Health and Beauty Care Center Bangladesh LTD.

Health and Beauty Care Center Bangladesh LTD. সোনা কিংবা রুপার টুকরা নয়, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল এবং স্বাস্থ্যই প্রকৃত সম্পদ।

ডায়ালাইসিস এখন ঘরে বসেই, প্রয়োজন নেই হাসপাতালে যাওয়ার - চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিডনী রোগ বিভাগের তত্ত্বাবধান...
08/11/2023

ডায়ালাইসিস এখন ঘরে বসেই, প্রয়োজন নেই হাসপাতালে যাওয়ার -

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিডনী রোগ বিভাগের তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামে প্রথম বারের মতো সরকারিভাবে Continuous Ambulatory Peritoneal Dialysis (CAPD) চালু করা হয়েছে।

CAPD এর মাধ্যমে দুর- দূরান্তের রোগীরা নিজেরাই ঘরে বসে ডায়ালাইসিস করতে পারবেন। CAPD রোগীদের সচরাচর হাসপাতালে ভর্তি করা বা ডায়ালাইসিস সেন্টারে আসার প্রয়োজন নেই । এছাড়াও ডায়ালাইসিস মেশিন জনিত বিভিন্ন ধরনের জটিলতা থেকে রোগীদের পরিত্রাণও পাওয়া যায়।

ইতোমধ্যে সারা বিশ্বের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে CAPD বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম শহর থেকে দূরবর্তী স্থানের রোগীদের মাঝে এই পদ্ধতি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং রোগীদের মাঝে গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করবে।

প্রথমবারের মতো ডায়ালাইসিস এর এই পদ্ধতি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরেকটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

_ বাবুদের বাবা পাওয়া যাচ্ছে না 😬😬অনুকগ্রহ করে মেনসন করে বাবা কে খুজে দিন 😋😋
05/11/2022

_ বাবুদের বাবা পাওয়া যাচ্ছে না 😬😬
অনুকগ্রহ করে মেনসন করে বাবা কে খুজে দিন 😋😋

08/02/2022

ধূমপান করলে
যৌ-ন দুর্বলতা হতে পারে।
তাহলে ভাবুন,

বউ আগে না সিগারেট আগে🙄🙄🙄🙄🙄🙄

গর্ভকালীন সময়ে মায়ের চাই বিশেষ যত্ন। নারীদের গর্ভধারণের পূর্বেই নিজের স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ ও সন্তান পালন সংক্রান্ত বিষয়ে ...
02/01/2022

গর্ভকালীন সময়ে মায়ের চাই বিশেষ যত্ন। নারীদের গর্ভধারণের পূর্বেই নিজের স্বাস্থ্য, গর্ভধারণ ও সন্তান পালন সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন। কারণ একজন সুস্থ মা-ই পারে একটি সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুর জন্ম দিতে। তাই গর্ভবতী মায়ের জন্য প্রয়োজন সঠিক যত্ন ও পরিচর্যা। গর্ভকালীন যত্ন বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার কমাতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করতে পারে।

◼️ গর্ভবতী অবস্থায় করণীয়ঃ

১. সবসময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করা।

২. খাবারে থাকতে হবে একটু বাড়তি ক্যালোরি। এছাড়া গর্ভের সন্তানের জন্যে বাড়তি খাবার প্রয়োজন। কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয় সেজন্যে খাবারে থাকতে হবে বাড়তি আঁশ। খাবারের আঁশ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতেও সাহায্য করবে। খাবারে থাকতে হবে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ লবণ। শাকসবজি ও ফলমূলে পাওয়া যাবে এগুলো। মাছ খাওয়া ভালো। মাছে আছে পর্যাপ্ত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। যা বাচ্চার বিকাশে সহায়ক।

৩. প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল জাতীয় খাবার খাওয়া।

৪. পরিমিত বিশ্রাম নিতে হবে। একেবারে শুয়ে-বসা থাকাও নয় আবার দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনিও নয়। কাজের ফাঁকে চাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম।

৫. দুপুরের খাবারের পর কমপক্ষে ১-২ ঘণ্টা বিশ্রাম নেয়া।

৬. রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমানো।

৭. প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে। সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন।

৮. আরামদায়ক পোশাক, সূতির ঢিলেঢালা পোশাক পরা। এতে ত্বক ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

৯. ৪ মাস থেকে ৭ মাসের মধ্যে টিটেনাস টিকা দেওয়া।

১০. ছয় মাস থেকে ডান বা বাম কাতে শোয়া।

****প্রেগন্যান্ট মায়েদের জন্য ৫ ধরণের টিকা****শিলা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বউ। স্বামী চাকরির সুবাদে থাকে ভিন্ন শহরে। ...
30/11/2021

****প্রেগন্যান্ট মায়েদের জন্য ৫ ধরণের টিকা****

শিলা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারের বউ। স্বামী চাকরির সুবাদে থাকে ভিন্ন শহরে। শিলা গর্ভবতী হওয়ার পড়ে তার শ্বশুর বাড়ির কেউ তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়নি বলে সময়মত গর্ভাবস্থার টিকাগুলো তার নেয়া হয়নি। একদিন কাজ করতে করতে তার পায়ে কেটে যায়। সামান্য কেটেছে বলে তেমন লক্ষ ও করেনা। ফলে তার অজান্তেই সে টিটেনাসে আক্রান্ত হয় এবং সন্তান জন্মের সময় খিঁচুনি উঠে মারা যায় সে। এই রকম দুঃখজনক ঘটনা এখনো ঘটে আমাদের দেশে। নারীদের গর্ভাবস্থার সময়ে তাই টিকা নেয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

টিকা ক্ষতিকর সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে আপনি এবং আপনার সন্তান উভয়েই ক্ষতিকর সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবেন। গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে আপনার সন্তানটি জন্মের কয়েকমাস পরেও তার টিকা শুরু করার আগ পর্যন্ত নিরাপদ থাকে। আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আপনার গর্ভের সন্তানকে গুরুতর অসুখ থেকে রক্ষা করবে।

গর্ভাবস্থায় যে ৫ ধরণের টিকা নেয়া নিরাপদ সে বিষয়ে জেনে নিই চলুন :

১। ফ্লু এর টিকা:
মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (CCD) ফ্লু এর ঋতুতে অর্থাৎ নভেম্বর থেকে মার্চের সময়টাতে যে সকল নারীরা গর্ভবতী হবেন তাদেরকে ফ্লু শট নেয়ার পরামর্শ দেয়। ফ্লু এর টিকা মৃত ভাইরাস দিয়ে তৈরি বলে মা ও গর্ভজাত সন্তান উভয়ের জন্যই নিরাপদ। কিন্তু ফ্লুমিস্ট একধরণের ন্যাজাল স্প্রে ভ্যাক্সিন যা জীবন্ত ভাইরাস দিয়ে তৈরি হয় বলে এটি অবশ্যই এড়িয়ে যেতে হবে প্রেগন্যান্ট নারীদের।

গর্ভাবস্থার মধ্যবর্তী সময়ে ফ্লুতে আক্রান্ত হলে তীব্র উপসর্গ বা নিউমোনিয়ার মত জটিল অবস্থার ও সৃষ্টি করতে পারে। মধ্যম মাণের ফ্লুতে আক্রান্ত হলেও জ্বর, মাথা ব্যথা, পেশীর ব্যথা, গলা ব্যথা ও কাশির মত যন্ত্রণাদায়ক উপসর্গগুলো দেখা দেয়। সাধারণত ৪ দিনেই উপসর্গগুলো কমতে থাকে। তবে কাশি ও দুর্বলতা ২ সপ্তাহ বা তার চেয়ে বেশি সময় ধরে থাকতে পারে।

২। টিটেনাস/ডিপথেরিয়া/পারটুসিস টিকা(Tdap):
Tdap গর্ভাবস্থার যে কোন সময়ই নেয়া যায়। তবে গর্ভকালের ২৭-৩৬ মাসের মধ্যে নেয়াটাই উপযুক্ত সময়। এই টিকা টক্সয়েড ধরণের বলে গর্ভাবস্থায় নেয়ার জন্য নিরাপদ।

টিটেনাসকে লক’জ ও বলা হয়। এর ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয় এবং পেশীতে বেদনাদায়ক খিঁচুনি হয়। টিটেনাস সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া মাটিতে এবং পশুর বর্জ্যে পাওয়া যায়। মানুষের শরীরের ত্বকের কোন স্থানে কেটে গেলে এটি রক্তস্রোতে প্রবেশ করতে পারে। আপনার শরীরের কোথাও গভীর ও ময়লা ক্ষতের সৃষ্টি হলে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হোন। গর্ভাবস্থায় টিটেনাসে আক্রান্ত হলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ডিপথেরিয়া শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ। এর ফলে শ্বাসকষ্ট হওয়া, প্যারালাইসিস হওয়া, কোমায় চলে যাওয়া এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

পারটুসিস ব্যাকটেরিয়া ঘটিত চূড়ান্ত রকমের সংক্রামক রোগ। এর ফলে ক্রমাগত ও গভীর কাশি হয় এবং উচ্চ শব্দ হয় বলে একে ‘হুপিংকাশি’ ও বলে।

৩। হেপাটাইটিস-বি এর টিকা:
গর্ভাবস্থায় হেপাটাইটিস বি এর টিকা নেয়া নিরাপদ। যদি আপনি স্বাস্থ্যকর্মী হন বা আপনার পরিবারের কেউ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে এই টিকা নিয়ে নিন।

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস জনিত সংক্রামক রোগ। এর ফলে যকৃতের প্রদাহ, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি এবং জন্ডিস দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী লিভার ডিজিজ, লিভার ক্যান্সার এবং মৃত্যু ও হতে পারে।

গর্ভবতী নারী যদি হেপাটাইটিস বি তে আক্রান্ত হন তাহলে ডেলিভারির সময় এই ইনফেকশন নবজাতকের মধ্যে ছড়াতে পারে। সঠিকভাবে চিকিৎসা করা না হলে শিশুর পূর্ণ বয়স্ক অবস্থায় মারাত্মক যকৃতের রোগ হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

CCD এর মতে সকল গর্ভবতী নারীরই হেপাটাইটিস বি শনাক্তকরণের পরীক্ষা করানো উচিৎ। কারণ অনেক সময় এই রোগটি তার উপস্থিতির জানান দেয় না।

৪। হেপাটাইটিস-এ এর টিকা:
হেপাটাইটিস এ এর টিকা যকৃতের এমন রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয় যা সাধারণত ছড়ায় সংক্রমিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে। জ্বর, ক্লান্তি ও বমি বমি ভাবের মত লক্ষণগুলো দেখা দেয় এই রোগে আক্রান্ত হলে। এটি হেপাটাইটিস বি এর সংক্রমণের মত মারাত্মক কোন রোগ নয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই অসুস্থতা গর্ভজাত সন্তানের উপর কোন প্রভাব ফেলে না। বিরল ক্ষেত্রে হেপাটাইটিস এ প্রিম্যাচিউর লেবারের সৃষ্টি করতে পারে এবং নবজাতকের ইনফেকশনও হতে পারে।

৫। নিউমোকক্কাল ভ্যাক্সিন:
আপনার যদি দীর্ঘমেয়াদী কোন রোগ যেমন- ডায়াবেটিস অথবা কিডনি রোগ থাকে তাহলে আপনার চিকিৎসক আপনাকে নিউমোকক্কাল ভ্যাক্সিন নেয়ার পরামর্শ দেবেন। যা কয়েক ধরণের নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষা দেবে। গর্ভজাত সন্তানের ক্ষতির বিষয়টি এখনো অজানা, তবে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন যে ঝুঁকি কম।

পরিশিষ্ট:

আপনি নিজে গর্ভবতী হলে বা আপনার পরিবার ও বন্ধুদের কেউ গর্ভবতী হলে এই টিকাগুলো সময়মত যাতে নেয়া হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। এর ফলে অনাগত শিশু ও মা উভয়েই নিরাপদ থাকবেন।

যেকোন ভ্যাক্সিন নেবার আগে অবশ্যই আপনার গাইনী ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন। এবং ভবিষ্যতে যাতে ট্র্যাক করা যায় এজন্য কবে কী ভ্যাক্সিন দিচ্ছেন তার চার্ট সংরক্ষণ করুন।

.           ***নারীদের যত টিকা***নারীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশু ও নবজাতককে বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ রা...
30/11/2021

. ***নারীদের যত টিকা***
নারীর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতের পাশাপাশি গর্ভস্থ শিশু ও নবজাতককে বিভিন্ন রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে কিছু টিকা বিশেষভাবে প্রয়োজন। হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এমআর টিকা, ধনুষ্টঙ্কার প্রতিরোধে টিটি টিকাসহ কয়েকটি টিকা এর মধ্যে অন্যতম।

"এমআর টিকা":
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কোনো নারী রুবেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে গর্ভস্থ শিশুর গুরুতর কিছু স্বাস্থ্য জটিলতা, এমনকি বিকলাঙ্গও হতে পারে। হৃৎপিণ্ডে সমস্যা, চোখে ছানি, মাথা ছোট, বধিরতা-এসব সমস্যা নিয়ে শিশুর জন্ম হতে পারে। একে বলা হয় জন্মগত রুবেলা সিনড্রোম। যেকোনো শিশুর বয়স ৯ মাস পূর্ণ হলে প্রথম ডোজ ও ১৫ মাস পূর্ণ হলে দ্বিতীয় ডোজ এমআর টিকা দিতে হয়। যেসব মেয়ে শিশুকে শৈশবে এই টিকা দেওয়া হয়নি, তাদের রুবেলা প্রতিরোধের জন্য পরবর্তী সময়ে মা হওয়ার আগেই হাম, মাম্পস ও রুবেলা প্রতিরোধী ‘এমএমআর’ টিকা নিতে হয়। গর্ভধারণের কমপক্ষে এক মাস আগে এমআর বা এমএমআর টিকা নেওয়া শেষ করতে হবে।

"টিটি টিকা":
ধনুষ্টঙ্কার প্রতিরোধে মেয়েদের ১৫ বছর বয়স হলেই যথাশিগগির প্রথম ডোজ টিটি টিকা নিতে হবে। এর চার সপ্তাহ পর দ্বিতীয় ডোজ, তার ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ, এর এক বছর পর চতুর্থ ডোজ এবং শেষোক্ত ডোজের এক বছর পর পঞ্চম ডোজ বা শেষ ডোজ টিটি টিকা নিতে হবে। গর্ভধারণের আগেই এই পাঁচ ডোজ টিকা নেওয়া থাকলে গর্ভকালীন আর টিটি টিকা নেওয়ার দরকার পড়ে না। গর্ভধারণের আগে দুই ডোজ নেওয়া থাকলে গর্ভকালীন তৃতীয় ডোজ এবং সন্তান প্রসবের পর চতুর্থ ও পঞ্চম ডোজ নিতে হবে। গর্ভধারণের আগে তিন ডোজ নেওয়া থাকলে এবং গর্ভকালীন এক বছর অতিক্রান্ত না হলে এ সময় চতুর্থ ডোজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সন্তান প্রসবের পর চতুর্থ ও পঞ্চম ডোজ নিতে হবে। তবে আগে টিটি টিকা নেওয়া না থাকলে গর্ভকালীন দুই ডোজ টিকা নিতে হবে। এর মধ্যে শেষ ডোজটি সন্তান প্রসবের অন্তত এক মাস আগে নিতে হবে।

"হেপাটাইটিস বি প্রতিরোধের টিকা":
গর্ভবতী মায়ের হেপাটাইটিস বি হলে সন্তান প্রসবের সময় এ রোগের জীবাণু শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে। কাজেই গর্ভধারণের আগেই একজন নারীর তিন ডোজ হেপাটাইটিস বি টিকা নেওয়া জরুরি।

"জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধের টিকা":
জরায়ুমুখ ক্যানসারের অন্যতম কারণ হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। এই ভাইরাস প্রতিরোধের একাধিক টিকা আছে। ৯ বছর বয়স থেকে শুরু করে ১৩ বা ১৫ বছরের মধ্যে এসব টিকা নিতে হবে। দুই ডোজের এই টিকার প্রথম ডোজের ছয় মাস পরে দ্বিতীয় ডোজটি নিতে হয়। ১৫ বছর বয়সের মধ্যে টিকা না নিলে ১৫ থেকে ২৬ বছর বয়সের মধ্যে তিন ডোজে এই টিকা নিতে হবে। সে ক্ষেত্রে প্রথম ডোজের এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ এবং ছয় মাসের সময় তৃতীয় ডোজ নিতে হবে।

লেখক: অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ

07/03/2021

#মাইগ্রেন

বর্তমান সময়ে সবার জন্যেই একটা আতঙ্কের নাম। মাইগ্রেনের ব্যথায় ভোগেন না এমন মানুষ পাওয়াটাও অনেক কঠিন। কিন্তু এই মাইগ্রেন হয় কেন?

মাইগ্রেন কেন হয় এটা নিয়ে অনেক থিওরি আছে। তবে হয় জেনেটিক এবং কিছু পারিপার্শ্বিক কারণ অনেকটাই দায়ী...

মাইগ্রেন বাড়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন :

১. Height of Temperature : অতিরিক্ত গরমে থাকলে বা রোদ্রে হাটলে যেমন মাইগ্রেন হতে পারে, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণেও মাইগ্রেন হতে পারে

২. Height of Emotion : অত্যাধিক রেগে যাওয়া, অতিরিক্ত কান্নাকাটি করা, অট্টহাসি বা জোরে জোরে হাসার অভ্যাস থাকলে

৩. অতিরিক্ত পরিশ্রম বা রেস্ট না নেওয়া। ক্ষেত্রবিশেষে অত্যাধিক যৌনমিলনের কারণেও হতে পারে

৪. সারাদিন বাসায় থাকা বা অতিরিক্ত ঘুম বা এক্সারসাইজের অভাব এবং অলসতা থেকেও মাইগ্রেন হতে পারে

৫. রাত জেগে থাকা তো মাইগ্রেনের অন্যতম কারণ এবং এই রাত জেগে থাকার ফলে মাইগ্রেন দিনদিন বাড়তে পারে

৬. অধিক পড়াশুনা বা ব্রেনকে রেস্ট না দিলে মাইগ্রেন হতে পারে

৭. মাসিকের সময় মেয়েদের একটা মাইগ্রেন হয় এটাকে Menstrual Migraine বলে এবং Menopause এর পরে মাইগ্রেনের এ্যাটাক অনবরত হয়।

৮.জন্মনিরোধীকরণ পিল বা হরমোন থেরাপি নিলেও মাইগ্রেন বাড়তে পারে।

৯. খাদ্যবিশেষ যেমন চকলেট পিনাট মিস্টি অতিরিক্ত স্পাইসি বা লবণজাতীয় খাবার, দুধজাতীয় কিছু খাবার ইত্যাদি মাইগ্রেন বাড়াতে পারে।

এমনকি সময়মতো না খাওয়া বা না খেয়ে থাকলে মাইগ্রেন মারাত্মক আকারে বেড়ে যায়

১০. উচ্চ আলো এবং উচ্চ শব্দ মাইগ্রেন রোগীদের জন্য অসহনশীল

১১. চা কফি সাধারন মাইগ্রেন কমালেও অতিরিক্ত চা এবং কফি মাইগ্রেনের কারণ। সুতরাং সাবধান

মাইগ্রেনের ব্যথা হলে করণীয়ঃ

১. নিরিবিলি পরিবেশে থাকতে হবে যেখানে উচ্চ শব্দ বা আমো থাকবে না।
২. ব্যথার জায়গা টিপে দিলে বা ম্যাসাজ করলে আরাম পাওয়া যায়।
৩. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করতে হবে।

©
ডাঃ আসিফ আব্দুল্লাহ
এমবিবিএস (রামেক), সিসিডি (বারডেম)
সিভিল মেডিকেল অফিসার
শমশেরনগর বিমানঘাটি,
বাংলাদেশ বিমানবাহিনী

28/01/2021

স্বমৈথুন বা পুরুষদের জন্য যাকে হস্তমৈথুন বলে তা সম্পর্কে অনেক পুরুষ জানতে চেয়েছেন। আমাদের দেশে পুরুষদের এই বিষয়ে স্বাস্থ্য সম্মত সঠিক জ্ঞ্যানের যথেষ্ট অভাব রয়েছে, বিভিন্ন ভুল ধারনার বশবর্তী হয়ে অল্প বয়সে অনেকে নিজের স্বাস্থ্য ক্ষয় করে আফসোস করে থাকেন। কিছু সাধারণ বিষয় জানা থাকলে সেগুলো এড়ানো যায়। একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার কাছে যে সকল প্রশ্ন পুরুষেরা করে থাকেন তা নিয়ে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করব। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে।

১) হস্তমৈথুন করা কি উচিৎ বা অনুচিত?
২) সপ্তাহে কত বার এটি করলে অভ্যস্ত হয়ে যেতে হয় বা আসক্ত হয়েছে বলা যায়?
৩) হস্তমৈথুনের ঝুঁকি কি কি?
৪) পর্ণ দেখে হস্তমৈথুন করা কতটুকু স্বাস্থ্যকর?
৫) অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?
৬) স্বপ্নদোষ এড়ানো যায় কীভাবে?

এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেবার আগে কিছু সাধারণ আলোচনা করি। আগেই বলে রাখি এটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত একটি বিষয় এবং এর উত্তর নিজের কাছে নিজে সত্যি করে দিন। সেটা করতে পারলে অনেক কিছু আপনাতেই আপনার কাছে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

যারা পর্ণ দেখে হস্তমৈথুনে অভ্যস্ত তারা সঙ্গীর সাথে মিলনের সময় পর্ণ কেই সত্য বলে ধরে নেয়। আমাদের মনে রাখতে হবে পর্ণ সম্পূর্ণ কাল্পনিক একটি ব্যাপার। এর সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। পর্ণে ৩০ মিনিট ধরে একজন রতিক্রিয়া করতে পারে এটা দেখে আপনি মনে মনে হতাশ হয়ে পরলেন, কোন দরকার নেই। স্বাভাবিক রতিক্রিয়ার সময় ৫ থেকে ৭ মিনিট এটি বেড়ে বা কমে কখনও ১০ মিনিট বা ৩ মিনিটও হতে পারে। তবে ৭ দিন আপনি স্বাভাবিক সময়ে কাজ করার পর ৮ম দিনে যদি দেখেন সময়ে একটু উল্টা পাল্টা হচ্ছে ভয় পাবেন না। মানুষের শরীর সব দিন সমান ভাবে চলে না। ক্লান্তি, অবসাদ, দুশ্চিন্তা, শারীরিক অসুস্থতা, ঘুম কম হওয়া, পুষ্টিহীনতা এমন অনেক কারনে সময় একটু বেশ কম হতে পারে, তার মানে আপনার কোন সমস্যা হয়েছে তা নয়। কাজেই নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন। সাহস হারাবেন না।

অরগাজম এমন একটি বিষয় আপনি আপনার শরীরকে যেভাবে এর জন্য প্রস্তুত করবেন সে সেভাবেই কাজ করবে। অর্থাৎ আপনি যদি পর্ণ দেখে অভ্যস্ত হন তবে তাতেই সে অভ্যস্ত হবে, যদি আপনার সঙ্গী দ্বারা হন তবে তাই, যদি একা একা হন তবে তাই। এটি মানব দেহের অন্যতম একটি প্রক্রিয়া যার সংঘটন হবার পর্যায় গুলো মস্তিস্কে খুব শক্তভাবে স্থায়ী আসন গেড়ে নেয় যা থেকে পরিবর্তন করে আনা একটু কষ্টসাধ্য। কাজেই যে বিষয়ের উপর নির্ভর করেই আপনি হস্ত মৈথুনে অভ্যস্ত হন না কেন খেয়াল রাখতে হবে তা যেন আপনার দুর্বলতায় পরিণত না হয়।

সহজ কথায় লেবু এক দুই ফোটা সরবতে দিলে খাওয়া যায় কিন্তু পুরোটা চেপে দিলে তিতা হয়ে যায়। অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না।

স্বপ্নদোষ কেবল নামেই দোষ। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ঘটনা যত বারই হোক না কেন। এটাকে ভয় পাবার কিছু নেই। যদি নিজেকে দুর্বল মনে হ্য় ভাল করে পুষ্টি দায়ক খাবার খান যেমন দুধ, মাংস, ডিম, ফলমূল এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিন। অহেতুক দুশ্চিন্তা করে আরও বেশি দুর্বল লাগবে। আর ছেলেদের কম বয়সে একটু বেশি পরিমাণ স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক যেটা বয়সের সাথে ধীরে ধীরে কমে আসে।

যারা হস্তমৈথুনে আসক্ত হয়ে পরেছেন, বেড়িয়ে আসতে চান তারা একবারে ছেড়ে দিতে না পারলে ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন। পরিবর্তন নিজেই বুঝতে পারবেন। সুস্থ শরীরে কোন সমস্যা না থাকলে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার করা যায়। এর বেশি না।

অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের কিছু ক্ষতিকর দিকঃ
১) শারীরিক মিলন এবং হস্তমৈথুন আপনার দেহের জন্য একই রকম সুবিধা বহন করে না। অবশ্যই শারীরিক মিলন আপনার দেহের জন্য হস্তমৈথুন অপেক্ষা অধিক উপকারি।
২) যৌন রোগ বাহিত হবার ঝুঁকি না থাকলেও অতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে পুরুষাঙ্গের চামড়া অনেক সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমনকি উত্থিত শিশ্নের উপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগে এর আঁকার আকৃতি নষ্ট হয়ে রক্ত চলাচল ব্যহত হতে পারে।
৩) মানসিক দুর্বলতা সৃষ্টি করতে পারে যার পিছনের মূল কারন আমাদের অজ্ঞতা।

অনেক কথা বলে ফেললাম। এবার প্রশ্ন গুলো করি।
১) আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন কি আপনার এমন কি অনুভুতি হয় এর দ্বারা আপনার ক্ষতি হতে পারে? উত্তিত হওয়া থেকে অরগাজম পর্যন্ত কোথাও কোন অস্বাভাবিকতা মনে হয় কি?
২) প্রতিবার যখন আপনি এটি করেন তখন কি আপনার মনে হয় আপনি এর প্রতি আরও নির্ভর হয়ে পরছেন?
৩) হস্তমৈথুন করার সময় নিজের প্রতি ও নিজের জীবনের প্রতি আপনার ধারনা কি ইতিবাচক থাকে নাকি নেতিবাচক?
৪) এই সময় আপনার কি নিজেকে আরও নিঃসঙ্গ মনে হয়?
৫) আপনি যদি কারো সাথে কোন সমর্পকে ইতিমধ্যে থাকেন তবে হস্তমৈথুন করা অবস্থায় আপনার কি মনে হয় আপনার সঙ্গী থেকে আপনি আরও দূরে চলে যাচ্ছেন নাকি এটি আপনাদের সম্পর্কের জন্য ভাল কিছু বয়ে আনবে?

উত্তর গুলো নিজেকে নিজে দিন। যদি নেতিবাচক হয় তবে সময় হয়েছে সরে আসার। সুস্থ হয়ে উঠুন। সাহস রাখুন। এটি কোন গুরুতর সমস্যা নয়। একটু সময় ও ধৈর্য ধরলেই সবকিছু ঠিক হয়ে যায়।

_______________________________________

26/01/2021

#সজিনা_পাতা
জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।
সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অবাক করবেঃ

🌿সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।

🌿 দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।

🌿 গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
🌿 কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

শুনে আরও অবাক হবেন যে সজিনার পাতা পানিকে আর্সেনিক মুক্তও করে।

আসুন এই অলৌকিক পাতার আরো কিছু বিস্ময়কর গুন জেনে নেইঃ

🌱সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।

🌱এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।

🌱দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

🌱 সজিনা পাতা বহুমূত্র রোগের জন্যে অনেক উপকারী।

🌱সজিনার ডাটা থেকে সজিনার পাতা অধিক উপকারী।

🌱এলার্জি জনিত সমস্যা হলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

🌱প্রতিদিন সকালে এক চামচ শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱গেটেবাত এর জন্যে সজিনা পাতা বেটে হাটুতে বা যে স্থানে ব্যাথা হয় লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱সজিনার ফুল এ ও অনেক উপকার আছে যেমন : হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ট কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি।

🌱সজিনার পাতা পোকার কামড়ের তাতক্ষনাৎ এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেজ ভালো কাজ করে।

🌱 সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতা গুড়ো করে অথবা অন্য খাবারের সাথে খান।

🌱সজিনা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর কে কর্মঠ রাখে। হাড় এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা আত্মরক্ষার ও ভূমিকা পালন করে।

🌱 সজিনা পাতা যকৃত ও কিডনির কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

🌱সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।

🌱শরীরের ওজন কমাতে অনেক সাহায্য করে। ব্যায়াম এর পাশাপাশি সজিনা পাতা খান।

🌱 ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ দের মতে সজিনা পাতা ও ডাটা প্রায় ৩০০+ রোগের জন্যে উপকারী ও রোগ নিরাময় করে।

🌱সজনে পাতা বাচ্চাদের পেট পরিষ্কার রাখে।

🌱 সজনে পাতা চামড়া ও চুলের জন্যে ও ভালো।

এবার এর ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

💅ত্বক এর জন্যে :
মধুর সাথে সজিনা পাতার রস বা শুকনো গুড়া মিশিয়ে মুখে লাগানে পারেন। এতে মুখের চামড়া টান টান হয়, পরিষ্কার হয় ব্রণ দূর হয়।

💅 ত্বক এর ক্ষতস্থান এর মধ্যে লাগাতে পারেন পাতা বেটে বা গুড়া পেস্ট করে। সজনে পাতা ত্বক এর মধ্যে ক্ষত থাকলে তা ও সারায়।

💅চুলের জন্যে :
সজনে পাতার রস বা শুকনা গুড়া পেস্ট করে সাথে মধু মিক্স করে বা এমনি মাথায় দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চুল পড়া কমবে। মাথার ত্বক পুষ্টি গুণ পাবে। মাথা ঠান্ডা থাকবে। চুল সুন্দর ও ঘন হবে।

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস এক ধরনের চর্মরোগ, যা সাধারণত মাথার ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।  #এই রোগের কারণে ত্বক কেমন হয়: ১)আক্রান্...
18/01/2021

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস এক ধরনের চর্মরোগ, যা সাধারণত মাথার ত্বককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
#এই রোগের কারণে ত্বক কেমন হয়:
১)আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে যায়।
২) আক্রান্তস্থান খসখসে হয়ে যায় ও খুস্কি দেখা দেয়।

#শরীরের কোথায় এই রোগ বেশি দেখা যায় :
১)মুখমণ্ডল,
২)বুকের উপরের অংশ
৩)কানের পিছনে এবং
৪)পিঠের মতো শরীরের তৈলাক্ত অংশ...

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস সমগ্র শরীরের উপর প্রভাব ফেলে না, কিন্ত এর কারণে আপনি অস্বস্তিবোধ করতে পারেন।

#লক্ষন :
১)ত্বকের ফুসকুড়ি
২)শুষ্ক খসখসে ত্বক
৩)অস্বাভাবিক ত্বক
৪)ত্বকে চুলকানি
৫)মাথার ত্বকে চুলকানি
৬)ব্রণ/পিমপল
৭)ত্বকের ক্ষত
৮)চুল পড়ে যাওয়া
৯)ত্বকের বৃদ্ধি

#সেবোরিক ডার্মাটাইটিস এর বিভিন্ন কারন:
১) মানসিক চাপ,
২)ঠাণ্ডা এবং শুষ্ক আবহাওয়া,
৩)ব্যক্তির ত্বকের ওপর ইষ্টের উপস্থিতি এবং আরও অন্যান্য শারীরিক ব্যাধি ইত্যাদি।

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস খুস্কি, সেবোরিক একজিমা বা সেরাইওসিস নামেও পরিচিত। শিশুদের ক্ষেত্রে এই রোগকে ক্রেডল ক্যাপও বলা হয়।

সেবোরিক ডার্মাটাইটিস খুবই অস্বস্তিকর অবস্থা,, কারণ আপনার ত্বক অসংখ্য জিনিসের সংস্পর্শে আসতে পারে, যা অবস্থাটিকে আরও বাড়াতে পারে।
এই রোগের লক্ষণগুলো সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব এবং ত্বক এর কোন ধরনের ক্ষতি ছাড়াই এর চিকিৎসা করা যায়। চিকিৎসা করা না হলে এই সমস্যা তীব্র আকার সেজন্য এই রোগ হলে দেরি না করে একজন স্কিন ডাঃ এর চিকিৎসা নিন।

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সেইম হলে কি কোনো সমস্যা?(ছবির চার্টটি সেইভ করে রাখুন... প্রয়োজনে কাজে লাগবে)"হাজব্যান্ড ও ওয়...
17/01/2021

স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ সেইম হলে কি কোনো সমস্যা?

(ছবির চার্টটি সেইভ করে রাখুন... প্রয়োজনে কাজে লাগবে)

"হাজব্যান্ড ও ওয়াইফের রক্তের গ্রুপ একই হলে নাকি বাচ্চার জন্মগত সমস্যা হয়??" প্রায় প্রতিদিন এই একি প্রশ্নটা ফেস করতে হচ্ছে ।।

উত্তরটা খুবি সহজ - "কোনো সমস্যাই হয় না।। হওয়ার কোনো কারনও নাই"।

আমরা জানি - সারা দুনিয়ায় ৩৬% "ও" গ্রুপ, ২৮ ভাগ "এ" গ্রুপ, ২০% "বি" গ্রুপ। কিন্তু এশিয়াতে প্রায় ৪৬% মানুষের রক্তের গ্রুপ "বি"। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫%, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫%.

যেখানে সিংহভাগ রক্তের গ্রুপ বি আমাদের দেশে। সেখানে জামাই বউয়ের গ্রুপ মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক। এতে কোনো প্রকার সমস্যা হয় না।

কিন্তু যদি ওয়াইফের নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং হাজব্যান্ডের পজিটিভ গ্রুপ থাকে। তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে।। যাকে Rh Isoimmunization বলে।

পজিটিভ স্বামী ও নেগেটিভ স্ত্রীর প্রথম সন্তান যদি নেগেটিভ গ্রূপের হয় তাহলে কোনও প্রকার সমস্যা হয় না। বিপত্তি হয় তখন যদি প্রথম সন্তান বাবার রক্তের গ্রূপ পায় অর্থাৎ যদি পজিটিভ হয়। এই পজিটিভ রক্তের গ্রূপের গর্ভাবস্থায় সাধারণত কোন ঝামেলা হয় না। তবে এই সন্তান জন্মের সময় বাচ্চার পজিটিভ রক্ত নেগেটিভ মায়ের রক্তের সাথে মিশে যায় যা গর্ভাবস্থায় দুরুহ, যদিও ০.১% ক্ষেত্রে রক্তের এই মিশ্রণ গর্ভাবস্থায়ও হতে পারে। মায়ের নেগেটিভ রক্তের সহিত বাচ্চার পজিটিভ রক্তের এই মিশ্রণের কারণে মায়ের রক্তে এক ধরণের Antibody তৈরি হয়ে থাকে যা পরবর্তী গর্ভাবস্থাকে ঝুঁকিতে ফেলে। পরবর্তী গর্ভাবস্থার বাচ্চাটি যদি আবার ও পজিটিভ গ্রূপের হয় তবে এই Antibody দ্বিতীয় বাচ্চাটিকে নষ্ট করে দেয়। এ কারনেই প্রথম পসিটিভ সন্তান জন্মের পর পরই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে Rh Anti-D antibody নামক একটি প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মাকে দিতে হবে। এই প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মায়ের শরীরে বিদ্যমান বাচ্চার লোহিত রক্তকণিকাকে ধ্বংস করে দেয় এবং কোনও ধরণের Antibody তৈরি হতে দেয় না। ফলে পরবর্তী বাচ্চা পজিটিভ হলেও কোনও সমস্যা হয় না।

তবে নেগেটিভ মায়ের পজিটিভ বাচ্চা ডেলিভারির পর যদি Rh Anti-D antibody নামক একটি প্রতিরোধক ইঞ্জেকশান মাকে না দেয়া হয় তবে পরবর্তী পজিটিভ বাচ্চা জন্মগতভাবে রক্তশূন্যতা, জন্ডিস নিয়ে জন্মগ্রহণ করতে পারে, এমন কি গর্ভে সন্তান মারাও যেতে পারে।

---------------

অনেকের ভ্রান্ত ধারনা - বাবা মায়ের রক্তের গ্রুপ এক হলে বাচ্চার থ্যালাসেমিয়া হয়। এটাও সম্পূর্ণ ভুল ধারনা।।। কারন থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম এবনরমালিটি থেকে হয়।।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Health and Beauty Care Center Bangladesh LTD. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Health and Beauty Care Center Bangladesh LTD.:

Shortcuts

Share