Shohoz bazaar

Shohoz bazaar Shohoz bazaar in bangladesh, Best premium bazaar product for your need. Shohoz bazaar is one of the best quality shop in dhaka bangladesh.

Best online shopping experience in dhaka bangladesh. Best quality product with best support ever in bangladesh shopping history.

23/07/2023

For Order ( https://satkhira.shop ):
অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা ফোন করুন 01850823855

‘অলৌকিক পাতা’

আজকে আমরা এ সময়ের একটি সুপারফুড নিয়ে আলোচনা করব, যেটি বলা যেতে পারে এ সময়ের আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি গবেষণা। সেটি হচ্ছে সজনে পাতা; সুপারফুড সজনে পাতা।

সজনে পাতার নাম তো আমরা ছোটকাল থেকেই শুনেছি। সজনে খেতে খেতে বড় হয়েছি। সজনে পাতার ভর্তা খেয়েছি, শাক খেয়েছি। এ আবার এমন কিছু কী? এর মধ্যে নতুনত্ব কী আছে, যেটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে?

আসলে সজনে পাতাকে এখন বলা হচ্ছে অলৌকিক পাতা। বিজ্ঞানীরা সজনে পাতাকে বলছেন অলৌকিক পাতা। কেন? এত কিছু থাকতে সজনে পাতাকে অলৌকিক পাতা বলা হচ্ছে কেন? সজনে পাতার যে ফুড ভ্যালু (খাদ্যমান), এর নিউট্রিশন (পুষ্টি), এর কনটেন্ট যেকোনো মানুষকে বিস্মিত করবে। সে কারণেই বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন যে, এ সময়ের একটি অলৌকিক পাতা হচ্ছে সজনে পাতা।

কী আছে সজনে পাতায়

সজনে পাতায় আমিষ আছে ২৭ শতাংশ। অর্থাৎ এক কেজি সজনে পাতা যদি আপনি খান, তাহলে এর ২৭ শতাংশ, মানে কত? ২৭০ গ্রাম হচ্ছে আমিষ। ৩৮ শতাংশ হচ্ছে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট)। ২ শতাংশ হচ্ছে ফ্যাট। ১৯ শতাংশ হচ্ছে ফাইবার বা আঁশ।

আমরা জানি যে, এখন ফাইবার বা আঁশকে খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। আঁশ কোনো ঐচ্ছিক খাবার নয় যে, ইচ্ছা হলে খেলাম; ইচ্ছা না হলে খেলাম না।

ইট ইজ অ্যা ম্যান্ডাটোরি কম্পোনেন্ট (এটা আবশ্যিক উপাদান)। প্রত্যেক দিন আপনার খাদ্যতালিকায় যেন পর্যাপ্ত আঁশ থাকে এবং সেই সজনে পাতায় আঁশ আছে ১৯ শতাংশ।

অ্যামাইনো অ্যাসিডের উৎস

সজনে পাতায় অ্যাসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে আটটি। ভিটামিন ‘এ’ এবং ভিটামিন ‘সি’ আছে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এতগুলো নিউট্রিয়েন্ট থাকার কারণে বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, সজনে পাতা একটি অলৌকিক পাতা।

দুধের প্রায় সমান পুষ্টি

এটি (সজনে পাতা) যদি তুলনা করেন কোনো খাবারের সাথে, তাহলে আমরা সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি খাবারের সাথে তুলনা করতে পারি। সেটি হচ্ছে গরুর দুধ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, গরুর দুধের পুষ্টি এবং সজনে পাতার পুষ্টি অলমোস্ট কাছাকাছি।

আমরা উপমহাদেশে বা বাংলাদেশে গরুর দুধ কেন খাই, কিসের জন্য খাই? মূলত কী লক্ষ্যে খাই? গরুর দুধ আমরা খাই মূলত ক্যালসিয়ামের জন্য, প্রোটিনের জন্য, আমিষের জন্য। গরুর দুধ খেয়ে আমরা বলি, এটা একটা সুষম খাবার।

গরুর দুধ এবং সজনে পাতার মধ্যে পুষ্টিগত কোনো পার্থক্য নাই। গরুর দুধে যা আছে, সজনে পাতাতেও তা আছে। যে লক্ষ্যে আমরা মূলত গরুর দুধ খাই, সে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম আছে সজনে পাতায়। পর্যাপ্ত আমিষও আছে।

ঔষধি গুণ

সজনে পাতার কিছু ঔষধি গুণ আছে এবং ঔষধি গুণের কারণে আর্থ্রাইটিস নিরাময়ে এটি দারুণ কার্যকর। ইতোমধ্যেই আমরা এক্সপেরিমেন্ট করেছি। যাদের হাঁটু ব্যথা আছে, সজনে পাতার জুস খান। সজনে পাতার ভর্তা খান অথবা গুঁড়া খান। ছয় মাস খান। দেখেন আপনার আর্থ্রাইটিসের কী অবস্থা হয়।

শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে সজনে পাতা। আমরা জানি যে, আমাদের শরীরে ৭০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন সেল বা কোষ আছে। প্রত্যেকটা কোষের ভেতরে লক্ষাধিক রিঅ্যাকশন হয় প্রত্যেক দিন; প্রতি মুহূর্তে এবং এই লক্ষাধিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, বিক্রিয়া হতে গিয়ে ভয়াবহ কিছু টক্সিন, কিছু বিষাণু, কিছু ক্ষতিকর পদার্থ সেলের ভেতরে তৈরি হয়। এগুলোকে আমরা বলি বর্জ্য পদার্থ, টক্সিন, ফ্রি রেডিক্যাল। এগুলো যদি সেলের ভেতরে থেকে যায়, আপনি কোনো দিন সুস্থ থাকতে পারবেন না। কেউ আপনাকে সুস্থ করতে পারবেন না।

এই বর্জ্য পদার্থকে বের করার জন্য আপনি সজনে পাতা খেতে পারেন। এটা দারুণ একটা ডিটক্স হিসেবে কাজ করতে পারে। আপনার শরীরকে ডিটক্সিফাই করবে এবং আপনারা এখন জানেন, আমরা সবাই জানি, বিশ্বব্যাপী এই ডিটক্স প্রোগ্রামগুলো দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

সাত দিন, ১৫ দিন আপনি একটা বিশেষ প্রোগ্রাম ফলো করবেন, বিশেষ খাবার খাবেন, আপনার শরীরে জমানো বর্জ্য পদার্থগুলো বেরিয়ে যাবে। তো সজনে পাতা সেই কাজটা করতে আপনাকে সাহায্য করবে। আপনার ভেতরের বর্জ্য পদার্থগুলো বের করে দেবে।

উপকারিতাঃ
১।লেবুর চেয়ে ৭ গুন বেশি ভিটামিন-সি, গাজরের চেয়ে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন-এ, ডিম থেকে দ্বিগুণ বেশি প্রোটিন, দুধের চেয়ে ৪ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশি পটাশিয়াম ও পালংশাকের চেয়ে ৫ গুণ বেশি আয়রন আছে।
২।উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণ করে,হার্ট সুস্থ রাখে এবং লিভারের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে।
৩।রক্তস্বল্পতা দূর করে
৪।হাড় গঠনে বিশেষ কার্যকর
৫।মায়ের বুক দুধ বৃদ্ধি এবং শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে।
৬।ক্যানসারের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৭।মরিঙ্গায় রয়েছে ৯২ ধরণের পুষ্টি উপাদান,৪৬ টি এন্টি অক্সিডেন্ট,৮ টি এ্যামাইনো এসিড,আয়রণ,জিংক,ক্যালসিয়াম,পটাসিয়াম,ম্যাঙ্গানিজ ইত্যাদিসহ শরীরের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান।
১০.কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশি পটাসিয়াম।
সেবন পদ্ধতিঃ
১ গ্লাস পানিতে ২ চা-চামচ গুড়া মিশিয়ে খাবার আগে অথবা পরে রাতে এবং সকালে খেতে পারেন।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃহালকা গরম পানি দিয়ে খেলে ভালো উপকার পাবেন।

07/07/2023

For Order ( https://satkhira.shop ):
অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা ফোন করুন 01850823855

মধুময় মিক্সড ড্রাই ফ্রূটস ও নাটস
মধুময় মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডস (১০ মাস + বাচ্চাদের ও সব বয়সীদের জন্য) গর্ভবতী নারীদের জন্য এই খাবারটি দারুন উপকারী। এতে উপস্থিত ফলিক অ্যাসিড গর্ভবতী মায়েদের শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।এছাড়াও নিয়মিত বাদাম ও বীজ খেলে হার্ট ভালো থাকে।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসকরোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ যে খাবারগুলো বেশি করে খেতে হবে, সেগুলোর মধ্যে কাঠবাদাম, চিনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, বাদাম তেল, বিভিন্ন বীজের বিচি অন্যতম।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসরেসিপিঃ সেরেলাক ,সুজি ,খিচুড়ি ইত্যাদি খাবারে গুড়া করে মিক্স করবেন , বিভিন্ন মিস্টি খাবারের সাথে দিবেন
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসমিক্সড নাট ও সিডসকুচি কুচি করে কেটে ডেজার্ট আইটেমের উপর ছিটিয়ে দিবেন, গুড়া করে গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খাবেন,এছাড়া ও ফিঙ্গার ফুড হিসেব এই টেস্টি মিক্স খাওয়া যায় ,ডায়েটের জন্য ও খেতে পারেন।
বিস্তারিত তথ্যঃ
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসকাজু বাদাম ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার। আমাদের শরীরে দৈনিক ৩০০-৭৫০ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন। আর এটা পূরণ করে এ বাদাম। কাজু মাংসপেশী ও স্নায়ুর সঠিক কাজ ও হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসপেস্তাবাদাম ইউএসডিএ নিউট্রিশন ডাটাবেস অনুসারে খোসাবিহীন এক আউন্স পেস্তা বাদামে ১৫৯ ক্যালরি, ১২.৮ গ্রাম ফ্যাট, ৫.৭২ গ্রাম প্রোটিন, ৭.৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ৩ গ্রাম ফাইবার ও ২ গ্রাম সুগার রয়েছে। অন্যদিকে ইউএসডিএ নিউট্রিশন ডাটাবেস অনুযায়ী খোসাসহ এক আউন্স পেস্তা বাদামে ৮৫ ক্যালরি, ৭ গ্রাম ফ্যাট, ৩ গ্রাম প্রোটিন, ৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৫ গ্রাম ফাইবার ও ১ গ্রাম সুগার থাকে। অ্যাকাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্সের পুষ্টিবিদ ও মুখপাত্র সোনিয়া আনজিলোন বলেন, ‘পেস্তা বাদাম হচ্ছে ফাইবার, প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, ভিটামিন ই, ফোলেট ও প্লান্ট স্টেরলসের (কোলেস্টেরল কমানোর প্রাকৃতিক উপাদান) প্রাচুর্যপূর্ণ উৎস। এ বাদাম স্বাস্থ্যকর মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটেরও ভালো উৎস।’এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন।লিভার ও কিডনি ভালো রাখে।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসকাঠ বাদাম আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসকিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে,যা শরীরে নতুন রক্ত তৈরি করে। এছাড়া আপনার লিভার বা যকৃত পরিষ্কার করতেও এর জুড়ি নেই। এ ছাড়া কিশমিশে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাসও অনেক
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসকুমড়ার বীজে ভারতের ডি কে পাবলিশিং হাউসের একটি বই ‘হিলিং ফুডস’-এ বলা হয়েছে, কুমড়ার বিচি (বীজ) ভিটামিন বি, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা ও প্রোটিনের ভালো একটি উৎস। বিচিগুলোতে অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড উচ্চমাত্রায় রয়েছে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে অস্বাস্থ্যকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।ওজন কমানো, চুলের বৃদ্ধিসহ কুমড়োর বিচির উপকারিতাগুলো ‘হৃদ্‌যন্ত্র’ ভালো রাখে,কুমড়োর বিচিতে আছে সেরোটোনিন। স্নায়ু নিয়ন্ত্রক এই রাসায়নিক বস্তুকে প্রকৃতির ঘুমের বড়ি বলা হয়। ট্রাইপটোফ্যান নামের অ্যামিনো অ্যাসিড শরীরে গিয়ে সেরোটোনিনে রূপান্তরিত হয়, যা ঘুম নিশ্চিত করে। ঘুমানোর আগে মুঠভর্তি কুমড়োর বিচি এনে দেবে পুরো রাত্রির শান্তি।জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমায় পেশির জ্বালাপোড়ার অনুভূতি কমানোর ক্ষমতা আছে কুমড়োর বিচির। এ ছাড়া বাতের ব্যথাও কমায় এটি। অস্থিসন্ধির ব্যথা কমাতে এর তেলও ভালো কাজে দেয়।ভালো রাখে প্রোস্টেট ।কুমড়োর বিচিতে আছে জিংক। যা পুরুষের উর্বরতা বাড়ায় ও প্রোস্টেটের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এতে আছে ডিএইচইএ (ডাই-হাইড্রো এপি-অ্যান্ড্রোস্টেনেডিয়ন), যা প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।দীর্ঘ চুলের নিশ্চয়তা এতে আছে কিউকুরবিটিন, এমন এক অ্যামিনো অ্যাসিড যা চুলের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ভিটামিন সিও আছে কুমড়োর বিচিতে, যা চুলের বৃদ্ধি বাড়ায়। ওমেগা-৩ পুষ্টিগুণ থাকায় আপনার দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসএপ্রিকটে এপ্রিকট এমন একটি ফল যা শুকনো ফলের বিভাগের অন্তর্ভুক্ত (তবে কাঁচা ও শুকনো দুই রূপেই খাওয়া যায়)। এই ফলটি ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস এবং ভিটামিন এ, সি ও ই–এর ভাল উত্স এবং গর্ভাবস্থায় এপ্রিকট খাওয়া আপনার ও আপনার শিশুর পক্ষে ভাল।প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-বি২, ভিটামিন-বি৩, ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি রয়েছে।গর্ভাবস্থায় এপ্রিকট খাওয়া সম্পূর্ণ নিরাপদ। এপ্রিকট রোসেসি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত (চেরি, পীচ, প্লাম, কাঠবাদাম ইত্যাদিও এই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত), এবং এই ফলটি আপনার গর্ভাবস্থার ডায়েটে প্রচুর স্বাস্থ্যগত উপকারিতার জন্য যুক্ত করা যেতে পারে। আপনি নিরাপদে দিনে ১ থেকে ২টি দানা খেতে পারেন।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসত্বীন ফল তীনে আছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-বি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, কপার, আইরন ইত্যাদি।ডায়েটেড এবং ফিট থাকতে চাইলে তীন সবচেয়ে কার্যকর ফল। আর এন্টিঅক্সিডেন্ট-এর তীনের চেয়ে ভালো ফল আর নেই বললেই চলে।প্রোস্টেট এবং জরায়ু ক্যান্সারের প্রতিষেধক হচ্ছে তীন। ব্লাড প্রেসার এবং স্নায়ুরোগ কমাতে দারুণ কার্যকর। মায়ের বুকে দুধ উৎপাদনে তীনের জুড়ি মেলা ভার। পাইলসে ভোগা ব্যক্তিরা অসাধারণ ঔষধ হিসাবে তীন খেতে পারেন। গরুর দুধে এলার্জি থাকলে তীন খান। ক্যালসিয়ামের ঘাটতি নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসতরমুজ বীজ তরমুজের বীজে রয়েছে শর্করা, অ্যামিনো অ্যাসিড, ফ্যাটি অ্যাসিড খাদ্যআশঁসহ গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনস্ ও মিনারেলস্। যেমন: আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক, ফোলেট, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাংগানিজ, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-বি৬ ইত্যাদি। তরমুজের বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা উন্নত করে,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়,হার্ট সুস্থ রাখে,ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে,জন্ডিস সারায় তরমুজের বীজ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য উন্নত করে, পাচক স্বাস্থ্য বৃদ্ধি করে, মাথার চুল শক্তিশালী করে, ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং উন্নত করে এবং চেহারায় বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। এছাড়াও কিডনি ও প্রস্রাবের সমস্যা সমাধানে অনেক উপকারী উপাদান এটি।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসআখরোট বাদাম এটি ফাইবার , আন্টিঅক্সিডেন্ট ,ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ একটি পুষ্টিকর খাবার । অনেক ধরনের বাদাম থাকলেও সবচেয়ে উপকারী বাদাম হলো ‘আখরোট’। বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হলে বা অ্যালঝাইমার্স ডিজিজের সঙ্গে লড়তে চাইলে ওষুধপত্রের সঙ্গে পাতে রাখুন আখরোট। এই ফল স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বিশেষ কার্যকরী। রাইবোফ্লোভিন ও এল-কারনাইটিন থাকার কারণে মস্তিষ্কে স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে আখরোট। ‘বায়োলজি অব রিপ্রোডাকশন’-এর জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের দাবি, প্রতি দিন যদি অন্তত ৭৫ গ্রাম করে আখরোট খাওয়া যায় তবে পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা কমে। কারণ আখরোট বাড়িয়ে দেবে স্পার্ম কাউন্ট বা শুক্রাণুর সংখ্যা।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসচীনা বাদাম আকারে ছোট হলেও সকল প্রকার খাদ্য গুণাগুণ এতে বর্তমান। যেমন- ফ্যাটি অ্যাসিড, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, লিউটিন, জিজ্যানথিনের মতো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত কেউ যদি এক বাটি করে বাদাম খাওয়া শুরু করেন, তাহলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের প্রবেশ ঘটে, যা এই যুদ্ধ শরীরকে চাঙ্গা তো রাখেই, সেই সঙ্গে একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।চীনা বাদাম খাওয়ার উপকারিতা:হাড়ের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটায়,ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়,ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে,পুষ্টির ঘাটতি দূর করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়,খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়,ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে,ওজন নিয়ন্ত্রণ করে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোষের কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসখুরমা চূর্ণ খুরমা অতি মিষ্টিজাত ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ক্যালোরি এবং রয়েছে প্রচুর খাদ্যগুণ, যেমন ভিটামিন-বি,-সি, আয়রন এবং প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম, অ্যামিনো অ্যাসিড, ভিটামিন-কে।খুরমা চূর্ণ শারীরিক শক্তিবৃদ্ধি, মনের প্রফুল্লতা ,কোষ্ঠকাঠিন্য, অরুচি, দৃষ্টিশক্তি ,হজমকারক,কোলেস্টোরল, রোগ প্রতিরোধক, রক্তশূণ্যতা ও বার্ধক্যরোধক । খুরমা সেবনে যৌবন বা তারুণ্য ধরে রাখে এবং যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি ও ঘনত্ব বাড়ায়।
মিক্সড ড্রাই নাটস ও সিডসউপাদানঃ এপ্রিকট( Dried Apricot),কাজুবাদাম, পেস্তাবাদাম/pistachio,আখরোট, চীনা বাদাম,কাঠবাদাম,খুরমা চূর্ণ সাদা-কালো কিসমিস/ raisins, sunflower seeds, pumpkin seeds,ইত্যাদি…
বিঃদ্রঃ শুকনো ফলের ভালো দিক হলো, এটি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে খাওয়া যায় ও সহজে বহনযোগ্য, পচনশীল নয়। শুকনো কাচের বয়াম বা জারে সংরক্ষণ করে ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন এবং প্রতিদিন কিছু পরিমাণ করে খেতে পারেন।

25/06/2023

For Order ( https://satkhira.shop ):
অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা ফোন করুন 01850823855

সুন্দরবনের প্রাকৃতিক RAW মধুর ৭ টি বৈশিষ্ট্যঃ
দেখতে সাধারণত Light Amber রঙের হয় (তবে সময় ও ফুল ভেদে কিছুটা Light বা Dark হতে পারে)।
খেতে খুবই সুস্বাদু, হালকা টকটক মিষ্টি লাগে।
কিছু মানুষের কাছে- সুন্দরবনের মধু অনেকটা আখের রসের মতো লাগে।
মধুর ঘনত্ব সবসময় পাতলা হবে (আমরা কখনই সুন্দরবনে ঘন মধু পাইনি)।
সুন্দরবনের মধুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- একটু ঝাঁকি লাগলেই প্রচুর পরিমাণে ফেনা হয়ে যাবে।
সুন্দরবনের খাটি মধু আমরা কখনই জমতে দেখনি। হোক সেটা ফ্রিজের ভেতরে বা বাইরে।
এই মধুর আরেকটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- হাতে চাক কাটা পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা মধুর উপরে হলুদ রঙের পোলেন জমা হয়। এটাকে অনেকে গাদ জমা বলে থাকেন।


Raw Honey এবং Processing Honey কাকে বলে?
মৌমাছি যে মধু তৈরি করে মৌচাকে জমা করে, সেই মধুই হচ্ছে কাঁচা মধু বা ‘র হানি’। সেটা গ্রাম গঞ্জের হাতে চাক কাটা মধু হোক বা বাক্সের ভেতরে পোষা মৌমাছি দিয়ে উৎপাদিত মধু হোক। এই দুই প্রকার মৌমাছিই যদি ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে, তাহলে এই দুই প্রকার মধুই ভালো মধু, খাঁটি মধু। বাজারে বিক্রি হওয়া বেশিরভাগ মধু প্রক্রিয়াজাত মধু বা Processing Honey। কাঁচা মধু এবং প্রক্রিয়াজাত মধু , এই দুই মধুর মধ্যে স্পষ্ট অনেক পার্থক্য রয়েছে। প্রক্রিয়াজাত করা হয় মধু গরম করার মাধ্যমে। আর মধু গরম করলে মধুর অনেক উপকারিতা নষ্ট হয়ে যায় এবং অনেক সময় ক্ষতিকর হয়ে যেতে পারে। তাই আমাদের অবশ্যই চেষ্টা করতে হবে ভালো মানের Raw Honey বা কাঁচা মধু খাওয়ার জন্য।

সুন্দরবনের মধু কখন এবং কিভাবে সংগ্রহ করা হয়?
ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের মধু উৎপাদনের সময় সাধারণত মার্চ মাসের শেষের দিক থেকে জুন মাস পর্যন্ত। এই সময়ে সুন্দরবনে অনেক প্রকার ফুল ফুটতে দেখা যায়। প্রকৃতিতে অনেক প্রকার ফুল থাকলেও মৌমাছি প্রধান চারটি ফুল থেকে উল্লেখযোগ্য মধু সংগ্রহ করে। আর তাহলো- খলিশা, গড়ান, কেওড়া ও বাইন। মৌমাছি এই সময়ে সুন্দরবন থেকে যে মধু সংগ্রহ করে, আমরা তাকেই সুন্দরবনের মধু বলে থাকি।

সুন্দরবনের খাঁটি মধু তে ফেনা হয়
সুন্দরবনের RAW মধু তে কেন ফেনা হয়?
সুন্দরবনের প্রাকৃতিক Raw মধুতে সব সময়ই ঝাঁকি লাগলে ফেনা হতে দেখা যায় ও সম্পূর্ণ মধু সাদা রঙের হয়ে যেতে পারে। যা দেখে একজন সাধারণ মধু ক্রেতা, মধু খাঁটি হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করেন। কিন্তু এই সন্দেহ টি একেবারেই সঠিক নয়। নিচে তার Scientific ব্যাখ্যা দেওয়া হলঃ

সুন্দরবনের প্রাকৃতিক Raw মধুতে অ্যাক্টিভ এনজাইম, প্রোটিন এবং অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। এবং মধু একটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় পদার্থ যাতে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ থাকে। আর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ- কার্বন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের সমন্বয়ে গঠিত। এ জন্য সুন্দরবনের প্রাকৃতিক Raw মধুতে যেহেতু সব সময়ই ময়েশ্চারের পরিমাণ বেশি থাকে, অর্থাৎ মধুর ঘনত্ব খুবই কম হয় বা মধু পাতলা হয়। যার ফলে মধু একটু ঝাঁকি লাগলে বা পাকেজিং করার সময় মধুর মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে কার্বন ডাইঅক্সাইড তৈরি করে। এতে মধুর মধ্যে বায়ু বুদবুদ সৃষ্টি হয় এবং একই সাথে মধু ফেনা হয়ে সাদা হয়ে যায় ও পাত্রের ভেতরে গ্যাস হয়ে যায়, তাই প্ল্যাস্টিক এর বোতল কিছুটা ফুলে যেতে দেখা যায়। মধুতে ফেনা তৈরি হলে সেটাকে কিছুক্ষণ স্থিরভাবে একই যায়গায় রেখে দিলে আবার সেই ফেনা মধুতে পরিণত হবে। এতে মধুতে কোন প্রকার ক্ষতি বা সমস্যা হবে না।

উপসংহার
যতটা সম্ভব খুব সহজে মুল বিষয়গুলো বোঝানর চেষ্টা করেছি। তারপরও একবার পড়ে বুঝতে অসুবিধা হলে দুই তিন বার পড়তে পারেন। তাহলে আরও ভালমতো বুজতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আমি মনে করি, এই পোস্টে দেওয়া তথ্য গুলো যদি কোনো মধু ক্রেতা ভালোভাবে আয়াত্ত করতে পারে। তাহলে আর কোনো ভেজাল ব্যবসায়ী অথবা প্রতারক, তাকে সুন্দরবনের খাঁটি মধু বলে ভেজাল বা কৃত্তিম মধু দিতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার জ্ঞানে যা ছিলো তাই আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। অবিজ্ঞ জনেরা যদি আমার এই কনটেন্ট এর মধ্যে কোনো ভুল খুঁজে পান তাহলে অবশ্যই জানাবেন দয়া করে। আপনার ছাত্র হতে পারলে আমি নিজেকে ধন্য মনে করবো।

16/06/2023
03/08/2021

সহজেই সেরা পন্য - সহজ বাজার

Address

Dhaka
1230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shohoz bazaar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shohoz bazaar:

Share