দেশী বসন ::: DeshiBoson

দেশী বসন ::: DeshiBoson "দেশী বসন" বাঙালীর আভরণ!
আপনার পছন্দের দেশীয় পণ্যটি রিজনেবল দামে পেতে পেইজ ঘুরে দেখুন!

তারাবীহ নামাজের নিয়ম 🍀একটু কস্ট করে পুরোটা পড়লে ইনশাআল্লাহ কোন সংশয় থাকবেনা।🔲 তারাবীহ নামাজের সময়ঃঅধিকাংশ ফকিহদের মতে তা...
19/02/2026

তারাবীহ নামাজের নিয়ম 🍀
একটু কস্ট করে পুরোটা পড়লে ইনশাআল্লাহ কোন সংশয় থাকবেনা।

🔲 তারাবীহ নামাজের সময়ঃ
অধিকাংশ ফকিহদের মতে তারাবীহ নামাজের সময় হলো ইশার পরে বিতরের আগে। আর তা ফজর পর্যন্ত পড়া যায়।
সাহাবাদের আমল দ্বারা তা প্রমানিত।
আর যদি কেও এশা ও বিতর পড়ে ফেলে তারপর তারাবীহ পড়ে তাইলে সহীহ মতানুসারে তা আদায় হয়ে যাবে। (শামী ২/৪৩৯-৯৪,
মওসুয়াতুল ফিকহিয়্যা ২৭/১৪৭-৪৮)
বিতরের নামাজ তারাবীহ এর নামাজের পর আদায় করা উত্তম, তবে কেও যদি আগে আদায় করে নেয়, তাও সহিহ আছে
(মারাকিল ফালাহ, পৃঃ ২২৫)

🔲 তারাবীহ নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
বুখারীর হাদিসে আছে রমাদ্বনে (তারাবীহ) নামাজ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কয়েকদিন জামাতে পড়ে আর জামাতে পড়েন নি।
যাতে তা উম্মাহের জন্য ফরজ হয়ে না যায়।
সুতরাং বুঝা যায় যে তার গুরুত্ব ফরজের মত না। তবে তা অবশ্য ই পালনীয় সুন্নত।
দেখুন_ আল মুগনী ২/১৬৬,
বাহরুর রায়েক ১/১১৭।
মোল্লা আলী কারী রহঃ লিখেন।
বিশুদ্ধতম মত হলো তারাবীহ এর নামাজ সুন্নতে মোয়াক্কাদাহ।
(শরহুন নিকায়া ১/৩৪১)
অনেক ফুকাহায়ে কিরামের মতে সুন্নতে মোয়াক্কাদার স্তর ওয়াজিবের কাছাকাছি।
এটা ছেড়ে দেওয়া নিন্দনীয়।
নিয়মিত ছেড়ে দিলে গুনাহগার হবে।
(রদ্দুল মুহতার)

🔲 তারাবীহ নামাজ দুই দুই রাকআত করে পড়বেন। এক সালামে দুই রাকআত এভাবে ১০ সালামে ২০ রাকআত নামাজ পড়া সুন্নত। অর্থাৎ দুই রাকআত পড়ে সালাম ফিরিয়ে আবার দুই রাকআত পড়া এভাবে ২০ রাকআত।
(সুত্র- ইমাম নববীর আল আযকার পৃ ৮৩, ফাতওয়ায়ে দারুল উলুম খঃ১ পৃঃ ২৬৭)

🔲 তারাবী ২০ রাকাত পড়াই মূলত সুন্নত।
৮ রাকআত নয়! সাহাবা তাবেয়ী সহ সালাফদের হতে ২০ রাকাতের কম তারাবী হবার মত প্রমাণিত নয়। ২০ রাকআত তারাবীহ সুন্নত সাব্যস্ত হবার ব্যাপারে বিস্তারিত দলীল প্রমান
জানতে হলে প্লে স্টোরে সার্চ দিয়ে 'মারকাযুল কুরআন ' এপ্সটা নামিয়ে পড়বেন।
এতে দলীলসহ নামাজের মাসায়েল বইয়ে বিস্তারিত পাবেন এছাড়াও এতে ২০ রাকআত তারাবীর হাদিস সহীহ হবার ব্যাপারে আলাদা একটা বই ও আছে যার লেখক- শাইখ ইসমাইল ইবনে মুহাম্মদ আনসারী
(সাবেক গবেষক ও মুহাদ্দিস, কেন্দ্রীয় দারুল ইফতা, সৌদি আরব)

🔲 সহজ হিসাব -
যারা মনে করেন তারাবী ৮ রাকআত সুন্নত তারা ২০ রাকআত পড়লে ৮ রাকআত সুন্নত হলে সুন্নত আদায় হবে। আর বাকিগুলো নফল হিসেবে আদায় হবে। এতে সাওয়াব ই হবে।
লসের কিছু নেই..
কিন্তু যদি ৮ রাকআত পড়েন
তাইলে ২০ রাকআত সুন্নত হলে আমাদের অনেক আলেমের মতে তারাবীর সুন্নত আদায় হবেনা।
বরং সে নামাজ নফল হবে।
তাছাড়া বাকি এত রাকাত সুন্নত বাদ যাবে।
২০ এর মাঝে ৮ ও অন্তর্ভুক্ত
কিন্তু ৮ এর মাঝে ২০ অন্তর্ভুক্ত না।
তাই সুস্থ থাকাকালীন ২০ রাকআত পড়ে সংশয় মুক্ত থাকা উচিত।
নেকীর পাল্লা ভারী করা উচিত 🍀
তাছাড়া কম নয় যত বেশি পড়া যায় তত ই সাওয়াব হবে আর শেষ দশকে শবে কদর এর রাতে তো ইবাদতের সাওয়াব হাজারগুন বেড়ে যায় তাই নামাজ কমিয়ে পড়ে লস কার তাও ভাবা উচিত।

তবে অবশ্য ই ধীরেসুস্থে নামাজ পড়তে হবে।
তাড়াহুড়া করে উঠবস করলেই হবেনা।
টাইম নিয়ে বিশ্রাম নিয়ে নিয়ে সুন্দরভাবে
নামাজ পড়বেন।
আর অসুস্থ হলে বসে পড়তে পারেন।
বিনা কারনে বসে পড়া অপছন্দনীয়।

#মাসআলা হলো- বিনা উজরে বসে বসে তারাবীহর নামাজ আদায় করলে নামাজ আদায় হয়ে যাবে, কিন্তু অর্ধেক সাওয়াব হবে।
এবং যদি কেও দূর্বল হয় কিংবা অলস হয় এবং দীর্ঘ সময় নামাজ বরদাশত করতে না পারে তাইলে প্রত্যেক তাশাহুদ অর্থাৎ আত্তাহিয়াতু পড়ার পর সালাম ফিরানো জায়েজ। তবে যথাসম্ভব দরুদ না ছাড়া উচিত। তবে দুয়া মাসুরা ছেড়ে দিলে অসুবিধা নেই। (ফাতওয়ায়ে আলমগীরী, খঃ ১ পৃঃ ৬১, সংগ্রহীত ফাতওয়া)

সুতরাং তারাবী পড়তে পড়তে হাঁপিয়ে উঠলে/ কস্টকর মনে হলে বাকি নামাজ বসে পড়তে পারেন। এতে সাওয়াব অর্ধেক পাবেন।
তবু পুরোটাই পড়ার চেষ্টা করবেন।
যাদের বাচ্চা আছে তারা রাতে বাচ্চা ঘুমানোর পর পড়তে পারেন। সারা রাত ই তো পড়ার সুযোগ আছে। আর কখনো বাচ্চা রাখার কেও না থাকা এবং বাচ্চার কান্নাকাটির কারনে বা অসুস্থতা বা অন্য কোন বড় অসুবিধার কারনে কম পড়লে বা পড়তেই না পারলে ভিন্ন কথা। যথাযথ ওজরের কারনেই কোন দিন না পড়লে গুনাহ হবেনা ইনশাআল্লাহ।

#তারাবী না পড়লে রোজা হবেনা এমন কিন্তু নয়। কেও কখনো তারাবী না পড়লেও রোজা হবে। এবং কেও শারীরিক অসুস্থতা বা অন্য যথাযথ কারনে রোজা না রাখলেও সামর্থ্য থাকলে তারাবী পড়তে হবে। অর্থাৎ রোজা রাখা এবং তারাবী পড়া দুটো দুই আমল। একটার জন্য আরেকটা ছাড়া যাবেনা।

🔲 নামাজে দাঁড়িয়ে প্রথমেই নিয়ত করা জরুরি।
আর তা অন্তর এর সাথে সম্পর্কিত
সুতরাং দুই রাকআত তারাবীহের সুন্নত সালাত আদায়ের নিয়ত করছি মনে মনে এরুপ নিয়ত করাই যথেষ্ট। আর "একবার নিয়ত করার পর বাকি সব রাকআত এর জন্য আবার এভাবে নিয়ত করার ও জরুরত নেই। দাঁড়িয়েই আল্ল-হু আকবার বলে নামাজ শুরু করলেই হবে। "
(সুত্রঃ ফাতওয়ায়ে আলমগীরী)

🔲 যারা বাসায় নামাজ পড়েন এবং সুরা তারাবীহ পড়েন তারা সূরা ফাতেহার পর
সিরিয়াল ঠিক রেখে সূরা মিলাতে পারেন
বা চাইলে সুবিধামত যে কোন সূরাই
মিলাতে পারেন। কোন সূরা নির্দিষ্ট না।
বড় সূরা মুখস্থ না থাকলে সুরা ফাতিহার পর সুরা আলাম তারা হতে সূরা নাস পর্যন্ত ছোট দশ সুরা হতে একটা সুরা মিলিয়ে পড়তে পারেন।
চাইলে দুই তিন টাও একসাথে পড়া যায়।
এ ক্ষেত্রে তারতীব (ধারাবাহিকতা) রক্ষা না করে পড়া মাকরুহ না। আপনি যে কয়টি সূরা পারেন
তা দিয়েই পড়তে পারেন।
মোট কথা সূরা মিলানোর ব্যাপারেও
চিন্তিত হবার কিছু নেই।
কোন সূরা বা তিন আয়াত পড়লেই হবে।

🔲 তারাবীহ শব্দ টি তারবীহাতুন শব্দের বহু বচন অর্থ ক্ষনিক বিশ্রাম।
রমজানের এই নামাজে প্রতি চার রাকআত পর পর বিশ্রাম বা আরাম গ্রহণ করা মুস্তাহাব।
তাই তাকে তারাবীহ বলে অভিহিত করা হয়।
চার রাকআত পর পর চার রাকআত পরিমান সময় বিশ্রাম নেওয়া উত্তম।
এই সময়ে যে কোন আমল করা যায়
যেমন কুরআন তিলাওয়াত করা, জিকির করা, দরুদ পড়া। কিংবা একাকী নফল নামাজ পড়া বা দোয়া করা। বা কেও চাইলে চুপ থাকতেও পারে।
এ সময়ে পড়ার কোন নির্দিষ্ট দোয়া হাদিসে বর্নিত না। উচ্চস্বরে কিছু পড়া যাবেনা।
সম্মিলিতভাবে দুয়া করা যাবেনা।
সবাই নিজের ইচ্ছেমত আমল বা দুয়া করবে।
[চাইলে যে কোন আরবি দোয়া পড়া যায়।
আর নিজ ভাষায় তো করা যায় ই]
(সুত্র- বাদায়ে ১/৬৪৮, দুররে মুখতার,শামী ২/৪৯৬-৯৭)

(তারাবী সংক্রান্ত আলিমদের লিখিত কিতাব এর সাহায্যে মাসআলা উল্লেখ করে বিস্তারিত ভাবে বুঝিয়ে লিখার চেষ্টা করেছি। আশা করি বুঝতে কস্ট হবেনা )

◼ কিছু বিষয় আরো স্পষ্ট করি-

#নামাজের নিয়ত নিয়ে কখনোই চিন্তিত হবেন না।
নিয়ত মানেই মনের সংকল্প।
আপনি জানেন যে তারাবীহ সুন্নত।
তো আপনি যে রামাদ্বনের তারাবীহ নামাজ পড়তে
দাঁড়িয়েছেন এটা তো মাথায় আছে?
এই ইচ্ছে সংকল্প নিয়ে যখন দুই রাকআত নামাজ পড়ার জন্য দাড়াবেন তখন আলাদা মুখে আরবিতে নিয়ত পড়ার তো প্রয়োজন নেই।
যেসব আরবি নিয়ত বইতে আছে তা
হাদিসে আসেনি। কোন নামাজেই নিয়ত আরবীতে পড়া জরুরী না, সুন্নত ও না। পড়ায় কোন সাওয়াব ও নেই। উলটা আরবিতে ভুল পড়তে পারেন।
কেন নামাজ পড়াকে নিজের জন্য অযথাই কঠিন করবেন! আগে যেভাবে পড়েছেন
পড়েছেন এখনো কঠিনভাবে পড়ার দরকার নেইত।
সুন্নাত না ভেবে, সাওয়াব এর আশা না করে এম্নিতে পড়াও বিদআত এমন নাহ।
তাই যদি মনের সাথে সাথে নিয়তের ব্যাপারে শিউর হবার সুবিধার্থে মুখেও বাংলায় নিয়ত পড়েন তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু এ ব্যাপারে মতভেদ তো দেখতেই পাচ্ছেন সুতরাং নিয়ত পড়া বিদআত নাকি না এসব নিয়ে কনফিউশন বাদ দিয়ে নিয়তের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হতে যে নামাজ পড়ছেন যত রাকআত পড়ছেন এবং তা ফরজ নাকি সুন্নত নাকি বিতর তা মনে মনে বাংলায় বললেই পারেন অর্থাৎ ভাবলেই পারেন।
আর ২০ রাকাত তারাবীর নিয়ত সুন্নতের করবেন নাকি নফলের এ নিয়েও কনফিউজড হবেন না।
যাদের মতে নফল নামাজ সেক্ষেত্রেও নফলের অপর নাম সুন্নতে গাইরে মুয়াক্কাদা।
সুতরাং সুন্নত ভেবে পড়তে সংশয়ের কিছু নেই।

#দুই রাকআত পর পর নির্দিষ্ট দোয়া
-সুবহানা যিল মুলকি.. বা চার রাকআত পরপর মুনাজাতে আল্লহুম্মা ইন্না নাসআলুকাল জান্নাহ...
পড়ার কথা অনেকে কোন বই এ পেয়েছেন।
কথা হলো তারাবীর পরে পড়ার কোন নির্দিষ্ট দোয়া মুনাজাত হাদিসে নেই।
কোন বুযুর্গ হয়ত আরবিতে কোন দোয়া বা মুনাজাত পড়েছেন আর তা পরবর্তীতে প্রচলিত হয়ে যায় তারাবীহ সালাতের দোয়া/মুনাজাত হিসেবে। এসব আরবি দোয়া মুনাজাত না পড়াতে তারাবীর কোন ক্ষতি নেই।
এগুলা পড়া জরুরী নয়, সুন্নত ও নয়।
দোয়ার অর্থ ভালো তাই মুখস্থ থাকলে কেও চাইলে পড়তে পারে, এই দোয়া গুলা পড়া জায়েজ
কিন্তু তা সুন্নত ভেবে বা পড়া জরুরী
ভেবে পড়লে বিদআত হবে।

#চার রাকআত পর পর কিছুক্ষন বিরতি নিয়ে যে কোন দোয়া জিকির আমল করতে পারেন। নির্দিষ্ট কিছু পড়ার কোন বাধ্যবাধকতা নেই। এবং বিশ্রাম নিতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা ও নেই।
কেও বিশ্রাম না নিয়ে একটানা তারাবীহ পড়লেও কোন গুনাহ নেই।

#মুনাজাত তো নামাজের অংশ না।
দুই চার রাকআত পরে মুনাজাত করবেন নাকি একেবারে ২০ রাকআত পর মুনাজাত করবেন এসব নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।
আপনার যখন ইচ্ছে মুনাজাত করতে পারেন।
আবার না ও করতে পারেন।

#মূল কথা তারাবীহ নামাজের আলাদা বিশেষ কোন নিয়ম নেই। নফল বা সুন্নত নামাজ যেভাবে পড়া হয় সেভাবেই পড়বেন।
নামাজকে নিজের জন্য কঠিন না বানিয়ে
সহজভাবে পড়ুন।

◼ শেষ করবো হাদিস নিয়ে

#আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রমাযানে ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমাদ্বন (অর্থাৎ তারাবীহর সালাতে) দাঁড়াবে তার পূর্ববর্তী (সগীরা)
গোনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে। 🍀
(সহীহ বুখারী )

والله اعلم بالصواب

✍ Jumana puspo
(দাওরায়ে হাদীস)
[الجامعة الاهلية للبنات برامبورا داكا]

[আগের লিখা]

■ কপি করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিতে পারেন।

আরবের এক লোক বলেন, "একবার আমি আমার দাদার বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি দাদী চাল ও দুধ দিয়ে পায়েস (ফিরনি) রান্না করছেন। আমি লক্...
18/02/2026

আরবের এক লোক বলেন, "একবার আমি আমার দাদার বাড়িতে গেলাম। গিয়ে দেখি দাদী চাল ও দুধ দিয়ে পায়েস (ফিরনি) রান্না করছেন। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি এক হাতে নাড়ছেন আর অন্য হাতে তাসবিহ পাঠ করছেন।

সারা রান্নাঘরে মিশকের মতো এক স্বর্গীয় সুঘ্রাণ ছড়িয়ে আছে। সেটি কোনো কৃত্রিম পারফিউম ছিল না, বরং দাদীর পবিত্র নিঃশ্বাস আর জিকিরের বরকতে তৈরি হওয়া এক অদ্ভুত সুবাস।

আমি দাদীকে জিজ্ঞেস করলাম,'দাদী, এই রান্না শেষ হতে আর কতক্ষণ লাগবে?'

তিনি এক চিলতে হাসি দিয়ে বললেন, 'বাবা, আর মাত্র এক হাজার বার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" অথবা দুই হাজার বার "আলহামদুলিল্লাহ" পড়তে যতটুকু সময় লাগে, ততটুকু সময় লাগবে।'"

কী চমৎকার এক জীবনবোধ! যে খাবার তৈরি হতে হাজার বার আল্লাহর জিকির করা হয়েছে, সেই খাবারের স্বাদ আর প্রভাব কতটা রুহানি ও বরকতময় হবে, তা একবার ভাবুন!

আজ আমাদের জীবন থেকে বরকত উঠে যাওয়ার কারণ হয়তো এটাই, আমরা সময়কে ঘড়ি বা মিনিটের হিসেবে মাপি, কিন্তু আমাদের পূর্বপুরুষরা সময়কে মাপতেন আল্লাহর স্মরণে।

আরেকজন লোকের কথা বলি, যিনি দূর থেকে অফিস করতেন। তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হলো, 'অফিসে পৌঁছাতে আপনার কতক্ষণ লাগে?'

তিনি উত্তর দিলেন, '৫০০ বার দরুদ শরীফ আর ৫০০ বার সুবহানাল্লাহ-আলহামদুলিল্লাহ পড়তে যতটুকু সময় লাগে।'

মা-বোনেরা যখন রান্না করবেন, তখন যদি মুখে জিকির থাকে, তবে সেই খাবার শুধু পেটের ক্ষুধা মেটাবে না, বরং পরিবারের সদস্যদের মনে প্রশান্তি আর তাকওয়া বাড়িয়ে দেবে।

যাতায়াতের পথে, সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় বা গাড়িতে বসে থাকার সময়গুলোকে আমরা জিকিরের মাধ্যমে ইবাদতে পরিণত করতে পারি।

আমাদের দাদী-নানীরা চলে গেছেন সত্য, কিন্তু তাঁদের সেই আমলগুলো তো আমরা ধরে রাখতে পারি।

আসুন আমরা আমাদের সময়কে মিনিট বা সেকেন্ডে নয়, বরং 'সুবহানাল্লাহ' আর 'আলহামদুলিল্লাহ'-র হিসেবে গুণতে শুরু করি।

রান্না থেকে শুরু করে যাতায়াত সবকিছুতে আল্লাহর স্মরণ যোগ করি। দেখবেন, হারানো বরকত আবারও আমাদের ঘরে ফিরে আসবে। ইনশাআল্লাহ ❤️❤️❤️

© Salman Farsi
আরবি আর্টিকেল থেকে অনুদিত

Hasnat Abdullah  didn't lose in any of the 116 centers. This is a historic victory.Congratulations MP Hasnat Abdullah 🎉🎉...
12/02/2026

Hasnat Abdullah didn't lose in any of the 116 centers. This is a historic victory.
Congratulations MP Hasnat Abdullah
🎉🎉🎉

03/02/2026

আজ পবিত্র শবে বরাত 🌙
এই বরকতময় রাতে সবার জীবনে শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক

Blue 💙
28/01/2026

Blue 💙

এটা আমার দেখা খুবই পাওয়ারফুল একটা ছবি।এই ছবিটা বুঝতে পারলে আপনি লাইফে অনেক বিপদ থেকে বেচে যাবেন।মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থে...
14/01/2026

এটা আমার দেখা খুবই পাওয়ারফুল একটা ছবি।
এই ছবিটা বুঝতে পারলে আপনি লাইফে অনেক বিপদ থেকে বেচে যাবেন।
মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নেয়া ভালো বাট অন্ধভাবে সে যা করেছে সেটাই ফলো করা আমাদের অভ্যাস।
সে এভাবে এটা করেছে,আমিও যদি করি তাহলে আমিও সফল হব।
এটা ভয়ংকর একটা ভুল ধারনা।
এই ভুলটা আমরা করি।
পরিস্থিতি কখনো সবার জন্য এক হয় না।
নিজের সক্ষমতা,পরিস্থিতি বিবেচনা করে পদক্ষেপ নিতে হয়।
সে পেরেছে তাই আপনিও পারবেন ব্যাপার টা এমন না,আবার সে পারে নি দেখে যে আপনিও পারবেন না ব্যাপার টা তেমন ও না।
তাই যে কোনো কাজে অন্ধভাবে মানুষের এক্সপেরিয়েন্স থেকে আইডিয়া নিয়ে প্লানিং না করে নিজের উপর ভরসা রেখে,নিজের সামর্থ্য বিবেচনা করে,প্রোপার রিসার্চ করে কাজ করুন,ইনশাআল্লাহ বিপদে পড়বেন না।

তাহসান যখন ২য় বিয়ে করলো, আমার মাথায় ফার্স্ট প্রশ্ন এসেছিলো "কেন?" এতো ডিগ্নিফাইড একটা মানুষ, এতো ভালো ফ্যামিলি ব্যাকগ্রা...
11/01/2026

তাহসান যখন ২য় বিয়ে করলো, আমার মাথায় ফার্স্ট প্রশ্ন এসেছিলো "কেন?" এতো ডিগ্নিফাইড একটা মানুষ, এতো ভালো ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড, সে কেন রোজার মত স্বল্প শিক্ষিত, স*ন্ত্রা*সী ব্যাকগ্রাউন্ড এ (বরিশালের শীর্ষ স*ন্ত্রা*সী পানামা ফারুকের মেয়ে রোজা) বিয়ে করলো। ভ্লগে এসে কপকপ করে ভাত খাওয়া আর টুকটাক ব্রাইডাল মেকআপ করা ছাড়া আর কিছু তো তখন করতো ও না সে। একটা ভালো ডিগ্রি নাই অথচ তাহসান USA থেকে PHD করা একটা মানুষ। আরেকটু সময় নিয়ে, দেখেশুনে, ওয়েল বিহেবড, সেটেল্ড, ওয়েল এডুকেটেড কাউকে বিয়ে করার দরকার ছিলো বলে মনে হয়েছিলো। একটা গার্লস গ্রুপে এই কমেন্ট করায় সবাই এমন ধুয়ে দিয়েছিলো আমাকে, যে কমেন্ট টাই ডিলেট করে দিয়েছিলাম...

তেল আর পানিতে যেমন মিশে না, তাহসান-রোজাও মিলে নাই। কি সমস্যা তারাই জানে, আমরা যারা শুভাকাঙ্ক্ষী তারা শুধু জানতাম এই সম্পর্ক টিকার না। অল্প বয়সের এক্সট্রোভার্ট, উচ্ছল, প্রাণবন্ত একটা মেয়ের সাথে মধ্যবয়সী ইন্ট্রোভার্ট গম্ভীর মানুষের তাল মেলানো একটু কঠিন ই... ৮০% সময়েই চিনিবাবা না হলে তাল কেটে যায়, আর তাহসান আর যাই হোক চিনিবাবা যে হবেনা কখনো এটা তো জানা কথা।

এক রোজায় বিয়ে হয়ে আরেক রোজা আসার আগেই বিয়ে শেষ, চাঁদের আলো পূর্নিমার আগেই মেঘে ঢেকে গেলো...

চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয়না। ❤️আপনি যেমন দেশকে ভালোবেসেছেন, অনেক কষ্ট সহ্য করেও যেমন দেশেই থেকে গেছেন ; এমনকি ছেলের স...
31/12/2025

চোখের আড়াল হলেই মনের আড়াল হয়না। ❤️

আপনি যেমন দেশকে ভালোবেসেছেন, অনেক কষ্ট সহ্য করেও যেমন দেশেই থেকে গেছেন ; এমনকি ছেলের সাথে দেখা করতে গিয়েও ওখানে থেকে যাননি, আরাম আয়েশ ছেড়ে ঠিক দেশেই ফিরে এসেছেন। সেই দেশবাসী কেমন করে আপনাকে ভুলে যায়?!

আপনি দেখেন এতো কনকনে ঠান্ডা উপেক্ষা করেও আপনার প্রিয় দেশবাসী আপনাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছে।

আপনি ছিলেন, আপনি আছেন, আপনি থাকবেন 🖤🌾

🔲যেভাবে দুআলিস্ট রেডি করবেন___ছবির মতো দুইটা নোটবুক নিবেন। একটা বড় সাইজের, আরেকটা ছোট সাইজের। ছোট সাইজের নোটবুকে কি লিখব...
17/12/2025

🔲যেভাবে দুআলিস্ট রেডি করবেন___
ছবির মতো দুইটা নোটবুক নিবেন। একটা বড় সাইজের, আরেকটা ছোট সাইজের।

ছোট সাইজের নোটবুকে কি লিখবেন তা বলি!

মাসের শুরুতে বা নতুন মাস শুরু হওয়ার আগে পুরো মাসের জন্য দুআলিস্ট করবেন৷ ওই মাসে আপনার কিছু ফিক্সড চাওয়া থাকতে পারে,সেসব নোট করতে পারেন। এক্সাম থাকতে পারে,একটা বোরকার প্রয়োজন হতে পারে। সানস্ক্রিন শেষ হয়ে যেতে পারে৷ আপনার পরিবার বা পরিচিত কারো অসুস্থতার শেফা দরকার, সেই দুআও লিস্টে এড করতে পারেন। এভাবে এক মাসের মধ্যে বা

কয়েক মাসের মধ্যে যা প্রয়োজন,সেসব নোট করবেন।

মাসের ওই চাওয়াগুলোর মধ্যে যেই চাওয়াগুলো গুরুত্বপূর্ণ এবং কঠিন, সেইগুলো হাইলাইটার দিয়ে মার্ক করে রাখবেন। মার্ক করে রাখলে সুবিধা হচ্ছে, দুআ কবুলের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলোতে, যেমন_শেষরাতে, আযান ও ইকামাতের মধ্যের সময়ে, জুমআর দিন আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়,বৃষ্টির সময় হাইলাইট করা দুআগুলোতে একবার চোখ বুলিয়ে নিলে,দুআ করা সহজ হবে। গুরুত্বপূর্ণ চাওয়াগুলো মিসও হবে না৷ এই দুআলিস্টের বেশ কিছু দুআ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ওই মাসেই কবুল করতে পারেন। যে দুআগুলো কবুল হবে না, তা পরের মাসের দুআলিস্টে এড করে দিবেন৷ এটা গেল মান্থলি দুআলিস্ট।

এবার বলি,ডেইলি দুআলিস্ট কিভাবে রেডি করবেন!

প্রতিদিন ফজরের পর ওইদিনের তারিখ এবং বার লিখবেন। চাইলে এর আগের রাতেও লিখতে পারেন। সারাদিনে আপনার টুকটাক যা যা প্রয়োজন, তা লিখে রাখবেন। যেমন_

১) আজকের সালাতগুলো যেন আওয়াল ওয়াক্তে আদায় করতে পারি

২) ৫ হাজার ইস্তেগফারের টার্গেট যেন ফিলআপ করতে পারি

৩) কুরআনের জন্য সময় বের করতে পারি

৪) রান্নাগুলো যেন কম সময়ে,কম তেল-মশলাতে হেলদি ও মজাদার করে রান্না করতে পারি

৫) জাওজের এবং মা-বাবার আনুগত্য করতে পারি

৬) আমার বাচ্চাদের হক্ব আদায় করতে পারি

৭) স্কিনটা যেন গ্লো করে

৮) আজকে যেন রাত জাগতে না হয় ইত্যাদি ইত্যাদি

আমি জাস্ট একটা উদাহরণ দিলাম। ডেইলি লাইফে প্রত্যেকের চাওয়া ভিন্ন ভিন্ন হবে। আপনি আপনার মতো করে দুআলিস্ট রেডি করে নিবেন। এই দুআগুলো করতে আপনাকে জায়নামাজ বিছিয়ে বসতে হবে না। হাঁটতে-চলতে,কাজকর্ম করতে করতে দুরুদ-ইস্তেগফার করবেন। আর মনে মনে আল্লাহর কাছে দুআগুলো করবেন।

তারপর,বড় নোটবুক আছে না একটা?

ওই নোটবুকে এমন চাওয়াগুলো লিখবেন,যে চাওয়াগুলো আজীবন আল্লাহর কাছে চেয়ে যেতে হবে। বা যেই চাওয়াগুলো পূর্ণ হতে কিছুটা সময় লাগবে! ড্রিমদুআগুলোও এই নোটবুকে নোট করতে পারেন। মা-বাবা, পরিবারের জন্য দুআ, জাওজ,সন্তানের জন্য দুআ,উমরাহ করার নিয়্যাত থাকলে এর জন্য দুআ করবেন।

এখন গোল্ডের দাম বাড়ছে। আল্লাহর কাছে দুআ করতে পারেন,রব্ব যেন আপনাকে গোল্ড যাকাত দেওয়ার তওফিক দিন। সদকায়ে জারিয়ার উদ্দেশ্যে মাদরাসা, মসজিদ, পাঠাগার করার নিয়্যাত থাকতে পারে। এই দুআগুলোও নোট করে রাখবেন। যারা বিয়ে করেননি,এখন থেকে সন্তানের জন্য দুআলিস্ট রেডি করবেন। কিভাবে, কোন রঙের শাড়ি পরে বিয়ে করতে চান,কেমন শশুরবাড়ি চান,কেমন পরিবেশে বিয়ে করতে চান,প্রত্যেকটা বিষয় নোট করবেন। নোট করে রাখলে দুআ করার বিষয়গুলো সহজে মাথায় আসবে ইনশাআল্লাহ।

সবশেষে একটা কথা বলি? বলবো? আচ্ছা বলি!

এই দুনিয়াটা অপূর্ণতার জায়গা। এখানে সব চাওয়া পূর্ণ হবে না। জীবনসঙ্গীর উদাহরণ দিয়েই বলি। আপনি যেমনই দুআ করেন না কেন,আপনার জীবনসঙ্গী ১০০% সবদিকে পরিপূর্ণ হবে না। তাহলে কেন দুআ করবেন? দুআ করলে, আল্লাহ আপনার জন্য অপূর্ণতাগুলোকে মেনে নেওয়া সহজ করে দিবেন৷ দুআ করলে, খুঁতগুলোও চক্ষু শীতলতায় পরিণত হবে। দুআ করলে আপনি আল্লাহর মুখাপেক্ষী হবেন৷ আল্লাহ আপনাকে ভালোবাসবে। বিপদে আপনাকে উদ্ধার করবে।

দুআ করলেই সব পাবেন না, এটা যেমন সত্য ;এটাও সত্য যে, দুআ করেই এমন অনেক কিছু পাবেন,যা দুআ না করলে পেতেন না৷ আর জেনে নিন,আপনার কোনো দুআই আল্লাহ ব্যর্থ হতে দেননি৷ দিবেন না।

যে চাওয়াগুলো পূর্ণ হয় না,সে চাওয়াগুলোর বিনিময়ে রব্ব হয়তোবা আপনার উপর আসা কোনো বিপদ দূর করে দিচ্ছেন। নাহয় আখিরাতের জন্য রেখে দিয়েছেন।

দুআতে কেবল লাভ আর লাভ। আল্লাহর কাছে চেয়ে কেউ কখনো খালি হাতে ফিরে না। তাই আমরা বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাইবো। 🌸🤍

Tahia Islam

দুআটিপস~

29/11/2025

📌 রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে।

بِسْمِ اللهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণ : বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।

অর্থ : আল্লাহ তাআলার নামে, যার নামের বরকতে আকাশ ও মাটির কোনো কিছুই কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।
(তিরমিজি, হাদিস : ৩৩৮৮)
©

Address

Badda
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 23:00
Tuesday 10:00 - 23:00
Wednesday 10:00 - 23:00
Thursday 10:00 - 23:00
Friday 10:00 - 23:00
Saturday 10:00 - 23:00
Sunday 10:00 - 23:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশী বসন ::: DeshiBoson posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category