13/04/2026
গতকাল কাজিনের শশুর বাড়িতে দাওয়াতে গেছিলাম | ওর শাশুড়ি ফোন দিয়ে অনেক অনুরোধ করলেন যাওয়ার জন্য | সেখানে যাওয়ার পরেই একজন আহম্মকের সাথে পরিচয় | সম্পর্কে কাজিনের চাচাতো দেবর হয় | বর্তমানে ইউকে তে থাকেন |
উনি এক টানা প্রায়ই ঘন্টা দুয়েক আমার কাছে নিজের গুণগান গাইলেন | এক পর্যায় উনি আমার থেকে হোয়াটসএপ নাম্বার চাইলেন | জিগ্যেস করলাম " জরুরী কোনো কথা আছে কি?". উনি বললেন " আপনাকে বলার জন্য হাজার হাজার কথা আছে যদি সম্ভব হয় নাম্বার টা দিন, প্রমিস করছি আপনি না চাইলে বিরক্ত করবোনা ". ডিরেক্ট বারন করতে কেমন যেনো লাগছিল, প্রথমে দিতে ইতস্ততবোধ করলাম কিন্তু পরবর্তীতে একটা বন্ধ নাম্বার দিয়ে বললাম " এটা আমার নাম্বার তবে সব সময় মেসেজ বা কল দিলে পাবেননা, রাত দশটার দিকে দিবেন ". উনি কারন জানতে চাইলেন, বললাম " আমার বাড়িতে সমস্যা আছে ". উনি আমার নাম্বার টা আর সেভ করলেননা, হাত থেকে মোবাইল টা রেখে দিয়ে বললেন " তাহলে আপনাকে খোলামেলা ভাবে একটা কথা বলি যদি শুনতে চান তবে ". বললাম " বলুন! আমি শুনবো আপনার কথা ". উনি মাথা খানিকটা নিচু করে বললেন " আপনাকে প্রথম দেখাতেই আমার ভালো লেগে গেছে, আপনি আসার পর থেকেই আমি আপনার সাথে কথা বলার জন্য কৌশল খুঁজছিলাম, আপনি চাইলে আমি আপনাকে বিয়ে করবো". ওনার কথা শুনে নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম " ইয়ে মানে আমার বাড়িতে কখনও মানবেনা ". উনি বললেন " মানানো আমার দায়িত্ব, আপনি শুধু বলেন আপনি রাজি কিনা". আমি পূনরায় বললাম " আপনি বুঝতেছেন না. আমার বাড়িতে কখনও মানবেনা". উনি এবার জোর দিয়ে বললেন " কে মানবেনা বলুন. আপনার বাবা?". আমি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম " নাহ আমার জামাই ". 🙂