Tangail Industries Ltd.

Tangail Industries Ltd. 1. Real Estate & Constructions.
3. Consultancy

**The real estate business in Bangladesh has experienced significant growth over the past few decades, driven by rapid u...
11/05/2026

**The real estate business in Bangladesh has experienced significant growth over the past few decades, driven by rapid urbanization, economic development, and an increasing population. Here’s an overview of the key aspects of the real estate market in Bangladesh**:

Market Overview

Urbanization: With an increasing number of people moving to urban areas, cities like Dhaka, Chittagong, and Sylhet have seen a surge in demand for residential and commercial properties. Dhaka, the capital city, is the primary hub for real estate development.
Economic Growth: Bangladesh's steady economic growth has boosted the real estate sector. Increased disposable incomes and a growing middle class have spurred demand for housing.
Population Growth: A burgeoning population, particularly in urban areas, has created a significant demand for housing and commercial spaces.

Types of Properties

Residential: Includes apartments, condominiums, and individual houses. The demand for affordable housing is particularly high due to the large middle-class population.

Commercial: Office spaces, shopping malls, and mixed-use developments. The growth of businesses and retail sectors has driven demand in this segment.

Industrial: Warehouses, factories, and industrial parks. This segment is growing with the expansion of manufacturing and export-oriented industries.

Challenges

Regulatory Issues: Complex and sometimes unclear regulatory frameworks can hinder the development process.

Land Acquisition: Acquiring land, especially in urban areas, can be challenging and costly.

Infrastructure: Inadequate infrastructure in some areas can affect property values and development potential.

Financing: Access to affordable financing for both developers and buyers remains a challenge.

Opportunities

Affordable Housing: There is a significant opportunity in developing affordable housing to cater to the needs of the middle and lower-income population.

Smart Cities: The government's focus on developing smart cities presents opportunities for real estate developers.
Foreign Investment: Policies encouraging foreign investment in real estate can boost the sector.

Technology Integration: Adoption of new technologies in construction and property management can enhance efficiency and attract buyers.

Government Initiatives

The government has taken several initiatives to support the real estate sector, such as:

Housing Finance: Efforts to improve access to housing finance for middle and low-income groups.

Regulatory Reforms: Steps to streamline regulations and make the development process more transparent and efficient.

Infrastructure Development: Investment in infrastructure projects like roads, bridges, and utilities to support urban growth.

Future Prospects

The future of the real estate market in Bangladesh looks promising, with continued urbanization and economic growth driving demand. Sustainable and affordable housing, smart city initiatives, and improved regulatory frameworks will likely shape the future landscape of the real estate sector in Bangladesh.

Conclusion

The real estate business in Bangladesh presents significant opportunities for growth, driven by urbanization, economic development, and a rising population. While challenges exist, strategic investments, government support, and innovation can help address these issues and unlock the sector's full potential.

03/10/2025

“দলিল আছে + দখল আছে + রেকর্ড নেই” — এই অবস্থা অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এটি একদিকে শক্তিশালী আইনি অবস্থান, আবার কিছু ঝুঁকিও বহন করে। নিচে বিষয়টি ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করা হলো—

✅ প্রথমত, যদি আপনার কাছে রেজিস্ট্রিকৃত দলিল (যেমন বিক্রয় দলিল বা হেবা দলিল) থাকে, তাহলে এটি জমির মালিকানার অন্যতম প্রধান প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। এটি আপনার জন্য একটি শক্তিশালী দিক।

দ্বিতীয়ত, আপনি যদি বাস্তবে জমির উপর দখলে থাকেন—অর্থাৎ জমি ব্যবহার করছেন, চাষাবাদ করছেন বা সেখানে বসবাস করছেন—তাহলে এটিও আদালতে আপনার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করে।

তবে সমস্যা দেখা দেয় যদি সরকারি খতিয়ান বা রেকর্ডে (যেমন CS, RS বা BS খতিয়ান) আপনার নাম না থাকে। কারণ সরকারি রেকর্ডে নাম না থাকলে মালিকানার দাবি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ দিক।

🔸 দলিল + দখল ঠিক থাকলে সাধারণত ৭০%-৮০% সম্ভাবনা থাকে আদালতে মালিকানা প্রমাণ করে জমি পাওয়ার।
🔸 তবে রেকর্ড (খতিয়ান) আপনার নামে না থাকায় সরকারিভাবে জমির মালিক হিসেবে আপনি প্রদর্শিত হবেন না—এটাই ভবিষ্যতের জন্য বড় ঝুঁকি।

🛠️ রেকর্ড নিজের নামে আনতে যা করবেন (৫টি ধাপে):

🔶 ধাপ ১: খতিয়ান যাচাই – CS, SA, RS, BS — কোন খতিয়ানে আপনার নাম নেই, সেটি আগে নিশ্চিত করুন। – তথ্য সংগ্রহ করুন জেলা রেকর্ড রুম বা land gov bd ওয়েবসাইট থেকে।

🔶 ধাপ ২: দখলের প্রমাণ প্রস্তুত – জমিতে ঘর, গাছ, চাষ, ভাড়া, খাজনা ইত্যাদির প্রমাণ সংগ্রহ করুন। – ছবি, খাজনার রসিদ, স্থানীয় সাক্ষ্য এসব কাজে লাগবে।

🔶 ধাপ ৩: Mutation (নামজারি) আবেদন – ইউনিয়ন বা উপজেলা ভূমি অফিসে দলিল + দখলের ভিত্তিতে নামজারির আবেদন করুন। – প্রয়োজনে RS বা BS সংশোধনের আবেদনও করতে হবে।

🔶 ধাপ ৪: রেকর্ড সংশোধনের মামলা (12(1)/12(2) MLRA) – ভূমি অফিস আবেদন খারিজ করলে AC Land অফিসে আপিল করুন। – তাতেও না হলে সিভিল কোর্টে খতিয়ান সংশোধনের মামলা করতে হবে।

🔶 ধাপ ৫: আদালতের রায় দেখিয়ে সংশোধন – আদালত মালিকানা স্বীকৃতি দিলে সেই রায়ের কপি জমা দিয়ে ভূমি অফিস থেকে রেকর্ড সংশোধন করুন।

📄 প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
– দলিলের কপি (রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ)
– দখলের প্রমাণ (ছবি, চাষাবাদ, গাছ, ঘর ইত্যাদি)
– খাজনার রসিদ (যদি থাকে)
– জাতীয় পরিচয়পত্র
– খতিয়ানের কপি (CS/SA/RS/BS)
– ওয়ারিশ সনদ (প্রয়োজনে)

✅ সংক্ষেপে:

দলিল আছে: মালিকানার মূল ও প্রধান প্রমাণ।

দখল আছে: জমির বাস্তব নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার নির্দেশ করে।

রেকর্ড নেই: এটি বড় ঝুঁকি; তাই নামজারি বা সরকারি রেকর্ড সংশোধন করা জরুরি।

করণীয়: দ্রুত Mutation (নামজারি) প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন এবং প্রয়োজনে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করুন।

#জমি_দখল #খতিয়ান_সংশোধন

🎉✨ টাঙ্গাইল গ্রুপের ৫ বছর পূর্তিতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ✨🎉আজ থেকে পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল আমাদের টাঙ্গাইল গ্রুপে...
22/08/2025

🎉✨ টাঙ্গাইল গ্রুপের ৫ বছর পূর্তিতে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ✨🎉

আজ থেকে পাঁচ বছর আগে শুরু হয়েছিল আমাদের টাঙ্গাইল গ্রুপের পথচলা।
এই পাঁচ বছরে আমরা একসাথে গড়ে তুলেছি একটি পরিবার, একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, যেখানে আছে ভালোবাসা, ঐক্য, বিশ্বাস আর একসাথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

🌿 এই সাফল্য আমাদের সবার 🌿
আপনাদের সহযোগিতা, আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা ছাড়া টাঙ্গাইল গ্রুপ আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে পারত না।

🙏 ধন্যবাদ সবাইকে পাশে থাকার জন্য।
আগামী দিনগুলোতেও টাঙ্গাইল গ্রুপ হোক আমাদের গর্ব, আমাদের প্রেরণা, আমাদের উন্নতির প্রতীক।

🌟 শুভ হোক টাঙ্গাইল গ্রুপের আগামী পথচলা! 🌟

06/06/2025
জাপান বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক অংশীদার। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক, প...
21/11/2024

জাপান বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এবং অর্থনৈতিক অংশীদার। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক মূলত অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং উন্নয়নমূলক সহযোগিতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য সাধারণত লাভজনক হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে কিছু চ্যালেঞ্জও থাকতে পারে। নিচে বিষয়টি বিশদভাবে আলোচনা করা হলো:

লাভজনক দিক:

1. উন্নয়ন সহযোগিতা:
জাপান বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। উদাহরণস্বরূপ, পদ্মা সেতু রেলসংযোগ প্রকল্প এবং মেট্রোরেল প্রকল্পে জাপানের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা উল্লেখযোগ্য।

2. বিনিয়োগ:
জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ করছে, বিশেষত তৈরি পোশাক, গার্মেন্টস, এবং বিদ্যুৎ খাতে। এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখে।

3. বাণিজ্য সম্পর্ক:
জাপান বাংলাদেশ থেকে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে, যা বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

4. প্রযুক্তি ও শিক্ষা:
জাপান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ প্রদান করে এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করে।

ক্ষতিকর দিক বা চ্যালেঞ্জ:

1. বাণিজ্য ভারসাম্য:
জাপান থেকে বাংলাদেশ বেশি পরিমাণে পণ্য আমদানি করে, যা বাণিজ্যে অসমতা সৃষ্টি করতে পারে।

2. ঋণের চ্যালেঞ্জ:
জাপানের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জন্য নেওয়া ঋণ দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে যদি তা সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা না হয়।

3. প্রযুক্তি নির্ভরতা:
জাপানের প্রযুক্তি ও পণ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের নিজস্ব প্রযুক্তি উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।

সারসংক্ষেপে, জাপান বাংলাদেশের জন্য সাধারণত লাভজনক, তবে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে কৌশলগত সম্পর্ককে ভারসাম্যপূর্ণ রাখা প্রয়োজন।

🔰সঠিকভাবে সঠিক জমি কেনা।* জমি ক্রয় করার আগে প্রথমেই জমির মালিকের কাছ থেকে জমির মূল দলিল, বায়া দলিল, নামজারীর ডকুমেন্টস,খ...
21/08/2024

🔰সঠিকভাবে সঠিক জমি কেনা।

* জমি ক্রয় করার আগে প্রথমেই জমির মালিকের কাছ থেকে জমির মূল দলিল, বায়া দলিল, নামজারীর ডকুমেন্টস,খাজনার রশিদ, সকল পর্চার ফটোকপি চেয়ে নেবেন।
* তারপর ঐ জমি যে ভূমি যে ভূমি অফিসের আন্ডারে, সেই ভূমি অফিসে যেয়ে নামজারীর পর্চাটি ঠিক আছে কি না তা যাচাই করবেন। সাথে পর্চাগুলোও যাচাই করিয়ে নেবেন। ভূমি অফিসের যে কোন কর্মচারীকে ২/৩ শত টাকা দিলে, ওরা সব দেখিয়ে দেবে এবং চেক করে দেবে।

* তারপর নামজারীর পর্চাটি নিয়ে উপজেলা/থানা ভূমি অফিসে, যাকে এসি (ল্যান্ড) অফিস বলে, সেখানে যেয়েও চেক করাবেন, ঠিকমত নামজারীর জোতটি কর্তন হয়েছে কি না। সেখানেও অফিসের যে কোন কর্মচারীকে কিছু খরচ দিলে, তা আপনাকে দেখিয়ে দিবে।

* অতঃপর, সকল দলিলগুলো স্থানীয় রেজিস্ট্রি অফিসে যেয়ে চেক করাবেন। সেখানেও রেজিস্ট্রি অফিসের কোন কর্মচারীকে কিছু টাকা দিয়ে দলিলগুলোর ভলিউম চেক করে দেখতে বলবেন। তল্লাশি কারক সব চেক করে আপনাকে উনার সিল ও স্বাক্ষর সহ যাচাইকরণের কাগজ দেবে।

* অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আপনি যে জমি ক্রয় করছেন, তা ১৫/২০ বছর আগেই হয়তো অন্য কোন লোকের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। সেই লোক হয়তো নামজারী না করেই দলিল নিয়ে বসে আছে। এদিকে আপনি নামজারী সহ জমিটি কিনলেও সেই জমি পূর্বের ক্রেতাই পেয়ে যাবে মিসকেস করলে।

তাহলে, এ ক্ষেত্রে করণীয় কি?

এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রি অফিসে নির্দিষ্ট ফিস দিয়ে আপনি যে জমিটি কিনছেন, তার এস.এ ও আর.এস দাগ নাম্বার দিয়ে ৪০/৫০ বছরের তল্লাশী দেয়া। এতে বেশ কিছু টাকা খরচ হলেও সারা জীবনের জন্য আপনি ঝামেলামুক্ত থাকলেন। সেটিও করাবেন, নির্দিষ্ট ভূমি অফিসের তল্লাশি কারক দিয়ে। ৫/৭ সময় হয়তো লাগবে। লাগুক। তল্লাশি শেষে, তল্লাশি কারক কয়েক পাতার একটি রিপোর্ট দেবে আপনাকে। সেটি নিজেই দেখুন। দেখুন, যে দাগের জমিটি কিনছেন, সেই দাগের জমি আপনার দাতা বা দাতার ওয়ারিশরা পূর্বে কোথাও বিক্রি করেছিলো কি না।

* তাছাড়াও আমরা ঢাকাতে সিএস,এসএ, আরএস,সিটি জরীপের মৌজা ম্যাপ উঠিয়ে প্যান্টাগ্রাফ করিয়ে চেক করি। আপনার এলাকায় যদি শুধুমাত্র সিএস/এসএ ও আরএস মৌজা ম্যাপ থাকে, তা এলাকার যারা জমি সার্ভে করে, তাদের দিয়ে প্যান্টাগ্রাফটি করে নেন। জমির দাগগুলো সঠিক থাকলে, প্যান্টাগ্রাফে সিএস/এস এ দাগের সাথে আরএস/ সিটি জরীপের দাগের স্থানটি মিলে যাবে।
এটি এ কারনে করবেন- কারন, অনেক সময়ই মৌজা ম্যাপের দাগ ও পর্চার দাগের সাথে তারতম্য ঘটে।

*Collected

What is Office Etiquette?Office etiquette is about observing a simple set of rules for getting along with other people i...
08/11/2023

What is Office Etiquette?

Office etiquette is about observing a simple set of rules for getting along with other people in an organizational context.
Or
The manner in which you conduct yourself within the office environment among people.

25/08/2023

💙রেকর্ড_আপনার_দাদার_নামে_কিন্তু_দলিল_আছে_কি_না_জানেন_না?💙

💙তাহলে করনীয় কি?💙

আপনাদের যদি এরকম হয় তাহলে আপনাদের দলিল খুঁজে বের করতে হবে বা দলিল আছে কি না সেটা জানতে হবে।

🤝✅ আপনারা জমির দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।

✅প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ!
🤝প্রথম ধাপ : প্রথমে জমির দাগ নাম্বার জানুন।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা কি দাগ তা নিশ্চিত হোন ?
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা
cs দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত হোন ।

🤝ধাপ ২:দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন।
কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।

🤝ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।

✍️কোথায় করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।
আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।

✅উপায় ২:- তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।
তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -
১. সম্ভাব্য সাল।
২. দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।
৩. দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।
৪. দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।
#জমিদার #জমি #দলিল #খতিয়ান #নকশা৷ #রেকর্ড

Address

Rajanigandha Tower (2nd Floor)
Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tangail Industries Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tangail Industries Ltd.:

Share