WOW SHARI

WOW SHARI WOW SHARI is an online-based clothing shop for exclusive Bangladeshi sharis like Monipuri shari, Tan

একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, ১১ মাসের বাচ্চাকে হ্যাল্পিং হ্যান্ডের কাছে রেখে মা বাইরে গেছে। পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে ...
10/11/2025

একটা ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, ১১ মাসের বাচ্চাকে হ্যাল্পিং হ্যান্ডের কাছে রেখে মা বাইরে গেছে। পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে বাচ্চা টা কে মেয়েটা মারছে। ঠাশ করে বাচ্চা টার নাকে মুখে একটা থা*প্পড় দিয়েছে মেয়েটা।

শুধু এইটুকুই ফুটেযে এসেছে আর বাকি সময় তারা অন্য রুমে ছিল। শুধু বাচ্চাটার কান্নার আওয়াজ আসছিল জোরে থেকে জোরে।
আহারে বাচ্চাটা। কিছুই বুঝে না, যে আঘাত করছে তাকে থামানোর ক্ষমতা নেই। শুধু চিৎকার করছে, আর যে তাকে টর্চার করছে তার মনে একটুকু সিম্প্যাথি ও নেই।

বড় শিশু হলেও তার এটলিস্ট অভিযোগ করার সুযোগ থাকে যে "মা ও আমাকে মেরেছে,। কিন্তু এই বাচ্চা টার সেটা করার ও সুযোগ নেই।। মা যদি রাগ করে বাচ্চার গায়ে হাত ও তোলে কিন্তু পরক্ষনে মায়ের মনে মমতা ও কাজ করে। সন্তান কে জড়িয়ে ধরে।

কিন্তু এক্ষেত্রে না আছে এই পরিচারিকার মনে মায়া আর না শিশুটির অভিযোগ করার ক্ষমতা। ঠিক যখন মা বাড়ি আসবে তখন হয়তো নিষ্পাপ শিশু এই মেয়েটির কোলে থেকেই হাসবে।

আমার কলিগ যেদিন প্রথম দিন তার হ্যাল্পিং হ্যান্ডের কাছে ১১ মাসের বেবিকে রেখে অফিসে আসল। আমি তাকে বললাম কয়েকদিন অন্তত অই আপাকে সহ বাবুকে নিয়ে আসতে পারতে। আজকে প্রথম দিন ই উনাকে কাজে রাখলে, আর বাবুকে রেখে চলে আসলে? আমার কলিগ বলল, এখানে আসলে বাবুর কষ্ট হয়।কারণ আমার স্কুলে বাচ্চাকে রাখার কোন পরিবেশ নেই।

পরে উনাকে বললাম, সিসি ক্যামেরা লাগাবে না? উনি বলল, "না, আল্লাহ দেখবে, মানুষ কে বিশ্বাস করি"

এট লিস্ট কথা বলার আগে পর্যন্ত বাবুকে বাইরের মানুষের কাছে রাখব না বলে আমার বোন আমার সাথে এসে থেকেছে বাবুর দেখাশোনার জন্য।
কথা বলা শিখলেও রেখে যাব কি না সন্দেহ আছে।

আমি ৬ মাস ম্যাটার্নিটি লিভের পরে উইদাউট পেতে আরো কয়েক মাস ছুটি নিয়ে বাবুর ১০ মাস বয়সে জয়েন করেছি।

বাচ্চাকে ছেড়ে থাকতে হবে বলে আমি চাকরিও ছেড়ে দিতে চেয়েছি। ইভেন জয়েন করেও বেশিরভাগ ই ডিপ্রেশনে থাকি কেন বাচ্চাকে ছেড়ে থাকি। যদিও আমি বেবিকে ছেড়ে ৪ ঘন্টা থাকি। এবং সেটাও টানা ৪ ঘন্টা নয়। প্রথম ২ ঘন্টা, মাঝখানে আবার বাবুর সাথে থাকি ২ ঘন্টা দ্যান আবার ২ ঘন্টা।

স্কুল থেকে আমার বাড়ির দূরত্ব ২০ মিনিট। তবুও আমি স্কুল থেকে পায়ে হেটে ২ মিনিট দূরত্বে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকি।যাতে টিফিন পিরিয়ডে বাসায় আসতে পারি।

আজকের সিসি ফুটেজ দেখে সবাই বলেছে বাচ্চার মায়ের চাকরি করতে হবে কেন?

আমাকে বুঝান বাচ্চার মায়ের চাকরি করতে হবে না কেন?
আপনারা সবার পরিস্থিতি জানেন?

অনেকে অভাবে করে, অনেকে পরিবার থেকে বাধ্য হয়ে করে, অনেক মেয়ের সারাজীবনের স্বপ্ন তার ক্যারিয়ার। সারাজীবন কষ্ট করে তার এই ক্যারিয়ার গড়ে।

এই মা কত কষ্ট করে বাইরে জব করে, আবার ঘরে ফিরে সন্তান
সংসার সব ম্যানেজ করে। জানেন ১০ মিনিট টাইম পাওয়া যায়না নিজের জন্য। আপনারা আবার মাকেই ব্লেম করেন।

আপনাদের আওয়াজ তোলা দরকার ছিল, প্রতিটা অফিসে ডে কেয়ার সেন্টার নেই কেন?

ডে কেয়ার সেন্টার না দেন, কেয়ার গিভার না দেন, আপনারা এটলিস্ট বাচ্চা টা কে রাখার মতো একটা রুম একটা জায়গা দেন। কেয়ার গিভার না হয় আমরা নিজেরাই ম্যানেজ করে নিব।

আমি যে স্কুলে জব করি, সেই স্কুলে আমি বাচ্চা কে নিয়ে যে কোল থেকে নামাব সেই স্পেস টুকু নেই।

দেশে যদি মেয়েদের কাজের সুযোগ আপনারা দেন, তাহলে তাদের সন্তান রাখার সুযোগ আপনারা কেন দিবেন না? তাদের সন্তান কোথায় থাকবে বলেন?

একজন মা ই তো অধৈর্য্য হয়ে যায় অনেক সময় বাচ্চার ট্যান্টার্ম সহ্য করতে গিয়ে৷ সেখানে বাইরের মানুষ তো মেজাজ হারা হতেই পারেন।

আপনারা কেন ম্যাটার্নিটি লিভ বাড়িয়ে দেয়ার জন্য আওয়াজ তুলেন না? অন্যান্য রাষ্ট্রে তো ৩ বছর পর্যন্ত ও ম্যাটার্নিটি লিভ দেয়। আর আমাদের মাত্র ৬ মাস। এটলিস্ট ব্রেস্টফিডিং পিরিয়ড টা বা অন্তন ১ বছর ম্যাটার্নিটি লিভ কি দেয়া যায় না?

একটা ব্রেস্ট ফিডিং মা কত টুকু কষ্ট করে এই টাইম ম্যানেজমেন্ট করে জানেন? কিভাবে সারাদিন বাচ্চাকে ব্রেস্টফিড না করিয়ে থাকে? মায়ের নিজের ই কতটা শারিরিক কষ্ট হয় জানেন? বেশিরভাগ মায়েদের দীর্ঘক্ষণ ব্রেস্টফিডিং না করানোর কারণে শারিরিক অসুবিধার জন্য ডাক্তারের প্রয়োজন হয় এইসময়।

৬ মাসের শিশু, ব্রেস্ট ফিডিং, বাচ্চার নতুন সলিড,পোস্ট পার্টাম অবস্থা, ডেলিভারীর দখল, নির্ঘুম রাত সবসময় বাচ্চার টেনশন, দীর্ঘ সময় সন্তান কে ছেড়ে থাকা, কি পরিমাণ আজাবের ভিতর যায় একজন জব হোল্ডার মা কল্পনাও করতে পারবেননা। জাস্ট হেল মনে হয়।

তবুও বাধ্য হয়ে চাকরি করতে হয় অনেকের? সব শারিরীক, মানসিক স্ট্রেস সামলায়, ঘর সংসার সামলায় তারপর আবার সন্তানের ফিনানশিয়াল দায়িত্ব টা ও মা নিয়ে নেয়। যারা স্বেচ্ছায় চাকরি করে তাদের তাও মানসিক রিলিফ থাকে আর যারা বাধ্য হয়ে করে তারা চিন্তা করেন কত কষ্টে করে।

কিন্তু এই মায়েদের আপনারা সহানুভূতি না দেখিয়ে উলটা ব্লেম করেন।

আপনারা কি আপনাদের কর্মস্থলে কখনো যোগ্য নারী কর্মী দেখেন নি? যে তার দায়িত্ব সিনসিয়ারলি পালন করে?যোগ্য মহিলা শিক্ষক, মহিলা ডাক্তার, মহিলা ইঞ্জিয়ার, মহিলা লেখক, মহিলা কর্পোরেট, মহিলা স্পোর্টম্যান দেখেন নি?মহিলা এভারেস্ট বিজয়ী দেখেন নি? পুরুষ কলিগ কে ছাড়িয়ে কোন পুরষ্কার প্রাপ্ত মহিলা পেশাজীবী কে দেখেন নি?

তাহলে তারা যদি যোগ্য হয় এবং তাদের ইচ্ছে থাকে কেন তারা কাজ করবে না? তারা যদি কাজ গুলো না করত তাহলে এই কৃতিত্ব গুলো বা তাদের দ্বারা আমরা যে বেনিফিট পেয়েছি সেগুলো থেকে আমরা বঞ্চিত হতাম না? সন্তান জন্ম দান নারীর দূর্বলতা নয়। নারী যে আরো ক্ষমতাশালী তার প্রমাণ। তাহলে সে মা বলে আপনারা তাদের থেকে সব অধিকার ছিনিয়ে নিবেন কেন?

তাই সমস্যা সমাধানের জন্য আলতু ফালতু কারণ না দেখিয়ে,মায়েদের দোষ না দিয়ে সমস্যার গোড়া সমাধান করেন। চাকরি যেহেতু করতেই হবে মায়েদের প্রতিটি অফিসে ডে কেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক করার দাবী তুলুন, ম্যাটার্নিটি লিভ বাড়ানোর দাবী তুলুন।

নয়তো প্রত্যেক টা শিশুর ফিনানশিয়ালি নিরাপত্তা দেয়ার নিশ্চয়তা সরকার কে দিতে বলুন। প্রতিটা মেয়ের সম্মান, নিরাপত্তা সব কিছু সরকারকে দিতে বলুন।

মায়েদের দিকে আঙুল তোলা সহজ বলেই আঙুল তাদের দিকে তাক করে দিবেন না।


Smile with Noor

10/11/2025

নিউ ইয়র্কের নব নির্বাচিত মেয়র মামদানিকে করা খালেদ মহিউদ্দিনের সাক্ষাৎকার আমি কয়েক সেকেন্ডের বেশী দেখতে পারি নাই। কেমন যেন অস্বস্তি লাগে আমার এরকম দেখতে।

তবে Loud and clear ভাবে একটা কথা বলি। সমস্যাটা অবশ্যই তার ইংরেজি বলা নিয়ে না। একজন বাংলাদেশীকে পারফেক্ট ইংরেজীতে কথা বলতেই হবে এটা জরুরি না। তবে আরও অনেক কিছু জরুরি, তার। মধ্যে একটা হলো, হোমওয়ার্ক।

একটা মজার তথ্য দেই। যদিও একেবারে আলাদা বিষয়, তবুও দেই।

ইদানিং স্ট্যান্ড আপ কমেডি বিষয়টা অনেক জনপ্রিয় হয়েছে। আমার ধারণা ছিলো এইসব কমেডিয়ানরা টুকটাক প্রিপারেশন নেন। কিছু বুলেট পয়েন্ট ঠিক করেন, তারপর স্টেজে উঠে উপস্থিত বুদ্ধি থেকেই শো চালিয়ে যান। আমি ভাবতাম লোক হাসানোর এই ক্ষমতা তাদের জন্মগত প্রতিভা।

সম্প্রতি ইন্ডিয়ার এক বিখ্যাত কমেডিয়ানের সাক্ষাৎকার দেখে জানলাম সাধারণত এক একটা স্ক্রিপ্ট তৈরী করতে সময় লাগে এক বছরের কাছাকাছি। এরপর শত শত ট্রায়াল রানের পরে পুরাপুরি কনফিডেন্ট ফিল হলে স্টেজে পারফর্ম করেন। তারপরও কোনদিন শো ফ্ল্যাট যায়, ফ্লপ হয়।

এবার আসি সাংবাদিক সাহেবের ইংরেজি বলার প্রসঙ্গে।

ইংরেজির উপর উনার দখল তো উনিই সবচেয়ে ভালো জানেন। উনার ভালো ইংরেজি জানার কথা কারণ উনি বিদেশি সংবাদ মাধ্যমে কাজ করেন দীর্ঘদিন। হয়তো অন্য সময় ভালো বলেনও।

মানুষের Bad Day বলে কিছু দিন থাকে। সেদিন চাইলেও কিছু ভালো হয় না। তার হয়তো সেরকম কোন দিন ছিলো। কারণ বিদেশীরা গ্রামার দিয়ে জাজ করে না। তারা বেশী ফোকাসড আপনি কমিউনিকেট করতে পারছেন কি না তার উপর।

সাক্ষাৎকারটা দেখে আমার মনে হয়েছে ইংরেজি সমস্যা না। উনার হোমওয়ার্কের অভাব ছিলো। উনি ওভার কনফিডেন্ট ছিলেন। ট্রায়াল রান করেননি। প্রশ্ন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে আনেননি। আনলে দেখে দেখে প্রশ্ন পড়লেও কোন ক্ষতি হতোনা।

উপসংহার হলো, উনি যদি উনার প্রচলিত বেশী বোঝা আচরণ থেকে বের হয়ে স্ক্রিপ্ট দেখে দেখে প্রডাক্টিভ প্রশ্ন করতেন তাহলে কি খুব সমস্যা হত?

নিউ ইয়র্কের মেয়রকে প্রশ্ন করার জন্য যথেষ্ট বিনয়ী, যথেষ্ট হোমওয়ার্ক, যথেষ্ট প্রিপারেশনের দরকার আছে।

বুঝতে হবে, সবাইকে ইয়ার দোস্ত মনে করাটা মাঝে মাঝে ব্যাক ফায়ার করে 😊

Rakhi Nahid

02/02/2025

বলেছিলাম ৭ কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মুক্ত করে একটি বিশ্ববিদ্যালয় করার কথা। এখন দেখি ৭ কলেজ থেকে আলাদা হয়ে একাই একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চায়। এখন কি প্রত্যেক কলেজ একে একে বের হয়ে প্রত্যেকেই স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চাওয়া শুরু করবে নাকি? শিক্ষার মানের যে কি করুন অবস্থা তা এ থেকেই বোঝা যায়। বিশ্ববিদ্যালয় গঠন কি হাতের মোয়া যে চাইলাম আর দিয়ে দিল? এর আগের সরাকর জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় বানাতে গিয়ে সরকার নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্ম বুঝেনি এবং তাদের দলদাসরাও বুঝেনি। বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া উচিত নীতিনির্ধারক ও চিন্তকদের চিন্তার ফসল। এইটাতো ছাত্রদের দাবির বিষয় না। তার উপর সাধারণ মানুষকে জিম্মি করেতো অবশ্যই না। সব কিছু কেন রাস্তায় যায়? শুধু রাস্তায় যায় না উল্টো মানুষকে জিম্মি করা। এ যেন বাড়ির মাদকাসক্ত সন্তান ঘরের কাপ প্লেট ভেঙে নেশার টাকা দাবি। আমাদেরকে এ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

ছাত্ররা দাবি করতে পারে ভালো মানের শিক্ষক নিয়োগের জন্য। ছাত্ররা দাবি করতে পারে শিক্ষকতা পেশাকে আকর্ষণীয় করতে যাতে তারা ভালো মানের শিক্ষক পায়। ছাত্ররা দাবি করতে পারে ভালো মানের লাইব্রেরির জন্য। ছাত্ররা ছাত্রদের আবাসিক সুবিধা উন্নত করার জন্য। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় নামে কি আসে যায়? শিক্ষকদের মানই সব।

Kamrul Hasan Mamun

এখন যারা শিবির করে তাদের বয়স তো খুব বেশি না।তাই ইতিহাস মনে হয় একটু কম জানে। তাদেরকে একটু ইতিহাস মনে করিয়ে দেই।১৯৯১ এ তাদ...
15/01/2025

এখন যারা শিবির করে তাদের বয়স তো খুব বেশি না।

তাই ইতিহাস মনে হয় একটু কম জানে।

তাদেরকে একটু ইতিহাস মনে করিয়ে দেই।

১৯৯১ এ তাদের দল বি-দলের সাথে অলিখিত ফ্রেন্ডশিপ করে গোল দিয়েছিলো ১৮ টা।

পেয়ে ভেবেছিলো আই এম দ্যা হনু'স ফাদার।

তাই ১৯৯৬ এ হনু'স ফাদরামি করে তারা একলা চলো নীতি ফলো করলেন। সেবার গোল দিতে পেরেছিলো মাত্র ৩ টা।

ভুলটুল বুঝতে পেরে ২০০১ এ আবারো ফ্রেন্ডশিপ। তবে এবার আর অলিখিত না। প্রকাশ্যে লিখিত জুটি করে আবারো দিলো ১৭ গোল। নট ব্যাড।

এরপর ২০০৮। এবার তাদের পুরো জোটেরই খারাপ অবস্থা। যেখানে বিম্পিই দিলো মাত্র ৩০ গোল সেখানে তাদের ছিলো ২ গোল। নট এ ব্যাড পারফর্মেন্স এট অল।

এরপর তো আর জোটাজুটি করে খেলায় নামার রাস্তাই রাখেনি বিগত রেফারিরা।

তরুণ শিবিরকর্মীদের উচিৎ গোলের এই ইতিহাসটা আরেকবার ভালো করে ঘেঁটে দেখা।

কারণ বর্তমানে তাদেরকে ৯১ এর পরের সেই হনু'স ফাদরামিটা আবারো করতে দেখা যাচ্ছে।

নিজেদেরকে চ্যাম্পিয়ান ভাবছে।

কিন্তু মরহুম খোদা বক্স মৃধা বলেছিলেন, গোলের খেলা ফুটবল এতো সহজ না।

এখানে চ্যাম্পিয়ান হতে হলে শুধু মাঠের দল ভালো হলেই চলে না, গ্যালারিতে দর্শকের সমর্থনও লাগে।

যতই,

A- ও দেখেছি, B-ও দেখেছি,
এবার আমরা সুযোগ চাইছি-

বলে ক্যাম্পেইন করুক না কেন, চ্যাম্পিয়ান হবার মতো সাপোর্ট তারা গ্যালারিতে এখনো অর্জন করতে পারে নাই।

পুরুষ সমর্থকদের কথা বাদই দিলাম, নারী সমর্থকদের মধ্য থেকেই যে বিশাল একটা অংশের সাপোর্ট তারা পাবে না, এটা তারা না জানলেও তাদের সিনিয়র নেতারা ঠিকই জানেন। একারণে তারা কী ধরনের স্টেটমেন্ট দিতে বাধ্য হচ্ছে তার একটা উদাহরণ কমেন্টে দিয়ে দিলাম।

কাজেই শুধু শুধু ফালাফালি করে লাভ নেই। হ্যাঁ, ফ্যাসিস্ট তাড়াতে সবার সাথে তারাও মাঠে নেমেছিলো - এটা সত্য। কিন্তু তার মানে এই না যে দেশের মানুষ তাদেরকেই চ্যাম্পিয়ান বানিয়ে দিয়েছে।

নিজেদেরকে ওভাররেটেড না ভেবে একটু ইতিহাস ঘেঁটে দেখবেন।

যদিও জানি ইতিহাসে উনাদের আবার হালকা এলার্জি সেই ৭১ থেকেই৷

Jobaed Ahsan

😂😂
15/01/2025

😂😂

14/01/2025

আমন সিজন কেবল শেষ হল। কৃষকের ঘরে এখনো আমন ধান পর্যাপ্ত মজুদ আছে। অথচ সব চালের দাম কেজি প্রতি ৭/৮ টাকা বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে আড়ত বা মজুদদার কিংবা সিন্ডিকেট ভাঙ্গার ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।

আলুর ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। এবার এত আলু চাষ হয়েছে যে, আলু না আবার ফুল কপির মত হয়। ক্ষেতের মধ্যেই সার হিসেবে ফেলে রাখবে।

একবার ক্রেতা মরে, একবার চাষি। এই হচ্ছে যুগযুগ ধরে চলা কৃষি ব্যবস্থাপনা।

সয়াবিন তেলের সরবরাহ ক্রাইসিস এখনো বিদ্যমান। বাজারে যথেষ্ট তেল নেই।

সামনে রমজান। খেজুরসহ নিত্য প্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের অবস্থা কী হতে পারে, সে বিষয়ে যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে তো?

দুই/তিন মাস পরেই ডেঙ্গুর সিজন শুরু হবে। যদিও এখনো ডেঙ্গুতে লোক মারা যাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নতুন করে তা' মোকাবিলা করার যথেষ্ট প্রস্তুতি শুরু হয়েছে তো?

বিগত সরকারের ব্যর্থতা আবার টেনে আনা যাবে না। কেউ মানবে না।

অথর্বদের জন্য কোলের বাচ্চা জীবন দেয়নি। বি-কেয়ারফুল। অথচ অথর্বদের বাজার বসে গেছে।

এমন কাজ করা যাবে না বা করতে দেয়া যাবে না কিংবা ব্যর্থ হওয়া যাবে না, যাতে গণ আন্দোলন বা অভ্যুত্থানে নিহত সব শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করা হয়। আহতদের কান্না আর আহাজMahbub Kabir Milonয়ে যায়।

Mahbub Kabir Milon

অলমোস্ট সেম ডিজাইনের ৩ টা মণিপুরী শাড়িই খুব সুন্দর। 🔥🔥কালার, কোয়ালিটি, ডিজাইন সব টপ নোচ।বুক করতে পেইজে ইনবক্স করুন।ডেলি...
14/01/2025

অলমোস্ট সেম ডিজাইনের ৩ টা মণিপুরী শাড়িই খুব সুন্দর। 🔥🔥

কালার, কোয়ালিটি, ডিজাইন সব টপ নোচ।

বুক করতে পেইজে ইনবক্স করুন।

ডেলিভারি ৩-৫ কর্ম দিবসের মধ্যে।

৩ টা মণিপুরী শাড়ি ই ভয়াবহ সুন্দর। 🔥🔥🔥সাদা পাড়ে ঘন কাজের মণিপুরী ।প্রাইস ও সেম : ৪৫০০++ডেলিভারি ৩-৫ কর্মদিবসের মধ্যে। ...
14/01/2025

৩ টা মণিপুরী শাড়ি ই ভয়াবহ সুন্দর। 🔥🔥🔥
সাদা পাড়ে ঘন কাজের মণিপুরী ।

প্রাইস ও সেম : ৪৫০০++

ডেলিভারি ৩-৫ কর্মদিবসের মধ্যে।

বুক করতে পেইজে ইনবক্স করুন।

Address

Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801675228384

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WOW SHARI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to WOW SHARI:

Share