01/05/2026
আজকে একটু বনিতার পর্দার পিছনের গল্প বলি আপনাদের।
বনিতার তিনজন ওনার। তিনজন বসেই ডিজাইন ঠিক করেন, সেই অনুযায়ী ভেন্ডর থেকে কাপড় আনা হয়। টপস, থ্রিপিস, শাড়ি সব কিছুই বনিতার নিজস্ব ডিজাইনের হয়। কাপড় আনা হলে একসাথে বসে সেই কাপড় কোনটা দিয়ে কি হবে সব ঠিক করা হয়। তারপর টেইলর, ব্লকের কারিগর, কারচুপির কারিগর এর সাথে আলাদা করে বসা হয় ডিজাইন নিয়ে। উনাদেরকে সব ডিজাইন বুঝিয়ে দিয়ে আমরা অপেক্ষায় থাকি ফাইনাল আউটপুটের। ব্যাপারটা যত সহজে বলে ফেললাম মোটেও ততটা সহজ নয়, বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
যাই হোক, আমরা ড্রেসের একটা ডিজাইন ৩-৫ পিসের বেশি করি না। শাড়ি এক ডিজাইন একটাই হয়। সেইম ডিজাইন কেও আবার চাইলে ঐটাই কেবল আবার করে দেয়া হয়। এতে করে আমাদের ডিজাইন গুলো ইউনিক থাকে।
অন্যদিকে কারিগরদেরও বেশ চাপে থাকতে হয় ডিজাইন নিয়ে। কাজ নিখুঁত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের তো মাথা খারাপ করে দেই আমরা!😁 আপনাদের হাতে সুন্দর কিছু তুলে দেয়ার জন্য এইটুকু করতেই হয় আমাদের।
অনেক লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে ড্রেসগুলা আপনাদের হাতে পৌঁছায়। কত মানুষের শ্রম এক একেকটা পোশাকে। শুধু মাত্র আমাদের আঁকা ছবি দেখেই আমাদের কারিগর তাদের শ্রম দিয়ে পোশাক গুলো কি সুন্দর করে বানিয়ে ফেলেন।
আমরা সবসময় কৃতজ্ঞ আমাদের কারিগরদের প্রতি। আজকের দিনে একটু আয়োজন করেই না হয় তাদের আবারো ধন্যবাদ দিলাম।
আর ধন্যবাদ আপনাদের, যারা বনিতার সাথে আছেন।😊😊
(প্রায় দুই বছর আগের লেখা, আজকে আবারও শেয়ার দিলাম)