20/05/2026
কথাগুলো অনেক জরুরি,ভাল ভাবে বিচার না হলে দিন দিন অপরাধ আরও ভয়ানক হচ্ছে এবং আরও অপরাধ দমন করা কঠিন হবে,মন খারাপ লাগছে ঐ পরিবারের জন্য সাথে বাকী পরিবারের জন্যও যাঁরা নির্মম অত্যাচারের শিকার ও যারা প্রিয়জন হারিয়েছেন।
-মাফারাসী।
স্বামী যখন ৮ বছরের বাচ্চা একটা মেয়ের গলা কাটতেসিল ঘরের মধ্যে,
বৌ তখন ঘরের দরজা আটকে বসে ছিল যাতে স্বামী ঠিকমতো বাচ্চা মেয়েটাকে খুন করে পালায় যাইতে পারে,
প্রতিটা রেপ, প্রতিটা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সেই এসব "সাপোর্টিভ" মা বোন বা বৌদের আমরা দেখতে পাই,
যারা পুরুষতন্ত্রকে পুরুষের মতো করেই সার্ভ করে যাইতেসে।
এসব নিয়েও আমাদের কথা বলা উচিত।
ছেলেরা কেন শিক্ষিত এবং পার্সোনালিটি ওয়ালা মেয়েদের ভয় পায়?
কারণ, এখানে মেয়েটা পার্সোনালিটি সম্পন্ন হইলে স্বামীর রেপ আর খুনে হেল্প না করে, স্বামীকে পুলিশে দিত।
সমস্যা হইলো, ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করা বহু মেয়েও এই কাজটাই করত।
আমাদের অশিক্ষা, আমাদের গোঁড়ামি এমন এক পর্যায়ে গেছে যে এইখানে স্বামী যাতে রেপ করতে পারে, স্ত্রী সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
ছেলে যাতে বৌ পেটাতে পারে, মা আর ননদ মিলে সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছে।
এইগুলা কোন সুস্থ জাতির পক্ষে করা সম্ভব না।
আমরা সবাই মিলে এক অসুস্থ জাতিতে পরিণত হয়েছি।
সমস্যাটা আইন শৃঙ্খলার না।
বিশ্বাস করেন, পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা যখন ৭ বছরের বাচ্চা একটা মেয়েকে রেপ করে মাথা কেটে রাখে আর স্ত্রী স্বামীকে পালানোর ব্যবস্থা করে দেয়,
সমস্যাটা আইনশৃঙ্খলার না।
সমস্যাটা সাইকোলজির।
"আমি তোমার বধূ, তুমি আমার স্বামী, খোদার পরে তোমায় আমি বড় বলে জানি" টাইপের কালচার আর হুজুরদের স্বামীর পায়ের নিচে স্ত্রীদের বেহেশত টাইপের ফতোয়া দিয়ে, হাজার বছর ধরে এই সাইকোলজি গ্রো করানো হয়েছে।
এই অসুস্থতা থেকে মুক্তি দিতে সারা দেশের অন্তত শিক্ষিত ছেলে মেয়েদের কাউন্সেলিং দরকার।
পুরুষরা খুব সহজে মেয়েদের জন্য সাধু হয়ে যাবে, এই আশা আমি করি না।
কিন্তু মেয়েদের তো অবশ্যই মেয়েদের জন্য থাকতে হবে।
কোন ফ্যামিলিতে পুরুষ বৌ পেটাইলে প্রথম প্রতিবাদ আসতে হবে শ্বাশুড়ির কাছে থেকে, পরের প্রতিবাদ আসতে হবে ননদের কাছে থেকে।
এইটা প্রথম ধাপ।
দয়া করে, মাস লেভেলে এই উদ্যোগগুলো নেন।
একটা দেশের সব পুরুষ খারাপ হইলেও অর্ধেক পচে।
বাট একটা দেশে, ৮ বছরের বাচ্চা মেয়েকে রেপের পর স্বামী গলা কাটতেসে আর স্ত্রী দরজা লাগাইয়া বসে আছে যাতে স্বামী ঠিকমত কাইটা পালাইয়া যাইতে হবে,
এই সমাজ তো অর্ধেক না, পুরোটাই পচে গেছে।
এই ক্যান্সার নিয়ে চলতে থাকলে আমরাও আক্রান্ত হবো।
যেই ক্যান্সার থেকে ৮ বছরের বাচ্চা মেয়ে বাঁচে না, সেই ক্যান্সার থেকে আমরাও কেউ বাঁচতে পারব না। মাইন্ড ইট।
Copied .