20/05/2026
এই দেশের মায়েদের এত তেজ আসে কোথা থেকে!নিজের সব ডিপ্রেশন ঝাড়ে সন্তান এর উপর।কারন সে জানে একমাএ সন্তান তার উপর কিছুই করতে পারবেনা।তার সব পাওয়ার খাটায় সন্তান এর উপর।আমি জানি এখানে কিছু চুলকানি আপু কমেন্ট করবে কারন বাচ্চা পেটানো তাদের কাছে অনেক মজার।এরা জানেই না বাচ্চারা এতে ট্রমা নিয়ে বড় হয়।নিজের কোনো কথাও তারা ভয়ে শেয়ার করতে পারেনা ফ্যামিলিতে ভয়ে এরপর একের পর এক ভুল ডিসিশন এ নিজের জীবন নস্ট করে।অথচ দেশের বাহিরের মহিলারা কত একটিভ ঘরে বাহিরে কাজ করে বাচ্চাদের কত সুন্দর করে মানুষ করে।আর এই দেশের মেয়েদের অজুহাত এর শেষ নাই!
মূর্খ জাতি যখন নতুন নতুন ইংরেজি শব্দ শেখে, তখন তারা যেকোনো শয়তানি করে ভারী ভারী ইংরেজি শব্দ বলে দোষ ঢাকতে চায়।
ইদানীং কিছু মহিলারা নতুন নতুন ইংরেজি শিখেছে—পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন।
ইচ্ছামতো যখন ইচ্ছা বাচ্চাকে পাশবিক ভাবে পেটায়, আর বলবে—আমার তো ডিপ্রেশন, ব্লা ব্লা ব্লা।
আর তাকে সাপোর্ট দিতে দলে দলে অত্যাচারী, বাচ্চা পেটানো ডাইনি মায়েরা এসে কাঁদুনি গাইতে থাকে—মায়ের মতো আর কেউ ভালো চায় না, কারণ ছাড়া কেউ পেটায় না, ইত্যাদি ইত্যাদি।
এদের কাছে বাচ্চা মারা কোনো অপরাধই নয়।
বাচ্চা খেলেও পেটায়, না খেলেও পেটায়। বাচ্চাকে খাওয়াতে খাওয়াতে ওভারওয়েটের ওপর কোনো লেভেল থাকলে সেখানে নিয়ে যায়, তবুও নাকি বাচ্চা খায় না—তাই পিটাও বাচ্চাকে।
বাচ্চা পরীক্ষায় ১০০ তে ৯৭ পেয়েছে! পিটাও বাচ্চাকে।
এদের পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন আর শেষ হয় না, বাচ্চার বয়স ১০/১৫ যাই হোক।
অথচ বেবি ব্লুজ থাকে ১/২ সপ্তাহ, পোস্টপার্টাম থাকে ৬ মাস হতে ১ বছর। আর এর ফলে মায়ের যে রাগ বা হতাশা তা সবার ওপরেই ঝাড়ে, সবার ওপরেই চেঁচায়, শুধু বাচ্চাকে ধরে ধরে পেটায় না।
কিন্তু এদেশের মায়েরা খুব টনটনে জ্ঞান নিয়ে চলে। তারা আর কারো ওপর রাগ ঝাড়ে না, কারো ওপর চিৎকার করে না। শুধু বাচ্চাগুলোকে উড়াধুরা পেটায়। কারণ জানে, বাচ্চাগুলো মরে গেলেও বাধা দিতে পারবে না।
অবশ্য শয়তানি করতে হলে জ্ঞান টনটনেই থাকতে হয়।
আরে তোদের এত ডিপ্রেশন, যা গিয়ে তার ওপর রাগ দেখা, যার কারণে তোর মেজাজ খারাপ। তাকে গিয়ে চড় দিয়ে আয়। অবুঝ বাচ্চাগুলোকে পেটাস কেন? আবার বাচ্চা পেটানো মায়েদের পক্ষে সাফাই গাইতে থাকিস, বিন্দুমাত্র মনুষ্যত্ব থাকলে তো করতি না সেটা।
এই দেশে দুইটা দল আছে।
১) যখনই ধর্ষণ হয়, একদল অমানুষ ধর্ষকের পক্ষে সাফাই গায় যে মেয়ের চলাফেরা, পোশাক-আশাক ঠিক নেই।
২) যখনই কোনো ডাইনি বাচ্চা পেটানো মায়ের খবর শোনা যায়, অন্যদল এসে সেই বাচ্চা পেটানো জায়েজ বানাতে নানারকম কাঁদুনি গাইতে থাকে।
এই দুই দলই সাক্ষাত শয়তানের চ্যালা। তবে দ্বিতীয় দল সংখ্যায় বেশি ভারী।
আর এই দুই অপরাধেরই এই দেশে কোনো সাজা হয়না।
আজ যদি প্রতিটা পুরুষ বউ পেটানোর পক্ষে যুক্তি দেয় যে অফিসের কাজের চাপ, রাস্তায় জ্যাম, গরম, বউ কথা শোনে না তাই পেটাই—তাহলে এই মহিলারা সেটা মেনে নেবে কি?
না, নেবে না।
তাহলে অবুঝ একটা বাচ্চা পেটানোর যুক্তি হিসেবে কেন সংসারের চাপ, কাজের চাপ, হেল্পার নেই—সব যুক্তি শুনতে যাব?
সংসারে কাজের চাপ থাকলে কাজ করার দরকার নেই। বরকে ভালো না লাগলে বরের সাথে গিয়ে চিৎকার করুক, শাশুড়ি জ্বালাতে আসলে শাশুড়িকে উলটো কথা শোনাক। যে কারণে অশান্তি সেটা দূর করার চেষ্টা করুক। নিজের পরিবার, বন্ধু-বান্ধবীর সাহায্য নিক।
কিন্তু তার কিছুই না করে বাচ্চা কেন পেটাবে গরুর মতো?
এদের বাচ্চা দেয় কেন আল্লাহ!
উম্মে সালমা কলি
১৯ মে, ২০২৬