MIMS By Mim

MIMS By Mim ✨ Be bold. Be beautiful. Be YOU.✨

✨Trendy, classy & effortlessly chic outfits for every mood and moment.

19/10/2025

✨শাড়ির বিস্তারিত✨

🔷 কাপড়ঃ প্রিমিয়াম কোয়ালিটির সিল্ক বাটিক
🔷 দৈর্ঘ্যঃ ১৩ হাত শাড়ি
🔷 ব্লাউজ পিসঃ রয়েছে (আলাদা)
🔷 আঁচলঃ টাসেল ডিজাইন করা আঁচল
🔷 ফিনিশিংঃ পিকু সম্পূর্ণ করা আছে – Ready to wear!

বি. দ্র : কেমেরা & লাইটের কারনে কালার এর কিছু টা তারতম্য হতে পারে।





#সিল্ক_বাটিক


#শাড়ি





🦋🦋🦋
18/10/2025

🦋🦋🦋

15/10/2025

আজ সারাদিন ছিলাম NSU তে৷ খুব সুন্দর একটা দিন ছিল৷ 🎀

Congratulations to Rubiat Fatima Tony apu.
14/10/2025

Congratulations to Rubiat Fatima Tony apu.

এই সুন্দর শাড়িগুলো ওয়েট করছে আপনার জন্য so আপনি ওয়েট না করে এখনি অর্ডার করুন 😜
09/10/2025

এই সুন্দর শাড়িগুলো ওয়েট করছে আপনার জন্য so আপনি ওয়েট না করে এখনি অর্ডার করুন 😜

দিন দিন ব্যবসা করা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আমরা তো আরও ছোট্ট ব্যবসায়ী, একজন মডারেটর নিয়োগ দিতেও ভয় হয় এখন 😶
09/10/2025

দিন দিন ব্যবসা করা আরও কঠিন হয়ে যাচ্ছে।
আমরা তো আরও ছোট্ট ব্যবসায়ী, একজন মডারেটর নিয়োগ দিতেও ভয় হয় এখন 😶

আজকে আপনাদের সবার প্রিয় ব্রান্ড থ্রেড স্টোরি ধবংসের পথে কেনো জানেন??

ছবিতে যাকে দেখছেন, ইনি ফাতেমা তুজ জোহরা — যাকে অনেকেই আমার বিজনেস পার্টনার, ম্যানেজার, পি.এস., বা আর্টেমিস লিমিটেডের ডিরেক্টর হিসেবেও চিনেন। এই সেই কালপ্রিট যার কারনে থ্রেড স্টোরির চিটাগং আউটলেট ওপেন অফ হয়ে গিয়েছে।আমাদের সব ফউচার প্লান এক নিমিষে ধবংস হয়ে গিয়েছে।

আসলে তিনি ছিলেন আমার ম্যানেজার, এবং আমার শারীরিক অসুস্থতার সময় বিনিয়োগ বিভাগ (Investment Division)-এর দায়িত্ব আমি কিছু সময়ের জন্য তার ওপর অর্পণ করেছিলাম।
২০২২ সালে প্রজেক্ট সেকেন্ড হোম-এ একজন অসহায়, ডিভোর্সপ্রাপ্ত নারী হিসেবে ফাতেমা তুজ জোহরা আমার সংস্পর্শে আসেন। তার বাড়ি বগুড়া জেলার শেরপুরে।
নিজেকে ডিভোর্সি ও সিঙ্গেল মাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি আমার কাছে চাকরির আবেদন করেন।
নারীদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনে কাজ করার কারণে আমি তাকে ১৫,০০০ টাকা বেতনে একজন ফ্রেশার হিসেবে নিয়োগ দিই এবং হাতে-কলমে কাজ শেখাই।তাকে আমি আমার বড় বোনের মত ভালোবাসতাম।

ক্রমে তিনি কাজের মাধ্যমে আমার আস্থা অর্জন করেন এবং ২–৩ বছরের মধ্যে একজন বিশ্বাসযোগ্য কর্মী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন।
২০২৪ সালে আমি তাকে বিনিয়োগ বিভাগের দায়িত্বে নিযুক্ত করি।

আমার তত্ত্বাবধানে তিনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন, বিনিয়োগ চুক্তি সম্পাদন করতেন এবং প্রতিদিনের বিনিয়োগ লেনদেনের এক্সেল রিপোর্ট ও ওয়ার্ক আপডেট আমাকে জমা দিতেন।
তার দায়িত্ব ছিল:
• কোম্পানির পক্ষে বিনিয়োগ গ্রহণ করা,
• চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থ কোম্পানির একাউন্টে জমা দেওয়া,
• ও সকল আর্থিক লেনদেনের সঠিক রিপোর্ট প্রদান করা।

তদন্তে দেখা যায়, ফাতেমা তুজ জোহরা ইচ্ছাকৃতভাবে নগদ টাকা ও ক্যাশ চেকের মাধ্যমে বিনিয়োগ সংগ্রহ করে কোম্পানির একাউন্টে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন।
তিনি এ বিষয়ে কোনো তথ্য বা রিপোর্ট আমাকে দেননি।
এরপর তার লাইফস্টাইলে হঠাৎ অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় —
তিনি স্বর্ণ কেনা, গাড়ি কেনা, ফ্ল্যাট কেনা সংক্রান্ত লেনদেন শুরু করেন।
এতে সন্দেহ হলে অফিসে অর্ধবার্ষিক ইন্টারনাল অডিট পরিচালনা করা হয়।

অডিটে কোম্পানির বিপুল পরিমাণ অর্থের গরমিল পাওয়া যায়।
অডিটের পর সকল কর্মকর্তাকে হিসাব প্রদান করতে বলা হয় — আমি ও অন্য কর্মকর্তারা তা জমা দিলেও ফাতেমা তুজ জোহরা কোনো আর্থিক বিবরণী দেননি।
অল্প কিছুদিন পর তিনি বিনা নোটিশে অফিসে আসা বন্ধ করেন এবং মেইলে রিজাইন লেটার পাঠান।

তদন্তে প্রমাণিত হয় যে, ফাতেমা তুজ জোহরা প্রায় ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগকারীর অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
এই টাকার বিপরীতে কোম্পানিকে নিয়মিত ইনভেস্টর ইন্টারেস্ট প্রদান করতে হয়, যা কোম্পানির জন্য বড় আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।

ঘটনাটি প্রকাশ পেলে তিনি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন আইডি দিয়ে আমার (সুমনা শারমিন) ব্যক্তিগত ও পেশাগত মানহানি ঘটানোর চেষ্টা করেন।
এই বিষয়ে স্পষ্ট প্রমাণ কোম্পানির কাছে সংরক্ষিত আছে।
তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, এটি ছিল একটি সংগঠিত প্রতারক চক্র, যারা দীর্ঘদিন ধরে আর্টেমিস লিমিটেডের সাথে প্রতারণা করে আসছিল।
• ফাতেমা তুজ জোহরা চাকরিতে থাকাকালীন কোম্পানির পুরনো এক কর্মচারীর সঙ্গে মিলে আরেকটি বিনিয়োগভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন, যা কোম্পানির NDA (Non-Disclosure Agreement) এর পরিপন্থী।
• মামলার দ্বিতীয় আসামি ইতোমধ্যে মুচলেকা দিয়ে আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত দিয়েছেন।ফাতেমা তুজ জোহরার চুরির এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অনেক এমপ্লয়ি ছিল তারাও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।
যেই এমপ্লয়ি কে ইউজ করে সে চুরির টাকা তার পারসোনাল একাউন্ট এ ডিপোজিট করত সেই ছেলেও ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।তার ভাষ্যমতে ফাতেমা তুজ জোহরা এই ডিপার্টমেন্ট এ যেই জয়েন করার পরে চুরি সাপোর্ট করত না তাকেই ভয়ভীতি দেখাতো বা যেহেতু সে ডিপার্টমেন্ট লিড করত সে তাকেই টারমিনেট করত।এতে করে আমরা অনেক অনেস্ট এমপ্লয়ি হারিয়েছি যা একটা কোম্পানির জন্য অনেক বড় ক্ষতি।

ফাতেমা তুজ জোহরা তার দায়িত্বের অপব্যবহার করে কোম্পানির আস্থা ভঙ্গ করেছেন এবং আর্থিক ও মানহানিকর কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন।
বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আছে, এবং আমরা ন্যায়বিচারের প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখি।

মামলা চলমান মামলা নাম্বার ধানমন্ডি মডেল থানা ০১(০৬)২৫.
অনেক ভিডিও রেকর্ডিং যা বিভিন্ন সময় এক্স এ।এমপ্লয়ি বা বিনিয়োগকারীরা আমাদের দিয়েছে এবং আরো অনেক প্রমান এখানে দেয়া হলো না।যদি সে চুরির টাকা ফেরত না দেয় এবং আর একদিন আমাদের কোনো হারাজমেন্ট করে সবকিছু পাবলিকভাবে এক্সপোজ করা হবে।

সুমনা শারমিন
ফাউন্ডার The Thread Story

অনেক দিন পর আবারও রিস্টক হয়েছে আমাদের মোস্ট সেলিং ওয়ানপিস।  ডিটেইলস সহ পিক আসছে খুব তাড়াতাড়ি 🎀             ゚            ...
03/10/2025

অনেক দিন পর আবারও রিস্টক হয়েছে আমাদের মোস্ট সেলিং ওয়ানপিস।

ডিটেইলস সহ পিক আসছে খুব তাড়াতাড়ি 🎀





#সিল্ক_বাটিক


#শাড়ি





🔥🔥🔥
28/09/2025

🔥🔥🔥

Address

Bashundhara Residential Area
Dhaka
1229

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MIMS By Mim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share