09/07/2026
চীন বাংলাদেশ কে প্রস্তাব দিয়েছে মিয়ানমার এর ভেতর দিয়ে সরাসরি চীনে রেল সংযোগ স্থাপনের, যেখানে চলবে ৪৫০ কিমি/ঘন্টায় চলা বুলেট ট্রেন, মানে ৫/৬ ঘন্টায় বাংলাদেশ থেকে ট্রেন চীনে পৌঁছে যাবে।
এছাড়া প্রস্তাব দিয়েছে সড়কপথের যা ব্যবহার করে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টায় পন্য আনা নেওয়া করা যাবে।
দুটি প্রস্তাব বা ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশের জন্য গেম চেঞ্জার....
মেইন কথা হল মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে যদি সড়ক পথে চীনের করিডোর হয়েই যায়, বাংলাদেশের মানুষ চীনকেই বেছে নিবে।
কি ব্যবসা, ভ্রমণ বা মেডিকেল পারপাস ।
অনেকেই জানেন বাংলাদেশ ভারত থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে ভোগ্যপন্য আমদানি করে থাকে, শুধুমাত্র পার্শ্ববর্তী দেশ হওয়াতে খুব কম সময়েই পেয়ে যায়... এবং কস্টিং কম হয়।
এটা উল্লেখযোগ্য কারন....
এখন সেম সুযোগ যদি চায়না থেকেই পাওয়া যায়...মানে ট্রান্সপোর্টেশন, ব্যবসায়ীরা অবশ্যই চায়না তে মুভ করবেই কারন সেখানের পন্যের সোর্সিং টা ভারত এর থেকে আরও বেশিই বলা যায়।
শুধু ইমপোর্ট না...এক্সপোর্টও বাড়বে।
আপনারা জানেন কি না জানি না.... ভিয়েতনাম একাই চীনে গত অর্থবছরে ৬১ বিলিয়ন ডলারের পন্য রপ্তানি করেছে যার মধ্যে ১২-১৩ বিলিয়ন শুধু কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াকরন পন্য।
তাহলে ভাবতে পারছেন কি পরিমান রপ্তানির সুযোগ, আমাদের চীনে রয়েছে।
এবং চীনে দেশ থেকে অলরেডি আম রপ্তানি হয়েছে, কাঁঠাল রপ্তানির জন্য চুক্তি হয়েছে অথ্যাৎ খুব শীঘ্রই চীনে পৌঁছে যাবে দেশের কাঁঠাল... এরপর একএক করে পেয়ারা বা অন্যান্য কৃষি পন্য ।
এছাড়া কুচিয়া বা চিংড়ি, কাঁকড়া তো রয়েছেই।
আর এসবের জন্যই হয়ত ভারত দ্রুত গতিতে ভিসা আবার চালু করছে !!
গুরুত্ব পূর্ণ পয়েন্ট হল এই ইনিশিয়েটিভ টা কার্যকর হলেই ভারতের পর্যটন ব্যবসা, চিকিৎসা ব্যবসা, বাংলাদেশে বিগ ভলিউমে রপ্তানি ব্যবসা সব কিছুর লালবাতি জ্বলে যাবে।
বাংলাদেশের মানুষ কথায় কথায় চীনে ঘুরে বেড়াবে।
চিকিৎসার জন্য চীনেও যেতে পারবে খুব সহজে।
এবার ভিসা বন্ধ হওয়ার পর অনেকেই চীনে চিকিৎসার জন্য গিয়েছে।
ব্যবসায়ীরা সহজেই পন্য আনা নেয়া করতে পারবে।
চীনের সাথে বাংলাদেশের সামরিক সহযোগিতা, পর্যটন ও ব্যবসা বাণিজ্যের একটা বিপ্লব ঘটবে৷
ফর দিস রিজন এই করিডোর খুবই জরুরি ভিত্তিতে দরকার এবং এটা হবেও , এটা চীনের বহুত আগে নেওয়া BRI প্রকল্পেরই অংশ । এমনকি এই প্রকল্পের কাজ কিছু এগিয়েছে ও....
BRI প্রকল্প কি এটা জানতে যাস্ট গুগল করলেই পেয়ে যাবেন কারন এটা অনেক বড় একটা প্রকল্প ।
যায়হোক সুবিধা আরও আছে.... এই একটা করিডোর লাউস, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, সিংগাপুরসহ দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের সাথেই বাংলাদেশ ইজি কমিনিউকেশন করে দিবে যা বাংলাদেশকে ভারত নির্ভর ব্যাবসা বানিজ্য কমিয়ে দিয়ে এই অঞ্চলের গেইম চেঞ্জার করে তুলবে।
রপ্তানি ও বাড়বে... আর আমি স্বপ্ন দেখি রপ্তানি বাড়ানোর।