Aanaya's Creations

Aanaya's Creations Its a online shopping which u can see rare & exclusive ladies collections ...plz contract us +880 1632-408380
Open time:10am to 10pm..thank u & stay connected

আমার একমাত্র বোন❤️❤️।আপনার??
20/04/2024

আমার একমাত্র বোন❤️❤️।আপনার??

05/04/2024

আমরা সব সময় ভুল মানুষের জন্য গিফট কেনায় ভুল মনোযোগ দেই ।
প্রতিটা ফ্যামিলীতে দেখবেন বড়ফুফু-বড়খালা-বড়চাচী টাইপের কেউ একজন থাকবেন, যাকে যে রং-কাপড়-বুননের-দামের শাড়ি বা ড্রেসই গিফট দেননা কেন সেটা তাঁর কখনই পছন্দ হবে না, কোনো না কোনো খুঁৎ ধরবেনই । মুখ বাঁকিয়ে বলবে "এই রং আমি পড়িনা ।" বা "এই কাপড় আমার পছন্দ না ।" কিংবা "এরকম তো আমার কত্ত আছে ।" আপনা যেখান থেকে যাই দিন না কেন, লাভ নেই । প্রাপ্তি ঘুরে-ফিরে ঐ মুখ বাঁকানোটাই ।
অথচ, প্রতিটা ফ্যামিলীতেই আবার আরেকধরণের লোক আছেন যাঁরা যাই দিবেন সোনা মুখ করে খুশী হয়ে নিয়ে নেবেন । দাম-বুনোন-ব্র্যান্ড-রং যাই হোক না কেন কোনোকিছুতেই তাঁদের কোনো অভিযোগ নেই । তাঁরা হাসিমুখে গিফট গ্রহণ করেন, মাথায় হাত দিয়ে দোয়া করেন ।
মজার ব্যপার হলো আমরা প্রথম টাইপের মানুষদের গিফট কিনতে গেলে খুব সতর্কতা অবলম্বন করি । দেদার বাছ-বিচার করি, খুব সাবধানে রং দেখি, কাপড় পরখ করি, ব্র্যান্ড চয়েস করি । কোনোকিছুতে যেন খুঁত না থাকে ! আর দ্বিতীয় টাইপের মানুষদের গিফট খুব হেলা-ফেলা করে কিনি । যেহেতু জানি তাঁদের কোনো অভিযোগ থাকবে না, বাছ-বিচার থাকবে না, তাই তাঁদের জন্য কোনো একটা হলেই হলো । এত বাছা-বাছির, অত সাবধানতার কিছু নেই ।
আমার কিন্তু মনে হয় আসলে ব্যপারখানা বরং উল্টো হওয়া উচিৎ । যাঁরা যেকোনো উপহার পেয়ে খুশী হয়, আনন্দ মনে গ্রহণ করে, দোয়া করে, তাঁদের জন্যই বরং বাছ-বিচার করে, দেখে-শুনে সবচেয়ে ভাল উপহারটি কেনা উচিৎ । কারণ তাঁদের হৃদয়খানা বড়, মনটা বড় । আর যারা সবকিছুতেই খুঁত ধরবেই, যাদের কোনোকিছুতেই খুশী করা যাবে না, তাদের ব্যপারে এত এফোর্ট দেবার দরকারটা কি ?
যে হৃদয় তৃপ্ত হতে জানে না, তাকে খুশী করার চেষ্টাটাই তো বৃথা । তাই না ?
#শোকরিয়া

গালিব বিন মো:

21/03/2024

চোখের পরিক্ষা
বলেন তো কয়টা ১ আছে
৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯১৯৯৯১৯৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯৯১১৯৯৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯১৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯৯১৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯৯৯১৯৯৯৯৯৯💔

পেইজে একজন মেসেজ দিয়েছে। "Apnader shorom nai?"আমি থ হয়ে অনেক্ষন মেসেজের দিকে তাকিয়ে আছি। ম্যাসেজের রিপ্লাই না দিয়ে প্র...
01/03/2024

পেইজে একজন মেসেজ দিয়েছে।

"Apnader shorom nai?"

আমি থ হয়ে অনেক্ষন মেসেজের দিকে তাকিয়ে আছি। ম্যাসেজের রিপ্লাই না দিয়ে প্রথমে পেজ চেক করলাম উল্টাপাল্টা পোস্ট করেছি কি-না। গায় আমার ঘাম দিচ্ছে।

ততক্ষণে উনি আবার লিখলেন:

" Bhai shorom e eshe kinte chai"

অতঃপর বুঝলাম এটা আসলে শো-রুম🙂

22/02/2024

MashaAllah MashaAllah

আমার স্ত্রীর গায়ে যেদিন প্রথম হাত তুলে ছিলাম। সেদিন সে শুধু ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে চেয়ে ছিল। থাপ্পরের বেগ এমন ছিল যে...
31/01/2024

আমার স্ত্রীর গায়ে যেদিন প্রথম হাত তুলে ছিলাম। সেদিন সে শুধু ফ্যালফ্যাল করে আমার দিকে চেয়ে ছিল। থাপ্পরের বেগ এমন ছিল যে তার ঠোঁটের কোণে রক্ত বিন্দু জমে গেছিল। নিঃশব্দে চোখ থেকে পানি ঝরছিল তার, কোন প্রতিবাদ সে করেনি। আমি কিন্তু তার চোখের পানি দেখে গলে যায়নি। বরং আরো কঠোর হয়েছিলাম।তার পর থেকে দেখলাম আমার সমস্ত কাজ কর্ম বেশ গুছিয়ে করতো। কোন কাজের আর ঝামেলা ছিল না।তখন বুঝে ছিলাম নারী জাতিকে মাথাতে নয় পায়ের তলায় রাখতে হয়। বেশি আলগা দরদ দেখালে বিগড়ে যায় এরা। তাই তাকে কন্ট্রোলে রাখার জন্য পান থেকে চুন খসলেই মারতাম। এক সময় দেখলাম, আমার স্ত্রী আগের মতো আর চঞ্চল নেই, প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না, কোন আবেগ আর দেখায় না। যা বলি বিনা বাক্যে করে দেয়। মাঝে মধ্যে মনে হতো যেন এখন রোবট নিয়ে বাস করছি। ওর হাসি মাখা মুখটা ভুলে গেছিলাম। এক রাতে দেখি স্ত্রী পাশে নেই, আমি মনে করেছিলাম হয়তো ওয়াশরুমে গেছে। কিন্তু অনেক সময় পার হয়ে যাওয়ার পর ও আসছে না দেখে নিজেই উঠে গিয়ে দেখি সে ওয়াশরুমে নেই। বাইরে বারান্দায় জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজ পড়ছে,বাজে তখন ৩:২৫মিনিট। হয়তো তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ছে। খানিক ক্ষন আড়াল থেকে দেখলাম। মোনাজাতের সময় সেজদাহ হয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। তার কান্না কখনোই আমার অন্তর অব্দি পৌঁছায়নি। আগে অল্প কিছু হলেই ফ্যাচ ফ্যাচ করে কেঁদে ফেলতো বড্ড বিরক্ত লাগতো। কিন্তু এই নামাজে কান্না দেখে কেমন যেন অন্তরে ভয় ঢুকে গেল। এই কান্না আমাকে হিম করে দিলো। পাঁজরে যেন কেউ আঘাত করছে তেমন কষ্ট হচ্ছিল।
আমি আর দাঁড়াতে পারলাম না। চলে আসলাম ঘরে । শুধু মাথার ভিতর কাজ করছিল আল্লাহর কাছে সে কি এমন চাচ্ছিলো যে এমন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে সে। পরদিন সন্ধ্যায় দেখলাম আমার স্ত্রী বারান্দায় বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি চুপচাপ তার পাশে গিয়ে বসলাম। আমাকে বসা দেখে সে উঠে চলে যেতে নিলে আমি তাকে বলি , কোথায় যাচ্ছো? সে ভীতু চোখে বলে,এই সময় তো চা খাও,আমি এখনি চা করে আনছি। আরে চা লাগবে না এখন , তুমি আমার পাশে বসো একটু। আমার কথায় সে কিছু ক্ষন বোকার মত চেয়ে রইল তার পর বাধ্য মেয়ের মত আমার পাশে খানিকটা দূরত্ব বজায় রেখে বসে পড়লো। আমি ওর দিকে তাকিয়ে নরম সুরে বললাম। তোমার কি কোন অভিযোগ আছে আমার প্রতি?? এমন প্রশ্ন করাতে সে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষন, হয়তো বুঝতে চেষ্টা করছে কেন এমন প্রশ্ন হঠাৎ করছি। অন্য দিকে তাকিয়ে সে শান্ত স্বরে বলল অভিযোগ আমার আর কোন মানুষের কাছে বলিনা। যা অভিযোগ তা সব আল্লাহর কাছে পেশ করি। কারন কিছু ঠিক করে দেওয়ার হলে তিনিই দিবেন আর না ঠিক করার হলে বদলে দিবেন। সব কিছু তার হাতেই। তাই কারো প্রতি আমার অভিযোগ,রাগ ক্ষোভ কিছুই নেই। তাহলে কাল রাতে নামাজে এমন কি প্রার্থনা করছিলে যে কাঁদছিলে তুমি? সে আমার দিকে তাকিয়ে বলল, একটা সময় ছিল যখন আল্লাহর কাছে তোমাকে পাওয়ার জন্য ঠিক ঐ ভাবে কাঁদতাম,প্রতিটি মোনাজাতে। এখন ও ঠিক সেই ভাবেই আল্লাহর কাছে চাই তোমার কাছ থেকে মুক্তি পেতে।

আমার স্ত্রীর এই কথা টা সেদিন আমার কলিজা ছেদ করেছিল। একটা সুক্ষ্ম ব্যাথা অনুভব করছিলাম। আমার কাছে মনে হচ্ছিল এর থেকে বেদনাদায়ক কথা এই পৃথিবীতে আমার জন্য একটাও নেই। আমার স্ত্রীর চোখের কোণে তখন পানি ছিল। আমি বুঝে ছিলাম নারী কে কঠোর হয়ে কখনো আয়ত্তে রাখা যায় না।

মেয়ে মানুষ আল্লাহর কাছে অন্তত প্রিয় এবং দামী। তাই পুরুষের কাছে সে দাসী নয়। ভালোবাসা, সম্মান , ধৈর্য,যত্ন দিয়ে নারীকে যে ভাবে ইচ্ছে চালনা করা যায়। অবহেলা,অসম্মান,অযত্ন দিয়ে যেমন কিছু হাসিল করা যায় না। তেমন এক জন রক্তে মাংসে গড়া মানুষ কে আয়ত্তে রাখা যায় না।

অনুগল্প
সমাপ্ত

25/01/2024
ছবিতে যাকে দেখছেন তিনি আগ্রাবাদ সিডিএ বায়তুল আমিন জামে মসজিদের দীর্ঘদিনের খতিব এবং ইমাম।ছোট একটা বাচ্চা কুকুর আঁচড় দিয়েছ...
11/01/2024

ছবিতে যাকে দেখছেন তিনি আগ্রাবাদ সিডিএ বায়তুল আমিন জামে মসজিদের দীর্ঘদিনের খতিব এবং ইমাম।ছোট একটা বাচ্চা কুকুর আঁচড় দিয়েছিলো।আঁচড় টা নরমাল ছিলো তাই তিনি এতোটা পাত্তা দেয় নাই বিষয় টা।রেবিস হওয়ার পর ডাক্তারা ৪৮ ঘন্টা সময় দিয়েছিলো কিন্তু তিনি তার আগেই মারা গেছেন।তার মৃত্যু আমি সরাসরি দেখেছি কি ভয়ানক মৃত্যু।রেবিস রোগী মৃত্যুর আগে পাগলের মত আচরণ করে তখন ডাক্তাররা বুজে যায়।।সে দিন এই ইমাম সাহেব যখন শেষ পর্যায়ে তখন দেখলাম নার্স রা রুম থেকে সবাইকে বের করে দিয়েছে,আর রুম কে তালা মেরে দিয়েছে,কারন শেষ মুহূর্তে তারা পাগল হয়ে যায় সামনে যাকে পাবে তাকে কামড় বা আঁচড় দিবে,এই রোগী যাকে কামড় দিবে তারও মৃত্যু ১০০০% নিশ্চিত হয়ে যাবে।।দরজা তালা মেরে দেওয়ার পর বাঁচার জন্য কি করলো,কত চাইলো রুম থেকে বের হতে,রুমের ভিতর দৌড়া,দৌড়ি করতে লাগলো আর শুধু ধাক্কা খাচ্ছিলো দেওয়াল আর চৌকির সাথে,এটা দেখে তাদের আত্নীয়রা নার্সদের থেকে অনুমতি চাইলো দরজা খুলে তাকে একটু ধরে রাখবে যাথে ধাক্কা না খাই।কিন্তু নার্সরা অনুমতি দিলো না,তারা বললো তিনি আর ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে মারা যাবে অপেক্ষা করুন,ওনার জন্য তো আমরা আপনাদের মৃত্যুর মুখে ফেলে দিতে পারি না।একটা দেশি মুরগী জবাই দেওয়ার পর মুরগী যেভাবে চটপট চটপট করে মৃত্যু হয় জলাতঙ্ক রোগীর মৃত্যু একদম সেম ভাবে হয়।।।
১৪০০শ বছর আগে আমাদের প্রিয় নবী বলে গিয়েছেন কুকুর নাপাক প্রানী।।১৪০০ বছর পর মেডিকেল সায়েন্স বলছে জলাতঙ্ক ভেকসিন করা নাই ঐ ধরনের কুকুরকে আপনি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে আপনারও হয়ে যেথে পারে জলাতঙ্ক,কুকুর স্পর্শ করে আমরা যদি আমাদের শরীর চুলকায় বা আমাকের শরীরের কোন ক্ষত স্থানে সে হাত লেগে যায় তাহলেও রিক্স থাকে জলাতঙ্কের,রেবিস ভাইরাস রক্তের মাধ্যম আমাদের শরীরে প্রবেশ করে না,রেবিস ভাইরাস আমাদের চামড়ার নিচে যে সাদা একটা চর্বির আস্তর থাকে সেই চর্বি থেকে মাথায় চলে যায়,প্রথমে আমাদের ব্রেন আক্রমন করে ব্রেন ইনজুরি করে দেয়,পরে আস্তে আস্তে আমাদের গলাতে নামতে শুরু করে,আমাদের গলার যে নার্ভ থাকে সে নার্ভকে ধ্বংস করে দেয়,গলার নার্ভের মাধ্যমে আমরা পানি খেয়ে থাকি বা অন্যন্য খাবার খেয়ে থাকি।নার্ভ যখন পুরাপুরি বিকল হয়ে যায় তখন এই রোগী গলা দিয়ে কোন পানি বা খাবার খেতে পারবে না,গলাতে কিছু গেলেই তার শ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে কারন যেই নার্ভ খাবার গিলতে সাহায্য করে তা আর কাজ করছে না,তাই সে পানির পিপাসায় একটা সময় মারা যায়।।তারা পানি দেখলেই ভয় পাই কারন পানি গলায় গেলে সে আর শ্বাস নিতে পারে না, যদি আপনি জলাতঙ্ক ভেকসিন না নিয়ে থাকেন।আমাদের একটা ভুল ধারনা আছে,আমরা মনে করি কুকুর কামড়ালে বা আছড় দিলে রেবিস ভেকসিন দিতে হয়,মেডিকেল সায়েন্স বলছে,কুকুরের লালা তে সবচেয়ে বেশি জলাতঙ্ক ভাইরাস রেবিস থাকে,কুকুর তার জিহবা দিয়ে তার শরীল চাটে,এই চাটার কারনে কুকুরের পুরা শরীলে রেবিস জীবানু থাকার রিক্স থাকে মনে রাখবেন যদি দেখেন কুকুরের শরীল পানি ধারা ভেজা সে ভেজা কুরুর আপনার হাত স্পর্শ হয় বা পায়ে স্পর্শ হয় তাহলে সাথে সাথে এই স্থান কাপড় কাঁচা সাবান নিয়ে ১৫ মিনিট ওয়াশ করবেন।।তাই সকলে কুকুর থেকে সাবধানে থাকবেন।কুকুর আপনার শরীল স্পর্শ করলে সাথে সাথে ১৫ মিনিট কাপড়কাচার সাবান দিয়ে পরিষ্কার করবেন। তারপর বেরিস ভেকসিন দিয়ে দিবেন,আর রেবিস ভেকসিন কখনো সরকারি মেডিকেল ছাড়া অন্য যায়গায় দিবেন না,যে কোন টিকা সরকারি মেডিকেল ছাড়া অন্য যায়গায় দিবেন না,আমরা অনেকে ফার্মেসিতে ভেকসিন বা টিকা দিয়ে থাকি এটা উচিত না,একজন ফার্মেসির কাজ ঔষধ বিক্রি করা টিকা দেওয়া না,ভেকসিন দেওয়ার নিয়মই তারা জানে না,,রেভিস ভেকসিন নিদিষ্ট তাপমাত্রায় রাখা লাগে না হয় সেই ভেকসিন কাজ করবে না ,।মেডিকেল সায়েন্স বলছে ৯৯ % জলাতঙ্ক রোগ ছড়ায় কুকুর।।বিড়ালেরও জলাতঙ্ক হয় যদি সেই বিড়াল কুকুরের কামড় খায় বা কুকুর যে যায়গায় খাবার খাই একই যায়গায় বিড়াল মুখ দেয় তাহলে সে বিড়ালও জলাতঙ্কে আক্রান্ত হয়।তাই বিড়ালের কামড় বা বিড়ালের আচড় বা বিড়াল আপনার পা চেটে দিয়েছে তাহলেও আপনাকে ভেকসিন দিতে হবে।একবার আপনার শরীলে রেবিস ভাইরাস ঢুকে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু, কারন জলাতঙ্ক রোগের কোন চিকিৎসা নাই।আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুক।।। জলাতঙ্ক রোগীর মৃত্যু হয় অনেক কষ্টদায়ক ভাবে।।২/৩ টা জলাতঙ্ক রোগীর মৃত্যু নিজ চোখে দেখার পর আমি শপথ নিয়েছি এই বিষয়ে আমি সবাইকে সতর্ক করবো।।
আমার পোষ্টটা সবাই শেয়ার করবেন যাথে সবাই একটু সতর্ক হয়।রেবিস ভেকসিন সকল টপিক্যাল সরকারি হাসপাতালে সম্পূর্ণ ফ্রিতে দেওয়া হয়।কেউ যদি কখনো কুকুরের আক্রমণে আক্রান্ত হন আমার সাথে যোগাযোগ করবেন,ইনশাআল্লাহ আমি আমৃত্যু সবাইকে সাহায্য করবো,আমি চাইনা এই করুণ মৃত্যু আর কোন ব্যক্তির হোক।।কুকুরের আক্রমণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভেকসিন দিতেই হবে।আপনারা ইউটিউবে জলাতঙ্ক রোগী দিয়ে সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন এই রোগ কতটা ভয়াবহ।আমরা রাস্তার কুকুরকে পাত্তাই দি না সবাই দয়া করে একটু সচেতন হয়।।।
(সংগৃহিত-মোশাররফ হোসাইন মামুনের টাইম লাইন থেকে)

6000 বছর ধরে একজায়গাই ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ICE BURG ,যেটি ঢাকার চেয়েও বড়। Global warming কারনে  Antarctica থেকে ভেসে য...
15/12/2023

6000 বছর ধরে একজায়গাই ছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ICE BURG ,যেটি ঢাকার চেয়েও বড়। Global warming কারনে Antarctica থেকে ভেসে যায়। এখানে প্রায় ৮ রকমের প্রাণী বসবাস করতো,ধারনা করা হচ্ছে প্রায় ১০/১৫হাজার এর চেয়েও বেশি POLAR BEAR এবং লাখ এর চেয়েও বেশি Penguin ছিলো। 💔🙂
Source: BBC Global

Alhamdulillah.. share this post
03/12/2023

Alhamdulillah.. share this post

⛔এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শায়খ বিন বাযকে জিজ্ঞেস করা হয়- বেসিনে গরম পানি ঢাললে কি জীনদের সমস্যা হয়?উত্তরে বিন বায (রহ:) ব...
02/12/2023

⛔এক প্রশ্নোত্তর পর্বে শায়খ বিন বাযকে জিজ্ঞেস করা হয়- বেসিনে গরম পানি ঢাললে কি জীনদের সমস্যা হয়?

উত্তরে বিন বায (রহ:) বলেন- "হ্যাঁ, বেসিনে কিংবা মাটিতে গরম পানি ফেলার আগে যেন 'বিসমিল্লাহ' পড়ি। এতে করে সেখানে কোনো বসবাসকারী থেকে থাকলে তারা সরে যাবে। আমি একবার এক আছরগ্রস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়েছিলাম, তার ওপর সওয়ার হওয়া জ্বীনের কাছে জানতে চাওয়া হলো- কেন তুমি একে কষ্ট দিচ্ছো? জ্বীন জানালো- সে গরম পানি ঢেলে বেসিনের পাইপে থাকা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে তাই। আমরা বললাম- সে তো জানতো না, সেখানে কেউ ছিল। জ্বীন বললো- সে কেন 'বিসমিল্লাহ' পড়েনি? বাসমালা (বিসমিল্লাহ) পড়লে আমরা সতর্ক হয়ে স্থানান্তর হয়ে যেতে পারি।"

(ফতোয়ায়ে বিন বায)

তাই বেসিনে বা অন্য কোথাও গরম পানি ঢালার আগে অবশ্যই উচ্চ শব্দে 'বিসমিল্লাহ' পড়ে নিন।

তবে শায়েখ_আব্দুল্লাহিল_হাদী নিম্নটুকু সংযোযন করেছনে।

"শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহিমাহুল্লাহ উক্ত ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন তা ঠিক।
কিন্তু মনে রাখা প্রয়োজন যে, হাদিসে কেবল গরম পানি ফেলার ক্ষেত্রে বিসমিল্লাহ পাঠ করার কথা আলাদাভাবে আসেনি।বরং যে কোন কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ পাঠের কথা এসেছে।
আর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, টয়লেটে প্রবেশ করার সময় যদি কেউ বিসমিল্লাহ (অত:পর টয়লেটে প্রবেশের দুআ) বলে প্রবেশ করে তাহলে সেখান থেকে শয়তান পালিয়ে যায়।
তাহলে বোঝা যাচ্ছে, বিসমিল্লাহ শয়তানকে বিতাড়িত করে।
সে হিসেবে বলা যায়, গরম পানি ফেলার আগেও যদি বিসমিল্লাহ বলা হয় তাহলে সেখানে শয়তান থাকলে পলায়ন করবে। অন্যথায় গরম পানি পড়ে শয়তান ক্ষতিগ্রস্ত হলে সে মানুষের ক্ষতি করতে পারে।"

- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল

কি সুন্দর একটা লিখা তাই না?❤️❤️
27/11/2023

কি সুন্দর একটা লিখা তাই না?❤️❤️

Address

Khilgaon
Dhaka

Telephone

+8801927975264

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Aanaya's Creations posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share