adori.com.bd

adori.com.bd A Quality Fashion Brand in Bangladesh.

08/08/2025
সন্ধ্যার পর শপিংয়ে গেলাম। ভিতরে যাওয়ার সময় দেখি আউটলেটের সামনে সাদা এপ্রোন পরে এক ভাই সবাইকে লিফলেট বিতরণ করতেছে। হেঁটে ...
17/03/2025

সন্ধ্যার পর শপিংয়ে গেলাম। ভিতরে যাওয়ার সময় দেখি আউটলেটের সামনে সাদা এপ্রোন পরে এক ভাই সবাইকে লিফলেট বিতরণ করতেছে। হেঁটে তার কাছাকাছি গেলে তিনি হাসিমুখে গেলে বললেন, ভাই আমি একজন ডাক্তার। আপনি মনে হয় এখান থেকে কেনাকাটা করবেন?

আমি অবাক হয়ে বললাম- হ্যা করবো। কিন্তু আপনি ডাক্তার হয়ে লিফলেট বিতরণ করতেছেন কেন?

তিনি এবার বললেন, এমবিবিএস পাশ করছি খুমেক থেকে। এফসিপিএস সার্জন- পার্ট ওয়ান। এখানে সব কোয়ালিফিকেশন লেখা আছে। শপিং যেহেতু করবেন দাম দেখলে আপনার পু...কি ফেটে যাইতে পারে। গেলে সার্জারিটা আমাকে দিয়ে করিয়েন। ঈদ উপলক্ষে ৪০% ডিসকাউন্ট চলতেছে। ঠিকানা লিফলেটে লেখা আছে। দেখা হবে ইনশাআল্লাহ।

📣📣📣আমাদের নেক্সট শিপমেন্ট আসছে দুবাই থেকে,,দুবাই শিপমেন্টের জন্য কারো পছন্দের কসমেটিক্স বা পারফিউম  অডার করতে চাইলে এখুন...
20/08/2024

📣📣📣আমাদের নেক্সট শিপমেন্ট আসছে দুবাই থেকে,,
দুবাই শিপমেন্টের জন্য কারো পছন্দের কসমেটিক্স বা পারফিউম অডার করতে চাইলে এখুনি করে ফেলুন।।
প্রি অডার চলছে আমাদের পেইজে📢📢

# # # # চাইলেই অনেক সময় দেশের বাইরে যাওয়ার সময় বা সুযোগ হয় না ,
আবার দেশের অনেক নামি দামি ব্রান্ড বা অনলাইন শপে ও আজ কাল গুলিস্তানের নকল পন্য ছেয়ে গেছে,, তাই অনেকেই ভয় পান বা চিন্তায় আছেন কোথা থেকে আপনার পছন্দের কসমেটিক্স বা পারফিউম টি নিবেন,, তাদের জন্য আমাদের এই চেষ্টা।
আপনার পছন্দের পন্যের তালিকা আমাদের দিলেই আমরা সেই পন্য গুলো তুলে দিব আপনার হাতে 💝💝

07/06/2024

ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকার নামকরণের ইতিহাসঃ

★ ভুতের গলিঃ
এখানে বৃটিশ একজন লোক থাকতেন নাম ছিল Mr. boot, তার নাম থেকে বুটের গলি, পরবর্তীকালে ভুতের গলি নাম হয়েছে।

★ এলিফ্যানট রোডঃ
পিলখানা হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যাওয়া হতো "হাতির ঝিল" এ গোসল করাতে, তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো।
সন্ধ্যের আগেই হাতির দল পিলখানায় চলে আসতো। যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ সেই কারণে এলিফ্যান্ট রোড। পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো, যার নামকরণ হোলো "হাতির পুল"

★ ধানমন্ডিঃ
এখানে এককালে বড় একটি হাট বোসতো। হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল।

★ গেন্ডারিয়া
ইংরেজি শব্দ Grand Area থেকে এসেছে, এখানে আগের দিনের অভিজাত ধনী ব্যাক্তিগন থাকত।

★ মহাখালিঃ
মহা কালী নামের এক মন্দীরের নাম থেকে হয়েছে বর্তমানের মহাখালী।

★ ইন্দিরা রোডঃ
এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ।

★ পিলখানাঃ
ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হোতো। বন্য হাতিকে পোষ মানানো হোতো যেসব জায়গায়, তাকে বলা হোতো পিলখানা। বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ।

★ কাকরাইলঃ
ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল। নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ হোলো "কাকরাইল"।

★ রমনা পার্কঃ
অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির"। মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক।
পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"।

★ গোপীবাগঃ
গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন। নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন। পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"।

★ টিকাটুলিঃ
হুক্কার প্রচলন ছিলো। হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো যেথায় সেটাই "টিকাটুলি"।

★ তোপখানাঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে।

★ পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাবাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন। পরবর্তীতে আগাখানিরা এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন, নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা।

★ বায়তুল মোকারম নামঃ
১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা-
নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার। তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্

02/06/2024

ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇

🌹সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।

🌹মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।

🌹ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।

🌹মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।

🌹গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।

🌹ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।

🌹ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।

🌹মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।

🌹ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।

🌹ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।

🌹ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন।

🌹মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।

আমার দেওয়া পোস্ট গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন আগামী দিনে আরও সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অন

আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ...
02/06/2024

আমার এক বন্ধু বিশাল শিল্পপতি। ১০ টার উপর ফ্যাক্টরি, শত কোটি টাকার উপর ব্যাংক লোন। এক মুহূর্তের জন্য শান্তি নেই। সারাদিন ব্যাস্ত দুনিয়ার পেছনে।

একদিন তাঁর অফিসে বসে গল্প করছিলাম, এমন সময় তাঁর এক কর্মচারী আসল। তার কোন কারণে কিছু টাকার দরকার। সে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল, সে অত্যন্ত অভাবি ব্যক্তি, তাঁকে সাহায্য করার জন্য।

আমার বন্ধু হেসে বলল ''যদি অভাবের কথাই বলতে হয়, এই পুরো অফিসে আমার চেয়ে অভাবি আর কেউ নেই। আমরা একটু থতমত হয়ে গেলাম। আমি বললাম 'আমাদের সবার মিলিয়ে যত সম্পদ আছে তোর একারই তার বেশি আছে।'

সে বলল তোদের একটা গল্প শুনাই। তাহলেই আমার অভাবের রহস্য বুঝবি।

এক বিশাল ব্যবসায়ি, তাঁর সবই আছে খালি শান্তি নেই। খালি হাহাকার আর টেনশান। চিন্তায় মাথার চুল একটাও বাকি নেই। সে একদিন দেখল তাঁর অফিসের পিয়ন টেবিল মুছছে আর গুনগুন করে গান গাচ্ছে।

সে পিয়নকে দেকে বলল এই যে তুমি মনে মনে গান গাও, তোমার কি অনেক সুখ, তোমার মনে কি কোন দুঃখ নেই, কোন হতাশা নেই ?

পিয়ন বলে না, হতাশা কেন থাকবে স্যার, আপনি যা বেতন দেন তাদিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমার ভালই চলে যায়। আল্লাহর রহমতে কোন অভাব নেই।

ব্যবসাইতো আরো টেনশানে পড়ে গেলেন। ওনার ম্যানেজারকে ডেকে বললেন, আমার সব আছে কিন্তু শান্তি নেই, আর ওই লোককে আমি সামান্য কয়টা বেতন দেই, সে আছে মহা সুখে, এর রহ্স্যটা কি?

ম্যানেজার বলল , রহস্য বললে বুঝবেননা। সত্যই যদি বুঝতে চান তাহলে, ওই পিয়নকে প্রমোশান দিয়ে একটা বড় পোস্টে দিন। আর তাঁকে ১০লক্ষ টাকা দিয়ে দিন। এরপর দেখুন।

ব্যবসায়ি তাই করল। এতোগুলো টাকা,আর এতবড় চাকরি, পেয়ে পিয়ন আনন্দে আত্মহারা। বাসায়ও সবাই খুশি। যেহেতু এখন অফিসার হয়ে গেছে, এখনতো আর টিনের ঘরে থাকা যায়না। কলিগরা কি মনে করবে।

প্রথমেই বাসা পরিবর্তন করে আরেকটু অভিজাত এলাকায় এপার্টমেন্টে উঠলো। দেখল, বিল্ডিং এর সবাই সন্তানকে বড় সকুলে পাঠায়, তাই বাচ্চার স্কুলওচেঞ্জ করতে হল। কিছুদিন পড় বউ ঘ্যনঘ্যন শুরু করলো সবার বাসায় কত দামি আসবাব, ফ্রিজ, টিভি, আর আমাদের বাসায় কিচ্ছু নেই। ওগুলোও কিনতে হোল। এরপর শুরু হোল বাচ্চার প্রাইভেট টিউশান, নানা রকম দাবি দাবা। আগে ঈদে একজোড়া জুতা পেয়েই সবাই কত খুশি হত, আর এখন প্রতি মাসে একজোড়া দিলেও তৃপ্তি নেই।

যেহেতু সে এখন বড় চাকরি করে , পরিবারের সবার তাঁর কাছে প্রত্যশাও অনেক। সাধ্যমত চেষ্টাকরে, তাও সবার চাহিদা মেটাতে পারেনা। আত্মীয় স্বজন বন্ধু গন তাঁকে অহংকারি ভেবে দুরে সরে গেলো।

এদিকে অফিসের সবাই ফলটা/ প্লট এ বুকিং দিচ্ছে। বৌ সারাদিন বাসায় খোটা দেয় , তোমাকে দিয়ে কিছুই হবেনা। ছেলে মেয়র ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সে চাকরির ফাকে একটা দুইটা টিউশানি করা শুরু করলো। তাতেও কিছু হয়না। নানাবিধ টেনশান আর দুশ্চিন্তায় তারো মাথার চুল আসতে আসতে কমতে লাগলো।

ব্যবসায়ি লক্ষ করলেন ব্যপারটা। উনি বললেন কি ব্যপার , তোমাকে এতো বড় প্রমোশান দিলাম, এতো টাকাদিলাম, আর এখন দেখি তুমি আগের মত আর প্রাণবন্ত নেই। ঘটনা কি?

সে বলল স্যার , কিছু দুনিয়াবি সম্পদ দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর সাথে যে এতো চাহিদা আর অভাব আসবে তাতো আর বুঝিনি। আগে আমার কিছুই ছিলনা, অভাবও ছিলনা। আর এখন যে দিকেই তাকাই , খালি নাই আর নাই। আগে আমার অভাব পড়লেও সেটা ছিল এক দুই হাজারের ব্যপার। কোন ভাবে মেটান যেত। আর এখন আমার অভাব লক্ষ কোটি টাকার। এটা মেটাবো সে চিন্তায় আমার এখন আর রাতে ঘুম আসেনা স্যার।

ব্যবসায়ি বলল, এতদিনে বুঝলাম, আমার মুল অসুখ। এক টাকার সম্পদের সাথে ২ টাকার অভাব আসে। যতই দুনিয়ার পিছনে ছুটি কবরের মাটি ছাড়া এই অভাব আর অন্য কিছু দিয়েই পূর্ণ হবে না।

#পেইজে_লাইক_দিয়ে_সাথেই_থাকুন

19/05/2024

পাখির চোখের নিজেস্ব এক দুর্দান্ত ভাষা আছে। যা বুঝতে গেলে আপনাকে ওদের মায়ায় ফেলতে বাধ্য করবে।

বদলা একদিন পেতেই হবে,,,, শিক্ষনীয় পোষ্ট সিনেমাহল থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্ছে।...
16/05/2024

বদলা একদিন পেতেই হবে,,,, শিক্ষনীয় পোষ্ট

সিনেমাহল থেকে বের হয়ে দেখি আমার ছাত্রী একটা ছেলের সাথে হাত ধরাধরি করে বের হচ্ছে। আমাকে দেখে আমার ছাত্রী চমকে গেলো। আমি কিছু না বলে চুপচাপ ওদের সামনে থেকে চলে গেলাম।

পরেরদিন যখন আমি আমার ছাত্রীকে পড়াতে যায় তখন ছাত্রীর বাবা আমার শার্টের কলার ধরে বলেছিলো, আমার এত সাহস কি করে হলো তার মেয়ের শরীরে হাত দেওয়ার আর বাজে ইঙ্গিত দেওয়ার..

আমি অবাক হয়ে ছাত্রীর বাবার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আমার নামে এই নোংরা কথাটা কে বললো.

ছাত্রীর বাবা আমার ডানগালে থাপ্পড় মেরে বলেছিলো, এই কথাটা না কি আমার ছাত্রী নিজেই বলেছে।

ছাত্রীর বাসা থেকে বের হয়ে চিন্তা করতে লাগলাম, শহরের মেয়েরা স্মার্ট হয় কিন্তু এতটা স্মার্ট হয় জানতাম না। আমার অপরাধ ছিলো আমি আমার ছাত্রীকে বয়ফ্রেন্ড সহ সামনাসামনি দেখে ফেলেছিলাম। তাই আমার ছাত্রী আমার নামে তার বাবা মার কাছে নোংরা একটা জিনিস বানিয়ে বললো যাতে ওর বাবা মা আমাকে ভুল বুঝে। আর আমি কিছু বললেও যেন বিশ্বাস না করে...

তার কয়েকমাস পর ইন্টারনেটে ৮ মিনিটের একটা ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটা আমার ছাত্রী ও তার বয়ফ্রেন্ডের। আমি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...

আমি যে মেসে থাকি সেই মেসে আমি বাদে সবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করে। সহজ কথা বলতে গেলে আমি বাদে সবার পারিবারিক অবস্থা খুব ভালো। মেসে আমার রুম মেটের ৪ হাজার টাকা হারিয়ে গেলো। সবার ধারণা হলো আমি টাকাটা চুরি করেছি কারণ আমি সেদিন কমদামের একটা স্মার্টফোন কিনেছিলাম। পাশের রুমের এক বড় ভাই তিনি জোর গলায় বললেন, উনি না কি নিজ চোখে দেখেছেন আমি আমার রুমমেট মামুনের ব্যাগে হাত দিয়েছি। আমি তখন কিছু বললাম না কারণ আমার কিছু বলার মত পরিস্থিতি ছিলো না। বড় ভাইকে সবাই খুব মানতো আমি কিছু বললেও লাভ হতো না। আমি দোকানে গিয়ে দোকানদারের হাতে পায়ে ধরে ফোনটা ফেরত দিয়ে সেই টাকাটা আমার রুমমেটকে দিলাম।

চোরের অপবাদ নিয়ে যে মেস থেকে ৫ মাস আগে বের হয়ে গিয়েছিলাম আজ সেই মেসে বড় ভাই আমাকে খবর দিয়ে নিয়ে এসেছে। সবার সামনে বড়ভাই আমার হাত ধরে বললো, পিয়াস আমায় ক্ষমা করে দিস। আমি সেদিন ইচ্ছে করে তকে চোর বানিয়েছিলাম। আসলে সেদিন টাকাটা আমি চুরি করেছিলাম।

বড়ভাইয়ের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। তার মাঝে মৃত্যু ভয় ঢুকে গেছে।

আমি বড়ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শুধু মুচকি একটা হাসি দিলাম...

শ্রাবণী তার সামনে রাখা গ্লাসটা আমার মুখে ছুড়ে মেরে বললো, তোর মত ভিখারীর কি করে সাহস হয় আমাকে এইসব বলার? তুই ভালো ছাত্র ছিলি দেখে তোর নোট পাওয়ার লোভে তোর সাথে বন্ধুত্ব করেছিলাম আর সেই তুই কি না আমাকে আজ প্রেমের প্রস্তাব দিস...

সেই শ্রাবণীর খুব বড়লোক ছেলের সাথেই বিয়ে হয়েছিলো। কিন্তু বিয়ের ৩ বছর পর সে আজ আমার সামনে বসা। শ্রাবণী তার স্বামীর বিরুদ্ধে এক একটা নির্যাতনের কথা বলছে আর আমি এস আই আবুল বাশার পিয়াস সুন্দর করে নোট করছি।

কথাবলার এক পর্যায়ে শ্রাবণী আমায় বললো, সেদিন যদি তোর প্রস্তাবে রাজি হয়ে যেতাম তাহলে আমার কপালে আজ এত কষ্ট থাকতো না।

আমি কিছু না বলে শুধু নিচের দিকে তাকিয়ে মুচকি একটা হাসি দিলাম। যে হাসির অর্থ হলো, কেউ তোমার উপর অন্যায় করলে সে তার প্রতিদান পাবেই।

আজ একটা কথা খুব মনে পড়ছে,

দুনিয়াতে মানুষ মানুষকে ক্ষমা করে দিলেও, আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতির মাধ্যমে সব হিসাব করে মানুষকে তা ফিরিয়ে দেয়..

(সংরক্ষিত)

Address

House 7, Road 21, Sector 3, Uttara
Dhaka
1230

Telephone

+8801704350807

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when adori.com.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to adori.com.bd:

Share