31/05/2024
আমরা ভারত বা পাকিস্থানের বলে গুলিস্থানের মাল বিক্রি করি না।
আমরা গুলিস্থানের মাল হলে, আত্মবিশ্বাস নিয়ে গর্ব করে গুলিস্থানের পণ্য বলেই বিক্রি করি। কারন গুলিস্থান, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ইসলামপুর, সিলেট, রাজশাহীতে আন্তরজাতিক মহলে বিখ্যাত শাড়ি তৈরি হয়, পাঞ্জাবী তৈরি হয়। টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি, সিলেটের মনিপুরি, নারায়নগঞ্জের জামদানী, রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি বিশ্বের যেকোন দেশের শাড়ির থেকে কোন অংশে কম নয়।
ভারতের কোলকাতার মুখ্য মন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি এমনি এমনি , তাদের সভা সমাবেশে বাংলাদেশের শাড়ির এত সুনাম করে না । তারাও এসব বানাতে চায় এমনি এমনি নয়। বাংলাদেশে ভারতের কোন মানুষ আসলে, এমনি এমনি ব্যাগ ভর্তি করে শাড়ি কিনে নিয়ে যায় না । নিশ্চিত এমন ভালো কিছু আমাদের পণ্যে আছে যা তাদের নেই।
ভারত বা পাকিস্থান বলে আমাদের নিজেদের গুলিস্থানকে অপমান করব কেন ? আমাদের গুলিস্থানই আমাদের গর্ব । নিজের দেশকে ছোট করে অন্য দেশের সুনাম করতে আসি নাই ই-কমার্স ব্যাবসায়।
বাংলাদেশি শাড়ির বা থ্রী-পিসের ভালো দিক কি জানেন? এগুলো এই অঞ্চলের মানুষের জন্যে স্বাস্থকর । বড় অনুষ্ঠানে হয়ত ভারত বা পাকিস্থানের পোশাক পড়ে যান , কিন্তু ৩/৪ ঘন্টা না যেতেই , অস্থির হয়ে তা চেঞ্জ করে দেশের আরাম দায়ক পোশাকটাই পড়েন ।
অফিসে কর্মজীবি মহিলারা বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা তাদের কর্মস্থলে সব সময় দেশী কাপড়ই পড়ে । কারন তারা জানে, এই কাপড় তারা সারাদিন পড়ে থাকলেও কষ্ট হবে না , হাসফাস লাগবে না। আমাদের এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই আমরা অনেক মহিলা ডাক্তারের কাছে দেশী শাড়ি বিক্রি করেছি। এবং এনাদের মধ্যে অনেকেই অনেক বড় বড় ডিগ্রী নেয়া , নাম করা ডাক্তার। অনেক ব্যাংকে বড় বড় পদে কর্মরত ব্যাংকার মহিলাকে পেয়েছি , যারা অফিসে নিয়মিত দেশী শাড়ি পড়েন , দেশী থ্রি-পিস পড়েন । কারন একটাই বাংলাদেশের শাড়ি পড়ে আরাম পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের টেক্সটাইল মিল গুলোর কাপড় দিয়ে বিশ্বের নাম করা প্রথম সারির ব্রান্ডের পোশাক তৈরি হয়।
আমরা বাংলাদেশী , বাংলাদেশের পণ্য বিক্রি করি , বাংলাদেশকে প্রমোট করি।
এবং অত্যান্ত সুখের বিষয় যে বাংলাদেশের পণ্য স্পষ্ট উল্লেখ করার কারনেই হয়ত এত অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের আমাদের প্রতিদিন প্রচুর অর্ডার পাই । আমাদের প্রত্যাশার থেকে বেশি অর্ডার পাই ।
আপনাদের শুধু এইটা বলতে পারি -
আমরা আপনাদের সব সময় সত্য বলার চেষ্টা করব ।