুত ও ভারী; যা আঘাত সহ্য করে এবং নিজেও আঘাত করে। কারো কারো বর্ণনায়, এটি ইয়েমেনের বিশেষ ধাতু দিয়ে তৈরি ছিল এবং সেই বর্মের মূল্য ছিল প্রায় ৫০০ দিরহাম, যা দিয়ে সেই সময় একটি পুরো পরিবারের দীর্ঘ সময়ের ভরণপোষণ হয়ে যেত। বর্তমানে এর মূল্য প্রায় ৭ লাখের সমান। [সুনান আন-নাসায়ী: ৩৩৭৭ (কিতাবুন নিক্বাহ)]

এবং রাসূল (ﷺ) নিজেই মনে করিয়ে দিয়েছিলেন সেই বর্মের কথা, যখন আলী (রা.) বলেছিলেন তাঁর কাছে মাহর দেবার মতো কিছু নেই। অদ্ভুত বিষয়, দ্বীনের ক্ষেত্রে, জ্ঞান ও বিচক্ষণতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও আলী (রা.) মাহর নিয়ে কোনো দর কষাকষি করেননি, দারিদ্র্যতার অজুহাত দেননি!

এটাই মূলত স্ত্রীকে দেওয়া সম্মান - নিজের মূল্যবান অংশ স্ত্রীর জন্য ছেড়ে দেওয়া, দরিদ্র অবস্থায়ও প্রিয় জিনিস বিক্রি করে হলেও স্ত্রীর হক্ব আদায় করা।

এখন প্রায়ই একদল মেয়ে সুর তুলে কান্নাকাটি করে, আপাগো এমন ছেলে এখন নেইই! কিন্তু কে বলেছে নেই? কখনও আল্লাহ্ আল ওয়াহ্হাব-এর কাছে ভালোভাবে চেয়েছেন? বঙ্গীয় কাঙ্গাল যেমন আছে, তেমনি সম্মানিত মায়ের ছেলেরাও আছে। চুজ করতে শেখেন। এ ব্যাপারে আরেকটা ঘটনা উল্লেখ করে দেই: একবার এক ব্যক্তি কোনো এক পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গেল। তখন কনেপক্ষের একজন বলল: তুমি যদি একজন মেয়ের প্রকৃত অধিকার ও প্রাপ্য সম্মান সম্পর্কে সচেতন থাকো, তবেই আমরা তোমার কাছে মেয়ে দেব।

তখন সেই ব্যক্তিটি উত্তর দিল:
একটি মেয়ের অধিকার হলো, কখনোই যেন তার অবদান ও অস্তিত্বকে হারিয়ে যেতে দেওয়া না হয়।
তার পর্দা ও সম্মান যেন অক্ষুণ্ণ থাকে এবং তাকে যেন নিজের খরচের জন্য কখনো তার বাপের বাড়ির মুখাপেক্ষী হতে না হয়।

ছেলেটির এই উত্তর শুনে পর্দার আড়াল থেকেই কনে বলে উঠল: তোমরা ওনার সাথেই আমার বিয়ে দিয়ে দাও! [মুহাদারাতুল উদাবা - রাগেব আসফাহানী (২/২৩২ পৃষ্ঠা)]

তাই মেয়েদের বারবার বলি, নিজেকে অসহায় ভেবে যার তার গলায় ঝুলে যাবেন না। ছোটলোক, কঞ্জুস বিয়ে করে নিজেকে জাহান্নামে ফেলবেন না, যারা বিয়ের পরে সামান্য ভাত-কাপড়ের খোঁটা দেবে আর আপনার প্রয়োজনীয় খরচ গিয়ে চাইতে হবে বাপের বাড়ি!

সহজলভ্য হওয়া থেকে বিরত থাকুন। নিজেকে রাজকন্যা ভাবুন। আল্লহ্ তা'আলার কাছে চাইতে থাকুন শুধু, আল্লাহ্ আল-ওয়াদুদ সাত সমুদ্র পার করে রাজপুত্তুর এনে দেবেন, ইনশা আল্লহ্।

২৩. ০৫. ২০২৬

23/05/2026

অনেকবার দেখেছি, পরিবারে যে সন্তানটা বাবা-মায়ের দুঃখটা একটু বেশি বোঝে, ড্রামে কয় কেজি চাল আছে তার খোঁজ রাখে, আগের ক্লাসের ব্যাগ পরের তিন ক্লাসেও কাঁধে বহন করে এরা সমাজের চোখে ভালো বাচ্চা হলেও বাবা-মায়ের কাছে তারা হয়ে ওঠে খারাপ সময়ের ওয়েট-লিফটার। বাবা-মা অবচেতন ভাবেই এদের কাছে বড় বড় এক্সপেক্টেশন রাখতে শুরু করে।

লক্ষ্য করলে দেখবেন অনেক কিছু বোঝার কারণে এদের ওপর একসময় সবকিছু বোঝার ভার চলে আসে। মাঝখান দিয়ে অতি আদরে বেয়াড়া, একরোখা, আদুরের পুতুলগুলো বাবা-মায়ের চোখের মণি হয়ে থাকে। এমন বাবা-মা আসলে বুঝদার বড় সন্তানদের ইনভেস্ট করে অবুঝ, প্রিভিলেজড বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ এর জন্য। যাতে বেশি আদরের সন্তানগুলোর ভবিষ্যৎ এই বুঝদারগুলো সিকিউর করে দেয়।

আইরনি হচ্ছে অতি আদরের সন্তানগুলো বড় হবার পর সবার আগে এদের দিকে আঙুল তোলে, "তুমি জীবনে কী করতে পেরেছো? আমার জন্য কী করেছো?"

বয়সের তুলনায় খুব বেশি বুঝদার হওয়া অন্যায়, নিজের সাথে অন্যায়। তাই নিজেকে একদম নিংড়ে না দিয়ে নিজের জন্যেও কিছুটা রাখুন। একটু কম বুঝুন, বুঝলেও কিচ্ছু না বোঝার বোঝার ভান ধরুন। বেশি শক্ত হলে, বেশি ম্যাচিউর হলে, বেশি বুঝদার হয়ে গেলে বাবা-মা অকালেই ভালোবাসাটুকু কমিয়ে নেয় এটা বলে "ও অনেক বুঝদার, ও নিজেই সব পারবে"।

দিনশেষে এসব দায়িত্বশীল, আন্ডারস্ট্যান্ডিং সন্তানেরা বাবা-মায়ের আদর, ভালোবাসা, যত্নের অভাবে চরম ভাবে ভুগতে থাকে!
~ইসরাত জাহান আশরাফি

১. যে ছেলে কাজিন, ভাবী বা পরিচিত মেয়েদের সাথে নিঃসংকোচে মিশতে পারে, সে রেড জোন। আমি এমন ছেলেদের জানি, যারা কাজিনদের নাম...
22/05/2026

১. যে ছেলে কাজিন, ভাবী বা পরিচিত মেয়েদের সাথে নিঃসংকোচে মিশতে পারে, সে রেড জোন।

আমি এমন ছেলেদের জানি, যারা কাজিনদের নাম পর্যন্ত জানেনা। রব্বের কাছে এমন কাউকেই চেয়ে নেবেন। নিজেও মেইনটেইন করার চেষ্টা করবেন। সংসারে শান্তি থাকবে, ইনশা আল্লহ্।

২. আপনার সাথে কথা বলার সময় সে কতটা স্বাভাবিক, সেটা লক্ষ করুন। ভদ্র ছেলেরা প্রথমদিকে মেয়েদের সাথে কথায় সামান্য আড়ষ্ট থাকে, এটা ভালো চরিত্রের চিহ্ন। যে ছেলে দশ ঘাটের পানি খেয়েছে, সে অত্যন্ত সাবলীল। এই সাবলীলতা গুণ নয়, দোষ।

৩. ছেলের নজর কেমন, খেয়াল করবেন। ভদ্র ছেলেরা পাত্রী দেখতে গিয়ে সরাসরি তাকাতে সংকোচ বোধ করে। লজ্জা শুধু মেয়েদের গুণ নয়, আমাদের রসূলুল্লহ (ﷺ) ছিলেন লাজুক। দুশ্চরিত্র পুরুষকে চিনুন এবং নির্দ্বিধায় রিজেক্ট করুন।

৪. বিয়ের পর ফোন বা সোশ্যাল মিডিয়ার এক্সেস দিতে আপত্তি যার, সে বিগ নো। কোনো কুযুক্তি শুনবেন না। যার ভেতরে সমস্যা নেই, সে এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না।

৫. ছেলের ফেসবুক আইডি চাইবেন। কয়টা আইডি চালায় জিজ্ঞেস করবেন। সার্চ করে দেখবেন কোথায় কী কমেন্ট করেছে, কোন গ্রুপে আছে, কাদের ফলো করে। কমেন্ট সেকশনে নারী নিয়ে রসিকতা বা পলিগ্যামি কেন্দ্রিক তামাশার সার্কেলে সক্রিয় কিনা, নজর দেবেন।

৬. যে ছেলে আপনার প্রস্তাবিত মোহরানা নিয়ে বাজারের মতো দর কষাকষি করবে, এর মানে সে রব্বুল 'আলামীনের দেওয়া আপনার হক্বকে বিয়ের আগেই তুচ্ছ করছে। তার সামর্থ্য বিনয়ের সাথে উল্লেখ করতেই পারে। বাকি সবদিক পছন্দ হলে ভেবে দেখবেন। তবে সামর্থ্য আর বউয়ের বেলায় কৃপণতা ভিন্ন জিনিস। যে ছেলে বিয়ের আগে কৃপণতা দেখায়, বিয়ের পরে সে ভরণপোষণে কতটা উদার হবে, সেটা আর আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই।

এইতো! এর পাশাপাশি ছেলে ফজরের সলাত রেগুলার জাম'আতে আদায় করে কিনা, অবশ্যই খোঁজ নিবেন, ইমামকে, মসজিদের আশেপাশের দোকানে খোঁজ নিবেন। ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে কুকড়ে থাকবেনা। আল্লাহ্ সুব'হানাহু ওয়া তা'আলা আল মুহাইমিন, অর্থ অভিভাবক। একমাত্র আল্লাহ্ তা'আলাকেই অভিভাবক মেনে নিঃসকোচে দুশ্চরিত্র, কঞ্জুস প্রকৃতির ছেলে রিজেক্ট করবেন।

১১. ০৫. ২০২৬

“নেককার স্ত্রী না পেলে স্বামীর দ্বীনদারিত্ব যেমন হারিয়ে যায়, তেমনি নেককার স্বামী না পেলেও স্ত্রীর দ্বীনদারিত্ব হারিয়ে যা...
21/05/2026

“নেককার স্ত্রী না পেলে স্বামীর দ্বীনদারিত্ব যেমন হারিয়ে যায়, তেমনি নেককার স্বামী না পেলেও স্ত্রীর দ্বীনদারিত্ব হারিয়ে যায়। সুতরাং দ্বীনদারিতাকে প্রাধান্য দিন।”

ইসলামে বিবাহ শুধু দুনিয়াবি সম্পর্ক নয়, বরং এটি ঈমান ও আমলের পথকে সহজ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। একজন মানুষ যতই দ্বীনদার হোক না কেন, যদি তার জীবনসঙ্গী দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীন হয়, তাহলে ধীরে ধীরে তার উপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

একজন নেককার স্ত্রী স্বামীকে নামাজ, হালাল-হারাম, পর্দা, আখলাক ও আল্লাহর স্মরণের দিকে উৎসাহিত করে। সংসারে শান্তি আসে, সন্তানরা ইসলামী পরিবেশে বড় হয়। পক্ষান্তরে একজন নেককার স্বামী স্ত্রীর নিরাপত্তা, সম্মান ও দ্বীনের পথে চলার অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

কিন্তু যখন দাম্পত্য জীবনে দ্বীনের গুরুত্ব কমে যায়, তখন দুনিয়াবি চাহিদা, ঝগড়া-বিবাদ, গুনাহ ও আল্লাহ থেকে দূরত্ব বেড়ে যায়। তাই ইসলাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সৌন্দর্য, সম্পদ বা বংশের চেয়ে দ্বীনদারিতাকে বেশি গুরুত্ব দিতে শিখিয়েছে।

রাসূল ﷺ বলেছেন: “দ্বীনদার নারীকে প্রাধান্য দাও, তবেই তুমি সফল হবে।”
— সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম

সুতরাং, সুন্দর সংসার ও আখিরাতের সফলতার জন্য এমন জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা উচিত, যে আল্লাহভীরু, চরিত্রবান এবং দ্বীনের পথে সহায়ক।

---লেখা: আইন উদ্দিন আইনী
:

19/05/2026

স্ত্রীর সাথে আচরণ কেমন হওয়া উচিত?

কষ্ট না দেওয়া আর ভালো রাখা এক জিনিস না।

অনেক পুরুষ মনে করেন —
"আমি তো মারি না, গালি দিই না, এটুকুই যথেষ্ট।"

কিন্তু মনোবিজ্ঞান বলছে,
একটা সম্পর্কে সবচেয়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয় বড় ঝগড়ায় না-
হয় ছোট ছোট অবহেলায়।

সে কথা বলতে চাইছিল, আপনি ফোনে ছিলেন।
সে কষ্ট পেয়েছিল, আপনি খেয়াল করেননি।
সে হাসতে চেয়েছিল, আপনি ব্যস্ত ছিলেন।

এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো জমতে জমতে একদিন দূরত্ব হয়ে যায় —
এবং সেই দূরত্ব পরে আর সহজে ঘোচে না।

ইসলাম কী বলছে?

রাসূল ﷺ বলেছেন — "তোমাদের মধ্যে সে-ই উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।" — তিরমিযী

এটা শুধু একটা হাদিস না। এটা একটা মানদণ্ড।
আপনার চরিত্র, আপনার দ্বীনদারি, আপনার মানুষ হিসেবে মূল্য — এগুলো মাপা হচ্ছে বাইরে না, ঘরের ভেতরে।

বন্ধুদের সামনে আপনি কেমন সেটা না — একান্তে আপনি কেমন, সেটাই আসল পরিচয়।

তাহলে স্বামী হিসেবে কেমন হওয়া উচিত?

১. শুনুন — সত্যিই শুনুন।

সে কথা বললে ফোন রাখুন। চোখে চোখ রাখুন।
উত্তর দেওয়ার তাড়া না করে আগে বোঝার চেষ্টা করুন। Psychology তে এটাকে বলা হয় Active Listening।

গবেষণা বলছে, একটা সম্পর্কে সবচেয়ে বেশি emotional connection তৈরি হয় তখন — যখন একজন মানুষ অনুভব করে, "আমার কথা সত্যিই শোনা হচ্ছে।"
আপনার স্ত্রী কি সেটা অনুভব করেন?

২. মনোযোগ দিন — routine এ না।

"কেমন আছেন?" প্রশ্নটা প্রতিদিন করুন।
কিন্তু উত্তরের জন্য অপেক্ষা করুন।
সে যদি বলে "ভালো" — থামুন। জিজ্ঞেস করুন "সত্যিই?" অনেক সময় স্ত্রীরা কষ্ট লুকিয়ে রাখেন কারণ মনে করেন — "বললেও কি কেউ বুঝবে?" আপনি সেই মানুষটা হন যে বোঝে।

৩. ধৈর্য রাখুন — শুধু বাইরে না, ঘরেও।

সে ভুল করলে রাগ নয়। কারণ আপনিও ভুল করেন। Psychology বলছে, একটা সম্পর্কে Emotional Safety তৈরি হয় তখনই — যখন দুজন জানে, ভুল করলেও ভালোবাসা কমবে না।
এই safety না থাকলে সে ধীরে ধীরে নিজেকে গুটিয়ে নেয়। আপনার সামনে আর সত্যিকারের সে থাকে না।

৪. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন — নিজে থেকে।

সে প্রতিদিন রান্না করছে, সংসার সামলাচ্ছে,
আপনার কথা মাথায় রাখছে — কিন্তু আপনি কি কখনো বলেছেন "ধন্যবাদ"?
গবেষণায় দেখা গেছে, দাম্পত্য সম্পর্কে সুখী দম্পতিদের সবচেয়ে বড় অভ্যাস হলো নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।

ছোট ছোট কথায় — "আজকের রান্না অনেক ভালো হয়েছে", "আপনি না থাকলে আমি পারতাম না" —
এই কথাগুলো একটা মানুষকে ভেতর থেকে ভরিয়ে দেয়।

৫. বলুন — মুখ খুলে বলুন।

মাঝে মাঝে কোনো কারণ ছাড়াই বলুন — "আপনি আমার জীবনের সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ড।"
অনেক পুরুষ ভাবেন, ভালোবাসা বুঝিয়ে দিলেই হয়, বলতে হয় না।
কিন্তু মানুষ মন পড়তে পারে না। সে শুনতে চায়। সে নিশ্চিত হতে চায়।
তাকে সেই নিশ্চয়তা দিন।

তবে একটা কথা —

একটা সুন্দর সম্পর্ক শুধু স্বামীর একার দায়িত্বে গড়ে ওঠে না। স্ত্রীরও সমান ভূমিকা আছে।

তিনিও যখন স্বামীর কষ্ট বোঝেন,
তার ক্লান্তিতে পাশে থাকেন, ছোট ছোট প্রচেষ্টাকে মূল্য দেন-

তখনই সম্পর্কটা দুজনের জায়গা হয়ে ওঠে।

সুখী দাম্পত্যের মূল রহস্য হলো mutual responsiveness — দুজন দুজনের জন্য সমানভাবে sensitive হওয়া।

ইসলামও এই ভারসাম্যের কথাই বলে —

"নারীদের জন্য ন্যায়সংগতভাবে সেই অধিকার আছে যেমন তাদের উপর দায়িত্ব আছে।" — সূরা বাকারা, ২:২২৮

একটা সম্পর্ক টিকে থাকে বড় বড় উপহারে না।
টিকে থাকে ছোট ছোট মনোযোগে,
ছোট ছোট সম্মানে,
ছোট ছোট ভালোবাসায় — দুজনের তরফ থেকেই।

আপনার সঙ্গী কি জানেন তিনি আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

আজকেই বলুন তাকে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঢং সং-Dhong Song posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share