Naree

Naree Feel The Brand at an Affordable Price

কর্মজীবী নারী না হয়ে ঘরে থাকার কারণে যদি আপনি মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত হন যে, কি হল এত পড়ালেখা করে, নিজেকে অপদার্থ মনে হয়, ...
03/04/2025

কর্মজীবী নারী না হয়ে ঘরে থাকার কারণে যদি আপনি মনের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত হন যে, কি হল এত পড়ালেখা করে, নিজেকে অপদার্থ মনে হয়, কেউ দাম দিচ্ছে না এমন লাগে তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য। আপনার অনুভূতি আমি বুঝি।

আপনি একা নন যদিও আপনার নিজেকে খুব নিঃসঙ্গ লাগে। আপনার গৃহবন্দি জীবন চলে বাচ্চাদের ডায়াপার চেঞ্জ করতে করতে, রান্না করতে করতে, ঘর-দোর পরিপাটি রাখতে, বাচ্চাকে বড় করতে করতে।

আপনার হয়ত আরও মনে হচ্ছে চারপাশের দুনিয়া কত এগিয়ে যাচ্ছে! আপনি ঘরে ভিতরে সাধারণ জামাকাপড় পড়ে খালি পায়ে বাচ্চাকে দোল দিচ্ছেন, আর অন্যরা "আসল দুনিয়াতে" বড় বড় চাকুরি করছে, কাড়ি কাড়ি টাকা কামাচ্ছে, "সমাজে অবদান" রাখছে। আপনার নিজেকে খুব তুচ্ছ, ক্ষুদ্র লাগে।

এসব দেখতে দেখতে অনেক মা ডিপ্রেসনে ভোগেন, তারা নিজেদের অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন ভাবেন। নিজের ভিতরে চলে টানা-পোড়ন। আর বাইরের মানুষের টিপ্পনি তো আছেই, তোমার এসব কাজকর্মের কেউ দাম দিবে না, এই গুলো করে কি পাবে, কিচ্ছু হবে না, এসব অর্থহীন।

আমরা এমন একটা দুনিয়াতে বাস করি যেখানে শুধু বস্তুগত জিনিসের দাম আছে, আছে শুধু কড়কড়ে ঠান্ডা মুদ্রার দাম। অর্থ দিয়েই মূল্য মাপা হয়। যেসব কাজে কোনও বেতন নেই, নেই কোনও চেক - সেগুলোর কোনও দাম নেই।

কাজেই আপনি যদি এমন কোনও কাজ না করেন যেখানে বেতন দেয়া হয়, তাহলে আপনার আসলে কী আছে? আপনি কে? আপনি কিসের যোগ্য?

You are nothing.

কিন্তু বাস্তবে আপনি হলেন সে-ই ব্যক্তি, যিনি ঘরে থেকে বাচ্চাদের বড় করে তুলছেন ইসলামের উপর এবং তাদের চরিত্র গড়ে তুলছেন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর আদলে যেন তাদের ব্যক্তিত্ব হয় শারিকিক, মানসিক, চরিত্রগত ও মনস্তাত্ত্বিকভাবে দৃঢ় ও শক্তিশালি, একজন সত্যিকার মানুষের মত; অর্থাৎ আপনি অন্য সব কিছুর তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ, অর্থপূর্ণ, অতীব জরুরী কাজ করে চলেছে।

You are everything.

আপনার সন্তানদের কাছে আপনি-ই সব। আপনার স্বামী ও পরিবারের কাছে আপনি-ই সব। সমাজের জন্য আপনি-ই সব।

বড় বড় কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান যারা লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন দিয়ে নিয়োগ দেয়, তাদের কাছে আপনি কেবল একজন বদলযোগ্য কর্মচারী যাকে যতক্ষন খুশি রাখা যায় আবার যখন খুশি বের করে দেয়া যায়।

সন্তানদের ইসলামী জীবনে অভ্যস্থ করার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নেই।

চিন্তা করে দেখুন, ঐ লোক কত বেশি পুরষ্কার পাবে যে আরেক জনকে সালাত শিখায় অথবা কুরআন তেলাওয়াত শিখায়! অথবা কাউকে অযু করতে শিখায়! প্রতিবার আপনার সন্তান যখন অযু করবে, সালাত আদায় করবেন, কুরআন পড়বে -তার সওয়াবের একটা অংশ আপনি পাবেন। তারা বড় হয়ে যখন তাদের সন্তানদের একইভাবে শিখাবে তখন সেখান থেকেও আপনি সওয়াব পাবেন। এভাবে চলতে থাকবে।

আপনাকে এমন এক পুরষ্কার পাচ্ছেন ইসলামী শিক্ষা দিয়ে যা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে চলতে থাকবে। আপনি তো কেবল নিজের সন্তানদেরই আলোকিত করছেন না বরং পুরো প্রজন্মকেই আলোকিত করছেন। কাজেই নীচু মানসিকতার কুয়োর ব্যাঙদের "তুমি সারাদিন করোটা কী?" টাইপের কটাক্ষপূর্ণ, খোঁচা মারা মন্তব্য নিয়ে একদম ভাববেন না।

সন্তান লালন-পালনের জন্য চাকরি ছেড়ে আসা মায়েদের বর্তমান আধুনিক সমাজ কোনো সম্মান, মর্যাদা, স্বীকৃতি না দিলেও ইসলামে তাদের জন্য রয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান, মর্যাদা ও স্বীকৃতি।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর আমি মানুষকে তার পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের জোর নির্দেশ দিয়েছি। তার মাতা তাকে কষ্টের পর কষ্ট ভোগ করে গর্ভে ধারণ করেছে। তার দুধ ছাড়ানো দু বছরে হয়। নির্দেশ দিয়েছি যে, আমার প্রতি ও তোমার পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। অবশেষে আমারই নিকট ফিরে আসতে হবে”। (সুরা লোকমান, আয়াত ১৪)

সবচে’ বেশি কে আমাদের সদ্ব্যবহার ও আন্তরিকতা প্রাপ্য এমন প্রশ্নের জবাবে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন বার “তোমার মা” বলেছেন “তোমার বাবা” বলার আগে।

মুসলমান হিসেবে আমাদের মাপকাঠি হল কুরআন ও সুন্নাহ। এই দু’টো আমাদের মানদন্ড। সেকুলার মর্ডানিস্টরা কি মানদন্ড বানিয়েছে তাকে আমরা থোড়াই কেয়ার করি। এদের সব মানদন্ড হল টাকার উপর নির্ভরশীল যা চরম বস্তুবাদি আর বাইরের চাকচিক্য বিশ্বাসী। সেকুলারদের ইন্দ্রিয় তৃপ্তি নির্ভর মাপকাঠি দিয়ে আমরা আমাদের যোগ্যতা, আত্মমর্যাদা মাপি না। আমাদের সবকিছুর মাপকাঠি হল ইসলাম।

আর, আলহামদুলিল্লাহ, ইসলামি মানদন্ড অনুযায়ী, আপনারা, ঘরে থাকা মা হিসেবে খুবই চমৎকার কাজ করছেন।

সমাজে আপনাদের এই অবদানের জন্য আল্লাহ আপনাকে পুরস্কার দিন এবং আপনার ভাল কাজগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান থাকুক। আমীন।

[Umm Khalid এর একটা মাস্টারপিসের দুর্বল অনুবাদ]

© সংগৃহীত

রোজার দিনে দু'হাত তুলে দুয়া করলাম...ম.রার আগে এর শা.স্তি ভোগ করে ম.রিস...!!
08/03/2025

রোজার দিনে দু'হাত তুলে দুয়া করলাম...ম.রার আগে এর শা.স্তি ভোগ করে ম.রিস...!!

23/02/2025

বর্তমানে বাংলাদেশে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে নিজেকে কতটা সেফ মনে করেন?

ইদানিং নাসরিন ঘন ঘন টক খাচ্ছে। এইতো আজ সকালেও গাছ থেকে তেতুল পেড়ে কাঁচা মরিচ মাখিয়ে ভর্তা বানিয়ে খেলো। আবার দুপুরে টমেটো...
19/02/2025

ইদানিং নাসরিন ঘন ঘন টক খাচ্ছে। এইতো আজ সকালেও গাছ থেকে তেতুল পেড়ে কাঁচা মরিচ মাখিয়ে ভর্তা বানিয়ে খেলো। আবার দুপুরে টমেটো দিয়ে টকের ঝোল রান্না করল। নাসরিন ভাত খেলো না, শুধু টকের ঝোল খেলো। এখন বিকালে উঠানে বসে শাশুড়ীর বানানো বরই এর আচার খাচ্ছে।

ব্যাপারটা শশুর ইদ্রীর আলীর নজরে পড়ল। ইশারায় স্ত্রী জাহানারা বেগমকে দেখালেন। জাহানারা বেগমের বুক থেকে দীর্ঘ শ্বাস বেরোলো। তিনি তার মেয়েকে রাবেয়াকে ডাকলেন। জিজ্ঞেস করল “হতচ্ছাড়াটা কি এসেছিল?”

রাবেয়া জানে হতচ্ছাড়া বলতে মা কাকে বুঝিয়েছেন। রাবেয়া চোখ ছোট করে মায়ের দিকে তাকিয়ে উলটা প্রশ্ন করল “তোমার এ কথা কেন মনে হলো?”

মা উত্তর দিলেন “আশেপাশে ঠিকমতো নজর বুলালে ঠিকই টের পেতি।” মায়ের চোখের কোনে পানি। তিনি চলে গেলেন। “ঠিক আছে মা, আমি খোজ নিচ্ছি।” পেছন থেকে রাবেয়ার কন্ঠ শোনা গেল।

সন্ধ্যা নামতেই পুরো গ্রামটা যেন বদলে যায়। সারাদিনের কোলাহল, মাঠে কৃষকের ডাক, নদীর ধারে কিশোরদের হইচই—সব মিলিয়ে যে প্রাণচাঞ্চল্য ছিল, সন্ধ্যার আস্তরণে তা ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসে।

পশ্চিম দিগন্তে সূর্যটা রক্তিম আভা ছড়িয়ে ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়। আকাশের রঙ কমলা থেকে বেগুনি হয়ে গাঢ় নীলের দিকে যেতে থাকে। মৃদু বাতাস বয়ে যায়, গাছের পাতাগুলো হালকা দুলে ওঠে, যেন দিনের শেষ আলাপে ব্যস্ত তারা।

মসজিদের মিনার থেকে ভেসে আসে মাগরিবের আজান। সে শব্দে গ্রামের বাতাস পবিত্র হয়ে ওঠে। বাড়ির উঠোনে মা-দাদিরা প্রদীপ জ্বালেন, কেউ কেউ হারিকেন ধরিয়ে দেন বারান্দায়। আলো-আঁধারির খেলায় পুরো গ্রামটা তখন এক রহস্যময় সৌন্দর্য ধারণ করে।

পাড়ার মেঠোপথ ধরে গরুর পাল ফিরে আসে গোয়ালে। দূর কোথাও বাঁশবাগানের মধ্যে শিয়ালের ডাক শোনা যায়, ঝোপের মধ্যে ঝিঁঝিঁ পোকার ক্রমাগত ডাক সন্ধ্যার নীরবতাকে আরও গভীর করে তোলে। বাড়ির উঠোনে বসে মুরুব্বীরা গল্প বলতে শুরু করেন, আর শিশুরা গোল হয়ে বসে সে গল্প শোনে বিস্ময়ের চোখে।


এখনকার আলোচনার বিষয় হেফাজতের ৫ই মে’র শাপলা চত্বরের ঘটনা। ৬ মাস আগে এই গ্রামের মাদ্রাসার ৩৪ জন ছাত্র শিক্ষক শাপলা চত্বরে গিয়েছিল। সেখান থেকে ফিরেছে মাত্র ৮ জন। আসার পরে তাদেরকে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা ইচ্ছামত পিটিয়েছে, তারপর তাদেরকে বিভিন্ন নাশকতার মামলায় পুলিশে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। শাপলা চত্বরে যাওয়া বাকী ২৬ জনের মধ্যে ১৬ জনের খোজ পাওয়া গেছে। তারা গোপনে বাড়ীর লোকজনের সাথে যোগাযোগ করছে কিন্তু মামলার ভয়ে কেউ গ্রামে ফিরতে পারছে না। বাকী ১০ জনের কোনো হদীস নেই। কেউ বলছে তারা সীমানা পাড়ি দিয়ে ভারত হয়ে আফগানিস্তানের উদ্দেশ্যে চলে গেছে। কেউ বলছে তাদেরকে মে’রে ফেলা হয়েছে। লাশ যাত্রাবাড়ীর ভাগাড়ে ফেলে দেয়া হয়েছে। কেউ বলছে তাদেরকে এরেস্ট করে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

এই ১৬ জনের একজন হচ্ছে মাওলানা ইদ্রীস আলীর একমাত্র ছেলে মাওলানা আব্দুস সালাম। ছেলেটা গ্রামের মাদ্রাসার শিক্ষক। তার নেতৃত্বেই এই গ্রামের মাদ্রাসা থেকে বেছে বেছে সিনিয়ার ছাত্র ও শিক্ষকদের ৩৪ জনের একটা দল ঢাকায় হেফাজতের প্রোগ্রামের গিয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল একটাই- শাহবাগে যে ইসলাম বিরোধী শক্তি সরকারের সহযোগীতায় একের পর এক নবী রসূল (সাঃ) বিরোধী কাজ কারবার করছে তার সমূলে উৎপাটন করা। আজীবন রাজনীতিকে অপছন্দ করা এই লোকগুলো জানতো না যে এদের কপালে কী লেখা আছে। মাওলানা আব্দুস সালাম হেফাজতের ঘটনার পর থেকে গ্রামে ঢুকতে পারছে না। দূর থেকেই যোগাযোগ রাখছে। সে চেস্টা করছে ঢাকার কোনো মাদ্রাসায় চাকরি নেয়ার। কিন্তু পরিচিত মাদ্রাসা গুলো পুলিশ এসে বন্ধ করে দিয়েছে।

রাতের খাবারের পর রাবেয়া তার ভাবির কাছে এলো। মে মাস থেকে সে ভাবির সাথেই ঘুমাচ্ছে। রাবেয়ার মা রাবেয়াকে কিছু কথা বলেছে যার কারণে ভাবির সাথে রাবেয়ার কিছু কথা বলার দরকার।

“ভাবি” কিছুক্ষণ চুপ থেকে রাবেয়া বলল “একটা কথা জিজ্ঞেস করব?”

“কী বলবি বল।” নাসরিনের উত্তর।

“ভাইয়া কি এসেছিল?” রাবেয়া কন্ঠ নামিয়ে ভাবিকে প্রশ্ন করল।

দূরে কিছু ঝি ঝি পোকা ডাকছিল। রাবেয়ার প্রশ্ন শুনে মনে হচ্ছে তারাও চুপ হয়ে গেছে।

“জ্বী এসেছিল” নাসরিন কন্ঠ আরো নীচু করে উত্তর দিল।

“কবে এসেছিল? কোথায় এসেছিল?”

“বাড়ীর পাশেই এসেছিল।”

“মানে আমার প্রশ্ন সেখানে না। তুমি ইদানিং ঘন ঘন টক খাচ্ছো। মায়ের ধারনা তিনি হয়তো দাদী হতে চলেছেন…”

“মায়ের ধারনা সঠিক” নাসরিনের উত্তর

“তাহলে? কিভাবে কী? তোমরা…”

নাসরিন বুঝে গেল তার ননদ কী জানতে চাচ্ছে। সে উত্তর দিল “আমরা বাড়ীর পেছনের জঙ্গলে দেখা করি।”

“ভাইয়া কি বাড়ীতে আসে নি?”

“না”
“তাহলে?”

“আমরা ঐ জঙ্গলেই… আসলে অনেকদিন পর দেখা, কেউ নিজেকে সামলাতে পারিনি। এছাড়া বাড়ীতে আসা খুবই রিস্কি।”
২০১৪ সালের কোন এক দিনে মাওলানা আব্দুস সালাম পিতা হন কিন্তু তিনি সন্তানের চেহারা দেখতে পারেন নাই।

মাওলানা আব্দুস সালাম এরপরে ৬ মাস যোগাযোগ রেখেছিল। সে যাত্রাবাড়ীর একটা মাদ্রাসায় চাকরি করত। কিন্তু সেইফটির কারণে কাউকে ঠিকানা বলেনি। হঠাৎ একদিন মাদ্রাসায় পুলিশ এসে মাওলানা আব্দুস সালাম সহ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায়। থানা পুলিশ র‍্যাব অফিসে যোগাযোগ করেও তার কোন হদীস মেলেনি। সম্ভবত তার বাড়ীর লোকজনের ফোন ট্র্যাকিং করে আব্দুস সালামকে ধরা হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিক। চোখ বন্ধ করে রং মিস্ত্রী রবিউলকে একটা রুমে আনা হয়। তাকে বলা হয় “কিছু রুম রং করতে হবে। এজন্য ভালো টাকা দেয়া হবে। তবে গোপনীয়তার স্বার্থে তার চোখ বেঁধে নেয়া হবে আবার তাকে ফিরিয়ে আনা হবে। রং মিস্ত্রী রবিউল মিয়ার টাকার দরকার। এর আগেও এই স্যারদের অনেক কাজ রবিউল মিয়া করেছিল। তাই চোখ বাঁধার কথায় কিছু মনে করেনি। তার টাকা পেলেই হয়।

চোখ খুলে রবিউল মিয়া দেখে তাকে ৩ টা রুম রং করতে হবে। এক এক করে রবিউল মিয়া রুম গুলো আগে পরিষ্কার করল। রুমের দেয়ালে অনেক ধরনের লেখা। সম্ভবত মাছের কাঁটা দিয়ে লেখাগুলো লেখা হয়েছে। একটা রুমের দেয়ালের অংশ রং করতে করতে রবিউল মিয়ার চোখে পড়ল একটা আরবি ও বাংলা লেখায়। রবিউল মিয়া আরবি বোঝে না তবে বাংলা ঠিকই বোঝে। সেখানে লেখা আছে “নাসরিন, তোমার সাথে যেন জান্নাতে দেখা হয়।” পাশে একটা নাম লেখা, নামটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না। তবে সালাম বা এ জাতীয় কিছু হবে। রবিউল মিয়া তার রং এর কাজ করে গেল।

গল্পের নাম- আয়নাঘর
লিখা: Syful Islam

Qalbun Saleem - قلب سليم

আপনি কি কখনো রিকশাভাড়া দিয়ে শুকরিয়া আদায় করেছেন ??কিংবা চায়ের দোকানে ৫ টাকার বিল দেওয়ার পর বলেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ...
10/02/2025

আপনি কি কখনো রিকশাভাড়া দিয়ে শুকরিয়া আদায় করেছেন ??
কিংবা চায়ের দোকানে ৫ টাকার বিল দেওয়ার পর বলেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ, চায়ের বিল দিতে পারলাম"?
আমরা সাধারণত বড় অঙ্কের টাকা হাতে আসলে শুকরিয়া আদায় করি— বেতন পাওয়ার পর, ব্যবসায় লাভ হলে, বড় কোনো ইনকাম হলে। কিন্তু ছোট খরচের পর কি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি ??

👉 বিদ্যুৎ বিল দিয়ে কি বলি ??
👉 বাজার করার পর কি শুকরিয়া আদায় করি ??
👉 অফিসের যাতায়াত খরচ মেটানোর পর কি ভাবি ??

💠এই কথার আগে জেনে আসি জাপানের এক বিলিয়নিয়ারের গল্প!!
Wahei Takeda— তাকে "জাপানের ওয়ারেন বাফেট" বলা হয়। তিনি একজন সফল বিনিয়োগকারী এবং উদ্যোক্তা।

একবার তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, "আপনার ব্যবসার সফলতার রহস্য কী?"
তার উত্তর ছিল অদ্ভুত: "আরিগাতো মানি" (Thank You Money)।
তার অর্থ কী? তিনি বললেন— "আমি যখনই টাকা উপার্জন করি, খরচ করি, বিনিয়োগ করি— আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।"
যখন তার ব্যবসায় লাভ হতো, তিনি বলতেন:
"ধন্যবাদ, টাকা! তুমি আমাকে আরও সমৃদ্ধ করবে!"
যখন তিনি বিল দিতেন, তিনি বলতেন:
"ধন্যবাদ, টাকা! তুমি আমাকে প্রয়োজনীয় সেবা নিতে সাহায্য করেছ!"
তিনি বিশ্বাস করতেন, টাকাকে সম্মান এবং কৃতজ্ঞতা জানালে অর্থের সার্কুলেশন ভালো হয়, আয় বাড়ে, ব্যয়ের মধ্যে বরকত আসে!!
তাকে একবার জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল,
👉 "এটা কি কোনো মানসিক কৌশল?"

তিনি উত্তর দিলেন— "এটা শুধু মানসিকতা নয়, এটা বাস্তবতা।"

বিস্ময়কর বিষয় হলো, এই ধারণার আসল রহস্য আর ভিত্তি ইসলামে বলে দেয়া হয়েছে!!
আল্লাহ কী বলেছেন ??

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:
"তোমরা শুকরিয়া আদায় করলে আমি তোমাদের নেয়ামত বাড়িয়ে দেবো।" (সূরা ইবরাহীম: ৭)
এই একটি মূল সূত্র যদি আমরা সত্যিকারভাবে বুঝতে পারতাম, তাহলে আমাদের জীবন বদলে যেত!!
মুসলিম হিসেবে আমরাতো আর টাকা বা কোন বস্তুকে ধন্যবাদ দেবো না, বরং সমস্ত প্রশংসা ধন্যবাদ আল্লাহ তায়ালাকে দেবো!!

কল্পনা করুন—
💠বেতন পাওয়ার পর "আলহামদুলিল্লাহ, আমি এই মাসেও আয় করতে পেরেছি!"
💠ব্যবসায় লাভ হলে "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ আমার রিজিক বাড়িয়েছেন!"
💠বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার পর "আলহামদুলিল্লাহ, আমি বিদ্যুৎ বিল দিতে সক্ষম হয়েছি!"
💠দোকানে ৫ টাকা খরচ করার পর "আলহামদুলিল্লাহ, আমি এই টাকা ব্যয় করতে পেরেছি!"
💠ছোট বড় যেকোন লেনদেন, আয় বা ব্যয়ে "আলহামদুলিল্লাহ"।

ব্যয়ের মধ্যেও বরকত ??
আমরা প্রায়ই মনে করি— "শুধু আয় বাড়লেই ভালো হবে!" কিন্তু আয় যদি বাড়ে, ব্যয়ের সাথে বরকত না আসে, তাহলে টাকা কোথায় চলে যায় বুঝতেই পারি না!

✅ কেউ লাখ টাকা আয় করেও ঋণগ্রস্ত থাকে,
✅ কেউ কম আয়েও শান্তিতে জীবন কাটায়।
এটাই বরকতের রহস্য!!

Wahei Takeda-এর Thank You Money-এর দর্শন আসলে ইসলামের শুকরিয়া আদায়ের নীতিরই একটি বাস্তব প্রয়োগ!!

আজ থেকেই কৃতজ্ঞতা শুরু করুন!!
💖প্রতিটি আয় ও ব্যয়ে আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করুন।
💖ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ আয়ের মধ্যে ও ব্যয়ের মধ্যে বরকত বাড়িয়ে দেবেন!!
💖আপনার অর্থনৈতিক বাস্তবতা পরিবর্তন হতে শুরু করবে!!

সবকিছুর জন্যই "আলহামদুলিল্লাহ"। সংগৃহীত md-saiful-hossain পোস্ট।

সময়ের স্রোত কেয়ামতের দিকে ধাবিত হচ্ছে, এক মুহূর্তের জন্যও থেমে নেই। এরই মাঝে আলহামদুলিল্লাহ, অনেক দ্বীনি ভাই-বোন সঠিক প...
02/02/2025

সময়ের স্রোত কেয়ামতের দিকে ধাবিত হচ্ছে, এক মুহূর্তের জন্যও থেমে নেই। এরই মাঝে আলহামদুলিল্লাহ, অনেক দ্বীনি ভাই-বোন সঠিক পথে ফিরে আসছেন। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, এর পাশাপাশি ফিতনার জোয়ারও বেড়ে চলেছে, যেন আকাশ ছুঁতে চায়। চ্যাটজিপিটিও এই ফিতনার অন্তর্ভুক্ত— আল্লাহুম্মা হ্ফাজনা!

আমি এমন অনেক ভাইকে দেখেছি, যারা চ্যাটজিপিটির কাছে ধর্মীয় মাসআলা জিজ্ঞেস করেন, এবং তা নির্দ্বিধায় গ্রহণও করেন। কিন্তু এই পদ্ধতির যৌক্তিকতা নিয়ে তাদের চিন্তা ভাবনা প্রায় শূন্য বলা চলে। তাদের যুক্তি একটাই— চ্যাটজিপিটি অনলাইন জগৎ ঘুরে আপনার জন্য সেরা উত্তরটি খুঁজে বের করে।

কিন্তু, ভাই! একটু ভেবে দেখেন, চ্যাটজিপিটির আসল কাজ কী? এটি ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ব্লগ, ফোরাম ও প্রবন্ধ বিশ্লেষণ করে উত্তর তৈরি করে। কিন্তু অনলাইনের তথ্য তো কোনো নির্দিষ্ট মাজহাব বা নির্ভরযোগ্য আলেমদের একচেটিয়া নয়। এখানে হানাফি, মালিকি, শাফেয়ি, হাম্বলি, সালাফি, সুন্নি, (কা*ফে*র) কা*দি*য়ানি— সকল মতাদর্শের লেখা রয়েছে। আপনি যদি হানাফি হয়ে থাকেন, আর চ্যাটজিপিটি যদি কাদিয়ানিদের ফতোয়া আপনার সামনে উপস্থাপন করে, তাহলে হয়তো আপনি তা বুঝতেও পারবেন না, বরং তা গ্রহণও করে ফেলতে পারেন।

আরো ভয়ংকর বিষয় হলো— একই প্রশ্ন দুইবার করলে চ্যাটজিপিটি দুই রকম উত্তর দিতে পারে। একবার বলবে, "এটি জায়েজ," আবার কিছুক্ষণ পর বলবে, "এটি নাজায়েজ।" কেন এমন হয়? কারণ, প্রথমবার হয়তো হানাফি ফতোয়া দেখিয়েছে, দ্বিতীয়বার মালিকি মাজহাবের ব্যাখ্যা দিয়েছে। ফলে আপনি দ্বিধাগ্রস্ত হবেন, মনে সংশয় সৃষ্টি হবে, এবং একসময় সত্য-মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করাটাই কঠিন হয়ে উঠবে।

আসলে চ্যাটজিপিটি এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছে যে, এর প্রধান লক্ষ্য "ব্যবহারকারীকে সন্তুষ্ট রাখা," সত্যকে উপস্থাপন করা নয়। অথচ দ্বীনের ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান, সন্তুষ্টি নয়।

তাই, কোনো মাসআলা জানা প্রয়োজন হলে, অভিজ্ঞ ও যোগ্য আলেমদের শরণাপন্ন হন। নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিভাগ বা মুফতির কাছে প্রশ্ন করেন। কারণ, দ্বীন কোনো খেলনা নয়, এটি জান্নাত ও জাহান্নামের প্রশ্ন!

আল্লাহ আমাদের সকলকে সত্য বুঝার ও মানার তাওফিক দান করুন। আমিন।

এ যেন এক নতুন ফেতনা!
—সজিবুল ইসলাম।

28/01/2025

একজন নারী রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে তার স্বামীর বিষয়ে অভিযোগ করলেন। তিনি বললেন যে, তার স্বামী অনেক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানান এবং তাদের জন্য বারবার খাবার প্রস্তুত ও তাদের আপ্যায়ন করতে করতে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। রাসুলুল্লাহ ﷺ কোনো উত্তর দিলেন না, আর সেই নারী চলে গেলেন।

কিছুক্ষণ পরে রাসুলুল্লাহ ﷺ সেই নারীর স্বামীকে ডেকে বললেন, “আজ আমি তোমার অতিথি হবো।”

তখন সেই ব্যক্তি অত্যন্ত খুশি হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়ে তার স্ত্রীকে বললেন, “আল্লাহর রাসুল ﷺ আজ আমাদের অতিথি হবেন।”

তার স্ত্রী খুব আনন্দিত হলেন এবং অনেক চেষ্টা ও যত্ন নিয়ে যা কিছু খাবার ছিল তা দিয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর জন্য খাবার প্রস্তুত করলেন।

যখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাদের ঘরে এসে তাদের আতিথেয়তার সম্মান গ্রহণ করলেন, তখন তিনি সেই ব্যক্তিকে বললেন, “তোমার স্ত্রীকে বলো, সে যেন সেই দরজা দেখে, যেখান দিয়ে আমি এই ঘর ত্যাগ করব।”

নারী সেই দরজা দেখলেন এবং দেখতে পেলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পেছনে ঘর থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রাণী, বিচ্ছু এবং ক্ষতিকর জীব বের হয়ে যাচ্ছে। তিনি এ দৃশ্য দেখে এতটাই বিস্মিত হলেন এবং আল্লাহর মহান কুদরত উপলব্ধি করে অজ্ঞান হয়ে পড়লেন।

যখন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন রাসুলুল্লাহ ﷺ তাকে বললেন, “এটাই ঘটে যখন একজন অতিথি তোমার ঘর থেকে বিদায় নেয়। তার সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত ক্ষতি, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বিপদ তোমার ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। অতিথির প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং আপ্যায়নের কষ্ট স্বীকার করার পেছনে এটাই হেকমত।”

রাসুলুল্লাহ ﷺ আরও বলেন, “যে ঘরে বেশি অতিথি আসে, আল্লাহ সেই ঘরকে ভালোবাসেন। এর চেয়ে উত্তম ঘর আর কিছুই হতে পারে না যেখানে তরুণ ও বৃদ্ধ সবার জন্য দরজা খোলা থাকে। এমন ঘরে আল্লাহর রহমত ও বরকত নেমে আসে।”

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যখন আল্লাহ কোনো জাতির জন্য কল্যাণ চান, তখন তিনি তাদের জন্য একটি উপহার পাঠান।” সাহাবাগণ জিজ্ঞাসা করলেন, “কী ধরণের উপহার, হে আল্লাহর রাসুল?” তিনি বললেন, “অতিথি তার নিজের রিজিক নিয়ে আসে এবং গৃহের লোকদের পাপ সঙ্গে নিয়ে যায়।”

তাই, হে প্রিয়, জেনে রাখুন, অতিথি হলো জান্নাতে যাওয়ার একটি মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে, তাকে অবশ্যই তার অতিথির প্রতি উদার হতে হবে।”

[বুখারি ৫৫৬০]

আমাদের ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজের এই মহামারীর অনেকটাই ব্রিটিশদের শোষনের ফল। আমরা দক্ষিন এশিয়ানরা খুব সহজেই শরীরে চর্বি জমিয়ে...
26/01/2025

আমাদের ডায়বেটিস-হার্ট ডিজিজের এই মহামারীর অনেকটাই ব্রিটিশদের শোষনের ফল। আমরা দক্ষিন এশিয়ানরা খুব সহজেই শরীরে চর্বি জমিয়ে ফেলি এবং খুব অল্প মাসল ধরে রাখি, এটাও ব্রিটিশ শাসনের ফল। এর জন্য আমাদের রক্ত-জন্মকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।
খুব সম্ভবত ব্রিটিশরা যখন এই অঞ্চলে আসে তখন তাদের আর আমাদের গড় উচ্চতা প্রায় একই রকম ছিল। সুলতানী-নবাবী আমলে আমাদের পাতে ছিল প্রচুর মাছ, যথেষ্ট তেল, ঘি, মাখন, দুধ আর দধি। আমাদের বাড়িতে বাড়িতে ছিল প্রচুর গরু-ছাগল আর হাস-মুরগী। বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী অঞ্চল। পুরো আমেরিকা লুট করে স্প্যানিশরা যা না করতে পেরেছে, এক বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তান আর মিয়ানমার লুট করে তার অনেক বেশি করেছে ব্রিটিশরা। তাদের শিল্প বিপ্লব হয়েছে মূলত বাংলার কৃষকের রক্তে লাল পাউন্ডের ওপরে। ব্রিটিশ শাসন যখন শুরু হয় তখন সারা পৃথিবীত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাথাপিছু উৎপাদন ছিল বাংলাদেশে। প্রথম স্থানে ছিল দক্ষিণ ভারতের মহীশুর সালতানাত। মুঘলরা সারা ভারত থেকে যা খাজনা পেত তার অর্ধেক যেত এক বাংলা থেকে, এরপরেও এত সম্পদ ছিল আমাদের দেশে।
কিন্তু ব্রিটিশ শাসন শুরু হওয়ার কয়েক বছরের মধ্যে প্রথম যে বড় দুর্ভিক্ষটা ঘটে তা পৃথিবীর ইতিহাসের ভয়ংকরতম দুর্ভিক্ষগুলির একটা। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামের এই মহাদুর্ভিক্ষে মারা যায় বাংলাদেশের প্রতি তিনজনে একজন মানুষ, মোট মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় এক কোটি!!!
এরপর, ১৮৬৬ সালের উড়িষ্যার দুর্ভিক্ষ, ১৮৯৬-৯৮ সালে হওয়া বাংলার দুর্ভিক্ষে আবারো মারা যায় কয়েক লাখ মানুষ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শুরু হয় আরেক ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ, পঞ্চাশের মন্বন্তর নামের এই মহাদুর্ভিক্ষে মারা যায় ১৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ মানুষ।
এই বড় বড় দুর্ভিক্ষগুলির ফাকে ফাকে ছোট ছোট আরো প্রায় ডজনখানেক দুর্ভিক্ষ হয় বাংলাদেশে, আর ব্রিটিশ ইন্ডিয়াতে হওয়া মোট দুর্ভিক্ষের সংখ্যা ৩০+।
এই দুর্ভিক্ষগুলিতে বেচে থেকে যারা বংশবিস্তার করতে পেরেছেন, আমরা তাদেরই বংশধর।
ড. মবিন সাঈদ বলেন, স্বাভাবিকভাবেই, ভয়ানক এই দুর্ভিক্ষগুলির সারভাইভারদের মধ্যে দুইটা মেজর এডাপটেশন ঘটেছে।
১) স্টারভেশন এডাপ্টেশন
২) ট্রমা এডাপ্টেশন
স্টারভেশন এডাপ্টেশনের ফলে শরীর খাবার পাওয়ামাত্রই আগে সেটা ফ্যাটে কনভার্ট করতে চায় যাতে ফের যদি না খেয়ে থাকা লাগে, তখন ঐ ফ্যাট পুড়িয়ে শরীর যেন টিকে থাকতে পারে। আবার একই সাথে শরীর চায় যথাসম্ভব কম মাসল ধরে রাখতে। কারন মাসল ধরে রাখা কস্টলি। মাসল ক্যালরি পুড়িয়ে ফেলে, মাসল টিকিয়ে রাখতে বাড়তি প্রোটিন দরকার পড়ে। আমাদের পূর্বপুরুষ তো দুশো বছর ধরে ঠিকমত ভাতই খেতে পান নি, প্রোটিন তো অনেক দুরের কথা।
আবার, ট্রমা এডাপ্টেশনের ফলে শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কর্টিসোল ডমিনেটেড থাকে, এজন্যও আমাদের পূর্বপুরুষ ঘন ঘন কার্বোহাইড্রেট খেতে চাইতেন, আর তা সহজেই ফ্যাটে কনভার্ট করে ফেলতেন। যে যত বেশি ফ্যাট জমাতে পেরেছে তখন, তার বেচে থাকার সম্ভাবনা ছিল তত বেশি। যার মাসল মাস যত বেশি, তার দুর্ভিক্ষের সময় খাবারও লেগেছে তত বেশি। সেদিক দিয়ে একটা মোটাসোটা পরিবারের চেয়ে একটা শুকনো পরিবারের দুর্ভিক্ষে টিকে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
এই এডাপ্টেশন করে টিকে যাওয়া আমাদের শরীর তাই এখনো খুব সহজে ফ্যাট জমায়, মাসল ভেঙ্গে ফেলে, খিটখিটে মেজাজে থাকে, অলসতা করে এবং ভাত দেখামাত্রই ভাতের ওপর ঝাপিয়ে পড়তে চায়। আমাদের বুদ্ধিমত্তা গেছে কমে, আমরা হয়ে গেছি সুযোগসন্ধানী।
ব্রিটিশরা যখন চলে যায়, তখন আমরা পথের ফকির, আমাদের শরীর হাড় জিরজিরে, আর পেটে একটা পুটলির মত ভুড়ি। আমরা অলস, আমরা শারীরিকভাবে দুর্বল। আমাদের পাতের সেই ঘি ভাত উধাও হয়ে গেছে আর এর ঠিক পরপরই শুরু হয়েছে সবুজ বিপ্লব।
ব্রিটিশরা আমাদের ডায়বেটিসে আক্রান্ত হবার রিলেটিভ রিস্ক ইউরোপিয়ানদের তুলনায় ৬০০% বাড়িয়ে দিয়ে গেছে, হার্টের রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে ২৫০%।
হ্যা, আমরা টেকনোলজিক্যাল প্রগ্রেস আর ইংরেজী ভাষা পেয়েছি, কিন্তু বিনিময়ে হারিয়েছি আমাদের স্বাস্থ্য।

Collected.....

25/01/2025

• আমি এক মাসে প্রতিদিন ৫,০০০ বার ইস্তিগফার করার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। সর্বশক্তিমান আল্লাহর নামে আমি শপথ করছি, তিনি আমাকে প্রচুর সম্পদ দিয়েছেন।

• ডাক্তাররা আমাকে বন্ধ্যা বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। তারপর আমি প্রায় প্রতিদিন ৮,০০০ বার ইস্তিগফার করার প্রতিজ্ঞা করলাম এবং ধারাবাহিকভাবে ইস্তিগফার করার পরে আমি তিনটি সন্তান জন্ম দিয়েছি।
তাই বলবো, কখনো ইস্তিগফার ত্যাগ করবেন না।
:
সংগৃহীত

এই ধরনের রেপিস্ট এর চেহারা চিনে রাখুন । জায়গা : খিলগাঁও তালতলা মোড় ।সময়:১০টা।আমি তালতলা থেকে বাসার জন্য রিক্সা নিচ্ছি...
20/01/2025

এই ধরনের রেপিস্ট এর চেহারা চিনে রাখুন ।
জায়গা : খিলগাঁও তালতলা মোড় ।
সময়:১০টা।
আমি তালতলা থেকে বাসার জন্য রিক্সা নিচ্ছিলাম ১০টায় তখন এই লোকের সাথে দরদাম করছিলাম কথাপকথন ছিলো এমন-
আমি- মামা,প্রতিদিন ৫০ টাকায় আসি।
মামা - যাইতে ৫০ লাগে আসতে ৬০।
আমি তখন অন্যদিকে হেঁটে রিক্সা দেখছিলাম পরে সে ডাঁক দিয়ে বলে চলেন । উঠার পর পর বলা শুরু করল “ আপনার মতো যাত্রী আমি ছাড়ব? আপনার মতো সুন্দরী যাত্রীই তো খুজি”। আমি তখন কিছুটা আঁচ করতে পারি যে লোকটা নেশাগ্রস্থ । কিন্তু সিচুয়েশন এতোটা খারাপ আঁচ করতে পারিনাই।তখন লোকের কথা তেমন পাত্তা দিচ্ছিলাম । তবে সতর্কতার জন্য একটা ভিডিও করে রাখি এবং লাইভ লোকেশন শেয়ার করে রাখি । লোকটা একটু পরেই বলে যে আপনি যেহেতু প্রতিদিন যাতায়েত করেন আপনার নম্বরটা দেন আমি আনা নেওয়া করবো আমি বললাম দরকার নাই । পরে বলে যে কথাও বললাম কথা বলে ভালো লাগলো।আমি কোনো উত্তর দিলাম না।লোকটা আমাকে হটাৎ বলে যে আমি ইয়াবা বিক্রি করি।আগেই বলে রাখি এটা একটা মোটর রিক্সা আর সে মাত্রাত্রিক দ্রুত গতি বাড়িয়ে দিল। আমি বললাম, “আমি কী করবো তাতে ? আমাকে কেন বলছেন?”উনি জবাবে বলল,”যারা ইয়াবা খায় তাদের অনেক চাহিদা থাকে । ওইটা পূরণে ২০/৩০ হাজার টাকাও দেয়। আপনার লাগবে? আপনাকে ঐখানে নিয়ে যাচ্ছি”। আমি তখন চৌরাস্তার কাছাকাছি চিৎকার দিয়ে বললাম “এক্ষুনি রিক্সা থামান”। সে থামলো না। আমি চলন্ত রিক্সা থেকে লাফ দিলাম। সে রিক্সা থামতে বলল “১০টা টাকা দেন।” সাথে সাথে হাতে থাকা ফোন দিয়ে ছবি তুলতে তুলতে বলি তোকে আমি পুলিশে দিব। ছবি তোলা দেখে সে রিক্সা টান দেয়। কিন্তু লাইভ পিক হওয়ায় তার চেহারা চলে আসে।

আমি নামতে না পারলে আজকে আমার সাথে কী হতো আমি জানিনা। হয়তো কালকে পেপারের হেডলাইনে আমার নাম থাকত । আমার জায়গায় কালকে অন্য কারো সাথে এটা হতে পারে। সে হয়তো আমার মতো পোস্ট লিখার সুযোগটা পাবেনা। এই লোকটাকে যেখানেই পাবেন পুলিশে দিবেন । আমি নিজে যেয়ে ষ্টেটমেন্ট দিব।আর অন্যদেরকে জানায় দিবেন দয়া করে যেন এর শিকার আমি ,আপনি বা আপনার আপনজনরা না হয়।

কালেক্ট ফ্রম: রায়েশা ইসলাম আপু।

আল্লহ মাফ করুন 💔💔💔 হাত পা কাপতেছে।
🙁

18/01/2025

আমাকে এক ভদ্রলোক হঠাৎ হঠাৎ ফোন দিতেন ....... ভদ্রলোক বাংলাদেশের শীর্ষ ধনীদের একজন l আমার মতো এক অধম তার কাছে হাজার দুয়েক টাকা পেতো ....... প্রায় পনেরো বছর হয়ে গিয়েছিলো , আমি কোনোভাবেই টাকাটা গ্রহণ করিনি l

ঘটনাটা ২০০৪ এর .....

আমি তখন SSMC র 2nd year এমবিবিএস স্টুডেন্ট l

ভদ্রলোকের O level পড়ুয়া সন্তানকে Biology পড়াই l মাস গেলে চার হাজার পেতাম .... সপ্তাহে দুই দিন l বাসের হাতলে ঝুলে ঝুলে টিউশনিতে যাই l

গুলশান ১ এ ভদ্রলোকের আলিশান বাড়িতে তিনটা জাম্বু সাইজের কুকুর ছিলো - কুকুরের পিছেই খরচ হতো মাসে বিশ হাজার ( ভদ্রলোক নিজের মুখে গর্ব করে একদিন বলেছিলেন ) । আমি আত্মা হাতে নিয়ে ঐ বাসায় উঠতাম l বেরসিক কুকুরগুলো আমাকে দেখলে একটু বেশিই হইচই শুরু করতো l

Summer vacation এ ভদ্রলোক পরিবার নিয়ে মরিশাস ঘুরতে চলে গেলেন ........ আমাকে একটাবার জানানোর প্রয়োজনটুকুও অনুভব করলেন না l আমি মফিজের মতো রুটিন অনুযায়ী টিউশনিতে যাই ....... ছাত্রের খবর নাই l কিছুক্ষণ জাম্বু কুকুরগুলার ঘেউ ঘেউ ডাক শুনে ...... বিরক্ত হয়ে চলে আসি l

অতপর তারা যখন ফিরে এলেন মাসের ষোল দিন বাকী l আমি বাকী দিনগুলো দেড় ঘন্টার স্হলে আড়াই ঘন্টা করে ছাত্রকে সময় দিলাম l

মাসের শেষে বেতন পেলাম দুই হাজার ....... , ভদ্রলোক হাসিমুখে বল্লেন - ' চৌদ্দ দিন তো পড়ালে না ....... তাই অর্ধেক দিলাম ! '

আমি মন খারাপ করে বিড়বিড়িয়ে বল্লাম - ' আঙ্কেল ..... মরিশাস যাবার সময় আপনারা আমাকে ইনফর্ম করলেন না ...... , আমি সপ্তাহে দুই দিন করেই আসলাম , দারয়ানও জানেনা কবে ফিরবেন আপনারা l পরবর্তীতে আপনার সন্তানকে আমি প্রতিদিনই একঘন্টা করে বেশি সময় দিলাম l যাই হোক ........ আমি আর এই টিউশনিটা কন্টিনিউ করবো না l '

আমি চুপ করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলাম l দুই হাজার টাকার পুরোটা দিয়েই কুকুরের জন্য মাংস ..... পাউরুটি কিনে একটা চিরকুট ভদ্রলোকের দারোয়ানের হাতে দিয়ে এলাম l চিরকুটে লেখা ছিলো -

' আমার তরফ থেকে কুকুরের জন্য সামান্যতম উপহার !
শুভকামনা আপনার এবং কুকুরগুলোর জন্য l '

আমি আর কখনোই যাইনি ঐ বাড়িতে .... ভদ্রলোক তন্নতন্ন করে আমাকে খুঁজে বের করেছেন , আমার নাম্বারও কালেক্ট করেছেন l

মাঝে মধ্যে ফোন দিতেন ............ ( ইদানিং ব্লক লিস্টে তাকে ঠাঁই দিয়েছি , আমার সময় মূল্যবান এখন )

হাসতে হাসতে বলতেন - ' You make me crazy , boy ! আমার জীবনে এভাবে কেও এভাবে আঘাত করতে পারেনি l টাকাটা নিয়ে আমাকে মুক্তি দাও l '

আমি চুপ করে হেসে এভোয়েড করতাম ............! আমি কখোনোই অতীত ভুলিনা ।
আমি চোখ বন্ধ করলে আজও দেখতে পাই - কিছু কুকুর সেদিন একজন নিরীহ এবং সৎ মানুষের চেয়েও বেশি মূল্যায়িত হয়েছিলো ।

আত্মকথা :
একটা টিউশনি আর তিনটা কুকুরের গল্প -
লেখক- Asif Shaikat ( আসিফ শুভ্র )

মনে রাখবেন বেশি attitude দেখালে ভাববেন না যে উনি খুব উচ্চ শিক্ষিত। ফাঁকা কলসির আওয়াজ সবসময় বেশিই হয়।
16/01/2025

মনে রাখবেন বেশি attitude দেখালে ভাববেন না যে উনি খুব উচ্চ শিক্ষিত। ফাঁকা কলসির আওয়াজ সবসময় বেশিই হয়।

Address

Dhaka

Telephone

+8801938108001

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naree posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share