KIDZE STORE Bangladesh

KIDZE STORE Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from KIDZE STORE Bangladesh, Baby & children's clothing store, Dhaka.

স্বপ্ন সাজাও রঙের মেলায়, জীবন ভাষাও রঙিন ভেলায়। ফিরে চলো মাটির টানে, নতুন সুরে নতুন গানে। নতুন আশাজাগাও প্রানে, খুজে নাও...
31/12/2017

স্বপ্ন সাজাও রঙের মেলায়, জীবন ভাষাও রঙিন ভেলায়। ফিরে চলো মাটির টানে, নতুন সুরে নতুন গানে। নতুন আশা
জাগাও প্রানে, খুজে নাও
বাঁচার মানে। সবাই কে নতুন বছরের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
*হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০১৮*

গ্রামার নিয়ে কিছু কথাপ্রতিদিন ফেইসবুকের ইনবক্সে ৪-৫ জনের সঙ্গে কথা হয় এই গ্রামার নিয়ে। তারা মেসেজ দিয়ে বলেন যে গ্রামার শ...
19/12/2017

গ্রামার নিয়ে কিছু কথা
প্রতিদিন ফেইসবুকের ইনবক্সে ৪-৫ জনের সঙ্গে কথা হয় এই গ্রামার নিয়ে। তারা মেসেজ দিয়ে বলেন যে গ্রামার শিখতে চান এবং সার্চ ইংলিশ গ্রুপে কেন গ্রামার নিয়ে কিছু বলি না। আমি বলি যে এটি আরও অন্তত ৬ মাস পরের ব্যপার। কেউ কেউ বেশ বিরক্ত হয়ে ঝগড়া বাধিয়ে দেবার চেষ্টা করেন এবং আমি আর মেসেজের উত্তর দেই না।
এখানে গ্রামার নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই।
১। আমি গ্রামারের বিপক্ষে নই তবে আমি খুব কড়াভাবে বিশ্বাস করি যে আগে কয়েক মাস ইংরেজি লেখা ও পড়াতে অভ্যস্ত হবার চেষ্টা করুন।
২। আমি কাউকে গ্রামার পড়তে মানা করি না। কেউ পড়তে চাইলে পড়বেন- এ নিয়ে আমি কি করবো বা বলবো?
৩। সার্চ ইংলিশ গ্রুপে গ্রামার নিষিদ্ধ করা হয় নি। প্রতিদিন ৪-৫ টা পোস্ট গ্রামার নিয়ে আসে।
৪। যে চান যখন খুশি, যত খুশি গ্রামার পড়ুন, বই কিনে পড়ুন, ওয়েবসাইটে পড়ুন। আমি তো আটকাতে যাচ্ছি না। বা গ্রামার পড়লে, এ নিয়ে পোস্ট দিলে আমি কোন শাস্তিও দিতে চাচ্ছি না। পারলে পড়ুন ও পারুন।
সমস্যা আসলে এতে নয়, মূল সমস্যা হল যারা মেসেজ দেন তারা গ্রামার নিয়ে কয়েকদিন চেষ্টা করে ব্যর্থ হন এবং এরপর তারা চান যে সার্চ ইংলিশে আমি সব কিছু বাদ দিয়ে গ্রামার শেখানো শুরু করি। গ্রামার এর জন্য ওয়েবসাইট, ব্লগ এবং ফেইসবুক গ্রুপ সবই আছে, ফোরামও মনে হয় আছে কিন্তু তারা চান এখানে শেখানো হোক। কারণ এখানে তারা দেখতে পাচ্ছেন যে একের পর এক সাধারণ মানুষ ইংরেজিতে লিখছে।
আবার অনেকে বিশ্বাস করেন যে আমি গ্রামার শেখালেই হয়ে যাবে। আমি কোন ম্যাজিক জানি না। আমি চাই অন্তত ৬ মাস আগে আমরা অনেক লিখি এবং পড়ি এবং এরপর গ্রামার চর্চা শুরু করবো। যাদের ভাল লাগবে থাকুন, না লাগলে গ্রামার বই পড়ুন, অন্য গ্রুপে যোগ দিন, ওয়েবসাইটে চলে যান, ব্লগ পড়ুন বা বিদেশি ফোরামে যোগ দিন।
আমার কথা কারো কাছে খারাপ লাগলে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত কিন্তু আমি আমার নীতিতে অটল থাকবো। যাদের আমার প্রতি আস্থা আছে তারা আমার পরামর্শ মেনের চলার চেষ্টা করুন। না মানতে চাইলেও সমস্যা নেই, আপনাদের কোন টাকা দিতে হয় নি যে এর মায়ায় থাকতে বাধ্য।
ফারহানা আশা আপু, সুমন মল্লিক ভাই, পার্থ প্রতিম ভাইদের মত যারা অনেক সময় দিয়েছেন, এগিয়ে গেছেন তারা গ্রামার চর্চা করতে চাইলে আসলেই কোন সমস্যা নেই। কিন্তু বাকিরা দয়া করে আগে ইংরেজিতে অনেক লেখার, পড়ার ও বোঝার অভ্যাস করুন। তারপরেও কেউ পড়তে চাইলে পড়ুন, আমি তো আটকাতে যাচ্ছি না বা শাস্তি দিচ্ছি না।

আশা করছি সবাই ভালো আছেন। আজকের আলোচনা করবো অন পেজ এস ই ও নিয়ে। এক ঝলকে দেখে নিন অন পেজ এস ই ও বা অপটিমাইজেশন আসলে কোন কো...
19/12/2017

আশা করছি সবাই ভালো আছেন। আজকের আলোচনা করবো অন পেজ এস ই ও নিয়ে। এক ঝলকে দেখে নিন অন পেজ এস ই ও বা অপটিমাইজেশন আসলে কোন কোন বিষয় নিয়ে গঠিত। চলুন তাহলে কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় ফিরে যাই।
1. SILOS
সাইটকে সুন্দর ভাবে সাজানো ও ভিজিটর ফ্রেন্ডলী করা অর্থাৎ একজন ভিজিটর যেন খুব সহজেই আপনার সাইটে এ সকল তথ্য খুজে পায় এবং একটি টিউনের সাথে অন্য টিউনের সম্পর্ক স্থাপনই হলে সিলোসের কাজ।
2. Site Performance
ভালো মানের হোষ্টিং ব্যবহার করতে হবে। সেই সাথে আপনার সাইটে ভালো থিম ইউজ করতে হবে। তাহলে সাইটের লোডিং স্পিড ভালো থাকবে। ভিজিটর বিরক্ত হবে না। সাইটে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করে ভিজিটরের সাথে সব সময় যুক্ত থাকাটাও এর অংশ।
3. Title Tag for links
একজন ভিজিটর হিসেবে নিজেকে কল্পনা করুন। আপনি যে টিউনে ক্লিক করে ঢুকছেন সেটিতে কেন ঢুকলেন? কারন তার টাইটেল আকর্ষনিয় ও ছবিটা ভালো। যেখানে ক্লিক না করে পারেননি। তার মানে এই, আপনার টিউনের টাইটেল অবশ্যই দারুন হতে হবে। যা দেখে যে কেউ বাকি টিউন পরতে আগ্রহ পায়।
4. Canonical URLs
এটা আসলে লিখে বোঝানো সম্ভব না। এ নিয়ে টিউটোরিয়াল দিবো। তবুও বলছি। আপনি নিজে যেভাবে বোঝেন, গুগল কিন্তু তা সেভাবে বোঝে না, কারন সে তো একটি প্রগ্রাম বা রোবোট। যেমন ধরেন, https://somaibd.comhttps://somaibd.com. আপনার দৃষ্টিতে দুটি সাইট আসলে একই। কিন্তু গুগলের কাছে আলাদা। যদি আপনি গুগলকে না বুঝিয়ে দেন যে কোনটা
আসলে আপনার সাইট তাহলে গুগল এক সাইট অন্য সাইটের ডুপলিকেট ধরে প্লান্টি দিয়ে আপনার সাইটকে বাতিল করে দেবে সুতরাং এই বিষয়টা জানা ও গুগলকে বুঝিয়ে দেয়াটা খুব জরুরী।
5. Internal Link Anchor Text
একটি টিউনের সাথে অন্য টিউনের সম্পর্ক স্থাপন করাকে ইন্টারনাল লিংক বলে। আবার অ্যাংকর টেক্সট হলো নিজের সাইটের টিউন বা অন্য কোন সাইটের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা।
6. Site Map
কোন কোন বিষয় গুগল বা সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট থেকে ক্রল করবে বা তার ডাটাবেজে সংরক্ষন করবে সেটি গুগলকে দেখিয়ে দেয়াই সাইট ম্যাপের কাজ।
7. 303/404 Errors
একটা টিউটোরিয়ালে এই নিয়ে কথা হবে। সংক্ষেপে বলি, ভিজিটর যখন লিংকে ক্লিক করে আপনার সাইটে এসে টিউন খুজে পাবে না। মানে আপনি আগেই ডিলিট করে দিয়েছেন, বা ভুল লিংক দিয়েছেন তখন কেউ আপনার সাইট ভিজিট করলে ইরোর দেখাবে। মুলত বিষয়টা এটিই। একটি সাইট সব সময় ইরোর ফ্রি রাখতে হয়।
8. Roborts.txt
গুগল যেভাবে আপনার সাইট থেকে ডাটা কালেক্ট করে বা সংযোগ স্থাপন করে।সে বিষয়গুলা দেখিয়ে দেয়াই এর কাজ।
9. Keyword Density
আপনি যে কিওয়ার্ডটি নিয়ে কাজ করেন সেটি টিউনের ভিতর সর্বচ্চ ১.৮% ব্যবহার করতে পারবেন। একটি টিউনে কতবার কিওয়ার্ড.ব্যবহার করলেন তার পরিমানকেই কিওয়ার্ড ডেনসিটি বলে।
10. Meta Tags
গুগলে সার্চ দিলে টাইটেলের পরে যে লাইন গুলা দেখা যায় সেগুলা আগে থেকেই মেনে চলতে হবে। মানে, এমন লেখা ব্যবহার করতে হবে, যাতে ভিজিটর আপনার সেই অল্প লেখা পড়েই বাকি লেখা পড়ার আগ্রহ পায়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। যেসব কীর্তিমান মানুষের আত্মত্যাগে...
14/12/2017

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করে বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। যেসব কীর্তিমান মানুষের আত্মত্যাগে এই বিজয় সম্ভব হয়েছিল, বিজয়ের দিনে তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। যেসব বীর মুক্তিযোদ্ধা নয় মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এ বিজয়কে অনিবার্য করে তুলেছিলেন, তাঁদের প্রতি জানাই সশ্রদ্ধ অভিবাদন।

২০১৫ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতি পাঁচটি শিশুর মধ্যে দুটিই খর্বকায়, মানে বয়স অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত উচ্...
09/10/2017

২০১৫ সালে এক গবেষণায় দেখা যায়, পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রতি পাঁচটি শিশুর মধ্যে দুটিই খর্বকায়, মানে বয়স অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। এর একটা বড় কারণ জন্মের সময় কম ওজনে ভূমিষ্ঠ হওয়া বা আগেই ভূমিষ্ঠ হওয়া। অপুষ্টিও একটি বড় কারণ। কেবল গোলগাল-নাদুসনুদুস হলেই স্বাস্থ্য ভালো হয় না, এর সঙ্গে সঠিক উচ্চতাও চাই। এটা অনেক অভিভাবকই জানেন না।
শিশুরা জন্মের পর থেকে যে হারে বাড়ে এবং লম্বা হতে থাকে, তা একটি বৃদ্ধির তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। তালিকায় বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক উচ্চতার নিচে পড়ে গেলে সেই শিশুকে খর্বকায় শিশু বলা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কৈশোরে পৌঁছে বৃদ্ধিতে একটা উল্লম্ফন ঘটে, নানা ধরনের হরমোনের প্রভাবে এ সময় তারা দ্রুত বেড়ে ওঠে। তারপর ১৮ থেকে ২১ বছরের মধ্যে থেমে যায় এই বৃদ্ধি। জন্মকালীন কম ওজন, গর্ভকালীন সময়ে মায়ের অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা, শিশুকে ঠিকমতো স্তন্যপান না করানো থেকে শুরু করে শিশুর নানা ধরনের দীর্ঘমেয়াদি রোগ; যেমন হাঁপানি, হিমোগ্লোবিনের সমস্যা, হৃদরোগ, বারবার সংক্রমণ শিশুর সঠিক বেড়ে ওঠাকে বাধাগ্রস্ত করে। এ ছাড়া থাইরয়েড ও গ্রোথ হরমোনের সমস্যা, পিটুইটারি ও অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির রোগ, কিছু জন্মগত রোগ যেমন টার্নার সিনড্রোম ইত্যাদি কারণে শিশুরা খর্বকায় হয়।
একটি শিশুর ঠিকঠাক বেড়ে ওঠার পেছনে তার সুষম পুষ্টি, যথেষ্ট আমিষ, লৌহ, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এবং পর্যাপ্ত খেলাধুলা ও ব্যায়াম প্রয়োজন। আমরা আমাদের শিশুদের লেখাপড়া, পরীক্ষার ফল, ক্লাসে প্রথম হওয়া নিয়ে যত দুশ্চিন্তা করি, এ বিষয়গুলো নিয়ে ততটাই কম ভাবি। কেবল ফাস্ট ফুড আর কোমল পানীয় খেলেই যে পুষ্টি নিশ্চিত হয় না, এ সম্পর্কেও আমাদের ধারণা নেই। আজ থেকে শুরু হচ্ছে শিশুদের গ্রোথ বা বৃদ্ধি নিয়ে সচেতনতা সপ্তাহ। আসুন এই সপ্তাহে আমরা এই দিকে নজর দিই।
 আপনার শিশুটি বয়স অনুযায়ী ঠিকঠাক বাড়ছে কি না, তা চিকিৎসকের কাছে গেলে গ্রোথ চার্টে মিলিয়ে দেখুন। ক্লাসে অন্যদের তুলনায় সে ছোট কি না খেয়াল করুন। বিশেষ করে যেসব শিশু অল্প ওজনে ও সময়ের আগেই ভূমিষ্ঠ হয়েছে, তাদের বৃদ্ধির দিকে কড়া নজর রাখুন।
 জন্মের পর প্রথম ছয় মাস কেবল মায়ের দুধ খাওয়ালে শিশুদের বৃদ্ধি নিশ্চিত হয় অনেকটা। ৬ মাসের পর বাড়িতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের খাবার দিন, কেনা সিরিয়াল নয়।
 সুষম খাবার মানে পরিমিত আমিষ, শর্করা ও চর্বির সঙ্গে যথেষ্ট ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। মাছ, মাংস, দুধ, ডিমসহ নানা ধরনের শাক-সবজি, ফলমূল দিতে হবে। হাড়ের বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট আমিষ ও ক্যালসিয়াম দরকার। দুধ, দই, পনির ও সবুজ শাক-সবজিতে ক্যালসিয়াম আছে। ভিটামিন ডি ছাড়া হাড়ের বৃদ্ধি হয় না, ক্যালসিয়াম শোষণও হয় না। আর ভিটামিন ডি আছে সূর্যালোকে। তাই শিশুদের ঘরে আটকে না রেখে বাইরে রোদে খেলাধুলা করতে দিন।

09/10/2017
পড়াতে গেলে হাজারো বায়নাসারা দিনমান ছোট্ট রিফাত দিব্যি মনের আনন্দে আর স্বাভাবিক চঞ্চলতা নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছে। পড়তে বসেই ...
09/10/2017

পড়াতে গেলে হাজারো বায়না

সারা দিনমান ছোট্ট রিফাত দিব্যি মনের আনন্দে আর স্বাভাবিক চঞ্চলতা নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছে। পড়তে বসেই সেই রিফাতের মাথাতেই কোথা থেকে যেন ভর করে রাজ্যের দুষ্টুমি। কখনও ঘুমের ভান করে, আবার কখনোবা টিভি দেখার বায়না ধরে। রিফাতের মতো আপনার লক্ষ্মী ছেলে কিংবা মেয়েটিই হয়তো তখন বাড়ি মাথায় তোলে। আর শিশুর এই শিশুতোষ গোলমালে হয়তো হুট করেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন আপনি। শুরু হয় অহেতুক শাসন। এবারের আয়োজনে শিশুর আনন্দদায়ক শিক্ষার কিছু দিক নিয়ে রইল আলোচনা

তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সেই অধিকাংশ শিশুর লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয়। এই সময়টাতে এমনিতেই শিশুরা তাদের আশপাশের অনেক কিছু দেখে শিখতে থাকে। তবে আশপাশের জগত্ থেকে শিশুর এই শিখে নেওয়ার প্রক্রিয়াটিতে কোনো ধরনের বাধ্যবাধকতা থাকে না বলেই শিশুরা আনন্দের সঙ্গেই ভাষা শিক্ষার মতো বিষয়গুলো চালিয়ে যায়। আর এ কারণেই কথা বলা শেখার জন্য কখনোই শিশুকে শাসন করতে হয় না। পড়াশোনার ক্ষেত্রেও যদি এই বিষয়টির প্রতি লক্ষ রেখে এগোনো যায় তাহলে শিশুর শিক্ষার অভিজ্ঞতাটি হয় অনেক সুখকর।

যে বয়সে একটি শিশু পড়ার চেয়ে খেলতেই বেশি ভালোবাসে সে বয়সে শিশুকে ধরেবেঁধে নিয়ম করে পড়তে বসালে তা স্বভাবতই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চলে যায়। কাজেই শিশুর আনুষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরুর বেশ অনেকদিন আগে থেকেই তাকে একটু একটু করে পড়াশোনার আবহের সাথে পরিচিত করে তুলতে হবে। খেলার ফাঁকে ফাঁকে শিশুকে বিভিন্ন ছড়া শোনানোর মাধ্যমে তাকে বিষয়গুলোর প্রতি আগ্রহী করে তুলতে হবে। এ ছাড়া শিশুর মাঝে যদি গল্প শোনার ঝোঁক থাকে তাহলে তাকে পাশে নিয়ে কোনো একটি বই থেকে শিশুকে মজার মজার গল্প পড়ে শোনান। এ ক্ষেত্রে গল্পগুলো যদি শিশুর ভালো লাগে তাহলে সে নিজেও গল্প পড়ার জন্য কীভাবে বানান করে পড়তে হয় তা শিখতে আগ্রহী হবে।

শিশুর লেখাপড়া শেখার জন্য পরিবেশও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি তাকে পড়তে বলে নিজে টিভি দেখতে বসে যাবেন এমনটা যেন কখনোই না হয়, বরং শিশুর পাশে থেকে তাকে বুঝান যে, পড়ালেখার এই সময়টাকে আপনিও গুরুত্বের সঙ্গেই নিচ্ছেন এবং তার পাশেই আছেন। যদি সম্ভব হয়, তাহলে শিশুর জন্য আলাদা একটি পড়ার রুমের ব্যবস্থা করে দিন। তা সম্ভব না হলে শিশু যে রুমে ঘুমায়, সেই রুমের কোনায় একটি রিডিং টেবিল দিয়ে দিন। টেবিলের গায়ে শিশুর প্রিয় কার্টুন চরিত্রের স্টিকার লাগিয়ে দিন। এই রুমে তার খেলনাগুলোও রাখতে পারেন। অনেক সময়ই দেখা যায়, মনের মতো পরিবেশের অভাবেও শিশু পড়তে চায় না। কাজেই আপনার শিশুর ক্ষেত্রে এটি প্রথম থেকেই নিশ্চিত করার চেষ্টা করুন। পড়তে কিংবা লিখতে শেখার জন্য শিশুকে নিয়ে প্রতিদিন একটা সময় নিয়ম করে পড়তে বসতে হবে—এমন কোনো ধরাবাঁধা নিয়মে প্রথমদিকে না যাওয়াই ভালো, বরং কখনও বিভিন্ন অক্ষর দেখানোর মাধ্যমে আবার কখনোবা সুর করে বর্ণমালা পড়ার মাধ্যমে শিশুর চোখ ও কানকে পড়ালেখার উপযোগী করে গড়ে তুলুন। আর এ কাজগুলো খেলাচ্ছলে এমনভাবে এগিয়ে নিয়ে যান যেন শিশুর কিছুতেই মনে না হয় যে, তাকে চাপ দিয়ে কিছু শেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এমনকি প্রথমদিকে আপনার শিশু একটি জিনিস শেখার পর তা কিছুক্ষণের মধ্যে ভুলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কাজেই এজন্য শিশুকে শাসন না করে প্রতিবার তাকে ঠিকটা শুধু মনে করিয়ে দিন।

সাধারণত অধিকাংশ শিশুর ক্ষেত্রেই পড়তে শেখার প্রক্রিয়াটি যত দ্রুত এগোয় ঠিক ততটা দ্রুততার সাথে লেখা শেখার বিষয়টি এগোয় না। এ ক্ষেত্রে অনেক বাবা-মা'ই একেবারে প্রথম দিন থেকেই শিশুর হাতে চক বা পেন্সিল তুলে দিয়ে তাকে লেখা শেখানোর চেষ্টা করেন। তবে চক বা পেন্সিল হাতে দেওয়ার আগে শিশুকে যদি বিভিন্ন খেলার সামগ্রী দিয়ে বা ছোট ছোট খেলনা দিয়ে বর্ণমালা তৈরি করতে শেখান তবে তার প্রাথমিক ভিত্তিটা সহজেই তৈরি হয়ে যাবে। এ ছাড়া অক্ষর লিখতে শেখার আগে তাকে বেশি বেশি করে অক্ষর চেনানোর প্রতি জোর দিন। শিশুর হাতে ছোট ছোট নুড়ি তুলে দিয়ে সেগুলো দিয়ে তাকে বর্ণমালা তৈরি করতে উত্সাহ দিন। আর এভাবে বর্ণমালার সাথে তার একটা সম্পর্ক গড়ে উঠলে আস্তে আস্তে চক বা পেন্সিল দিয়েও তাকে লিখতে শেখান। এ ছাড়া শিশু যাতে পেন্সিল ঠিকমতো ধরতে শেখে এজন্য তাকে প্রথম থেকেই বর্ণমালা লিখতে না দিয়ে কাগজে নিজের মনমতো আঁকিবুঁকি করতে দিন।

একটি স্কুলে সবাই প্রথম হয় না। কাজেই আপনার শিশুকে প্রথম হতেই হবে এমন ধরনের চাপ তার উপর কখনোই দেবেন না, বরং শিশুকে এভাবে আত্মবিশ্বাসী করে তুলুন যে, সে যদি ঠিকমতো দিনের পড়া দিনেই শেষ করতে পারে তাহলে তার ফলাফল অবশ্যই অন্য অনেকের চেয়ে ভালো হবে। সেই সাথে শিশু যেসব বিষয় পড়ছে সেগুলো যেন সে বুঝে বুঝে পড়তে পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন। প্রয়োজনে বইয়ের বাইরে সহজ কোনো উদাহরণ দিয়ে তাকে বিষয়টি বুঝতে শেখান। মনে রাখবেন, শিশুর জন্য পড়ার একটি পরিবেশ তৈরি করে দেওয়াই আপনার কাজ। আর সে কিভাবে পড়ালেখা আত্মস্থ করবে এটি তার উপরই ছেড়ে দিন।

শিশুর লেখাপড়া মনে রাখতে সহায়তা করে বিকেলের ঘুম বিকেলের ঘুম শিশুদের লেখাপড়া মনে রাখতে সহায়তা করে। দুপুরের খাবারের পর এক ঘ...
09/10/2017

শিশুর লেখাপড়া মনে রাখতে সহায়তা করে বিকেলের ঘুম

বিকেলের ঘুম শিশুদের লেখাপড়া মনে রাখতে সহায়তা করে। দুপুরের খাবারের পর এক ঘণ্টা ঘুম বাচ্চাদের মস্তিষ্কের শক্তি বৃদ্ধি করে লেখাপড়ায় সহয়তা করে। একটি ছোট সমীক্ষায় এ কথা জানা গেছে।
মার্কিন গবেষকরা বলেন, বিকেলের ঘুম তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী বাচ্চাদের লেখাপড়া মনে রাখতে সহায়তা করে। ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস আমহার্স্ট এর গবেষকরা ৪০টি শিশুর উপর গবেষণা চালায়। এ সংক্রান্ত রিপোর্ট প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস প্রকাশ করেছে।
বিকেলের ঘুমের সুফল জেগে ওঠার একদিন পরও বজায় থাকে। গবেষণা পরিচালনাকারীরা জানান, বিকেলের ঘুম স্মৃতি সংহতকরণ এবং আগেভাবে পড়া শিখতে সহায়তা করে। বিবিসি

শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগী করার দারুণ কিছু কৌশল শিশুদের পড়াশোনায় মন বসাতে বাবা-মাকে কতোই কাঠখড় পোড়াতে হয়। অথচ লেখাপড়া তো ক...
09/10/2017

শিশুদের পড়াশোনায় মনোযোগী করার দারুণ কিছু কৌশল

শিশুদের পড়াশোনায় মন বসাতে বাবা-মাকে কতোই কাঠখড় পোড়াতে হয়। অথচ লেখাপড়া তো করতেই হবে। তাই বেশিরভাগ সময়ই নানা ধরনের ভয়-ভীতির কৌশল কিংবা বেত আর স্কেল নিয়ে বসে থাকতে হয় মায়েদের। অভিভাবকদের এ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে বিশেষজ্ঞরাও গবেষণা করে দারুন কিছু কৌশল বের করে এনেছেন। বাচ্চাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে আপাতত নিচের কয়েকটি পস্থা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন অভিজ্ঞরা:-
পড়াশোনাটাকে আনন্দময় করে তোলা :
সব সময় শিশুরা আনন্দ চায়। পড়াশোনাটাও যদি তেমন আনন্দময় হয়ে ওঠে তবে তা করতে আগ্রহী হবে আপনার সন্তান। এ কাজটি করার সময় আপনার আচরণই আসল ভূমিকা পালন করে। লেখাপড়া মজাদারভাবে উপস্থাপন করুন। দেখনেব শিশুটি মজা করার আদলে পড়ার কাজটিও সেরে নেবে।
ভাল ও সঠিক উপায় বেছে নিন :
বেশিরভাগ সময় বাচ্চারা মনে করে, লেখাপড়া অন্যান্য ব্যস্ত কাজের মতোই একটি কষ্টকর কাজ। তারা তো বুঝবে না যে, তাদের বড় হয়ে বড় কিছু হতে হলে পড়তে হবে। তাই আপনিও যদি শিক্ষা অর্জনের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে লেকচার শুরু করেন, তবে তারা একে আরো বিরক্তিকর মনে করবে। তাদের জিজ্ঞাসা করুন, তাদের কী করতে ভালো লাগে? কিংবা নিজেও লক্ষ্য করুন তারা মনোযোগ দিয়ে অথবা আনন্দের সাথে কি কি করছে। সেই ভালো লাগার সঙ্গে লেখাপড়াকে যোগ করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বোঝালেই শিশুরা বোঝে নেবে।
পছন্দনীয় খবার বা পুরস্কারের লোভ দেখানো :
পড়ার জন্য ছোটদের পছন্দের খবার বা নানাভাবে পুরস্কৃত করুন। ঠিকমতো পড়লে আইসক্রিমা কিংবা চকলেট কি মন্দ হয়? অথবা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পড়লে ৫ মিনিট খেলার সুযোগ। আর এসবের লোভে ঝটপট পড়ার কাজটা সেরে নিবে বাচ্চারা। এছাড়াও শিশুটি যা পছন্দ করে দ্রুত পড়া শেষ করলে তা দেয়ার লোভ দেখাতে পারেন।
সঠিক সময় নির্ধারণ করে নেয়া :
প্রতিদিনের নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্দিষ্ট সময় ঠিক করে নিন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতি রাতে হোম ওয়ার্কের জন্য ১ ঘণ্টা যথেষ্ট সময়। শিশুকেও বলুন, তার পড়ার কাজটি অসীম সময় পর্যন্ত নয়। ঘড়িতে এলার্ম দিয়ে বলুন, এটা বেজে ওঠার আগ পর্যন্ত তাদের পড়তে হবে, তার বেশি নয়। তবে স্কুলের সময় অনুযায়ি বুদ্ধি খাটিয়ে ওই সময়টা নির্ধারণ করা বঞ্ছনীয়।
ভাল কাজে বেশি বেশি প্রশংসা করুন :
ছোট বা বড় যে কাজই করুক না কেনো, তার সব কাজের প্রর্শসা করুন, শিশুটিকে উৎসাহ দিন। শিশুরা প্রশংসা বা উৎসাহ পেতে দারুণ ভালোবাসে। কাজেই পড়াশোনার কারণে যদি এ প্রশংসা পাওয়া যায়, তবে তা করতে পিছপা হয় না তারা। তবে কখনো মন খারাপ করার মতো কিছু করবেন না বা বলবেন না।
সাথে বসে নিজেও পড়ুন :
শিশুদের পড়াতে গেলে দেখা যায়, তাদের পড়ে পড়ে পড়াতে হচ্ছে। তা না করে, নিজে বরং অন্যকিছু অর্থাৎ ভাল ভাল ও প্রয়োজনীয় বিষয় নির্ধারন করে ধর্মীয় বা সামাজিক বিষয়ের বই পড়ুন। আপনার পড়া দেখে শিশুটিও তার পড়া পড়তে উৎসাহ বোধ করবে। আর তার নিজের পড়াটা নিজের করাই উত্তম।

ইচ্ছে গুলো আকাশ ছুলো ভাসলো মেঘের সারি খুশির জোয়ার তেপান্তরে হৃদয় দিলো পাড়ি, মনের মাঝে সেতার বাজে খুশিতে মন সাজে ঈদের ...
30/08/2017

ইচ্ছে গুলো আকাশ ছুলো ভাসলো মেঘের সারি
খুশির জোয়ার তেপান্তরে হৃদয় দিলো পাড়ি,
মনের মাঝে সেতার বাজে খুশিতে মন সাজে
ঈদের দিন হোক রঙ্গিন এই কামনাতে।
ঈদ মোবারক

জেনে রাখুন, কোন কোন ফলে ফরমালিন মেশানো যায় না!ফলে ফরমালিন – আমরা যখন ফল কিনতে বাজারে যাই তখন মনে একটাই প্রশ্ন, ফলটি কি ফ...
29/08/2017

জেনে রাখুন, কোন কোন ফলে ফরমালিন মেশানো যায় না!

ফলে ফরমালিন – আমরা যখন ফল কিনতে বাজারে যাই তখন মনে একটাই প্রশ্ন, ফলটি কি ফরমালিন মুক্ত? এই সংশয়ে আমরা অনেকেই ফল খাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখতে চাই। ভয় একটাই, কারণ?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মানব শরীরের জন্য ফরমালিনের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছে শূন্য দশমিক ১৫ পিপিএম। অথচ ডিএমপি, বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সহনীয় মাত্রা বানিয়ে নিয়েছে ২ পিপিএম। যা আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বেশি!

খাদ্যে ফরমালিনবিরোধী অভিযানে নিরাপদ খাদ্য আইনের (২০১৩) ২৩ ধারাকে ব্যবহার করা হয়। এতে উল্লেখ আছে, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য (যেমন— ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট), কীটনাশক (ডিডিটি, পিসিবি তেল) বা অন্য কোনো বিষাক্ত দ্রব্য মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য মজুদ, বিপণন বা বিক্রি করা যাবে না।

সংশয় আর আতঙ্ক থেকে মুক্ত করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে বিভিন্ন ফলের নমুনায় ক্ষতিকর মাত্রায় ফরমালিন পাওয়া যায়নি। আর এই প্রতিষ্ঠানটি মৌসুমি ফলের ওপর পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ চালায়।

পরীক্ষায় তারা ধারণা করে যে, আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, তরমুজ, লেবু, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, জামরুল, বেল, কতবেল ও ডেউয়া ইত্যাদি মৌসুমি ফলের মধ্যে ফরমালিন মেশানো যায় না। তবে আমের মধ্যে মেশানো গেলেও তা খুব অল্প পরিমাণে মেশানো যায়। আর তা যদি খাওয়ার আগে পানিতে ভালভাবে ধুয়ে নেয়া যায় তাহলে আর কোনো ভয় থাকে না।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে ২৭টি ফলের নমুনা পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ১৬টি নমুনা আমের, ৬টি লিচুর ও কলা, খেজুর, আঙুর, আপেল ও মাল্টার একটি করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব নমুনায় ফরমালডিহাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির পরীক্ষক পান্না ওয়াহেদের ভাষ্য, ফরমালিনের ভয়ে মৌসুমি ফল খাওয়া বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ পরীক্ষায় মাত্রার চেয়ে বেশি ফরমালিন ধরা পড়ছে না। তবে যাঁরা আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে চান তাঁরা ধুয়ে খেতে পারেন।

যেভাবে ঘরে বসে খাবার থেকে ফরমালিন দূর করতে পারবেন:-

মাছের শরীর থেকে ফরমালিন দূর করতে মাছটি অন্তত ১ ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরিক্ষায় দেখা গিয়েছে এতে করে মাছের শরীরে যে ফরমালিন থাকে সেটি প্রায় ৬১% কমে গেছে।

আরও একটি কার্যকর উপায় হল মাছটি রান্না করার আগে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা লবন পানিতে ডুবিয়ে রাখা, এতে করে মাছের ফরমালিনের পরিমাণ প্রায় ৯০% কমে যাবে।

আরও একটি কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে, আপনি যখন চাউল ধুবেন এবং প্রথম বার চাউল ধোবার সময় যে পানি বের হবে সেটি দিয়ে প্রথমে মাছটি ধুয়ে নিন এরপর আবার সাধারণ কলের পানি দিয়ে ধুবেন। দেখবেন এতে করে প্রায় ৭০% ফরমালিন দূর হয়ে যাবে।

কোন ফলমূল খাবার আগে সেটি হালকা গরম এবং লবন মিশ্রিত পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে করে ফরমালিনের পরিমাণ প্রায় ৯৮% ভাগ দূর হবে (পরিক্ষিত)।

আমাদের দেশে এখন শুঁটকি মাছেও প্রচুর পরিমানে ফরমালিন মেশানো হচ্ছে। শুঁটকি মাছ থেকে ফরমালিন দূর করতে ঠিক একই রকম পন্থা অবলম্বম করবেন। প্রথমে ১ ঘণ্টা লবন মিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পরে ১০ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে ফরমালিন তো দূর হবেই পাশাপাশি মাছের স্বাদও বাড়বে।

অনেক সময় ফলমুলে বিশেষ করে আম, লিচুতে স্প্রে করার মাধ্যমে ফরমালিন দেয়া হয়। সেজন্য গাড় বা উজ্জল রঙের ফল কেনা থেকে বিরত থাকুন।

খাবার বা ফলমূল থেকে ফরমালিন দূর করার সব থেকে কার্যকরী উপাদান হল ভিনেগার। প্রথমে এক লিটার পানিতে এক কাপ ভিনেগার মিশিয়ে নিন। মিশ্রিত পানিতে শাকসবজি, ফলমুল কিংবা মাছ ১৫ মিনিট রেখে দিন। এরপর সাধারণ পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিন। ব্যাস! এই পদ্ধতিতে খাদ্য দ্রব্য থেকে প্রায় ৯৮% ফরমালিন দূর করা সম্ভব।

স্বামী-স্ত্রীর বোঝাপড়ার অভাব ও সন্তানদের উপর এর বিরূপ প্রভাব!আমরা সবাই জানি -চারপাশের পরিবেশ ও পরিবার একটা মানুষের চরিত...
07/08/2017

স্বামী-স্ত্রীর বোঝাপড়ার অভাব ও সন্তানদের উপর এর বিরূপ প্রভাব!
আমরা সবাই জানি -চারপাশের পরিবেশ ও পরিবার একটা মানুষের চরিত্র গঠনে কতটুকু ভূমিকা রাখে।প্রতিটা মানুষ তার পরিবার , চারপাশের পরিবেশ যেমন -প্রতিবেশী , স্কুল , চলা-ফেরার সাথীদের কাছ থেকে ভালো-মন্দ দুটোই শিখে।তাই যে যে পরিবেশে বেড়ে উঠে তার চরিত্রে সে পরিবেশের প্রতিফলন ঘটে।যেমন-

১। যে পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ক খারাপ থাকে , অনবরত ঝগড়া -ঝাঁটি , চিৎকার চেঁচামেচি লেগেই থাকে সে পরিবারের ছেলেমেয়েরা ভীতু , আত্মবিশ্বাসহীন , বাবা-মায়ের প্রতি অশ্রদ্ধা নিয়ে বেড়ে উঠে । তারা ভবিষৎতে বাবা-মায়ের সাথে কেমন আচরণ করবে তা সহজেই অনুমেয় এবং তারা যখন সংসারী হবে তারা কখনই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে সফল করতে পারবে না ।

২। একটি বাচ্চা ছেলে যদি তার পরিবারে তার মাকে তার বাবার দ্বারা শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত হতে এবং তার মাকে এসব সহ্য করে নিতে দেখে বড় হয় তবে সে এটাকেই স্বাভাবিক ব্যাপার বলে ধরে নেয় । পরবর্তীতে সে যখন স্বামী হয় সেও তার স্ত্রীর সাথে একই ব্যবহার করে এবং আশা করে তার মা যেভাবে সব সহ্য করেছে তার স্ত্রীও সেভাবে সহ্য করবে । স্ত্রী যখন প্রতিবাদী হয় তখনই স্ত্রীর প্রতি স্বামীর ভালোবাসার বদলে রাগ জন্মে , অথবা সে ভাবতে থাকে তার স্ত্রী বুঝি তাকে ভালোবাসে না ! কারণ সে চায় সবকিছু সহ্য করে স্ত্রী শুধু তাকেই ভালোবাসবে , তার কাছে এটাই নিয়ম !

আবার সে পরিবারের মেয়েটিও তার মায়ের মতো স্বামীর সমস্ত অত্যাচার মুখ বুঝে সহ্য করার মানসিকতা নিয়ে বড় হয়। তার প্রতিবাদ করার সাহস বা স্বাধীনতা মরে যায়।
আবার উল্টো করে বললে যে পরিবারে বাবা-মা একে অপরকে সম্মান করে সে পরিবারের শিশুটি বড় হয়ে তার সঙ্গীকে সম্মান দেখায়।

৩।যে পরিবারে গৃহপরিচারিকা নির্যাতিত হয় সে পরিবারের শিশু বড় হয়ে কাজের মানুষকে নির্যাতন করাকে স্বাভাবিক ভাবে।

৪।যে ছাত্র শিক্ষকের দ্বারা পিটুনি খেয়ে বড় হয় সে পরবর্তীতে যদি শিক্ষকতা পেশা বেছে নেয় তবে পিটুনি দেয়া শিক্ষক হিসেবে নিজেকে প্রকাশ করে।যেমন-মাদ্রাসায় বেতের বাড়ি সহ যেকোনো শাস্তি গ্রহনযোগ্য।তাই বাসায় পড়াতে আসলেও দেখবেন আরবি শিক্ষকরা অল্পতেই ছোট ছোট বাচ্চাদের গায়ে হাত তুলে ফেলে।মারার জন্য তাদের হাত যেন নিশপিশ করে।

৫।যে পরিবারে অতি কৃপণতা বা অতি খরুচে স্বভাবের বাবা-মা থাকে সে পরিবারের শিশুও সে অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়।

৬।অতি রক্ষণশীল পরিবারের শিশুদের মানসিকতায়ও রক্ষণশীলতার বহি:প্রকাশ ঘটে । আবার অতি আধুনিক পরিবারে বড় হওয়া শিশুদের ক্ষেত্রেও অতি আধুনিকতার প্রকাশ ঘটে।

৭।কথায় আছে -‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস।অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ’!

৮।গ্রামে বসবাসকারী পরিবারগুলোর বাচ্চাদের মধ্যে গ্রাম্য স্বভাব , মানসিকতা দেখা যায় । সে বাচ্চা বড় হয়ে যত বড় শহরে পা রাখুক না কেন , যত বড় ডিগ্রীই অর্জন করুক না কেন!

তবে এমনও অনেক উদাহরণ আছে অসুস্থ পারিবারিক পরিবেশে অনেকে বড় হয়েও নিজেকে পরিবার থেকে স্বতন্ত্রভাবে তৈরি করেছে ।যেমন-মাকে নির্যাতিত হতে দেখে মায়ের কষ্টের মাঝে সম্পূর্ণ নারীজাতির কষ্ট উপলব্ধি করে সে তার স্ত্রীকে প্রাপ্য সম্মান দিয়েছে।সে ‘ভুল’কে ‘সঠিক’ হিসেবে গ্রহণ করেনি,’ভুল’কে ভুল হিসেবে গ্রহণ করেছে।
আবার এমন উদাহরণও অনেক আছে যারা সুস্থ পরিবেশে বড় হয়েও অসুস্থ মানসিকতায় নিজেকে তৈরি করেছে

পরিবার হচ্ছে ‘কুমোর ‘আর পরিবারের শিশুটি হচ্ছে ‘কাদামাটি’।পরিবার তার চরিত্রকে যে রূপ বা আকৃতি দিবে সে ঠিক সে রূপেই পরিণত হবে।একেই বলে ‘পরওয়ারিশ’!

‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুণে
গুণবান পতি যদি থকে তার সনে’।

কবি নিশ্চয়ই বলতে চেয়েছেন -সংসার সুখের করার জন্য পতি ও পত্নী উভয়েরই অবদান থাকা জরুরী।তাই দ্বিতীয় লাইনটা ছাড়া প্রথম লাইনটা অসম্পূর্ণ ও আধা সত্য।

বেগম রোকেয়া বলেছিলেন ‘ একটি গাড়ির দুটি চাকা , গাড়ি চলতে হলে চাকা দুটোকে সমান হতে হবে । একটি চাকা বড় এবং একটি চাকা ছোট হলে গাড়ি চলবেনা । নারী পুরুষের বেলায়ও তাই।’ একটি সংসার সুখের হওয়ার জন্য কি প্রয়োজন? আবেগী কেউ হয়তো বলবেন ভালোবাসা ? বাস্তববাদীরা হয়তো বলবেন টাকা ! শুধু ভালোবাসায় যেমন পেট ভরে না তেমনি টাকা দিয়েও সুখ বা শান্তি কেনা যায় না।

ধরুন। একটি সংসারে ভালোবাসা ও সচ্ছলতা দুটোই আছে ! তবুও সে সংসারে সুখ থাকে না কেন ?

উত্তর কি ? এডজাস্টমেন্টের সমস্যা বা মতের অমিল অথবা বোঝাপড়ার অভাব !

ভাইয়ে-ভাইয়ে , বোনে-বোনে , বাবা-ছেলে , মা-মেয়ের মতের অমিল হতে পারলে স্বামী-স্ত্রীতে হবে না কেন ?

ভিন্ন ভিন্ন পরিবারে বড় হওয়া মানুষগুলোই আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।এদের মধ্য থেকেই আমরা আমাদের জীবনসঙ্গী খুঁজে নেই।তাই মতের অমিল হওয়াটা কী অস্বাভাবিক কিছু? যেমন ধরুন-অতি আধুনিক স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে এবং গ্রাম থেকে উঠে আসা শিক্ষিত , ভালো চাকুরী করে এমন ছেলের মধ্যে যদি বিয়ে হয় এডজাস্টমেন্টে প্রব্লেম হওয়াটাই স্বাবাভাবিক ।সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন পরিবেশ থেকে এসে যখন দুটি মানুষ এক হয় তাদের মধ্যে ভালোবাসাতো তৈরি হয়ে যায় কিন্তু সব বিষয়ে মতের মিল হয় না ! যখন একটা মানুষ আরেকটা মানুষের প্রেমে পড়ে তখন তার অনেক বাজে অভ্যাসও অগ্রাহ্য করে ফেলে। প্রেম অন্ধ বলেই হয়তো !! কিন্তু যখন তারা সংসার জীবনে প্রবেশ করে তখন তিলকে তাল বানাতে বেশিক্ষণ সময় লাগেনা।

বিয়ের প্রথম দু’এক বছর হেসে-খেলে,আনন্দে কেটে যায়।সেই সময়ে একজনকে আরেকজনের যতটুকু জানা হয় মনে হতে পারে সেটাই পুরোপুরি জানা।কিন্তু না!সেই সময়টায় শুধু সঙ্গীর অভ্যাস,পছন্দ-অপছন্দের জিনিসের নামগুলোই জানা যায়।যত দিন যায় একটু একটু করে একজন আরেকজনকে জানার পাশাপাশি বুঝতে শিখে আর এমনিভাবে সম্পর্ক পরিণত ও পরিপক্কতা লাভ করে।মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনের পরিপক্কতা যেমন আসে তেমনি সম্পর্কের বয়সের বেলায়ও তাই।শুনেছি -একটা মানুষকে জানার জন্য একটা পুরো জীবনও নাকি কম হয়ে যায়।।বুঝুন -মানুষের মন কতটা জটিল!অর্থাৎ সম্পর্কের শুধু আনন্দের সময়টায় থেকে যেমন দু:খ উপলব্ধি করা যায় না তেমনি শুধু দু:খের সময়টাতে থেকেও সুখটাকে উপলব্ধি করা যায় না।তাই সম্পর্কটাকে টাইম ও স্পেস দুটোই দিতে হয়।

প্রত্যেকটা মানুষ একজন আরেকজন থেকে আলাদা।একই বস্তু একেকজন একেকরকম দৃষ্টি দিয়ে দেখে।তিন অন্ধের হাতি দেখার গল্পেটা নিশ্চয়ই জানেন।যে যার জায়গা থেকে রাইট।তাই সঙ্গী যখন আপনার বিরুদ্ধে মত দিবে তখন আপনার উচিত একবার হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গিতে সেই জিনিস বিচার করে দেখা।

অনেককে রাগ করে বলতে শুনি ‘কোন কিছুতেই তার সাথে আমার ম্যাচ হয় না।জীবনতো একটাই কেন সমঝোতা করে জীবন পাড় করবো?’
শার্টের সাথে টাই ম্যাচ করেন ,সালোয়ার কামিজের সাথে ওড়না ম্যাচ করেন ! সবই কি সেইম কালারের ? সব সময় কি সব একই রঙের ভালো লাগে ! ভিন্ন ভিন্ন রঙে কনট্রাস্ট করেন না ! সব একই রঙের চেয়ে কনট্রাস্ট করাটাই মানুষের কাছে এতো জনপ্রিয় কেন ? চুম্বক কেন বিপরীত ধর্মকে আকর্ষণ করে?

আপনি সিরিয়াস টাইপ , আপনার সঙ্গীও তাই , জীবনে কিছু হিসাব ছাড়া আনন্দ উপভোগ করা হবে আপনার ? আপনি বদমেজাজী আপনার সঙ্গীও তাই , আপনাদের সংসারে শান্তি থাকবে ? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজেন তো ! বরং দুজন দুরকম হলে একজন আরেকজনকে বুঝতে গিয়ে একগেয়েমী জীবন থেকে দূর হয়ে যায়।তাই হয়তো আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই আমাদের জুড়ি উপর থেকে তৈরি করে দেন।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক শুধু সন্তান জন্ম দেয়া আর এক ছাদের নিচে থাকা নয়।এক ছাদের নিচে থাকাটা ঘর বা আশ্রয় হতে পারে সংসার হতে পারে না । সংসার নামক দীর্ঘ পথ আগে-পিছে থেকে পাড়ি দেয়া যায় না , পাশাপাশি হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয় । স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক এতো মজবুত না যে দিনের পর দিন একজনের ভুল আরেকজন সহ্য করে নিয়ে একসাথে থেকে যাবে। আবার এতো বেশি নাজুকও না যে একজনের সামান্য একটু ভুলেই সম্পর্কের ইতি ঘটে যেতে পারে । শুধুমাত্র সন্তানের সাথে পিতমাতার সম্পর্ক ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো সম্পর্ক চিরস্থায়ী না।সুতরাং সম্পর্ককে দুইদিক থেকেই যত্ন করতে হয়।সম্পর্কটাকে সুপ্ত একটা বীজ থেকে সবে অংকুরিত চারা বলা যায়। যাকে যত্ন করে জাগিয়ে ঠিক সময়মতো পানি , নিড়ানি দিতে হয়।তবেই পাতা বের হয়ে সে , গাছে পরিণত হতে থাকবে। সময়ের আবর্তনে একসময় সে গাছে ফুল , ফল দুইই আসবে।সম্পর্ক নামক চারা গাছের বাগানের নাম হচ্ছে সংসার । আর এ বাগানের মালি একজন নয় , দুজন।

সংসার সুখের করার জন্য দরকার:

পরস্পরের প্রতি বিশ্বাস,ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধ ধরে রাখা।
প্রয়োজন ইগো বিসর্জন দেওয়া।অনেকে ইগোকে আত্মসম্মানের নাম দিয়ে থাকেন।ইগোকে আত্মসম্মানের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না।দুটো দুই জিনিস।
একে অপরকে বুঝতে চাওয়ার ইচ্ছা অর্থাৎ বোঝাপড়া
ক্ষমা করার মানসিকতা (সঙ্গী কখনো ভুল করলে তাকে একবার সুযোগ দিয়ে দেখুন হয়তো সে আগের থেকেও ভালো হয়ে আপনার কাছে আসবে)
উভয় উভয়ের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা।
এক সঙ্গীতে সন্তুষ্ট থাকার চেস্টা।
চাওয়া-পাওয়ার হিসাবে নমনীয়তা

জীবন তো মানুষের একটাই।এই ছোট্ট জীবনটা ঝগড়া-ঝাঁটি করে কাটিয়ে লাভ কী ? ‘আমার একটু স্যাক্রিফাইস যদি আমার সংসারে সুখ আনে তবে আমি তাই করবো’-এই মনোভাব দুজনে সমানভাবে পোষণ করুন।সংসারজীবন সুখী করার জন্য দুজনেই সমানভাবে অংশগ্রহণ করুন।আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিয়ে সন্তানদের বড় হতে সাহায্য করুন।

Address

Dhaka
1212

Telephone

+8801750000988

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KIDZE STORE Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share