Shila Handcraft

Shila Handcraft আসসালামুয়ালাইকুম, দর্শক বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই,আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। সেলাই আমার শখ,শখের বসে টুক

হাতের কাজের সুতি বেবি ড্রেস  dress
11/12/2025

হাতের কাজের সুতি বেবি ড্রেস dress

খেয়াল করবেন, মেয়েরা জীবনসঙ্গী হিসেবে বাবার মতো ছেলে চায়। একটা কথা আছে না? বাবারা তাদের মেয়েদের একটু বেশিই ভালবাসে। ছোটবে...
21/09/2025

খেয়াল করবেন, মেয়েরা জীবনসঙ্গী হিসেবে বাবার মতো ছেলে চায়। একটা কথা আছে না? বাবারা তাদের মেয়েদের একটু বেশিই ভালবাসে। ছোটবেলা থেকেই একটা মেয়ে তার সবচেয়ে গভীর, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সম্পর্ক গড়ে তোলে তার বাবার সাথে। বাবাই প্রথম পুরুষ যার সাথে সে সবচেয়ে নিরাপদ। বাবারাই মেয়েদের সর্বপ্রথম শেখান, একজন পুরুষ কেমন হলে একজন নারী সেই পুরুষের কাছে নিরাপদ। আবার খেয়াল করে দেখবেন, একজন মেয়ে যখন বড় হয়, অবচেতন ভাবেই সে এমন কাউকে খোঁজে যার আচরণ, সাহস, রুচি এবং দায়িত্ববোধ তার বাবার মতো। বাবা যদি একটু রাগী হয় অথবা কথা কম বলে, এরকম টাইপের হয় তাহলে মেয়েরাও এমন কাউকেই তার লাইফে এক্সপেক্ট করবে। যে ছেলে কম কথা বলবে, প্রত্যেকটা মূহুর্তে বাবার মতো ছাঁয়া হয়ে পাশে থাকবে, বাবা যদি হয় খুব যত্নশীল, আত্মত্যাগী ও ব্যক্তিত্ববান তাহলে সে এমন একজন মানুষকেই সঙ্গী হিসেবে খুঁজবে যার মধ্যে এ সমস্ত গুণাবলী বিদ্যমান। এটা একরকম আবেগগত অভ্যাস বলতে পারেন। মেয়েরা হয়তো বুঝেও উঠতে পারে না, যে এই ছেলেটার আচরণে সে যে আশ্রয়ের ছাঁয়া খুঁজে পায় সেটা তার ছোটবেলার স্মৃতির অনূভব। মেয়েরা যে এগুলো করে প্ল্যান করে আসলে ব্যাপার টা এমন নয়। সে শুধু অনূভব করে এই ছেলেটার মাঝে একটা আপন আপন অনুভূতি আছে কিনা! অথচ সেটা আসলে তার পুরনো অভ্যাসের বা অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি। এজন্যই মেয়েরা তার বাবার মতো একজন জীবন সঙ্গী চায়। বাবার মতোই রাগী কিন্তু ভালবাসার ক্ষেত্রে কমল। বাবার মতোই কঠিন প্রকৃতির কিন্তু তবুও তার কাছে সে ফার্স্ট প্রায়োরিটি। যার কাছে নিজেকে সপে দিলে মনে হবে, পৃথিবী এখনো নিরাপদ। পৃথিবীতে এখনো স্বার্থহীন ভালবাসা বিদ্যমান।

কি সুন্দর অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য
21/06/2025

কি সুন্দর অপরূপ প্রাকৃতিক দৃশ্য

আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের ভালোবাসায় আমার ইউটিউব চ্যানেলটা আস্তে আস্তে বড় হ‌ইতেছে, আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ 🙏🙏🙏🙏
08/06/2025

আলহামদুলিল্লাহ, আপনাদের ভালোবাসায় আমার ইউটিউব চ্যানেলটা আস্তে আস্তে বড় হ‌ইতেছে, আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ 🙏🙏🙏🙏

17/05/2025

গৃহিণী-প্রজন্ম গড়ার মহা প্রকৌশলী

ঘরই নারীর শোভা, সৌন্দর্যের অমল ধারা,
যেখানে ভালোবাসা গড়ে তোলে সংসারপাড়া।
তবু একদিন তাকে বোঝানো হল ভুল–
“তোমার গৃহই যেন শৃঙ্খল, বেঁধে রাখে কুল।”

বলেছে কেউ, সফলতা বেতনের হিসাব,
চেয়ারে বসা মানেই বুঝি জীবনের স্বপ্নসাধ।
ঘরের চার দেয়াল নাকি সীমা আর হার,
সেবা নাকি ছোট কাজ—এই ছিল বারবার।

কিন্তু কে দেয় শৈশবে বীজ, মাটিতে পবিত্রতা?
কে গড়ে তোলে আত্মা, ঢালে ঈমান-নৈতিকতা?
সে তো মা—প্রজন্ম গড়ার প্রকৌশলী,
ঘরে থাকা তার কাজ নয়, বরং তা ইবাদতের ঢালি।

ঘরের কোণেই লুকায় জীবন গঠনের চাবি,
তোমার থাকা মানে নয়—স্বপ্ন থেকে হাবুডুবি।
সন্তান লালন কোনো দুর্বলতার পরিচয় নয়,
তা তো ভালোবাসার বিজয়, এক শক্তির অগ্নিশিখা রয়।

আধুনিকতা ছিনিয়ে নেয় স্বাভাবিক সে রূপ,
ভিন্ন ভূমিকায় ছুটে নারী, খোঁজে অচেনা স্নেহসূত্র।
তার মাতৃত্বের মর্ম আজ অনেকে রাখে না মনে,
তবু সে খুঁজে ফেরে নিজেকে অলীক স্বপ্নখানে।

তবুও রয়েছেন অনেকে, হৃদয়ে যাঁদের দীপ্তি,
ঘরকে মানেন কর্মভূমি, সন্তানই যাঁদের সম্পদ নিত্য।
সোনার গয়না নয় যাঁদের চোখে ধন,
বরং সন্তানই তাঁর অহংকার, তাঁর চিরচেনা মন।

সালাম তাঁদের প্রতি, যাঁরা বেছে নেন হৃদয়ের কাজ,
দেয়াল গড়ার আগেই গড়েন মূল্যবোধের রাজ।
ডিগ্রি নয়, চরিত্রে দেন আলোকবর্তিকা,
গৃহিণী—অবিরাম ঝরনাধারা, ক্লান্তিহীন এক সঙ্গিকা।

শ্রদ্ধা রইলো সেই সকল নারীদের প্রতি—
যাঁরা ঘরে থেকেও গড়েন জাতির ভবিষ্যৎ গাথা।

লেখিকার নাম গোপন রাখা হলো।

🎉 Just completed level 3 and am so excited to continue growing as a creator on Facebook!
15/05/2025

🎉 Just completed level 3 and am so excited to continue growing as a creator on Facebook!

15/05/2025

বাবা-মা তো নয়,,,যেন নরপিচাশ এরা,,,😡😡

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।

ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।

মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।

যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।

কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।

মেয়টা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।

কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।

কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।

মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।

তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।

তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মারা যায় মেয়েটা।

পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।

পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়।

লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।

তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।

এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।

তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁসি দিতে বলে।

বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।

একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মেরেছে।

বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।

তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মেরেছে।

তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মেরেছে।

প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।

তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।

এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।

এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।

এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।

তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।

জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।

গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।

মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এসএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।

আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।

অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্নাতকে।

কি আর বলবো ভাষা নাই আল্লাহ সবাই কে হেদায়াত দান করুক আমীন। এমন বাবা - মা যেন আল্লাহ কাউকে না দেন।😥😥।

সংগৃহীত

#আমার #সবাই #সবাই

ধৈর্য আর চেষ্টা ছাড়া কোন কাজেই সফল হওয়া যায় না ।মনে রাখবেন আমরা এক দিনে হাঁটা শিখিনি ।তাই যে কাজটি আপনার কঠিন মনে হয়...
15/05/2025

ধৈর্য আর চেষ্টা ছাড়া কোন কাজেই সফল হওয়া যায় না ।
মনে রাখবেন আমরা এক দিনে হাঁটা শিখিনি ।

তাই যে কাজটি আপনার কঠিন মনে হয় সে কাজটি ধৈর্য সহকারে বেশি বেশি চেষ্টা করুন ?

আলহামদুলিল্লাহ,, কন্টেন মনিটাইজেশনের সেটআপ পেয়ে গেছি
15/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ,, কন্টেন মনিটাইজেশনের সেটআপ পেয়ে গেছি

Address

Road No 8
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shila Handcraft posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share