16/05/2026
অপারেশনের আগে যে মেডিসিনটা দিয়ে রোগীকে সেন্সলেস করানো হয় ,সেটারও নাকি নকল ঔষধ বাজারে আছে!
-ডায়রিয়া হইলে মানুষ মারা যায়, যে স্যালাইনটা খাইলে ডায়রিয়া ভালো হয়ে যায় সেটারও নকল বানাচ্ছে
-মাছে ভাতে বাঙালি, সেই মাছটারে পর্যন্ত কেমিক্যাল গিলাইয়া ২ মাসে বড় কইরা বিক্রি করে দিচ্ছে, তরতাজা রাখতে বিষাক্ত কেমিক্যাল দিচ্ছ!
-৪০ দিনের মুরগিরে ইনজেকশন আর ফিড গিলাইয়া বাজারজাত করে দিচ্ছে।
-যে পা রুটিটা সকালে ঘুম থেকে ওঠে খাই সেটাতেও নরম তুলতুলে করছে ক্যান্সারের জীবাণু তৈরি করে
এমন কেমিক্যাল দিয়া।
-বাচ্চাদের দুধ পর্যন্ত তৈরি করছে দুধ না দিয়া কেমিক্যাল দিয়া।
-বাজারের এমন কোন ফল নাই যেটাতে ফরমালিন নামক বিষ নাই।
-যে শাক -সবজিটা ধরবেন সেটাতেই হেভি মেটাল কারণ কীটনাশক ছাড়া চাষাবাদ আমরা ভুলেই গেছি।
-দ্রুত বাজারজাত করার জন্য কতো রকমের স্পে যে করে! কোন কোন সবজিতে কেমিক্যাল মেরে অনেকদিন তরতাজা রাখছে।
-যে গরু আর খাসির মাংস আমাদের প্রিয় সেই গরুটারে মুরগির ফিড খাওয়াচ্ছে! মোটাতাজা করার জন্য ইচ্ছেমতো ট্যাবলেট আর ইনজেকশন দিচ্ছে।
মানে আপনি আমি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা যা খাচ্ছি প্রায় সবকয়টা খাবারে ভেজাল!
এইযে ক্যান্সার, কিডনি ফেইলিউর, হার্টের সমস্যার রোগীদের হাসপাতালে বেড আর চিকিৎসা দিতে হিমশিম হাচ্ছে!
হাসপাতাল ব্যবসায়ী ,ঔষধ ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো ব্যবসা করছে।
জম্ম নেয়া শিশুটা থেকে শুরু করে তরুণরা কিডনির সমস্যা, হার্টের সমস্যা, ক্যান্সারে ভুগছেন।
এ নিয়া রাষ্ট্রযন্ত্রের কোন পরিকল্পনা আছে?
পাবলিক হেল্থ বলতে দেশে কিছু আছে?
ফুড সিকিউরিটির দায়িত্বে কেউ আছে?
খাদ্য নিরাপত্তা নামক কোন আইন কি দেশে আছে?
নিরাপদ খাদ্য নামক কোন মন্ত্রণালয় কি আছে?
মনে হয় নাই!
যদি থাকতো তাহলে মা***দরা ভেজাল খাদ্য তৈরি করার সাহস পাইতো না!
ভেজাল ঔষধ তৈরি করার সাহস দেখাইতো না!
খাবারে বিষ আর কাপড়ের রং মেশাতে পারতো না!
ফলে ফারমালিন দিতে পারতো না!
এভাবে চলতে থাকলে পুরো প্রজম্ম মহামারী দেখবে।
শত্রু দেশ যুদ্ধ ছাড়াই একটা গোটা জাতিকে বিলুপ্ত করে দিতে পারবে!
প্লীজ! ভেজাল খাদ্যের যুগ থেকে আমাদের মুক্তি দেন,
এই জাতির প্রাণ নিয়া, স্বাস্থ্য নিয়া আর অবহেলা কইরেন না!!!
Anisur Rahman