25/03/2026
সত্যি ঘটনা অবলম্বনে। #বিশ্বাসঘাতক #
নাহিদ আর রুপা কাজিন।
রুপা নাহিদ এর চেয়ে ২ বছরের ছোট হবে।
নাহিদ থাকতো জেলা শহরে, খুব ভালো স্টুডেন্ট।
রুপার কোন ভাই বোন নেই, এমনকি ও এই বাবা মায়ের আপন মেয়ে ও না। কিন্তু তারা রুপাকে নিজের মেয়ের চেয়েও বেশি ভালোবাসে।
এক সময় নাহিদ ও Ssc, HSC শেষ করে রুপার শহরে মেডিকেল এ চান্স পেয়ে গেলো।
রুপা খুব হাসিখুশি উদার ছিল। সবাইকে সহজ এ আপন করে নিত।
নাহিদ এত সাথেও রুপার যোগাযোগ শুরু হলো আগের চেয়েও বেশি। এক সময় ওরা ভালোবাসায় জড়িয়ে যায়। এবং সেটা খুব কাছের বন্ধুরা ছাড়া কেউ জানত না।
যে বছর নাহিদ পাস করে বের হলো, সাথে সাথেই খুব ভালো একটি সরকারি জব পেয়ে চলে গেলো অন্য শহরে। রুপা স্টুডেন্ট ভালো ছিল, শহরের একটি নামকরা কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন করেছে।
আর যাওয়ার সময় রুপাকে বলে গেলো
একটু গুছিয়ে নেই, ফ্যামিলিকে ম্যানেজ করে তোমাকে বিয়ে করবো।
ধীরে ধীরে রুপা আর নাহিদ এর যোগাযোগ কমতে লাগলো, অচেনা হয়ে যাচ্ছে নাহিদ।
অন্যদিকে রুপা অস্থির হয়ে যাচ্ছে কেন নাহিদ আগের মত নাই।
ফোন দিলে ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে এক সময় যোগাযোগ একদম নাই বললেই চলে।
কিন্তু রুপা তো সহজ সরল মন নিয়ে ভাবছে নাহিদ ফ্রি হলেও ওর কাছে ফিরবে।
কত স্বপ্ন দেখছে কিভাবে সংসার গুছাবে, কি কি কিনবে। কত কত পরিকল্পনা।
নাহিদ ব্যাস্ততা শেষ করে যখন বাড়ি আসলো, রুপাকে তখন সে আর কিছু জানায় না। রুপার বাবা মায়ের কাছে জানায় সে তার মত একটি ডাক্তার মেয়েকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। তারা যেন বিয়েতে উপস্থিত থাকে।
খবর পেয়ে রুপা দিসে হারা হয়ে যায়। না বাবা মাকে কিছু জানাতে পারে না সে সহ্য করতে পারে।
নাহিদ এত কাছে অনেক কান্নাকাটি করে। কিন্তু নাহিদ রুপাকে বলে তোমার সাথে থাকলে আমি বেটার লাইফ পাবো না।
আমাকে ভুলে যাও, তুমি অন্য কাউকে খুজে নাও। তুমি যদি তোমার বাবার নিজ সন্তান হতে, তাহলে আমার ফ্যামিলি তোমাকে মেনে নিত।
চলবে,,,,,