স্বপ্নের ঘুড়ি / Shopner Ghuri

স্বপ্নের ঘুড়ি / Shopner Ghuri With fashion for life meet your Happiness
❤️❤️❤️👗👗👗👗👗👗👗👗👗❤️❤️❤️

শুভ  নববর্ষ..... ❤️❤️বৈশাখ
15/04/2026

শুভ নববর্ষ..... ❤️❤️

বৈশাখ

বৈশাখের শাড়ি কি চাই?
04/04/2026

বৈশাখের
শাড়ি কি চাই?

19/02/2026

ঈদের দিন সকালে মিষ্টি বৌ রা এই শাড়িটা পরলে কেমন হবে - বলুন তো?


17/02/2026

লেখাটা কষ্ট করে পড়বেন প্লিজ 🙃লেখাটি লিখেছে আমার প্রিয় নৃত্যশিল্পী ইভান ভাই —— :

একজন শিল্পী হিসেবে এই বিষয়টিতে প্রতিবাদ করা যেমন প্রয়োজনীয়, তেমনি কিছুটা অসস্থিকরও।

কারণ মনোনয়নপ্রাপ্ত শিল্পী আমার সমবয়সী সুপরিচিত বন্ধু, কিন্তু এই খেয়ালী সিদ্ধান্তে অবমূল্যায়িত এবং অসম্মানিত হওয়া নৃত্যগুরুরা আমাদের মতো অসংখ্য নবীন কৃতী শিল্পী সৃষ্টির কারিগর।

এখানে স্পষ্টতই অবমূল্যায়ন হয়েছে, কারণ যুগ যুগ ধরে হাজারো নৃত্যশিল্পী তৈরি করে দেশে-বিদেশে অসংখ্য মাইলফলক হয়ে থাকা কাজ করে, যারা ৫০/৬০/৭০ বছর এই শিল্পে জীবন বিলিয়ে দিলেন—তেমন গুরুদের সামনে, ৩/৪ বছরে অসম্ভব ভালো কাজ করলেও, দেশের মধ্যে ৫/৬০০ বা ধরলাম হাজার খানেক বিভিন্ন বয়সের মানুষের নাচের শখ পূরণ করার কৃতিত্বকে কম্পেয়ার করে, একজন নবীনকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করা কি খেয়ালী সিদ্ধান্ত নয়?

কর্তৃপক্ষের এমন আবেগতাড়িত অবিবেচিত সিদ্ধান্তে সঙ্গতই প্রতিবাদী নৃত্যসমাজ এবং একুশে পদকে মনোনীত হয়েও বিভ্রান্তিতে শিল্পী।

তবে অর্থীর ছাত্র-ছাত্রী বা অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই - please don’t use “jealous”, “mean minded”, bla bla words in this issue.
কারণ অবমূল্যায়িত মানুষগুলো ওই পর্যায়ের, যারা যুগ যুগ ধরে এমন প্রফেশনাল নৃত্যশিল্পী/প্রশিক্ষক তৈরি করে আসছেন, যেমনই একজনের কাছে আপনারা আপনাদের শখ পূরণ করতে পারছেন।
অতএব তুলনাই হয় না, আর অবদান নিয়ে তো একদমই না।

যেহেতু এমন পদক চেয়ে পাওয়া যায় না, তাই আমি চাই অর্থীও কোনোভাবে অসম্মানিত না হোক এবং পুনর্বিবেচনা করে, দেশের নৃত্যের সমৃদ্ধিতে প্রকৃত অর্থে দীর্ঘ বছরের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা নৃত্যগুরুরা এই সম্মানে সম্মানিত হোক।✊

ক‍্যাপশন-Saiful Islam Evan ভাই ।

11/02/2026

টাট্টু ঘোড়া

নতুন সংযোজন - বই আলহামদুলিল্লাহ ❤️আমার লেখা প্রথম গল্পগুচ্ছ প্রকাশিত হচ্ছে। আপনারা সবাই বই সংগ্রহ করে পড়বেন। প্রি-অর্ডার...
28/01/2026

নতুন সংযোজন - বই

আলহামদুলিল্লাহ ❤️
আমার লেখা প্রথম গল্পগুচ্ছ প্রকাশিত হচ্ছে। আপনারা সবাই বই সংগ্রহ করে পড়বেন।

প্রি-অর্ডার নেওয়া হচ্ছে...

https://seller.rokomari.com/book/536941/nilchaya

প্রতিভা প্রকাশ প্রকাশিত
গল্পগ্রন্থ
নীলছায়া
মৌসুমী সুমি
মূল্য : ২৪০/-
প্রতিটি নারীই একেকটি অসমাপ্ত কবিতা- কখনো ভালোবাসার আলোয় লেখা, কখনো বেদনার রক্তে। সমাজের অদৃশ্য বাঁধনে আবদ্ধ এই নারীরা কেমন করে ভালোবাসে, কেমন করে ভাঙে, আবার ভাঙা টুকরো জোড়া দিয়ে নতুন করে বাঁচে- সেই অজানা যাত্রারই দলিল এই বই। প্রতিটি গল্পে আছে একেকটি নারী, একেকটি হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। ‘নীলছায়া’র নায়িকা ‘ছায়া’ ভালোবাসার আলো খুঁজতে গিয়ে যে অন্ধকারে হারিয়ে যায়, সে শেষ পর্যন্ত নিজের আলো নিজেই জ্বালায়- মেয়ের চোখে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। আবার ‘পাষাণদের শহরে ফুলশয্যা’ আমাদের দেখায়, ভালোবাসার ঘরে পাষাণেরা কীভাবে প্রবেশ করে, তবু এক নারী কীভাবে নিজের ছাই থেকে নতুন জীবন গড়ে তোলে। আর ‘অপমানের বিষ, ভালোবাসায় বিষয়’- একটি সম্পর্কের অবমাননা কীভাবে এক পুরুষকে জয়ের দিকে নিয়ে যায়, তারই নির্মম চিত্র।
নীলছায়া’র গল্পগুলো শুধু প্রেম বা বেদনার নয়- এগুলো একেকটি সমাজের প্রতিচ্ছবি। যেখানে ভালোবাসা আছে, আবার বিশ্বাসঘাতকতাও আছে; যেখানে নারীকে দোষী ভাবা হয়, অথচ সে-ই শেষ পর্যন্ত মানবতার প্রকৃত মুখ দেখিয়ে দেয়।
এই বই তাই একাধারে প্রতিরোধের, প্রেমের এবং পুনর্জন্মের গল্প।
প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি বাক্য লেখকের অভিজ্ঞতা, উপলব্ধি ও সংগ্রামের নির্যাস। এখানে কোনো কল্পনার ফুলঝুরি নেই- আছে বাস্তবের কাঁটা, আছে রক্ত, আছে হাসি-অশ্রুর মিশ্রণ।
এই বই পড়তে পড়তে পাঠক হয়তো একবার থেমে যাবে, বুকের ভেতর কেমন একটা ভারি হাওয়া বইবে- কারণ প্রতিটি গল্পে লুকিয়ে আছে আমাদের সমাজ, আমাদের চারপাশের মানুষ, আর হয়তো আমাদের নিজেরই এক অংশ।
এ বইয়ের পাতায় পাতায় ছড়িয়ে আছে এক প্রশ্ন- “ভালোবাসা কি কেবল প্রাপ্তির নাম, নাকি আত্মমুক্তির?”
আর সেই উত্তর খুঁজতে খুঁজতেই পাঠক হয়তো নিজের এক নতুন সত্তাকে চিনে নেবে।

゚ #রকমারি

ঘড়িতে সকাল ৬ টায় এলার্ম বাজতেই ঘুমটা ভেঙে গেলো, তবে কেনো জানি আজ বিছানা থেকে উঠতে মন চাচ্ছিল না।অসুস্থও লাগছে না তবে বিছ...
27/01/2026

ঘড়িতে সকাল ৬ টায় এলার্ম বাজতেই ঘুমটা ভেঙে গেলো, তবে কেনো জানি আজ বিছানা থেকে উঠতে মন চাচ্ছিল না।অসুস্থও লাগছে না তবে বিছানার সাথে আজীবনের জন্য প্রেম হয়ে গিয়েছে, এবার পৃথিবীর সব কিছু ভুলে নাক ডেকে ঘুমাতে মন চাচ্ছে।খুব বিরক্তিতকর জীবনে অলসতা পেয়ে বসুক এই একঘেয়েমী জীবনে।এর তো কোন উপায় নেই -তড়িঘড়ি করে মুক্তি ঘুম থেকে উঠে পরলো।কত্তোগুলো কাজ করতে হবে এখন, ঘুমিয়ে থাকলে কি হবে।

ব্রাশ করতে করতে বারান্দায় গাছগুলোতে পানি দিয়েই কোন রকমে মুখ-হাত ধুয়ে বাসি ঘর -দোর ঝাড়ু দিয়ে, রাতের জমানো থালাবাসন ধুতে হয় প্রতিদিন। সকালের নাস্তার সাথে সাথে দুপুরের ভাত তরকারি রান্না করেই গোসল করে রকেট গতিতে কোন রকমের নাকে মুখে একটা রুটি খেয়েই দৌঁড় দিতে হবে অফিসে। এদিকে অসুস্থ মা বিছানায় পরে আছে বছর খানিক হলো। আমার ছোট বোন মুক্তা আর ভাই মিন্টুর দায়িত্ব ছিলো মায়ের খেয়াল রাখা।কিন্তু আমি যতসময় বাড়িতে থাকবো ওরা মায়ের ঘরের দিকে ভিড়বেও না। মাকে নাস্তা খাইয়ে ঔষধ খাইয়ে তারপর বাড়ি থেকে বের হতে হয় আমার।

ভিড়ের মধ্য ধাক্কাধাক্কি সহ্য করে বাসে উঠে বসার জন্য খালি সিট ও থাকে না, দাঁড়িয়েই যেতে হয়। এদিকে নোংরা হাতগুলো থেকে শরীরকে রক্ষা করার তীব্র চেষ্টা প্রতিদিনই থাকে।পনেরো বিশ মিনিটের রাস্তা ঘন্টা খানিকের জ্যাম ঠেলে অফিসে পৌঁছাতে হয়।টাকার প্রয়োজন না হলে চাকরিটা করার কোন ইচ্ছেই ছিলো না মুক্তির।

বাবা পেনশনের অল্প কিছু টাকা দিয়ে সংসারের খরচ, ছোট ভাই - বোনের পড়াশোনার খরচ, মায়ের চিকিৎসা, বাবার ঔষধের খরচ কিচ্ছু হয় না, আমার চাকরির টাকাতেও হিমসিম খেতে হয় কোন রকমে ডাল ভাত খেতে। মধ্য-বিত্তদের দুঃখ হয়তো কাউকে বলা যায় না, হাতও পেতে কারোর সাহায্য ও নেওয়া যায় না।

অফিসের ডেস্কে বসে একটু শান্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছে মেয়েটা। দশ মিনিটের জন্য টেবিলর উপর মাথাটা রেখে চোখ বন্ধ করে আছে মুক্তি।ঠাস করে ফাইলটা টেবিলের উপর রেখে বিল্লাল সাহেব বললেন - এই ফাইলটা রেডি করে বস আপনাকে দ্রুত যেতে বলেছে।
মুক্তির কাছে সারাদিন কাজ করাটা কোন কঠিন মনে হয় না কিন্তু খুবই ভয় পায় বসের কেবিনে যেতে। বসের নোংরা চোখের কুতকুতে চাহনী, সুযোগ বুঝে শরীরের স্পর্শ কাতর জায়গা গুলোতে হাত দিয়ে নিড়ানি দেওয়া মেজাজ গরম হয়ে যায়, বিপদে পরেই চাকরিটা করতে হচ্ছে। চাকরির এই দূর্লভ বাজারে চাকরি পাওয়াটা সোনার হরিণ।তা না হলে এই বুইড়া লুচ্চা লোকটার অফিসে চাকরি করতে হতো না।

মুক্তি ভয়ে ভয়ে রুমে ঢুকেই সালাম দিয়ে বসের দিকে ফাইল এগিয়ে দিলো।বস সালামের উত্তর দিতে দিতে ফাইলটা নেওয়ার সময় মুক্তির হাত ধরে বলতে বললো - চললো না একদিন লং ড্রাইভে গিয়ে কফি খেয়ে আসি। তোমার প্রমোশন হবে, সেলারি বাড়বে। চলো আগামীকাল ছুটির দিনই যাই।জমিতে মই দেওয়ার মতো হাতটা কোমড়, পেটে নোংরা ভাবে আঁকাআঁকি করে।তেমাকে কতবার বলেছি শাড়ি পরবে,শাড়ও পরলে তোমাকে সুন্দর লাগবে। মুক্তি মনে মনে লুচ্চা বসকে এক গাদা গালি দিচ্ছে আর দাঁতে দাঁত কামড় দিয়ে মিষ্টি মুখে হেসে বললো -- স্যার আপনি তো জানেন আমার মা অসুস্থ, কালই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে। আমি ছাড়া আর তো কেউ নেই মাকে হাসপাতালে নিবে। স্যারের নোংরা হাতের গতি বাড়তেই হঠাৎ চা হাতে সিরাজ রুমে প্রবেশ করে।আমার কলিগরা প্রায়ই আমাকে স্যারের হাত থেকে রক্ষা করছে। হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।

অফিসের যুদ্ধ শেষে তিনটা টিউশনি করাই। আসলে অভাবের সংসারে বিশ্রামটা শুধু রাতে ঘুমানোর সময় ছাড়া আর হয়ে ওঠে না। টিউশনিতে গেলে সন্ধ্যার নাস্তাটা আরাম করে খেতে পারি। জয়িতা ভাবী জানেন তো আমি অফিস থেকে পড়াতে আসি তাই তিনি পড়াতে গেলেই আগে নাস্তা খেতে দিন।এই একটা সময়ই মনে হয় খুব শান্তিতে আহার গ্রহন করতে পারি।

রাতে বাসায় যাওয়ার সময় শুভ র সাথে দেখা হয়ে গেলো৷ শুভর সাথে আমার সেই স্কুল লাইফ থেকে সম্পর্ক। মুক্তি দেখতে খুব সুন্দর,ঘন কালো কেশগুলো হাঁটুর নিচ পর্যন্ত লম্বা।লম্বায় ৫ ফিট ৪ ইঞ্চি, হরিণীর মতো চোখ, গায়ের রং রা মনে হয় দুধের মধ্য একটু খানি মসুরের ডাল মিশ্রণ করলে যে সুন্দর কালার হয় তেমন, যাকে বলে দুধে আলতা বরণ। আর বদনখানি ঠিক যে মা দূর্গার বদনের সাথে অদল বদল করে। সুন্দরী হওয়ার জন্য কম কাঠ ঘাট পোহাতে হয় নাই - সেই স্কুলে পড়ার দিনগুলো থেকেই তো চিঠি পাওয়া, বিভিন্ন প্রভেলন, বাজে ইঙ্গিত, ইশারা চলছে পিছনে পিছনে। সব বাধা, ঝড় ঝঞ্জাট, থেকে শুভই সব সময় ঢাল হয়ে মুক্তিকে রক্ষা করেছে। অভাবের জীবনে শুভর কাছে ভালোবাসা পেয়েই মেয়েটার জীবনে বেঁচে থাকার শক্তি পায়।

বিয়ের জন্য প্রস্তাব পাঠাও, না হলে চলো আমরা কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করি - এই কথা গুলো প্রায়ই শুভকে বলে আসছে মুক্তি। শুভ আর কোন উত্তর দেয় না।অথচ এই শুভ বিয়ে করার জন্য উন্মাদ হয়ে ছিলো। শুভ র বাবা বড় ব্যবসায়ী, উনি কখনও রাজি হননি মধ্যবিত্ত ঘরে ছেলের বিয়ে হোক। বিয়েতে বাবার অমত থাকায় আমাকে কাজী অফিসে নিয়ে বিয়ে করতে চায় কিন্তু তখন মায়ের অসুস্থতা, আমার ছোট ভাই বোনদের কথা চিন্তা করে বিয়েটা করতে সম্মতি না দেওয়ায় জন্য শুভ অনেক রাগ হয়েছিল।সেই ক্লাস সেভেন থেকে প্রেমের সম্পর্কটা বাঁচাতে মুক্তিকে অবশেষে মনে -প্রানে, শরীরে শুভর সাথে বৈবাহিক জীবন যাপন করতে হচ্ছে।এখন শুধু একটা কাজীকে ডেকে এনে বিয়ের কাজটা করলেই সামাজিক স্বীকৃতি পাবে।

দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম আর বয়সের ভারে মুক্তির সেই জৌলুস মাখা সৌন্দর্য ম্লান হয়ে গিয়েছে। এখন সেই আগের মতো হয়তো শুভর মনে দাগ কাটে না এই জীর্ণ শরীরটা। শুভ এখন আর নিজের থেকে দেখা করতে আসে না,একই মহল্লায় হওয়ায় মাঝে মধ্য দেখা হয়ে যায়। শুভর এই ব্যাপক পরিবর্তন মুক্তিকে খুব কুঁড়েকুঁড়ে খায়।

বাড়িতে গিয়ে গোসল করে ফ্রেশ হয়ে মায়ের ঘরের দিকে যেতে দেখলো মুক্তা উঠানের কোনে ফিসফিস করে মোবাইলে কথা বলছে।মুক্তাকে প্রায়ই ফোনে কথা বলতে দেখে আর মুক্তার সাথে চোখাচোখি হলে মোবাইলটা হাতে নিয়ে রুমের দিকে চলে যায়।মুক্তি আর কথা না বাড়িয়ে মায়ের রুমে ঢুকলো। মা শুয়ে শুয়ে টিভি দেখছে, বাবা ঘরের কোণায় বসে বোতল থেকে মদ ঢালছে গ্লাসে বরফের টুকরো দিয়ে একটু করে চুমুক দিচ্ছে আর আরেক হাতে সিগারেট টানছে।বাবার পেনশনের টাকার বেশির ভাগ টাকা এই মদ সিগারটের পিছনেই চলে যায়।

অনেকবার নিষেধ করতে চেয়েছি কিন্তু বাবার মনের দিকটা চিন্তা করে কখনও বলা হয় নাই। সংসারে বেহাল অবস্থায় হয়তো বাবার ঐ মদের চুমুক টুকুতেই শান্তি মেলে।

মায়ের কাছে বসতেই মা প্রতিদিন কান্না করতে করতে বলবে - "আমার আর এই বিছানায় পরে থাকতে ভালো লাগে না "। আজরাইল কেনো যে আমাকে চোখে দেখে না,আমি এই যন্ত্রনা থেকে কবে রেহাই পাবো। " মায়ের কথাগুলো বুকের মধ্যে তীরের মতো বেঁধে, মাকে ভালো চিকিৎসা করাতে পারলে হয়তো মা সুস্থ স্বাভাবিক জীবন পেতেন।

ঘরে গিয়ে বিছানায় শুয়ে রাতের আকাশের তারা গুনতে গুনতে কখন যেনো ঘুমিয়ে পরলাম। সকাল হতেই কান্নাকাটি - চিল্লাচিল্লির শব্দে ঘুম ভেঙে গেলো। ঘড়িতে দেখি সাড়ে ৫ টা বাজে। আজ আমার ঘুম এলার্মের শব্দে ভাঙলো না। বিছানা থেকে উঠে বাইরে গিয়ে বোঝার চেষ্টা করছি কি হয়েছে! এতো মানুষজন কেনো, মার কি কিছু হয়েছে? দৌঁড়ে মায়ের ঘরের দিকে গিয়ে দেখি মা ঠিকই আছে। আমাকে দেখে মা বিলাপ বলতে থাকলেন কান্না মনে হয় আরও বেড়ে গেছে।ছোট ভাইকে জিজ্ঞেস করলাম - কি হয়েছে মিন্টু, উতৃতর দিচ্ছে না। বাবাও মাথা নিচু করে বসে আছে সারা পৃথিবীর সব দুঃখ যেনো উনার মুখে ভর করে আছে।

পাশের বাসার কাকী বললেন - " মুখপুরী তোর কপাল পুড়েছে, কাদের কথা চিন্তা করে এতোদিন হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করেছিস? তোর কষ্টের কি দাম দিলো কেউ। তোর বোন ভোর রাতে শুভর হাত ধরে পালিয়েছে, তোর কাকা ভোরে আরতে যাওয়ার সময় দেখে থামাতে গিয়েও পারলো না, ওর গাড়িতে করে দ্রুত চলে গেলো।"

কাকীর কথাগুলো মুক্তির মাথার উপর দিয়ে চলে গেলো, চিৎকার করে কাঁদবে নাকি মুখ লুকাবে কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না। কোন কথা না বলে নিজের ঘরে গিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিলো। এত গুলো বছরের ভালোবাসা ভুলে শুভ কিভাবে পারলো আমার সাথে এতো বড় প্রতারণা করতে, আমার ছোট বোন কিভাবে পারলো আমার ভালোবাসা কেড়ে নিতে, এই অংকের হিসাব মিলাতে না পেরে চোখ বেয়ে বৃষ্টির পানির মতো মতো বর্ষন শুরু হলো। মুক্তি অর্থ নিস্কৃতি পাওয়া, রেহাই পাওয়া। নামের সার্থকতা পেলো না মেয়েটা কোনদিনও

ঘড়িতে ৬ টার এলার্ম বেজে উঠলো।হয়তো, মুক্তি বাসার রান্নাবান্না - কাজকর্ম সেড়ে বাসে হেলপারের কদর্য হাতের চাপ খেয়ে অফিসে গিয়ে বসের নোংরা চাহনীতে ধর্ষিত হবে প্রতিদিনকার মতো। নয়তোবা - বক্ষ ঢেকে রাখার ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে জীবনের সন্ধি করবে।

ভাঙা প্রহর
মৌসুমী সুমি
০৪.০৯.২০২৫ ইং

#গল্প

এই পুতুল নাকি ভাইরাল পুতুল 😱 ゚  ゚
21/01/2026

এই পুতুল নাকি ভাইরাল পুতুল 😱

゚ ゚

Address

17/E, Khejhur Gacher Goli, Modhubagh, Moghbazar
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বপ্নের ঘুড়ি / Shopner Ghuri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share