BLuE n BaY

BLuE n BaY its confidential ....upcoming We have a exclusive range of products from traditional stories and personalised gifts to outdoor games.

The ''BLUE BAY'' Collection is full of confidential gifts for Kids,young,old over all ages along wih the favourites our customers love and many new and exciting design. A individual adding of fun, creative,nature and educational products.If you find any problem with any of our products we will exchange it free of cost or issue a full refund.

collectedদৃশ্যটি এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ  হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ বাজেভাবে ...
30/09/2017

collected
দৃশ্যটি এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ বাজেভাবে হারলেও লাথি মেরে কেউ স্টেডিয়ামের চেয়ার ভাঙ্গে না। সে দেশের প্রাইমারী লেভেলের ছাত্র-ছাত্রীদের হোমওয়ার্ক থাকে রোবট বানানো।

আমাদের দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ তো দূরের কথা,ঢাকার ঐতিহ্য বুড়িগঙ্গা নদীই মাছ চাষের জন্য অনুপযোগী।আমাদের গায়ে বীরের রক্ত টগবগ করে; সুতরাং দেশ হারলে স্টেডিয়ামের দু-চারটা চেয়ার আমরা ভাঙতেই পারি। সম্ভব হলে সাকিব তামিমকে স্টেডিয়ামে বসেই খেলা শিখিয়ে আসি আমরা।

প্রাইমারী লেভেলে আমরা হোমওয়ার্ক হিসেবে পেয়েছি হাতের লেখা সুন্দর করার দায়িত্ব। এস.এস.সি, এইস.এস.সিতে ভাগ্য খুব ভাল হলে বাড়ির কাজ হিসেবে পেয়েছি বোতলের দৈর্ঘ্য,প্রস্ত বের করার দায়িত্ব। বোতলের দৈর্ঘ্য,প্রস্থ মাপতে মাপতে হয়ত একদিন আমাদের মধ্যেই কেউ বোতলের আয়তন বের করা শিখবে। কিন্তু বিল গেটস,স্টিভ জবস,মার্ক জাকারবার্গের মতো কাউকে তৈরী করতে হলে
তো সেই মানের ভিত্তি চাই।

আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি ঠিক এই জায়গাতে। আমাদের ভাল কোন ভিত্তি নেই,
দিকনির্দেশনা নেই। আমরা বুয়েটে পড়ে হচ্ছি পুলিশ অফিসার,মানবিকে পড়ে হচ্ছি ব্যাংক অফিসার।পাঠ্য বিষয় এবং জবের মধ্যে যেখানে থাকসে বিস্তর ফারাক।

আমরা ঠিক জানি না কিসের জন্য আমরা হাসিমুখে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত।আমরা জানি না রাতের পর রাত,আমরা কেন পড়ার টেবিলে কাটাই।
গ্রাফ থেকে মান বের করি বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করি। আমরা ঠিক জানিনা কেন আমরা বৈমানিক হতে চাই, ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই,ডাক্তার হতে চাই।আমরা জানিনা এই বিশাল পৃথিবীতে আমাদের অবস্থানটা ঠিক কোথায়,জানি না ঠিক কিসের জন্য আগামীদিন আমরা ঘুম থেকে উঠব।

আমরা চাকুরীর পরিক্ষার জন্য মুখস্ত করি জাপানের মুদ্রার নাম কি? অথচ জানার দরকার ছিল জাপান কেন আজ পৃথিবী সেরা। আমরা মুখস্থ করি বাঘের ডাককে কি বলে? যেখানে জানার দরকার ছিল সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় আমাদের করনীয় কী?

ইংরেজী সাহিত্যে পড়াশুনা শেষ করেও আমরা বাংলা সাহিত্যের সন্ধি মুখস্ত করতে গিয়ে মুখস্ত করি পাগল+আমি=পাগলামী।
বাংলা সাহিত্যের নিগূঢ়তম রহস্য গুলো নখদর্পণে থাকার পরেও মাস্টার্স শেষ করে আমরা মুখস্ত করি ইংলিশের পার্টস অফ স্পিস।

আমরা মুখস্ত করি কোন রাজার শালার নাম কি? ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তক কে? চাঁদ কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
জাতীয় অতিপ্রয়োজনীয় জ্ঞান! একটা চাকরীর আশায় আমরা কত কিছুই না মুখস্ত করি।

সত্যিকারের জ্ঞানচর্চা এবং অধিকাংশ অফিসাররা যদি সৎ থাকত দেশ তাহলে আরো ভাল অবস্থানে থাকত।

উন্নত জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আমাদের অনেক কিছুই ছিল। আমাদের পাট ছিল,ধান ছিল,ইলিশ ছিল, চিংড়ি ছিল,গার্মেন্টস ছিল,রেমিট্যান্স ছিল,পদ্মা-যমুনা ছিল,,চিটাগাং পোর্ট ছিল,সুজলা-সুফলা উর্বর জমি ছিল,সুন্দরবন ছিল,কক্সবাজার ছিল। অভাব শুধু সৎ মানুষের। আমরা পড়ে আছি সেই মান্ধাতার আমলে। যার কারনেই আমাদের অর্থনীতির চাকা সোজা হয়ে দাড়াতে পারছে না।


আজ আমাদের দরকার ছিল সুন্দর একটি দেশ গড়ার স্পিরিট। যেই স্পিরিটটা দেশ গড়তে আমাদেরকে সামনে বাড়াতো। আমরা হতাম পৃথিবীর অন্যতম একটি সেরা জাতি।আমাদের দেশ হতো পৃথিবীর অন্যতম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দেশ।

তখন আমরা শুধু রাস্তার পাশের ড্রেনেই না,বুড়িগঙ্গায় আবার মাছকে ফিরিয়ে আনতাম। বাংলাদেশ হারলেও স্টেডিয়াম পরিস্কার করে বাসায় ফিরে পোস্ট দিতাম মাশরাফি ভাই ব্যাপার না,সামনের ম্যাচে ধরে দিবানে।

সেই স্পিরিটা প্রাইমারী হাইস্কুলের বাচ্চাদের মাঝেও ছড়িয়ে যেত। তখন তাদের হোমওয়ার্ক থাকত বাসা থেকে নতুন কিছু সৃষ্টি করে আনার।

দেশের উন্নয়নে সেই স্পিরিটের দরকার ছিল,যেই স্পিরিট নিয়ে ভুজেসিক নিক হাত পা বিহীন মানব হয়েও পৃথিবী সেরা। যেই স্পিরিট নিয়ে নেলসন মেন্ডেলা নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখত বিশ্বসেরা হওয়ার।আমাদের দরকার ছিল সেই স্পিরিটটা।

ঠিক জানি না মরার আগে বড় কিছুর অংশ হয়ে মরতে পারব কিনা, তবে সকলের কাছে দাবী করতেই পারি আমরা সবাই যেন বড় কিছুর অংশ হয়েই পৃথিবী ত্যাগ করার স্বপ্ন দেখি। সেই স্পিরিটটা তখন অবশ্যই দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।

দেশ তখন অবশ্যই এগিয়ে যাবে..............

কালেক্টেড

যারা খেলাটি বোঝেন... . তারাই উওর দিবেন..........................     ......নীল গুটি দিয়ে....কয়টা সবুজ গুটি খাওয়া যাবে......
13/06/2017

যারা খেলাটি বোঝেন... . তারাই উওর দিবেন.......................... ......নীল গুটি দিয়ে....কয়টা সবুজ গুটি খাওয়া যাবে....???

11/04/2017

এক লোক তার
বউকে SMS
করছিল!!
কিন্তু ভুল বশত সেই
মেসেজটি চলে গেলোএক
বিধবা মহিলার
কাছে।।
সেই বিধবা মহিলার
স্বামী মাত্রই
গতকাল
মারা গিয়েছেন।।
যাই হোক,
মহিলা মেসেজটি খুললেন,পড়লেন,
এবং সাথে সাথে অজ্ঞান
হয়ে মাটিতে পড়ে গেলেন!!
কি লেখা ছিল সেই
মেসেজে??
মেসেজে লেখা ছিলঃ
আমার প্রিয় বউ!!
আমি ঠিকঠাক
মতইপৌঁছেছি!!
আমি জানি তুমি আমার
কাছ
থেকে মেসেজ
আশা করনি!!
এখানে আজকাল
মোবাইল
ফোন এসে পড়েছে!!
আমি আসার
সাথে সাথে তারা আমাকে একটি মোবাইল
ফোন গিফট করেছে!!
সেই মোবাইল থেকেই
আমি তোমাকে মেসেজ
পাঠালাম!!
তুমি জেনে আরো খুশি হবে যে,
তারা সবাই
এখানে তোমার
জন্য
অপেক্ষা করছে!!
আশা করা যায়, কাল-
পরশুর
মধ্যেই তুমিও
চলে আসবে!!
আশা করি তোমার
যাত্রাও
হবে আমার মত সুখের!!
তোমার অপেক্ষায়
রইলাম!!
- ইতি, তোমার প্রিয়
স্বামী!

ঘটনা ঘটেছিল এই আপুটির সাথে! পড়ে দেখেন সবাই!প্রথম ছবিটা আমার এক্সিডেন্ট হওয়ার ঠিক ২মিনিট আগে। মানে আমি যদি ৩০শে ডিসেমবার ...
25/02/2017

ঘটনা ঘটেছিল এই আপুটির সাথে! পড়ে দেখেন সবাই!

প্রথম ছবিটা আমার এক্সিডেন্ট হওয়ার ঠিক ২মিনিট আগে। মানে আমি যদি ৩০শে ডিসেমবার মারা যেতাম তাহলে সবাই বলতো সেলফি তুলতে যেয়েই অসাবধানতার ফলে রিকশার চাকায় ওড়না পেঁচায়ে মারা গেছে। দোষটা আমার ঘাড়েই আসতো। ঘটনাটা কেরানীগঞ্জ আমার নানু বাড়ির কাছেই ঘটছে।
আমার পাশে আম্মুর বান্ধবি (লাভলি খালামনি) আর তার মেয়ে বসা। ঘটনাটা ঘটার ১মিনিট আগেও আমার ওড়না চেক করলাম, ঠিকঠাক মতোই ছিলো।
ব্যাগে মাত্র মোবাইলটা রাখলাম অমনেই ওড়নায় হালকা টান লাগলো। ঢাকায় একবার ওড়না চাকায় পেঁচায়ে গেছিলো, তখন হালকা ব্যাথা পাইছিলাম।
তাই এবার যখন হালকা টান লাগলো তখন অমনেই আমি গলার ওড়নাটা ধরে (যেনো গলায় ব্যাথা না পাই) বললাম মামা থামান।
তারপর যে কি হইছে সেটা আমার আর কিছু মনে নাই। সাথে সাথেই অজ্ঞান হয়ে যাই।
অটোরিকশা যে এত খারাপ আগে বুঝিনাই। থামান বলার সাথে সাথেই এরা যে কত দূর চলে যায় স্পিডে এরাই যানে।

** যখন জ্ঞান আসলো মনে হইলো কোন এক জগত থেকে যেনো আমার আত্মাটা ঘুরে আসলো।মাথাটা সাথে সাথেই কেমন যেনো ঘুরালো। কানে শুধু এটাই শুনতেছি আম্মু চিৎকার করে কানতেছে আর বলতেসে ''আল্লাহ আমার পিঙ্কি আর নাই। আল্লাহ! আমার পিঙ্কি! আমার পিঙ্কি নাই''

** চোখ খুলে দেখি আমার মা টা মাটিতে লুটায়ে পড়ে আমাকে ধরে পাগলের মতো চিৎকার করে কানতেছে। আমার কাছে সব কিছু কেমন যেনো আশ্চর্য মনে হইতেছিল। ভাবতেসিলাম আম্মু মাটিতে কেন বসা!!!!!!!! আমাকে ধরেই কেন কানতেছে। তখন আমি নিজেকেও নিজে ফিল করতে পারতেছিলাম না।
আম্মু কে শুধু এটাই বললাম ''আম্মু আমি কি মরে গেছিলাম? আমি কি বেঁচে আছি?'' এই কথাটা যে আমি কেন বলসিলাম নিজেও জানিনা। মনে হইছিলো আমি অন্য কোনো দুনিয়া থেকে ফেরত আসছি।

** কে যেনো আমাকে ধরে উঠালো। তাকায়ে দেখি চারপাশে মানুষ আমাকে ভীর লাগায়ে দেখতেছে। আম্মু আর লাভলি খালামনি শিউর হয়ে গেছে আমি মারা গেছি। আমিতো আর ফাঁসির লাশ দেখিনাই কিন্তু শুনছি অনেক ফাঁসি দিলে জিহবা বের হয়ে যায়। গরু খাশি জবাই দেবার পর যেমন জিহবা বের হয়ে বাকা হয়ে কামর লেগে যায় আমারও তাই হইছে। আর আম্মুর আর্তনাদ পানি দেন, কেউ একটু পানি দেন। আমার মেয়ের গলা! আম্মু শুধু চিৎকার করতেছিল আমার মেয়ের গলা!!!!

** ওড়নাটা এমন ভাবে চাকার সাথে পেচায়েছিল যে আমি একদম গোল হয়ে রিকশার যেখানে পা রাখে সেখানে মাথা চলে গেছিলো। কোনোভাবেই ওড়না ছাড়াতে পারতেছিল না।ওড়না গলার মধ্যে ডেবে গেছিলো। লাভলি খালামনি বুদ্ধি করে রিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়াতে হালকা হইছিল ওড়নাটা নাহলে তখনতো দম বন্ধ হয়েই ছিলো কিন্তু জীবনের শেষ নিঃশ্বাসটাও ঐখানেও যেতো। আমি তখনো কোনো ব্যাথা অনুভব করতে পারতেছিলাম না। শুধু মনে হইতেছিলো জিহবা কেটে দুইভাগ হয়ে গেছে।

** গলা থেকে ওড়নাটা সরানোটাও ডিফিকাল্ট হয়ে গেছিলো কারন ওড়নাটা এমন ভাবে ফাস লাগছে গলা একদম চিকন হয়ে গেছিলো। তখন মনে হয় আল্লাহই সাথে সাথে একটা সিএনজি পাঠায়ে দিছিলো। সিএনজিতে উঠার পর শুরু হইলো আমার যন্ত্রণা। সেই মৃত্যু যন্ত্রনার বর্ণনা দেয়ার ভাষা আমার জানা নাই। কালেমা আর তউবা পরতেছিলাম অনবরত। কারণ ঐ মুহূর্তে আমি জানি কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি আর এই দুনিয়াতে থাকবনা। আম্মু কে বলতেসিলাম আমাকে নানু মামা আর আপুর পাশেই কবর দিও। আমাকে মাফ করে দিও। আমি মরে গেলে আমার দেন মহরের টাকাটা রায়হান কে ফেরত দিয়ে দিও।

** আমার মা যে কি পরিমান পাগল হয়ে গেছিলো সেটা কাওকে বলে বোঝানো যাবেনা। মা কি জিনিস সেটা সেইদিনই বুঝতে পারছি। একটা ছোট্ট শিশু বাচ্চাকে মা যেভাবে বুকে আগলায়ে রাখে আজকে ৬দিন ধরে আমার মা তাই করতেছে। হাসপাতালে নেয়ার পর অক্সিজেন ইনজেক্সন সাপোসিটার ওষুধ খাওয়ানোর ২ ঘন্টার পর মনে হইছে আমি হয়তো বেঁচে যাবো কিন্তু সারাজীবন এই কষ্ট নিয়েই বাঁচতে চাই। ২ঘন্টা আগের সেই কষ্টের চেয়ে এখনকার কষ্ট হাজার কোটি গুনে ভাল। হাত পা সারা শরির ব্যাথা। জিহবাটা দাতের কামরে ছিদ্র হয়ে গেছে।

** এখনকার কষ্টগুলো কেমন জানেন? সারাক্ষণ মনে হয় গলায় কেউ ব্লেড দিয়ে পোঁচ দিতেছে। মাঝে মাঝে মনে হয় কেউ লবন লাগায়ে দিতেছে। সারা রাত ছটফট করতে থাকি।শুতে গেলেও মনে হয় গলার ঘাড়ের রগ দা দিয়ে কাটতেছে। বসতে গেলেও টান লাগে। আম্মুর হেল্প ছাড়া উঠতেও পারিনা বসতেও পারিনা। ২৪টা ঘন্টা আম্মুকে জালাতে থাকি। বাথরুমে গেলেও আম্মু নিয়ে যায়। ভাত খাওয়া পানি খাওয়া চুল বাধা, খাটে শুয়েই শ্যাম্পু করে দেয়া কি না করতেছে আমার মা টা।
আমার এই ব্যাথা যন্ত্রণা আমি যতটুকু না ফিল করতে পারতেছি তার চেয়ে কোটি গুন বেশি ফিল করতেছে আমার মা।

** আল্লাহ আমার সব নেক হায়াত আমার মা কে দেক। সবাই আমার আম্মুর জন্য দোয়া কইরো। আমি এখন আগের তুলনাই আলহামদুলিল্লাহ্‌ অনেক ভালো আছি।

** সবাইকে বলছি ওড়নটা সাবধানে রেখে চলাচল করবেন। ভালো থাকবেন।
শেয়ার করে আপনার বোন বন্ধু মা কে দেখার সুযোগ করে দিন

Address

House No: 8, Ground Floor , Road No: 3. Nikunja/2. Khilkhet. Dhaka
Dhaka
1216

Telephone

01722393693

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BLuE n BaY posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BLuE n BaY:

Shortcuts

Share