04/10/2022
**খুবই মূল্যবান একটি পোস্ট**
সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখতে পারেন । ঐ দিনটা বারাকাময় হয়ে যায় ।
সারাদিনে আপনার কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করুন নামাজের জামাতের সময়টা টার্গেট করে, কাজে বারাকা পাবেন । আমরা উল্টোটা করি, কাজ শেষ করে নামাজে দাড়াই, দিন শেষে মনে হয় সারাদিনে কোন কাজই করা হয় নাই ।
ফরজ নামাজের পর অর্থসহ বেশি না অন্তত একটা আয়াত পড়ুন । আপনাকে বদলে ফেলার জন্য কোরআনের যেকোনো একটি আয়াতই যথেষ্ট ।
জোহরের নামাজ শেষে দশ মিনিটের জন্য হলেও মোবাইল ল্যাপটপ থেকে আলাদা হয়ে চোখ বুজে একটু রেস্ট নিন । দিনের বাকি সময়টা অন্যরকম এনারজি পাবেন ।
বড় কোন অ্যাসাইনমেন্ট, মিটিংয়ে যাওয়ার আগে দু'রাকাত নামাজ পড়ে রবের কাছে সাহায্য চেয়ে নিতে পারেন ।
বড় কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে দুই রাকাত ইস্তেখারা নামাজ খুব কাজে দেয় ।
খুব বেশি পেরেশানি আর বিপদে আকাশে মাথা তুলে প্রার্থনা করুন ।
ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব সাব্বিত ক্বালবী আলাদিনিক । কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়তে পারেন ।
সারাদিন ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার আর দরুদ । শুরুটা করে দেখুন, আপনার অজান্তেই আপনার জিব্বা তাঁর স্মরণে নাড়িয়ে রাখবেন ।
সপ্তাহে অন্তত একটা দিন রোজার প্যাকটিস করতে পারেন, সোম বা বৃহস্পতি । এটার নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উত্তম ইবাদত ।
আয়াতুল কুরসি পড়ে ডান পা আগে দিয়ে সবাইকে সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করুন । আপনার সংসারে আল্লাহর রহমত আর বরকত উপচে পড়বে ।
যদি চান একজন ফেরেশতা সারারাত আপনার সাথে থাকুক, আপনার জন্য দোয়া করুক, তাহলে অযু করে ডান কাতে ঘুমান । কম সময় ঘুমালেও মনে হবে সারারাত ঘুমিয়েছি ।
যদি চান আপনার সব ভালো চাওয়া গুলো পূরণ হয়ে যাক, যদি আপনার সব গুলো কষ্ট রবকে মন খুলে বলতে চান, তাহলে ফজরের একটু আগে অন্তত দুই রাকাত নামাজ পড়ে লম্বা সেজদা দিন, মনে হবে আপনার রবের চেয়ে এ পৃথিবীতে উত্তম আর কোন শ্রুতা নেই, আর যদি দু ফোঁটা পানি ফেলতে পারেন, এই শান্তি কি ভাষায় প্রকাশ করা যায় !
আখেরাতের জন্য ছুটে চলা মানুষগুলো দুনিয়াকে বেশি ভোগ করে, দুনিয়া প্রেমিকদের চেয়ে অনেক বেশি ।
মনে হবে কাজগুলো অনেক কঠিন । যে কাজে রূহ শান্তি পায় সে কাজ কখনই ক্লান্তিকর মনে হয় না ।
জান্নাতের ব্যাপ্তি আকাশ এবং পৃথিবী ছাড়িয়ে, সুখময় সে জীবনের শুরু আছে শেষ নেই ।