10/05/2023
প্রাই সব কিছুরই একটা ইতিহাস ঐতিহ্য রয়েছে।আজকে আমরা জানব কটন কাপড় এর ইতিহাস নিয়েঃ
ইতিহাস বলে, ইউরেশিয়ার যে অধিবাসী নরম এ তুলার চাষ এবং তা দিয়ে নিত্যব্যবহার্য পোশাক বুনতে শুরু করে, তারা ছিল মূলত সিন্ধু নদের তীরে গড়ে ওঠা হরপ্পার বাসিন্দা। সভ্যতার প্রারম্ভে আফ্রিকা থেকে এসে এরা বসতি গড়ে এ অঞ্চলে। গ্রিক ইতিহাসবিদ হেরোডটাস ৪০০ খ্রিস্টপূর্বের নিজের লেখায় উল্লেখ করেন, ‘ভারতে বন্য এক প্রজাতির গাছের দেখা মেলে, যা এক ধরনের পশম উৎপাদন করতে সক্ষম। তবে সে উল বা পশম, তার সৌন্দর্য আর গুণগত মানের দিক দিয়ে ভেড়ার লোম থেকে পাওয়া পশমের চেয়ে উন্নত, আকর্ষণীয়। আর তা দিয়ে ভারতীয়রা নিত্যদিনের পোশাক বুনে থাকে।’
শুধু হেরোডটাসের এ ভাষ্য নয়, বিখ্যাত অজন্তা গুহার ভাস্কর্যেও দেখা মেলে ভারতের তুলাচাষীদের। গুপ্ত যুগে ভারতীয়রা কার্পাস বস্ত্রকে অন্যতম অভিজাত পণ্য হিসেবে তুলে ধরার পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিমে বসবাসকারী চীন ও পার্থিয়ান অধিবাসীদের কাছে তা বিক্রি করত। আরো পশ্চিমে রোমানরা এ তুলাকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত আর দামি পণ্য হিসেবেই মনে করত। আরব অথবা পার্থিয়ান বণিকদের থেকে এ পণ্য ক্রয় করত তারা। রোমান লেখক দার্শনিক প্লিনির লেখায়ও হদিস মেলে তুলার। ভারত ও পেরুতে খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দীরও আগে থেকে তুলা ব্যবহারের কথা লেখা আছে ইতিহাসে। ইউরোপে তুলার প্রবেশ নবম শতাব্দীর দিকে আরব বেদুইনদের হাত ধরে ইতালির সিসিলিতে। সিল্কের মতোই অভিজাত পণ্য হিসেবে তুলাকে গণ্য করার পাশাপাশি ইউরোপীয়দের কাছে শৌখিন নকশার সুতি কাপড় ছিল জনপ্রিয়।
🌿ছবির এই সুন্দর ড্রেস গুলো হাতের কাজ করা হয়ছে প্রাইড কাপড় এর উপর,