22/06/2026
প্রত্যেকটা বাবা মায়ের উচিত তার মেয়েকে ওইরকম ঘরেই বউ করে পাঠানো যেই রকম ঘরে তারা তাদের মেয়েকে বড় করেছে। সিলিন্ডার আর হিটারে রান্না করে খাইয়ে মেয়েকে বড় করে আর বিয়ে দিয়ে দেয় লাকড়ির চুলায় রান্না করা ফ্যামিলিতে।একক ফ্যামিলির একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিয়ে দেয় বিশজনের যৌথ ফ্যামিলিতে।
পর্দাশীলা মেয়েকে একেকবার একেক পুরুষের সামনে নিয়ে যেতে বাধ্য করে। যখন যায় না তখন এমন সব কথা বলে আঘাত করে যে,মনে হয় ধর্ম কর্ম তাদের মেয়ের জন্যে আল্লাহ লিখে নাই। পর্দায় রাখবে না এমন ছেলের কাছে জেনে বুঝেও বিয়ে দিয়ে দেয়।
শিক্ষিত মেয়েকে অশিক্ষিত ছেলের কাছে বিয়ে দিয়ে দেয়।
এরপর যখন মেয়ে কিছুই ব্যালেন্স করতে পারে না তখন শুধু প্রাচীন এক ঐতিহাসিক বাণী বলে "মানিয়ে নে মা। মেয়েদের কষ্টই করতে হয়"। কপালে ছিলো কি করবি!!
অথচ তখন আর মেয়েটা রিপলায় করে বলতে পারে না, ! কেন মানিয়ে নিবো 'মা? কেন নিজের করা ভুল গুলোকে কপালের লিখন বলে চালিয়ে দিলে? কেন তাহলে আগে থেকেই এমন পরিবেশে বড় করো নাই, যেই পরিবেশে মেয়েকে বিয়ে দিবে। "এগুলো বলা নিষেধ "
কারণ এগুলো বললে লোকে কি বলবে
মায়ের সাথে বেয়াদবি, আরো কত কি, অথচ হাজারো মা-বাবা তাদের মেয়েকে এভাবে ধ্বংসের দিকে ঢেলে দিচ্ছে,
এটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদ নাই, কোন কথা নাই, কারণ একটাই ডায়লগ তারা তো মা- বাবা,বেশি কিছু বললে আমি সালমান ও এহন বালা না,বড় বেয়াদব হয়ে গেছি, মা-বাবাকে নিয়ে বড় বড় কথা বলি, কিন্তু কেন রে ভাই সত্যিটা বোঝার চেষ্টা করস না,এই সমাজে মা-বাবাকে নিয়ে হাজার হাজার বই রচিত হয়, কিন্তু সন্তানকে নিয়ে একটা বই রচিত হতে চায় না, তাদের কষ্টগুলো না দেখে মা বাবা, না দেখে সমাজ, নিজের গুলো নিজেই পোহাতে হয়,
আবার আজকাল মেয়েদের ১৮/২০ পেরুলেই মা বাবার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। যার কাছে ইচ্ছে যাকে তাকে ধরে এনে বিয়ে দিয়ে দিতে মরিয়া হয়ে উঠে তারা।
এরপর মেয়েরা সেই সংসারে গিয়ে কোনো কিছুই মানিয়ে নিতে পারে না। ফলস্বরূপ বাড়ছে সুই সাইড আর ডিভোর্সের হার।
ছেলেরা তো সারা জীবন বাবা মায়ের কাছেই থাকে। তাহলে একটা মেয়ের জন্য সুপাত্র পাওয়ার আগ পর্যন্ত কেন বাবা মায়ের কাছে রাখতে পারে না? বেলা শেষে তো মা বাবাকে ছেলের চেয়ে মেয়েরাই বেশি ভালোবাসে আর কেয়ার করে।
জলদি মেয়েকে ঘর থেকে বিদায় করে ঝামেলা আর চিন্তামুক্ত হতে চাওয়া মা বাবার কাঁধেই কয়েক বছর পর সেই মেয়ের দায়িত্ব এসে জোটে ডিভোর্সের কারণে। তখন আবার শুরু হয় সেই অভাগীর উপর মানসিক অত্যাচার, কথার আঘাত, খোটা আর অভিশাপ।
কেন এত কিছু শুধু মেয়েদের বেলাতেই হতে হয়? মেয়েরা না বরকত! মেয়েরা না রহমত! মেয়েরা না আল্লাহর দেয়া শ্রেষ্ঠ নেয়ামত!!
তাহলে এই নেয়ামতের জীবন কেন কাটে চোখের জল বিসর্জন দিয়ে? বলতে পারো কেউ?
লেখা সংগৃহীত