Al-Fatih

Al-Fatih An Online Platform for Women's Clothes.

04/10/2022

**খুবই মূল‍্যবান একটি পোস্ট**
সকালে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে দুই রাকাত নামাজ পড়ে বের হয়ে দেখতে পারেন । ঐ দিনটা বারাকাময় হয়ে যায় ।

সারাদিনে আপনার কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করুন নামাজের জামাতের সময়টা টার্গেট করে, কাজে বারাকা পাবেন । আমরা উল্টোটা করি, কাজ শেষ করে নামাজে দাড়াই, দিন শেষে মনে হয় সারাদিনে কোন কাজই করা হয় নাই ।

ফরজ নামাজের পর অর্থসহ বেশি না অন্তত একটা আয়াত পড়ুন । আপনাকে বদলে ফেলার জন্য কোরআনের যেকোনো একটি আয়াতই যথেষ্ট ।

জোহরের নামাজ শেষে দশ মিনিটের জন্য হলেও মোবাইল ল্যাপটপ থেকে আলাদা হয়ে চোখ বুজে একটু রেস্ট নিন । দিনের বাকি সময়টা অন্যরকম এনারজি পাবেন ।

বড় কোন অ্যাসাইনমেন্ট, মিটিংয়ে যাওয়ার আগে দু'রাকাত নামাজ পড়ে রবের কাছে সাহায্য চেয়ে নিতে পারেন ।

বড় কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে দুই রাকাত ইস্তেখারা নামাজ খুব কাজে দেয় ।

খুব বেশি পেরেশানি আর বিপদে আকাশে মাথা তুলে প্রার্থনা করুন ।

ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব সাব্বিত ক্বালবী আলাদিনিক । কাজের ফাঁকে ফাঁকে পড়তে পারেন ।

সারাদিন ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার আর দরুদ । শুরুটা করে দেখুন, আপনার অজান্তেই আপনার জিব্বা তাঁর স্মরণে নাড়িয়ে রাখবেন ।

সপ্তাহে অন্তত একটা দিন রোজার প্যাকটিস করতে পারেন, সোম বা বৃহস্পতি । এটার নফসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার উত্তম ইবাদত ।

আয়াতুল কুরসি পড়ে ডান পা আগে দিয়ে সবাইকে সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করুন । আপনার সংসারে আল্লাহর রহমত আর বরকত উপচে পড়বে ।

যদি চান একজন ফেরেশতা সারারাত আপনার সাথে থাকুক, আপনার জন্য দোয়া করুক, তাহলে অযু করে ডান কাতে ঘুমান । কম সময় ঘুমালেও মনে হবে সারারাত ঘুমিয়েছি ।

যদি চান আপনার সব ভালো চাওয়া গুলো পূরণ হয়ে যাক, যদি আপনার সব গুলো কষ্ট রবকে মন খুলে বলতে চান, তাহলে ফজরের একটু আগে অন্তত দুই রাকাত নামাজ পড়ে লম্বা সেজদা দিন, মনে হবে আপনার রবের চেয়ে এ পৃথিবীতে উত্তম আর কোন শ্রুতা নেই, আর যদি দু ফোঁটা পানি ফেলতে পারেন, এই শান্তি কি ভাষায় প্রকাশ করা যায় !

আখেরাতের জন্য ছুটে চলা মানুষগুলো দুনিয়াকে বেশি ভোগ করে, দুনিয়া প্রেমিকদের চেয়ে অনেক বেশি ।

মনে হবে কাজগুলো অনেক কঠিন । যে কাজে রূহ শান্তি পায় সে কাজ কখনই ক্লান্তিকর মনে হয় না ।

জান্নাতের ব্যাপ্তি আকাশ এবং পৃথিবী ছাড়িয়ে, সুখময় সে জীবনের শুরু আছে শেষ নেই ।

06/09/2022

বিয়ের ২১ বছর পর আমার স্ত্রী আমাকে বলল অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে বাইরে বেড়াতে ও খেতে নিয়ে যেতে। সে বলল, “আমি তোমাকে ভালবাসি, কিন্তু আমি জানি এই মহিলাটিও তোমাকে ভালবাসেন এবং তিনি তোমার সাথে একান্তে কিছু সময় কাটাতেও ভালবাসবেন।”

আমার স্ত্রী যার সাথে আমাকে বাইরে যেতে বলছিল, তিনি ছিলেন আমার মা, যিনি ১৯ বছর আগে বিধবা হয়ে গেছেন; কিন্তু আমার কাজের চাপ আর তিন সন্তানের দায়িত্বের কার...
নে শুধু কোন উপলক্ষ হলেই তার সাথে আমার দেখা হওয়া সম্ভব হত।

সেই রাতে আমি মাকে ফোন করে একসাথে বাইরে বেড়াতে ও খেতে যাওয়ার আমন্ত্রন জানালাম। তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘কি ব্যপার বাবা, তুমি ভাল আছ তো?’

আমার মা হলেন এমন একজন মানুষ যিনি গভীর রাতে ফোন কল বা আকস্মিক দাওয়াতকে কোন দুঃসংবাদ বলে আগাম আশঙ্কা করেন। মায়ের প্রশ্নে আমি বললাম, ‘ভাবছি তোমার সাথে কিছু ভাল সময় কাটাবো মা। শুধু তুমি আর আমি।’ তিনি এক মুহূর্ত ভাবলেন, তারপর বললেন, “এমন হলে আমার খুবই ভাল লাগবে বাবা।”

কাজ শেষে সেদিন যখন ড্রাইভ করে মাকে তুলে নিতে গেলাম, কিছুটা নার্ভাস বোধ করছিলাম। যখন সেখানে পৌঁছলাম, খেয়াল করলাম, তিনিও যেন এভাবে দেখা করার জন্য কিছুটা নার্ভাস। তিনি রেডি হয়ে দরজার কাছেই অপেক্ষা করছিলেন। তার চেহারা ছিল দ্যুতিময় হাসি। গাড়িতে উঠতে উঠতে তিনি বললেন, ‘আমি আমার বন্ধুদের বলেছি যে আমি আমার ছেলের সাথে বেড়াতে যাচ্ছি; তারা শুনে খুবই খুশী হয়েছে। আমাদের সাক্ষাতের বর্ণনা শোনার জন্য তারা অধীর ভাবে অপেক্ষা করছে।’

আমরা যে রেস্তোরাঁয় গেলাম, সেটা খুব দামী না হলেও বেশ ভাল আর আরামদায়ক ছিল। আমার মা আমার বাহু ধরে ছিলেন, যেন তিনি একজন ‘ফার্স্ট লেডী’। বসার পরে আমাকেই মেনু পড়ে শোনাতে হল। তিনি শুধু বড় লেখা পড়তে পারতেন। অর্ধেক পড়ে শোনানোর পর মুখ তুলে তাকিয়ে দেখলাম, তিনি তাকিয়ে শুধু আমাকে দেখছেন। তার ঠোঁটে এক নস্টালজিক হাসি। তিনি বললেন, ‘তুমি যখন ছোট ছিলে, আমাকে মেনু পড়ে শোনাতে হত।’ আমি বললাম, ‘এখন তাহলে সময় এসেছে যেন তুমি আরাম কর আর আমাকে সুযোগ দাও তোমার সেই কষ্টের প্রতিদান কিছুটা হলেও দেওয়ার।’

খেতে খেতে আমরা সাধারন নিত্যনৈমিত্তিক কথা বার্তা বললাম- বিশেষ কিছু না, জীবনের নতুন নতুন ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী একজন আরেকজনকে জানালাম। আমরা অনেকক্ষন গল্প করলাম। পরে যখন মাকে তার বাসায় নামিয়ে দিচ্ছিলাম, তিনি বললেন- “আমি তোমার সাথে আবার বেড়াতে যাব, কিন্তু দাওয়াতটা আমি দেব।” আমি রাজী হলাম।

যখন ঘরে ফিরলাম, আমার স্ত্রী প্রশ্ন করল, ‘তোমার সাক্ষাত কেমন কাটল?’ জবাব দিলাম, ‘ভীষণ ভাল, আমি যেমন ভেবেছিলাম তার চেয়েও অনেক ভাল।’

কিছুদিন পর আমার মা হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন। এটা এমন আকস্মিকভাবে ঘটলো যে তার জন্য আমার কোন কিচ্ছু করার সুযোগও হল না। কিছুদিন পর একটা খাম আসলো আমার কাছে। ভেতরে একটা সেই রেস্তোরাঁর রিসিট যেখানে মাকে নিয়ে খেতে গিয়েছিলাম। সাথে একটি ছোট্ট চিঠি, তাতে লেখা-

‘আমি এই বিলটি অগ্রিম আদায় করে দিয়েছি, জানিনা তোমার সাথে আবার সেখানে যেতে পারতাম কিনা; যাইহোক আমি দুই জনের খাবারের দাম দিয়ে দিয়েছি- একটা তোমার আরেকটা তোমার স্ত্রীর জন্য। তুমি কখনও বুঝবে না সেই রাতটি আমার জন্য কত বিশেষ ছিল। তোমাকে অনেক ভালবাসি বাবা।’

সেই মুহূর্তে আমি বুঝতে পারলাম, সময়মত ‘ভালোবাসি’ কথাটা বলতে পারা এবং প্রিয় মানুষগুলোকে কিছুটা একান্ত সময় দেওয়া কতটা জরুরী। জীবনে নিজের পরিবারের চেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই। তাদেরকে তাদের প্রাপ্য সময়টুকু দিন, কারন এগুলো কখনও ‘পরে কোন এক সময়’ এর জন্য ফেলে রাখা যায় না।

আল্লাহ যেন আমাদের সবার মাদেরকে যারা জীবিত আছেন এবং মারা গেছেন, তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাদের জন্য দয়া, ধৈর্য এবং ভালবাসা দান করেন। "রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়া-নি সগীরা"

05/02/2022

🌼 দোয়া করার নিয়ম :

১. ✅প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা করবেন:
সুরা:ফাতিহা পড়ে, আল্লাহর সুন্দর সুন্দর নাম ধরে প্রশংসা করবেন।
তিরমিজি,হাদিস নং- ৩৪৭৬

২.✅তারপর দরুদ পড়বেন;
দরুদ পড়া মানে নবী কারিম (স:) ও উনার পরিবারের জন্য জন্য দোয়া।
তিরমিজি, হাদিস নং-৩৪৭৭

এখন দোয়া শুরুঃ

৩. ✅ নিজের জন্য, মাতাপিতার জন্য ও সকল মুসলমানের জন্য একটি দোয়া পাঠ করবেন:
যেমন :رَّبِّ اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِمَن دَخَلَ بَيْتِيَ مُؤْمِنًا وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ وَلَا تَزِدِ الظَّالِمِينَ إِلَّا تَبَارًا*

উচ্চারণ: রব্বিগফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়া ওয়ালিমান। দাখালা বাইতিয়া, মু-মিনান ওয়ালিল মু-মিনিনা ওয়াল মুমিনাতি ওয়ালা তাজিদিজ্জোয়ালিমিনা ইল্লা তাবারান।
সুরা নুহ: 71:28

অর্থ: হে রব, আপনি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে, যারা মুমিন হয়ে আমার গৃহে প্রবেশ করে-তাদেরকে এবং মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে ক্ষমা করুন এবং যালেমদের কেবল ধ্বংসই বৃদ্ধি করুন।)

৪.এরপর বাহ্যিক দোয়া পড়া।
ইবনে হিব্বান-৭৬৮
যেমন: ইসমে আযম,সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত,দোয়া ইউনুছ ইত্যাদি দোয়াগুলো পড়বেন।

৫. ✅এবার মোনাজাতে আপনার সমস্যা বা রোগীর বা অন্যের সমস্যা সমাধানের জন্য দোয়া করবেন।

৬.✅ দোয়ার শেষে আবার দরুদ পড়বেন।
প্রত্যেক দুয়া ঝুলে থাকে যতক্ষণ না দরুদ পাঠ করা হয়।
তাবারানি, হাদিস নং: ১/২১

✳ কেউ যেন না বলে, হে আল্লাহ! আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন বা ইচ্ছে হলে আমাকে দিন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দু‘আ করতে হবে।
(বুখারী, মুসলিম-৬৩৩৮)

✳ তাড়া হুড়া করে দুয়া চাওয়া যাবে না।
তিরমিজী-৪৩২১

✳ দুয়া চাইবেন গোপনে, নীরবে, ভিত বিহবল চিত্তে অনুচ্চস্বরে।
(আরাফ-৫৫, মরিয়ম-৩)

এভাবে দোয়া চাওয়া হচ্ছে সুন্নতি তরীকা।

🛐 দোয়া যে কোন সময় করতে পারেন তবেঃ

🔘আযান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়ে,
🔘যাওয়াল,ইশরাক,চাশত ইত্যাদি নামাযের সময়ে,
🔘ফরয নামাজের পরে,
🔘তাহাজ্জুদের সময়
🔘 বৃষ্টির সময় ও
নামাজের সিজদার সময়।

*নোটঃ সম্ভব হলে কিছু সদাকা/দান খয়রাত করে ২ রাকাত নামাজ পড়ে তওবা করে উপরোক্ত নিয়মে দুয়া করবেন।

আলহামদুলিল্লাহ আল-ফাতিহ এর প্রোডাক্ট এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে ✨
31/01/2022

আলহামদুলিল্লাহ আল-ফাতিহ এর প্রোডাক্ট এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে ✨

আসসালামু আলাইকুম 💖📌 স্টক ক্লিয়ারেন্স পোস্ট ১০০% অথেনটিক কাশ্মীরি ও চায়না শালের কালেকশন শেষের পথে। অফার প্রাইস প্রত্যেকটি...
19/01/2022

আসসালামু আলাইকুম 💖

📌 স্টক ক্লিয়ারেন্স পোস্ট

১০০% অথেনটিক কাশ্মীরি ও চায়না শালের কালেকশন শেষের পথে।
অফার প্রাইস প্রত্যেকটি ছবির সাথে দেওয়া আছে। অর্ডার করতে ইনবক্স করুন ❤️

আসসালামু আলাইকুম 💖সুন্দরীদের সৌন্দর্যকে আরেকটু বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের সুন্দর সুন্দর শালগুলো অপেক্ষা করছে ✨
19/11/2021

আসসালামু আলাইকুম 💖

সুন্দরীদের সৌন্দর্যকে আরেকটু বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের সুন্দর সুন্দর শালগুলো অপেক্ষা করছে ✨

14/11/2021

আসসালামু আলাইকুম 💖

এই সবুজ সুন্দরীকে কার কার লাগবে ইনবক্স করুন জলদি। সুন্দরী কিন্তু বেশিক্ষণ অপেক্ষা করবে না।

10/11/2021

আসসালামু আলাইকুম 💖

নব নব শীতের আমেজে দিন কেমন কাটছে সবার? শীতের এই আমেজকে উষ্ণভাবে বরণ করে নিতে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম রঙ বেরঙের ১০০% অথেনটিক কাশ্মীরি শাল ✨

কালেকশন দেখতে চোখ রাখুন আমাদের পেইজে ❣️

30/10/2021

দুনিয়ার ছোট ছোট কষ্ট, না পাওয়ার বেদনায়,দুঃখের দিনের অস্থিরতা আর পেরেশানিতে আল্লাহর উপর আস্থা হারাবেন না। দুনিয়ার জীবন নিয়ে ডিপ্রেশনে ভোগা হতাশ হওয়া একজন মুমিনের কাজ নয়। আমাদের জন্য দুনিয়া তো পরকাল হাসিল ছাড়া আর কিছুই নয়। এখানে সব কিছু কেন আমাদের পেতে হবে? এখানেই সব কিছু কেন আমরা চাইব?

পার্থিব জীবনের দুঃখ-কষ্টগুলো খুবই সাময়িক সময়ের জন্য। চিন্তা করুন, আপনার পায়ে বিঁধা একটা ছোট কাঁটার বিনিময়েও আল্লাহ আপনার গুনাহসমূহ মাফ করে দিচ্ছেন। আর না হয় দুনিয়ার পরীক্ষাস্বরুপ বিপদ-আপদ, রোগ-শোকের বিনিময়ে আল্লাহ মুমিন ব্যক্তির জান্নাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন। দুনিয়া নিয়ে কখনো চূড়ান্ত হিসেব কষবেন না। জান্নাত হাসিলের আগ পর্যন্ত একজন মুমিনের অবকাশের কোন সুযোগই নেই। আপনি সেদিনই সফল যেদিন দুনিয়ার এসব দুঃখ-কষ্ট,সবর বিনিময়ে আল্লাহর কাছ থেকে জান্নাত হাসিল করে নিতে পারবেন। সেদিনই আপনি সফলতার চূড়ান্ত হাসি হাসবেন!

আপনি সেদিন নিশ্চয়ই অবাক হবেন, যেদিন দেখবেন আপনার দুনিয়ার প্রতিটি দীর্ঘশ্বাসের, না পাওয়া বেদনার ও সবরের বিনিময়ে আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করছেন।আপনাকে সেদিন এত এত দেওয়া হবে, আপনি হয়তো সেদিন আফসোস করবেন- ইশ! দুনিয়াতে যদি আরেকটু কষ্ট পেতাম! আরেকটু বেশি অভাব-অনাটনের সম্মুখীন হতাম! আরো পরীক্ষার মুখোমুখি হতাম! আরেকটু জেল-জুলুম, নির্যাতনের শিকার হতাম!ইশ! দুনিয়াতে আমার যদি কোন দুয়াই কবুল না হতো!

দুনিয়ার জীবনটা আল্লাহর আনুগত্যে
কোনভাবে দুঃখ- কষ্টে কাটিয়ে দেওয়াই যেনো আপনার চূড়ান্ত লক্ষ্য হয়। আপনার অন্তর সেদিনই প্রশান্ত হবে যেদিন স্বচক্ষে অবলোকন করবেন, জান্নাতে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা কি অনিন্দ্য সুন্দর নিয়ামতসমূহ আপনার জন্য প্রস্তুত রেখেছেন। আসুন আমরা পরকালের জন্য বাঁচি। জান্নাতের জন্য বাঁচি।

"বান্দা যেদিন জান্নাতে প্রবেশের অনুমতিপ্রাপ্ত হবে, যেদিন সে জান্নাতের দরোজার দিকে হাঁটতে থাকবে, সেদিন সে কি ভাববে? কি মনে হবে তার? ভাববে কত সস্তা, তুচ্ছ, নগণ্য, অর্থহীন ছিলো দুনিয়ার ঐ অল্প কিছু সময়!। এরপর থেকে তার মনে আর কোনদিন কোন পেরেশানি থাকবে না, আর কোনদিন কোন খারাপ মানুষের সাথে তার দেখা হবে না, আর কোনদিন সে মিথ্যা কথা শুনতে পাবে না, আর কোনদিন সে কারো কাছে কষ্ট পাবে না, আর কোনদিন তার মন খারাপ হবে না। তার অন্তরে সেই যে প্রশান্তির শুরু তা কোনদিন শেষ হবে না, চলতে থাকবে অনন্তকাল ধরে। এটা শুধু তাদের পুরষ্কার যারা তাদের রবের সন্তুষ্টিকে মানুষ, সমাজ, দুনিয়া সবকিছুর উপর প্রাধান্য দেয়।

©

আসসালামু আলাইকুম 💖আকর্ষণ! আকর্ষণ!! আকর্ষণ!!! অপেক্ষার পর্ব শেষ করে হাজির হলাম আমাদের নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে। ১০০% কোয়ালিটিস...
16/10/2021

আসসালামু আলাইকুম 💖

আকর্ষণ! আকর্ষণ!! আকর্ষণ!!!
অপেক্ষার পর্ব শেষ করে হাজির হলাম আমাদের নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে।

১০০% কোয়ালিটিসম্পূর্ণ কিচেন স্টোরেজ বক্স।
( 6-Grid Dry Food Dispenser )

• রেগুলার প্রাইস : ১৬৫০/-
‼️ অফার প্রাইস : ১৪৫০/- ‼️

• পাইকারি/Wholesale এও চাইলে নেওয়া যাবে।

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন ❤️

11/10/2021

আমার মা আমাকে খুব ভালোবাসে।আমাকে বোরখা পরতে দেয়না,কারণ আমি জঙ্গি হয়ে যাবো।আমি ওড়না ছাড়া চলাফেরা করি,মা নিয়মিত আমাকে পার্লারে নিয়ে যায়। বেরোনোর সময় পারফিউম লাগাতে ভুলে গেলে মা মনে করিয়ে দেয়।আমাকে কালচারাল্ড করে তুলতে পেরে মা ভীষন গর্ববোধ করে।

মা আমাকে অনেক বড় হতে দেখতে চায়।পড়া রেখে আমাকে নামাজ পড়তে দেয়না,কারণ পড়া লস হবে।পরিক্ষা থাকলে মা আমার জন্য খাবার নিয়ে আসে।সবাই যখন নামাজ পড়ে,মা আড়ালে নিয়ে গিয়ে আমাকে খাইয়ে দেয়।আমি ক্লাসে ৯০% মার্কস পাই দেখে মা খুশিতে আত্নহারা হয়।

মা আমার প্রতিভাগুলো বিকশিত হতে দেখতে চায়।
আমাকে রোজা রাখতে দেয়না,আমার ফিগার খারাপ হয়ে যাবে। স্টেজে উঠে আমি যখন আমার সুন্দর শরিরটা দুলিয়ে দর্শকদের চোখ ধাধিয়ে দি,মা জোরে জোরে হাত তালি দেয়।আমার নাচের প্রশংসা শুনে মা আঁচলে চোখ মুছে।

বাবাও আমাকে খুব ভালোবাসে।আমার বন্ধু আর কাজিনদের সাথে পিকনিকে যেতে চাইলে বাবা কখনো না করেনা। সবাই মিলে ছবি তুলে যখন আপলোড দি,বাবা তখন লাভ রিয়্যাক্ট দেয়।আমি এতো মিশুক দেখে বাবা আমাকে ভীষন আদর করে।

বাবা আমার জন্য দুহাত খুলে খরচ করে।আমি গিটার,ঘুঙুর কেনার জন্য টাকা চাইলে বাবা নিজে কিনে আনে। বাজারে গেলে আমার জন্য সবচেয়ে ভালো আর দামি জিন্স কিনে দেয়। আমি ওসব পরে যখন সবার প্রশংসা পাই,বাবা তখন বলে "ওটা আমার মেয়ে!"। বাবার চেহারাতে গর্ব ফুটে ওঠে।

বাবা আমাকে কখনো সন্দেহ করেনা।আমি লেট নাইট পার্টি করে ফিরলে বাবা আমার রুমে এসে আমাকে জেরা করেনা। আমার মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেয়।যাবার আগে আমার মতো সভ্য মেয়ের কপালে স্নেহের চুমুও দেয়।

শুধু দাদু আমাকে ভালোবাসেনা! আমাকে বন্দী রাখতে চায়। দুবেলা আমাকে কাছে বসিয়ে বোরখা পরার আর নামাজ পড়ার নসিহা দেয়। আমার তো মাত্র সতেরো চলছে। এই বয়সে কি কেউ বন্দী থাকে???

আর যখন আমি বিরক্ত হই তখন আগুন,বিচ্ছু আর সাপেদের লোমহর্ষক ঘটনা শোনায়। মা দাদুকে ধমক দিয়ে চুপ করায়। মা ভয় পায়,আমি বিগড়ে যাবো।

______________

আমার মৃত্যু হয়েছে কিছুক্ষণ হলো হলো! আমার সুন্দর শরিরটা কেমন নরম হয়ে আসছে।গলতে শুরু করেছে বোধহয়।ফেসিয়াল করা মুখ আর হেয়ার স্পা করা চুলগুলোও কেমন হয়ে যাচ্ছে।নেইলপলিশে সাজানো থাকতো যে নখগুলো সেগুলোও যেনো খসে পড়ছে। অন্ধকারের মাঝে একটু আলো দেখতে পাচ্ছি।মা বোধহয়!

মা আমাকে খুব ভালোবাসে,আমাকে বাঁচাতে এসেছে হয়তো।কিন্তু একি! এতো তাপ আসছে কোথাথেকে! আমার শরিরটা গলে যাচ্ছে তাপে তাপে। প্রতিটা লোমকুপের গোড়া দিয়ে যেন আগুন বের হচ্ছে! আহ! আমার কলিজাটা পুড়ে যাচ্ছে। আমার চারপাশে অনেক অনেক সাপ গিজগিজ করছে!পোকামাকড় আমাকে খুবলে খাচ্ছে!মা কেন আসছেনা আমাকে বাঁচাতে......?

আমি রবের অবাধ্য হলেও বাবা-মায়ের বাধ্য ছিলাম। আমাকে বাবা-মা যেভাবে বলেছে সেভাবে চলেছি,তবে কেন আমাকে দাউ-দাউ করে পুড়তে হচ্ছে?আমার নাকে মুখে সাপ-বিচ্ছু ঢুকে যাচ্ছে!
আমার হাড়গোড় ভেঙে যাচ্ছে....!!

বাবা-মা কি তবে আমাকে ভালোবাসতোনা? দাদু কি তবে সত্য ছিলো???

আমি পুড়ে যাচ্ছি! আমার কলিজাটাও পুড়ো যাচ্ছে।আমার সাথে আমার বাবা-মাকেও পোড়াও।ওরা তো আমাকে যা শিখিয়েছে আমি তা শিখেছি!আমাকে যেভাবে প্রতিপালন করেছে সেভাবে বড় হয়েছি। ওদের পোড়াও,আমাকে রেহাই দাও!

(হতে পারে এটা আমার-আপনার সন্তানদের কথা!সন্তানদের সঠিকভাবে প্রতিপালন করা বাবা-মার ওপর সন্তানের হক্ক।একবার ভেবে দেখুন,আপনার সন্তানের আগুনে ঝলসে যাওয়া চেহারাটা!সহ্য হবে তো??)

10/10/2021

১. প্রশ্নঃ আমি ধনী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অল্পতুষ্টি অবলম্বন কর; ধনী হয়ে যাবে।

২. প্রশ্নঃ আমি সবচেয়ে বড় আলেম (ইসলামী জ্ঞানের অধিকারী) হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, তাক্বওয়া (আল্লাহ্ ভীরুতা) অবলম্বন কর, আলেম হয়ে যাবে।

৩. প্রশ্নঃ সম্মানী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সৃষ্টির কাছে চাওয়া বন্ধ কর; সম্মানী হয়ে যাবে।

৪. প্রশ্নঃ ভাল মানুষ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপকার কর।

৫. প্রশ্নঃ ন্যায়পরায়ণ হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা নিজের জন্য পছন্দ কর; তা অন্যের জন্যেও পছন্দ কর

৬. প্রশ্নঃ শক্তিশালী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর উপর ভরসা কর।

৭. প্রশ্নঃ আল্লাহর দরবারে বিশেষ মর্যাদার অধিকরী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী আল্লাহকে স্মরণ (জিকির) কর।

৮. প্রশ্নঃ রিযিকের প্রশস্ততা চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সর্বদা অযু অবস্থায় থাকো।

৯. প্রশ্নঃ আল্লাহর কাছে সমস্ত দোয়া কবুলের আশা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, হারাম খাবার হতে বিরত থাকো।

১০. প্রশ্নঃ ঈমানে পূর্ণতা কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, চরিত্রবান হও ৷

১১. প্রশ্নঃ কেয়ামতের দিন আল্লাহর সাথে গুনামুক্ত হয়ে সাক্ষাৎ করতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জানাবত তথা গোসল ফরজ হওয়ার সাথে সাথে গোসল করে নাও।

১২. প্রশ্নঃ গুনাহ্ কিভাবে কমে যাবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, বেশী বেশী ইস্তেগফার (আল্লাহর নিকট কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা) কর।

১৩. প্রশ্নঃ কেয়ামত দিবসে আলোতে থাকতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, জুলুম করা ছেড়ে দাও।

১৪. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ তা’য়ালার অনুগ্রহ কামনা করি!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, আল্লাহর বান্দাদের উপর দয়া-অনুগ্রহ কর।

১৫. প্রশ্নঃ আমি চাই আল্লাহ্ তা’য়ালা আমার দোষ-ত্রুটি গোপন রাখবেন!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, অন্যের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখ।

১৬. প্রশ্নঃ অপমানিত হওয়া থেকে রক্ষা পেতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যিনা (ব্যভিচার) থেকে বেঁচে থাকো।

১৭. প্রশ্নঃ আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল (সাঃ) এর নিকট প্রিয় হতে চাই ?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, যা আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূলের (সাঃ) এর নিকট পছন্দনীয় তা নিজের জন্য প্রিয় বানিয়ে নাও।

১৮. প্রশ্নঃ আল্লাহর একান্ত অনুগত হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, ফরজ সমূহকে গুরুত্বের সহিত আদায় কর।

১৯. প্রশ্নঃ ইহ্সান সম্পাদনকারী হতে চাই!
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, এমন ভাবে আল্লাহর এবাদত কর যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ অথবা তিনি তোমাকে দেখছেন।

২০. প্রশ্নঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ! (সাঃ) কোন বস্তু গুনাহ্ মাফে সহায়তা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন,
ক) কান্না। (আল্লাহর নিকট, কৃত গুনাহের জন্য)
খ) বিনয়।
গ) অসুস্থতা।

২১. প্রশ্নঃ কোন জিনিষ দোযখের ভয়াবহ আগুনকে শীতল করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুনিয়ার মুছিবত সমূহ।

২২. প্রশ্নঃ কোন কাজ আল্লাহর ক্রোধ ঠান্ডা করবে?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, গোপন দান এবং আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।

২৩. প্রশ্নঃ সবচাইতে নিকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, দুশ্চরিত্র এবং কৃপণতা।

২৪. প্রশ্নঃ সবচাইতে উৎকৃষ্ট কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, সচ্চরিত্র, বিনয় এবং ধৈর্য্য।

২৫. প্রশ্নঃ আল্লাহর ক্রোধ থেকে বাঁচার উপায় কি?
উঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করলেন, মানুষের উপর রাগান্বিত হওয়া পরিহার কর।

আল্লাহ্ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন…।

-🤲🏻 (আমিন)
©©

Address

Malibagh
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801927651873

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Fatih posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al-Fatih:

Share