Rijik Shop

Rijik Shop আসসালামুআলাইকুম🍁

বিশ্বাস করার দায়িত্ব আপনাদের ,বিশ্বাস ধরে রাখার দায়িত্ব আমাদের।
বিশুদ্ধতাই আমাদের লক্ষ্য ।

08/01/2026

সবার সাথে তর্ক করবেন না, মাঝে মাঝে কিছু মানুষ যদি বলে মাছ আকাশে উড়ে, বলবেন অবশ্যই মাছ আকাশে উড়ে, প্লেনের গতিতে উড়ে!

08/01/2026

রাশিয়ার একজন তথাকথিত জাদুকর বা অকাল্টিস্ট (Occultist) ঝান্না কুশনির (Zhanna Kushnir)

একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে জাদুর প্রভাব এবং এর সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করেন। সেখানে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, আধ্যাত্মিক সাধনা বা জাদুর মাধ্যমে সব মানুষকে সমানভাবে প্রভাবিত করা সম্ভব হয় না।

​তিনি জানান যে, একজন প্রকৃত মুসলিমকে জাদুর মাধ্যমে প্রভাবিত করা প্রায় অসম্ভব। তার মতে, মুসলিমরা তাদের স্রষ্টার (আল্লাহর) সাথে এক অনন্য এবং সার্বক্ষণিক আত্মিক সংযোগ বজায় রাখে। তাদের নিয়মিত নামাজ এবং ইবাদত তাদের চারপাশে একটি "অদৃশ্য সুরক্ষা বলয়" (Invisible Dome) তৈরি করে।

​ঝান্না কুশনির একটি বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, যখন তিনি কোনো অমুসলিমকে নিয়ে জাদুর প্রক্রিয়া শুরু করেন, তখন খুব সহজেই সেই ব্যক্তিকে তার কল্পনায় বা 'ভিশনে' নিয়ে আসতে পারেন। কিন্তু একজন নিষ্ঠাবান মুসলিমের ক্ষেত্রে তিনি তা পারেন না। এমনকি তার সামনে সেই ব্যক্তির ছবি থাকলেও তিনি তার অবয়ব বা অস্তিত্বকে আধ্যাত্মিকভাবে স্পর্শ করতে পারেন না। তার কাছে মনে হয়, সেই ব্যক্তিটি যেন অদৃশ্য হয়ে গেছেন বা কোনো এক শক্তিশালী দেয়ালে ঢাকা পড়ে আছেন।

​তিনি স্বীকার করেন যে, একজন মুসলিমের ওপর জাদু প্রয়োগ করতে গেলে তিনি বারবার বাধাগ্রস্ত হন। কোনো এক অদৃশ্য শক্তি তার জাদুকরী প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে দেয় না। উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে তিনি নিশ্চিত করেন যে, এই বিশেষ সুরক্ষা এবং অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টি তিনি প্রধানত মুসলিমদের ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করেছেন।

সূরা নাহল-এর ৯৯ নম্বর আয়াতটি এই ঘটনার একটি শক্তিশালী আধ্যাত্মিক ব্যাখ্যা প্রদান করে:

​اِنَّہٗ لَیۡسَ لَہٗ سُلۡطٰنٌ عَلَی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا وَ عَلٰی رَبِّہِمۡ یَتَوَکَّلُوۡنَ



"নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং তাদের রবের উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করেছে, তাদের ওপর শয়তানের কোনো আধিপত্য নেই।" (সূরা আন-নাহল: ৯৯)

​ইসলামি আকিদা অনুযায়ী, নামাজ, জিকির এবং আল্লাহর ওপর অবিচল বিশ্বাস শয়তানি শক্তির বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় ঢাল হিসেবে কাজ করে। এই সাক্ষাৎকারটি সেই চিরন্তন সত্যেরই একটি সমসাময়িক বাস্তব স্বীকৃতি।

​এই ভিডিওটি মূলত রাশিয়ান ভাষায় ছিল, যা পরবর্তীতে ইংরেজি ও বাংলা সাবটাইটেলসহ ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।

06/01/2026

একটা রিল দেখলাম। যে রিলটা বানিয়েছে সে কোন সাইকোলজিস্ট বা সাইকিয়াট্রিস্ট না। কিন্তু থিমটা আমার অসাধারন লেগেছে। সে বলছে ভালোবাসা মানে হচ্ছে 'রিলেটিভ এক্সপেন্স'।

জিনিসটা সহজ করে বুঝানোর জন্যে সে বলেছে যে, ধরে নিন আপনি ইলন মাস্ককে ডেট করছেন। সে আপনাকে একটা ফেরারি গিফট করলো। এখন এইটা কিন্তু তার হাই লেভেল অফ এফোর্ট না। কারন তার মোট সম্পত্তির সাথে তুলনা করলে আপনাকে একটা ফেরারি দেয়া মানে আপনাকে একবেলা ম্যাকডোনাল্ডস এ খাওয়ানো। কিন্তু তার হাই লেভেল অফ এফোর্ট তাইলে কী? তার হাই লেভেল অফ এফোর্ট হচ্ছে যদি সে তার সময় থেকে একটা পুরা দিন আপনার সাথে কাটায়। কারন টাইম হচ্ছে তার scarcity. তার সম্পদ infinite কিন্তু টাইম finite.

একই ভাবে আপনার বয়ফ্রেন্ড যদি অনেক বেশি না কামায় এবং আপনাকে সারাদিন সময় দেয় সেইটা হাইয়েস্ট এফোর্ট না। because he has plenty of time. কিন্তু সে যদি ১০ হাজার কামায়ে ৯ হাজার আপনার উপর খরচ করে, সেইটা high level of effort weather it is sufficient for you or not.

মূলত এদিকে এইটা বুঝানো হচ্ছে যে আপনার কাছে যেই জিনিস অত্যন্ত এভেইলেভেল সেইটা কাউকে দেয়া মানে তাকে ভালোবাসা না। ভালোবাসা হলো আমার ৫ টাকা আছে সেখান থেকে ৪ টাকাই যখন আমি তোমাকে দিব, তার মানে আমি আমার সেই অল্প থেকেই তোমাকে ভালোবাসি। এবং তোমাকে সর্বোচ্চ দিতে পারি।

এই আইডিয়াটা মেইনলি আসছিলো একটা এনশিয়েন্ট স্টোরি থেকে। যেখানে একজন বিলিয়নিয়ার অনেক টাকা দান করে একটা চ্যারিটিতে। এক বিধবা ২ পয়সা দান করেন। হিসাবে বিধবা বেশি দান করেন, কারন বিলিয়নিয়ার তার কোটি টাকা থেকে দিয়েছে আর সেই বৃদ্ধা তার অল্প টাকা থেকে দিয়েছে। তার রিসোর্স কম কিন্তু অবদান বেশি।

নিজের কাছে যা আছে সহজভাবে তা দিয়ে দেয়া ভালোবাসা তবে হাইয়েস্ট ইন্ডিকেটর না। নিজের কম থেকেও কাউকে দিয়ে দেয়া মানে হচ্ছে আমার এই কমটুকু দিয়েই আমি তোমাকে ভালোবাসি। সবচেয়ে বেশি।
কেউ ভালোবাসে কীনা সেইটা বুঝতে তার কমের দিকে তাকান। কম থেকে সেই জিনিস কীভাবে সে আপনার সাথে ভাগ করে নেয় সেইটা দেখেন। এতেই বুঝবেন ভালোবাসা কতটুকু। যা আছে তা দেয়া সহজ। কিন্তু যা কম আছে তা থেকেও কাউকে দিয়ে দেয়ার মানে হচ্ছে 'আমার এই কমের চেয়ে বেশি আমি তোমাকে ভালোবাসি' and this is what matters!

©Collected

06/01/2026

এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় গেল। তারা বানরের খাঁচার পাশ দিয়ে অতিক্রম করল। তারা দেখতে পেলো, পুরুষ বানর নারী বানরকে নিয়ে খেলাধুলা করছে। স্ত্রী তখন বলল, আহ তাদের ভালোবাসা কত মধুর! এরপর তারা সিংহের খাঁচার কাছে দিয়ে অতিক্রম করল। তারা দেখতে পেল, পুরুষ সিংহটি একাকী নিশ্চুপ বসে আছে আর নারী সিংহটি দূরে গিয়ে খেলাধুলা করছে। স্ত্রী তখন বলল, তাদের ভালোবাসা কত বিষাদ!

তখন মহিলাটির স্বামী ছোট্ট লাঠি নিয়ে নারী সিংহের উপর মারলো। এতে পুরুষ সিংহটি উত্তেজিত হয়ে উঠলো। সিংহীকে রক্ষার জন্য সে দৌড়ে আসলো। এরপর তারা বানরের খাঁচার কাছে ফিরে আসলো। পুরুষ লোকটি নারী বানরের উপর একটি ছোট্ট লাঠি নিক্ষেপ করল। কিন্তু দেখা গেল পুরুষ বানরটি তখনো খেলাধুলায় মত্ত রয়েছে। যেন কোনো কিছু ঘটেয়নি।

"আমরা যা দেখি তার চেয়ে বেশি ভাবা থেকে বিরত থাকতে হবে।"

বই - নবীজির পাঠশালা

05/01/2026

আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে রানীর মর্যাদা দিতে পারেন, তবে আপনিও পাবেন রাজার মর্যাদা।

সাফিয়্যা (রাদিআল্লাহু আনহা) ছিলেন নবীজির (ﷺ) অন্যতম স্ত্রী। তিনি কিছুটা খাটো ছিলেন, ফলে উটের পিঠে আরোহন করতে কষ্ট হতো। তাই রাসূল (ﷺ) তাঁকে সাহায্য করার জন্যে নিজের হাঁটু পেতে দিতেন। সাফিয়্যা (রাদিআল্লাহু আনহা) সেই হাঁটুতে পা রেখে উটের হাওদায় উঠে বসতেন। [সহীহ বুখারী, ৪২১১]

সাফিয়্যা (রাদিআল্লাহু আনহা) বলেন — ‘একবার রাসূল (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের সাথে হজ্জে যাচ্ছিলেন। যাত্রাপথে আমার উট বসে পড়লো। কারণ ওটা ছিলো সবচেয়ে দুর্বল উট, তাই আমি কেঁদে ফেললাম। নবী (ﷺ) আমার কাছে আসলেন এবং আমার চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে মুছে দিলেন।’ [মুসনাদ আহমাদ, ৬/৩৩৭]

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়েও নবীজি (ﷺ) তাঁর স্ত্রীকে সাহায্য করতে নিজের হাঁটু বিছিয়ে দিয়েছেন আর সেই হাঁটুতে পা দিয়ে ভর করে স্ত্রী উটের পিঠে চড়ে বসেছেন! আবার স্ত্রীর চোখের পানি নিজের জামা ও হাত দিয়ে পরম মমতায় মুছে দিয়েছেন।

অন্য হাদিসে এসেছে, সাফিয়্যাহ (রাদিআল্লাহু আনহা) উঠের পিঠে থাকা অবস্থায় ঘুম চলে আসতো, তাই কিছুটা তন্দ্রালু হয়ে যেতেন। তখন নবীজি (ﷺ) তাঁর মাথা ধরে রাখতেন!

এভাবেই নবীজি (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের গুরুত্ব দিতেন।

পক্ষান্তরে, একজন স্ত্রী হিসেবে সাফিয়্যা (রাদিআল্লাহু আনহা) নিজ স্বামী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে কীভাবে মূল্যায়ন করতেন? কতটুকু ভালবাসতেন? এটি বুঝতে একটি হাদিসই যথেষ্ট হতে পারে।

হাদিসে এসেছে, রাসূল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন প্রচণ্ড অসুস্থ হয়ে মৃত্যুশয্যায় কষ্টকর অবস্থায় ছিলেন, তাঁর স্ত্রীরা তাঁর চারপাশে জড়ো হলেন। তখন সাফিয়্যা (রাদিআল্লাহু আনহা) বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহর শপথ! আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতে পারতাম!’ (অর্থাৎ, আপনার কষ্টটা আপনার না হয়ে যদি আমার হতো!) তাঁর কথা শুনে অন্য স্ত্রীগণ ঈর্ষান্বিত হয়ে মুখটিপে হাসলেন। রাসূল (ﷺ) তাঁদের দেখে ফেললেন এবং বললেন, ‘‘তোমাদের মুখ ধুয়ে ফেলো।’’ তাঁরা বলল, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! কেনো?’ তিনি জবাবে বললেন, ‘‘কারণ তোমরা তাঁকে বিদ্রুপ করেছো। আল্লাহর শপথ! সে সত্য বলেছে।’’ [আত-ত্ববাকাতুল কুবরা, ৮/১০১]

এটিই বাস্তবতা। জ্ঞানীগণ বলেন, নারীকে আপনি যেটুকু ভালবাসা ও সম্মান দেবেন, সে বিনিময়ে তারচেয়ে বেশি ভালবাসা ও সম্মান আপনাকে ফিরিয়ে দেবে। আবার তাকে যতটুকু ঘৃণা দেবেন, বিনিময়ে সে তারচেয়েও বেশি ঘৃনা ছড়িয়ে দেবে।( এই বিষয়টি আপেক্ষিক এবং পর্যবেক্ষন মাত্র)!

তাই,স্ত্রীকে ভালবাসুন,সম্মান দিন ।বিনিময়ে সে ও সমান ভাবে বা তার চেয়ে বেশি সম্মান দিবে, তাকে রানীর মত ট্রিট করলে সে ও রাজার মত ট্রিট করবে ,যেমনটি আমরা দেখেছি সাফিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লামের জীবনে ।

24/11/2025
17/11/2025

দাম্পত্য জীবন সুখের করতে স্ত্রীর অনেক কিছু হজম করতে হয় স্বামীর।

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর জীবনে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে।

একদা নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
আয়েশা ( রা.) আনহার ঘরে ছিলেন। তখন নিয়ম ছিলো উনি যে ঘরে থাকবেন রান্না সে স্ত্রী করত।সে সময়ে অন্য একজন স্ত্রী একজন কাজের মহিলাকে দিয়ে রাসূল( সাঃ) এর জন্য খাবার পাঠালেন ।উনি হয়তো ভালো কিছু রান্না করেছেন তাই পাঠিয়েছেন। আয়েশা ( রা.) দরজা খুলে দেখেন কাজের মহিলা খাবার নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন । এ সময় যে কোনো মানুষেরই মাথা গরম হওয়ার কথা। যে আমার বাসায় থাকবে আমি যেটা খাওয়াবো সেটাই খাবে । ।তখন উনি খাবারের বাটি ছুঁড়ে ফেলে দিলেন। বাটির সব খাবার তো গেলো সাথে বাটি ও টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

এই দৃশ্য দেখে রাসূল (সাঃ) উনি বাহির হয়ে আসলেন আর উঠান থেকে ভাঙ্গা বাটির টুকরো নিজ হাতে তুলে আনলেন। তখন একই রকম একই মাপের বাটি আয়েশা ( রা.) আনহার ঘরে ও ছিল । রাসূল ( সাঃ) এই বাটি কাজের মহিলা কে দিয়ে বললেন, এটা নিয়ে ঐ বাসায় চলে যাও আর খবরদার,এখানে কি ঘটেছে এর কোনো কথা বলা যাবে না ।

এই হাদিস বর্ণনা করার পরে কোনো মুহাদ্দিস, হাদীস বিশারদ শেষে এইটুকু ও বর্ণনা করতে পারেন নি যে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার স্ত্রী আয়েশা ( রা.) কে ডেকে কোনো ধমক বা কোনো কথা বলেছেন।

14/11/2025

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমল :

● সূরা আল-কাহফ পাঠ করা

● অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া

اللهم صل وسلم على نبينا محمد (ﷺ)

‘আল্ল-হুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ’ (সল্লল্ল-হু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম)

● বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া

استغفر الله — ’আস্তাগফিরুল্ল-হ‘

● আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু‘আ করা।এই সময়ে দোয়া কবুল হয় বেশি বেশি।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rijik Shop posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share